পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা!



লাইফস্টাইল ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুখী দাম্পত্য-জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি সুস্থ যৌনজীবন। কিন্তু এখনও যৌনজীবন নিয়ে কথা বললেই নাক সিঁটকান অধিকাংশ মানুষ। তাই কোনও সমস্যা দেখা দিলেও তা লুকিয়ে রাখাই দস্তুর। বিশেষ করে, অনেক সময় যৌনমিলনে সমস্যা দেখা দিলেও মুখ ফুটে বলে উঠতে পারেন না পুরুষরা। এমনই এক সমস্যা হল বন্ধ্যাত্ব।

অনেক পুরুষের মধ্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হ্রাস পাওয়া, শুক্রাণুহীনতা, মিলনে অক্ষমতা-ইত্যাদি নানা রোগ দেখা যায়। পরিবেশ দূষণ, অতিরিক্ত মদ্যপান, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, চর্বিজাতীয় বা রাস্তার খাবার খাওয়ার প্রবণতা, তামাক সেবন— বিবিধ কারণে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বাড়ে।

এছাড়াও কী কী কারণে হতে পারে বন্ধ্যত্ব?

১) ক্রোমোজ়োমঘটিত রোগ যেমন ক্লাইন, ফিলটার সিনড্রোম প্রভৃতির জন্য শুক্রাণু কমে যেতে পারে।

২) ড্যারিকোসিন নামক অণ্ডকোষের রোগ, সিলিয়াক ডিজিজ়ের কারণেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অনেকক্ষণ ধরে সাইকেল চালানো, অতিরিক্ত তাপের সামনে বসে কাজ করা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৩) ক্যানসার রোগে ব্যবহৃত ওষুধ, পেশি তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত অ্যালকনিক স্টেরয়েড, সাইমেটাকিন নামক অম্বলের ওষুধ, গ্লাইরোকেল্যারুটোন নামক ওষুধ থেকেও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।

৪) একাধিক গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের ব্যবহারে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হতে পারে।

৫) শুক্রাণুর সংক্রমণ হলে তার নড়াচড়ার ক্ষমতা লোপ পায়। ফলে বন্ধ্যাত্ব অবধারিত। ওষুধের সাহায্যে শুক্রাণুর সংক্রমণ সারানো যায়। কিছু ক্ষেত্রে শুক্রাণুর কাউন্টও বাড়ানো সম্ভব হয়। তবে শুক্রথলি বা টেস্টিসের কার্যকারিতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলে তার চিকিৎসা করা মুশকিল। ন্যূনতম ২ কোটি শুক্রাণু না থাকলে সন্তান উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে।

৬) ইদানিং অনেকটাই গতিময় হয়ে গিয়েছে কর্মজীবন। তবে শুধু কাজেরই নয়, অনেক সময় মাথায় থাকে পারিবারিক নানান চাপও। শুধু বাহ্যিক কারণেই নয়, নিজের মনেও মধ্যবয়সে অনেক রকম টানাপড়েন চলে। এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। মানসিক চাপ ডেকে আনতে পারে অনিদ্রা ও হরমোনের ভারসাম্যের সমস্যা। ফলে সমস্যা দেখা দিতে পারে যৌনজীবনেও। দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্ব।

   

বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করলে যা করবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করা

বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করা

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ধু হলো এমন এক মানুষ, যাকে বিপদে আপদে সব সময় পাশে পাওয়ার আশা মানুষ করে। জীবনে আমাদের কাছের যে মানুষ থাকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। অন্যান্য সম্পর্ক আমরা নিজেরা বাছাই করতে না পারলেও, বন্ধু এমন এক সম্পর্ক যা আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করতে পারি।

অনেক সময় বন্ধুদের সাথে থেকেও আমরা একাকিত্ব অনুভব করি। বন্ধুদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা ভিন্নরকম হতে পারে। সবসময় হয়তো পরিবেশে ও পরিস্থিতি একরকম থাকে না। বন্ধুদের মধ্যে থেকে একাকিত্ব অনুভব করলে তা হৃদয়কে ভারী করে তুলতে পারে।

অনেক সময় এরকম অনুভূতি যোগাযোগের অভাবে হতে পারে। অথবা আগ্রহ, মূল্যবোধ বা অনুভূতির ভারসাম্য ঠিক না থাকার কারণেও হতে পারে। সেই ব্যাপারেই মন্তব্য করেছেন থেরাপিস্ট ইসরা নাসির।

১. বন্ধুমহলে একাকিত্ব অনুভব করলে তা নিজেকেই কাটিয়ে উঠতে হবে। বন্ধুত্বে চাহিদা এবং প্রত্যাশার প্রতিফলন না ঘটালে সামনের মানুষ কখনোই আমাদের অনুভূতি বুঝবে না। কারণ যত ভালো বন্ধুই হোক, নির্দিষ্ট সময়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি বোঝা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।   তাই নিজের অনুভূতি প্রকাশে নিজেকে আগে সোচ্চার হতে হবে।

২.অন্যদের উদ্যোগের অপেক্ষা করা যাবে না। অনেক সময় বন্ধুদের সাথে আমাদের দেখা করার ইচ্ছা থাকলেও আমরা প্রকাশ করি না বা কাউকে জানাই না। আমরা অপেক্ষা করি , অন্য বন্ধুদের প্ল্যান করার। সেই কাজটা চাইলেই আমরা করতে পারি। দেখা করার এবং সুন্দর একটা সময় কাটানোর পরিকল্পনা করা খুব কঠিন কিছু নয়।     

৩.আমাদের নিজেদের পরিবেশের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হতে হবে। আমাদের চারপাশে আমাদের সাথে কারা বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী, তা লক্ষ্য করতে হবে। এভাবে বন্ধুবৃত্ত বড় করার পরিকল্পনা করতে হবে।

৪. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে এমন মনে হলে তার সাথে একান্তে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। তাদের থেকে আমরা যেরকম ব্যবহার আশা করছি তা সরাসরি জানাতে হবে। একাকিত্ব অনুভব করার সম্পর্কেও তাদের জানাতে পারেন।

৫.শুধু সংখ্যায় বন্ধু বাড়ানোর চেয়ে, বন্ধুত্বে গভীরতা বাড়ানোতে মনোযোগী হতে হবে। কারণ, বিপদে পাশে থাকবে এমন বন্ধুই প্রয়োজন। তাই সংখ্যায় কম হলেও, প্রকৃত বন্ধুর গুরুত্ব বেশি।    

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

;

যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু

যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিমংল যমুনা ফিউচার পার্কে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক ২০২৪। যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলামফেব্রিক উইকের উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠেছে এ এক্সপোর। 

যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল ৭ এ শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা আসতে পারবেন প্রদর্শনীতে।

ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের বায়ারদের জন্য হুরাইনের পক্ষ থেকে বসন্ত ও গ্রীষ্মের জন্য বিশ্বমানের ফেব্রিক দিয়ে তৈরি পোশাক প্রদর্শন করা হচ্ছে। বিভিন্ন গার্মেন্টসের প্রধান, বিপণন কর্মকর্তা ও বায়িং হাউজ থেকে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। এবারের প্রদর্শনীতে ১৬৫ ধরনের নতুন ফেব্রিকের পাশাপাশি সাড়ে ৪ হাজার ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এর সবই হুরাইন উদ্ভাবিত।

হুরাইন ফেব্রিক উইক সম্পর্কে যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই হুরাইন এইচটিএফ দুবার ফেব্রিক উইকের আয়োজন করে।

এ বছর ২০২৫ সালের স্প্রিং (বসন্ত) এবং সামার (গ্রীষ্ম) সিজনের ওপর ভিত্তি করে এ আয়োজন সাজানো হয়েছে। এরপর আমরা বর্ষা এবং শীতের আয়োজন নিয়ে আসব। মূলত, মৌসুম শুরুর ৮ মাস আগেই সেই মৌসুমে ব্যবহার উপযোগী নতুন রং ও ডিজাইনের হুরাইন উদ্ভাবিত ফেব্রিক সম্পর্কে ধারণা দিতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। যাতে বিদেশি ক্রেতা এবং ডিজাইনারদের অর্ডার দিতে সুবিধা হয়। এই জন্যই আমাদের ফেব্রিক উইক করা হচ্ছে।

রোজালিন ইসলাম বলেন, হুরাইন বিশেষায়িত ফেব্রিক উৎপাদন করে। সচরাচর বাংলাদেশের অন্য টেক্সটাইল মিলগুলো এ ধরনের ফেব্রিক উৎপাদন করে না। আমাদের উৎপাদিত ফেব্রিক সম্পর্কে বিদেশি ক্রেতা ও ডিজাইনারদের জানাতে ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা বিদেশি প্রদর্শনীতেও ফেব্রিক প্রদর্শন করে থাকি। এতে বায়ারদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। এ বছরের শেষ নাগাদ সিনথেটিক ফেব্রিক যেমন পলিয়েস্টার, নাইলন, শিফন ও জর্জেট ফেব্রিক উৎপাদন শুরু করব।

তিনি বলেন, জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল হুরাইন শুধু বাংলাদেশের নয় বরং বিশ্ববাজারেও নম্বর ওয়ান ব্র্যান্ড হবে। সেভাবেই আমরা কাজ করছি। শিগগিরই আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব বলে আশা করছি।


হুরাইনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন, বাংলাদেশে এখন বিশ্ব মানের ফেব্রিক উৎপাদন হয়। সেটি বায়ারদের জানান দিতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। যদিও সরকার প্রতি বছর রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাধ্যমে টেক্স ওয়ার্ল্ড প্যারিস প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিলগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক ফ্যাশনের হালচাল প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। এখন ম্যান মেইড ফাইবারের যুগ চলছে। এখানে বাংলাদেশের অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশে টেক্সটাইল মিলগুলোকে সঠিক নীতি সহায়তা দিতে পারলে এ খাতে বিপুল পরিমাণ রফতানি আয় সম্ভব। হুরাইন এইচটিএফ সিনথেটিক ফাইবারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বছরের শেষে নতুন সেট আপ চালু করছে, যাতে বছরে সাড়ে ৪ মিলিয়ন গজ কাপড় উৎপাদন সম্ভব।

হাকিম বলেন, হুরাইনের ফেব্রিক গুণগত মান সম্পন্ন হওয়ার কারণে আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা, নিকারাগুয়া, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়াতে সরাসরি রফতানি হচ্ছে। এছাড়া দেশের গার্মেন্টসগুলোর মাধ্যমে প্রচ্ছন্ন রফতানিও হচ্ছে।

প্রদর্শনীতে আসা ফ্যাশন ডিজাইনার জান্নাতুন নাইম বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের ফেব্রিক উৎপাদনে সক্ষম। অনেক টেক্সটাইল মিল ভালো ফেব্রিক বানাচ্ছে। এর মধ্যে হুরাইনের ফেব্রিকের আলাদা বিশেষত্ব আছে। হুরাইন সব সময় উদ্ভাবনীয় শক্তি দিয়ে নতুন কিছু করতে চায়। এবারও নতুন ফেব্রিক দেখতে পেয়েছি যার রং ও ডিজাইন সত্যিই দেখতে সুন্দর, হ্যান্ডফিলও ভালো।

অপরদিকে, ফেব্রিক প্রদর্শনীতে আগত বায়ার ও দর্শনার্থীদের জন্য করা হয়েছে বিভিন্ন জোন। শুরুতেই রাখা হয়েছে পুরো এক্সপোর সামারি। তারপর পর্যায়ক্রমে সাসটেনেবল জোন, ফ্লাক্স ফাইবার, আর কটন, পাইনাপেল ফাইবার হেম্প ফাইবার, ডেনিম কাটিং ফাইবার ডবি জোন, ব্লেন্ডেড বটম, স্ট্রেস বটম, শেপিং টেকনোলজিস, লিলেন ব্লেন্ডস, নিউ ব্লেন্ডস, ইয়ার্ন ডাইড বটমস, রিজিড টুইল, স্ট্রাকচারাল জোন, ওভার ডাই জোন (আরএফডি), ক্লিনিক্যাল ফ্যাশন, টেনসিল ব্লেন্ডস, স্ট্রেট টুইলস জোন রাখা হয়েছে।

এছাড়াও হুরাইন ইতোমধ্যেই বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ড যেমন, সিঅ্যান্ডএ, যারা, আমেরিকান ঈগল, টম টেইলার, এস অলিভার, লেভিস, বারশকাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

;

মেনোপজ এবং পেরিমেনোপজের সময় সুস্থতা নিশ্চিত করবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মেনোপজ এবং পেরিমেনোপজের সময়কাল

মেনোপজ এবং পেরিমেনোপজের সময়কাল

  • Font increase
  • Font Decrease

নারীদের জীবনব্যাপী পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে হয়। কয়েক ধাপে নারীদের শরীর পরিবর্তিত হয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধাপও রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো মেনোপোজ। বয়ঃসন্ধিকাল থেকে নারীদের ঋতুস্রাব হয়। প্রতি মাসেই এই চক্র শুরু হয়। তবে, এই প্রক্রিয়া আমৃত্যুকাল পর্যন্ত ঘটে না। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে নারীদের ঋতুস্রাব চক্র বন্ধ হয়। টানা এক বছরের বেশি ঋতুস্রাব বন্ধ থাকলে সেই সময় টাকে মেনোপজ বলে। মনোপোজে যাওয়ার পূর্ববর্তী প্রক্রিয়াকে বলে পেরিমেনোপজ।   

স্বাভাবিক ভাবেই শরীরের একটি বিশেষ পরিবর্তনের সময় এই পেরিমেনোপজ এবং মেনোপজ। এই সময় শারীরিক বা মানসিক বা উভয় ধরনেরই নানারকম চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। যার সম্মুকীনন হওয়া কারো কারো জন্য কঠিন হতে পারে। সেই পরিবর্তনশীল সময়ের মধ্যে কাজ এবং জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। সেই জন্য ইচ্ছাশক্তির সাহায্যে প্রচেষ্টা করতে হয় এবং নিজেকেই সমর্থন করা প্রয়োজন।

ডাক্তার তেজল কানওয়ার একজন ভারতীয় ঋতুস্রাব স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপক গাইনোকোলজিস্ট। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, মেনোপজ এবং পেরিমেনোপজের সময় শরীরে নানারকম অস্বস্তিজনিত উপসর্গ নজরে পড়তে পারে।  যেমন- বেশি গরম অনুভব করা, মেজাজ পরিবর্তন, ঘুমে ব্যাঘাত, হাড়ের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি, যোনিপথে শুষ্কতা অনুভব করা, ক্লান্তি, স্মৃতিলোপ পাওয়ার সমস্যা এবং অনিয়মিত পিরিয়ড। এই লক্ষণগুলো যেকোনো কারো স্বাভাবিক জীবন এবং সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

ডাক্তার মিনি সালুনখে জানান, বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে এরকম পরিবর্তন সত্ত্বেও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব। সুষম খাদ্য, ব্যায়াম, এবং মানসিক সুস্থতার অনুশীলন- এই অভ্যাসগুলো সামগ্রিক স্বাস্থ্যসুরক্ষায় অবদান রাখতে পারে।

উভয় চিকিৎসকই মেনোপজের সময় কাজ এবং জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাকে গুরুত্ব দিয়েছেন-

শারীরিক ক্রিয়াকলাপ: নিয়মিত ব্যায়াম সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

সুষম খাদ্য: হাড়ের সুরক্ষার জন্য ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।

চিকিৎসা: চিকিৎসা গ্রহণ করার সময়ে হরমোন থেরাপি নেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন।

ঘুম: একটি ঘুমানোর রুটিন তৈরি করুন। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম পূরণ করাকে অগ্রাধিকার দিন।

আর্দ্রতা: গরমে অস্থির হওয়ার লক্ষণ উপশম করতে প্রচুর পানি পান করুন এবং হাইড্রেটেড থাকুন।

যোনি স্বাস্থ্য: যোনি শুষ্কতার সমস্যা এড়াতে পানিসমৃদ্ধ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

;

হাইড্রোকেফালাসে আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রেইনে পানি জমে মাথা বড় হওয়ার রোগের নাম হাইড্রোকেফালাস। এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা সাধারণত দেরিতে চিকিৎসা নিতে আসেন। এর ফলে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি। সঠিক সময়ে হাসপাতালে না আসায় স্বাভাবিক জীবনেও ফিরতে পারছেন না অধিকাংশ রোগী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মের পর বা উপসর্গ দেখেই চিকিৎসা শুরু করলে অর্ধেকের বেশি রোগীই সুস্থ হতে পারে।

আগারগাঁওয়ের নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে গত এক বছরে চিকিৎসা নিয়েছেন সাড়ে তিন শর বেশি রোগী। শেষ পাঁচ বছরে এসেছে সাড়ে ১৮‘শ রোগী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরিতে হাসপাতালে আসায় চিকিৎসা দিলেও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারছে না অধিকাংশ রোগী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দেশে প্রতি বছর জন্ম হওয়া ৩০ লাখ শিশুর মধ্যে কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ হাজার শিশু হাইড্রোকেফালাসে আক্রান্ত হয়। যাদের ৫০ থেকে ৬০ ভাগকে সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিতে পারলে স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসা সম্ভব।

মস্তিষ্কের জন্মগত ত্রুটি, মাতৃগর্ভে জীবাণু সংক্রমণ, আঘাতজনিত কারণ, মস্তিষ্কের পানি প্রবাহের রাস্তায় টিউমারসহ নানা কারণেই মাথার ওজন শরীরের ওজনের চেয়ে বেড়ে দ্বিগুণ বা তিন গুণ হয়। চিকিৎসা না করলে এসব রোগীদের অধিকাংশেরই চোখে ত্রুটি, চলাচলে সমস্যা, মেধাবিকাশ বাধাগ্রস্ত এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

;