কেউ কল রেকর্ড করছে কি-না জানবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
না জানিয়ে মোবাইলে কল রেকর্ডিংয়ের দিন ফুরাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

না জানিয়ে মোবাইলে কল রেকর্ডিংয়ের দিন ফুরাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনুমতি ছাড়া ফোন আলাপ রেকর্ড করা এবং তা ছড়িয়ে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটছে অহরহ। তাছাড়া অনেকের ফোনে অটো কল রেকর্ড হয়। এই বিষয়গুলোর কারণে অনেকেই নিশ্চিত হতে পারেন না, ফোনের অপর পাশের ব্যক্তিটি কথাগুলো রেকর্ড করছেন কি-না।

এবার ফোনের অন্য প্রান্তের ব্যক্তিটিকে না জানিয়ে মোবাইলে কল রেকর্ডিংয়ের দিন ফুরাচ্ছে। অ্যানড্রয়েড ফোনে যথেচ্ছা কল রেকর্ডিংয়ে বিধি-নিষেধ চাপিয়েছে গুগল। খবর ইন্ডিয়ান টাইমস

জানা গেছে, নতুন স্মার্ট ফোনে কল রেকর্ডিংয়ে বসালেই একটি যান্ত্রিক স্বরে ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তির কাছে বার্তা যাবে, ‘আপনার এই কলটি রেকর্ড করা হচ্ছে। আবার রেকর্ডিং বন্ধ করা হলে সেই বার্তাও দু’জনে পাবেন। কনফারেন্স কলের ক্ষেত্রেও তাই হবে।

গুগল কল রেকর্ড অ্যালার্ট যেমন হবে—

১. ফোনে আগের মতো এক তরফা কল রেকর্ড করা যাবে না।

২. গুগল ডায়ালার প্রিইনস্টল অ্যাপ থেকেই ফোন করতে হবে।

৩. ফোনটিকে রেকর্ডিংয়ে দিলে একটি যান্ত্রিক ভয়েসে দু’পক্ষকেই শোনাবে এই কলটি রেকর্ড হচ্ছে।

৪. এটিকে কোনো ভাবেই এড়ানো যাবে না।

৫. তবে থার্ডপার্টি অ্যাপ দিয়ে কল রেকর্ডিং করা সম্ভব।

যে সকল ফল খেলে দ্রুত মেদ ঝরবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শরীরের কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। সেই শক্তি আসে খাবার থেকে। শরীরকে চালানোর জন্য এই শক্তি বাবদ যতটা ক্যালোরি দরকার, খাবারে যদি তার চেয়ে বেশি ক্যালোরি থাকে, তা হলে মেদ জমবে। আর কম ক্যালোরি থাকলে, জমা মেদ থেকে শরীর শক্তি তৈরি করে নেবে। ফলে কমবে মেদের পরিমাণ। তাই সুস্থ থাকার জন্য অনেকেই ক্যালোরি-শূন্য খাবারের খোঁজ করেন। কিন্তু ক্যালোরি-শূন্য খাবার বলে কিছু হয় না। তবে যদি এমন খাবার খাওয়া যায়, যাতে ক্যালোরির পরিমাণ শরীরের চাহিদার চেয়ে অনেকটা কম, তা হলে মেদ কমবে।

তরমুজ

ওজন ঝরানোর ডায়েটে বেশি করে ফল রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। সেক্ষেত্রে কম ক্যালরিযুক্ত ফলের মধ্যে তরমুজ বেছে নিতে পারেন। প্রতি ১০০ গ্রাম তরমুজে ক্যালোরি কাউন্ট ৩০। তাছাড়া এতে ৯২ শতাংশ পানীয় উপাদান থাকে। তরমুজ খেলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

টমেটো

টমেটোতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন। প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে ক্যালোরির পরিমাণ ১৮। তাছাড়া এতে রয়েছে লাইকোপিন যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে এবং হার্ট ভাল রাখে। টমেটোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার থাকে। যা ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

সেলারি

স্যালাড হোক বা স্যুপ, স্বাস্থ্যকর ডায়েটে সেলারির খুব চাহিদা রয়েছে। ১০০ গ্রাম সেলারির ক্যালোরি কাউন্ট মাত্র ১৬। যে কোনও মৌসুমি সবজির সঙ্গেও রান্না করে খেতে পারেন। সেলারির মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি ওয়ান, বি টু এবং বি থ্রি যা কিডনির যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করে। ওজন কমাতে এবং রক্তের পরিমাণ বাড়াতে সেলারির উপকারী।

শশা

ওজন কমাতে লো ক্যালোরি ডায়েট পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থকতে পারে শশা। ওবেসিটি হোক বা ডায়বেটিস, যে কোনও রোগে চিকিৎসকেরা শশা খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম, প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ১৬।

ফুটি

তরমুজের মতোই উপকারী এই ফলে প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৪। প্রচুর পরিমাণ পানীয় উপাদান থাকায় ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচায়। তাছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ফোলেট যা দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

;

ধূমপান ছাড়তে যা করবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিগারেটের নেশা ছাড়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন? অনেক কিছু করে দেখেছেন। কিন্তু কিছুতেই ছাড়তে পারেননি? তবে এক বার যোগাসনের সাহায্য নিয়ে দেখুন। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ৮৫ শতাংশ ধূমপায়ী যোগাসন ও ধ্যানের সাহায্যে ধূমপানের নেশা ছাড়তে পারেন।

অধিংকাংশ লোক সিগারেটের কুফল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। অনেকে এমনও আছেন, যারা ধূমপান মন থেকে ছাড়তে চান। তবু পেরে ওঠেন না। অফিসে কোনও রকম সমস্যা হলেই নীচে গিয়ে একটা সিগারেটে টান না দিলে নাকি উদ্বেগ কমে না। কর্মক্ষেত্রে চাপ, সাংসারিক টানাপড়েনের কারণে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে জীবনে। মানসিক চাপ কমাতে পারলেই ধূমপানের আসক্তিও কমবে। মানসিক চাপ কমতে পারে যোগাসনের গুণে।

কিন্তু নিয়মিত কোন আসন করলে আপনি নিত্য জীবনের উদ্বেগ কমাতে পারেন, তা জেনে নিন।

উষ্ট্রাসন

এই আসন রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে মস্তিস্কে বেশি অক্সিজেন যায়। মন অনেক শান্ত হয়। মাটিতে হাঁটুর উপর ভর করে বসে শরীর পিছনের দিকে হেলিয়ে দিয়ে দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের গোড়ালি ধরুন। আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।

সেতু বন্ধাসন

এই আসনও শরীরের রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। শিরদাঁড়ার জন্যেও এ আসন খুব ভাল। মাটিতে শুয়ে পড়ুন। তার পর হাঁটু ভাঁজ করে সামনের দিকে নিয়ে আসুন। এ বার শরীরটা হাওয়ায় তুলে দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের গোড়ালি ধরুন। কয়েক সেকেন্ড এই অবস্থায় থেকে শবাসনে ফিরে আসুন।

ভদ্রাসন

যোগব্যায়ামের অন্যতম সহজ ও সাধারণ আসন এটি। কিন্তু আপনার পায়ের মাংসপেশিগুলো স্ট্রেচ করার জন্য দারুণ ব্যায়াম এটি। নিয়মিত করলে মনও অনেক শান্ত হবে। মাটিতে বসে দু’পায়ের পাতা একে অপরের সঙ্গে জুড়ে নিন। হাতের পাতা দু’টিও রাখুন পায়ের পাতার উপর।

বালাসন

বলা হয়, যোগায় সবচেয়ে রিল্যাক্সিং আসন এটি। ইংরেজিতে এর নাম ‘চাইল্ডস পোজ’। মন শান্ত করার জন্য এই আসনের জুড়ি মেলা ভার। হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসুন। এ বার শরীরটা বেঁকান। শরীরটা এমন ভাবে বেঁকান যাতে বুক গিয়ে উরুতে ঠেকে। মাথা মেঝেতে রাখুন। আর হাত দু’টি সামনের দিকে প্রসারিত করে রাখুন। এই আসন স্নায়ুতন্ত্রের জন্য খুব উপকারী। সেই সঙ্গে ঘাড় ও পিঠের ব্যথা কমাতেও এর জুড়ি নেই।

প্রাণায়াম

শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করলে মনের দুশ্চিন্তাগুলো অনেকটা কমানো সম্ভব। ১০-১৫ মিনিট চুপ করে ধ্যান করলেও উপকার পাবেন। এই সময়ে কপালভাতি, ভ্রমরির মতো প্রাণায়াম করতে পারেন।

;

দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব কিসের ইঙ্গিত?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রস্রাবের নিজস্ব কোনও গন্ধ নেই। হঠাৎ প্রস্রাবে দুর্গন্ধ। এ নিয়ে সতর্ক হওয়া তো দূর, বেশির ভাগই এড়িয়ে চলেন। পানি কম খাওয়ার কারণে হতে পারে অনুমান করেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনার পরিসর কমে আসে। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রস্রাবে ঝাঁঝালো গন্ধ মূলত অ্যামোনিয়ার কারণে হয়ে থাকে। তবে কখনও প্রস্রাবের গন্ধ এত অসহনীয় হয়ে ওঠে, তা আসলে শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত করে। দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাবের একমাত্র কারণ কখনও পানি কম খাওয়া হতে পারে না। এর নেপথ্যে থাকতে পারে শারীরিক কোনও সমস্যা। ঠিক কোন সমস্যাগুলো থাকলে মাত্রাতিরিক্ত দুর্গন্ধ হয় প্রস্রাবে?

>> মূত্রনালির সংক্রমণ হয় মূলত বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার কারণে। প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো। তাই প্রস্রাব থেকে দুর্গন্ধ বেরোলে সতর্ক হওয়া জরুরি। তবে শুধু মূত্রের দুর্গন্ধই নয়, প্রস্রাব করার সময়ে জ্বালা অনুভব করা, বার বার প্রস্রাব পাওয়ার মতো একাধিক লক্ষণ দেখা দিলে অতি অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান।

>> ডায়াবেটিস শরীরে বাসা বাঁধলেও এমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিকরা অন্যদের মতো চিনি হজম করতে পারে না। ফলে তাদের প্রস্রাব থেকে এমন দুর্গন্ধ বেরোনোর আশঙ্কা থাকে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস হলে ঘন ঘন মূত্রত্যাগের প্রবণতাও থাকে।

>> প্রস্রাবে গন্ধ হওয়ার আরও একটি কারণ হল ‘সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন’। এই সংক্রমণ প্রস্রাব এবং মূত্রাশয়ে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কখনও এই সংক্রমণের হাত ধরে মূত্রনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা প্রস্রাবের গন্ধে পরিবর্তন আনতে পারে। তবে যৌনতার মাধ্যমে পরিবাহিত হওয়া ছাড়াও মূত্রনালির সংক্রমণও দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাবের কারণ হতে পারে।

>> কিডনিতে পাথর জমলেও প্রস্রাব থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে পারে। নুন এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ জমা হয়ে পাথর তৈরি করে। এই জমে থাকা উপাদান দুর্গন্ধের অন্যতম কারণ হতে পারে।

;

ডায়ালাইসিস রোগী কোভিড আক্রান্ত হলে মৃত্যুহার ৫০%



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগীরা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে ৫০%-এরই মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বক্তারা বলেন, কিডনি আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে কেউ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে এর ফল অত্যন্ত খারাপ হতে পারে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন এমন ক্রনিক কিডনি ডিজিজের (সিকেডি) রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি সাধারণ মানুষের চেয়ে ১০% বেশি।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) করোনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়।

“মাল্টিটিউড অব ইস্যুস ইন কোভিড: রেনাল, কার্ডিয়াক অ্যান্ড মেটাবোলিক ইনফ্লুয়েন্স” শীর্ষক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে কিডনি ডিজিজ রিসার্চ গ্রুপ।

এতে বক্তারা এসব তথ্য জানান।

২০২২ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বিএসএমএমইউয়ের অর্থায়নে ঢাকার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ৮০৪ জন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর একটি প্রাথমিক গবেষণা পরিচালিত হয়।
এতে দেখা যায়, কিডনি রোগীদের কোভিড-১৯ হলে তার ফল অত্যন্ত খারাপ হয়। বিশেষ করে পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের রোগীদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেক। এমনকি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের করোনায় মৃত্যু ঝুঁকি শতকরা ৫০%।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের শরীরে করোনার টিকার কার্যকারিতা অনেক কম। ডায়ালাইসিস রোগীদের শরীরে করোনার টিকার কার্যকারিতা শতকরা ৮৭%।

বক্তারা বলেন, কোভিড-১৯-এর টিকা নেফ্রাইটিস রোগ ফিরিয়ে আনতে পারে।

অনুষ্ঠানে গবেষণার প্রধান গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ আক্রান্তদের ১২% ডিপ্রেশনে ভুগছেন। তাদের এ অবস্থা থেকে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এ পেশাজীবীদের মধ্যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা বেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া কোভিড-১৯ আক্রান্ত চিকিৎসকদের ৪০% চিকিৎসক এবং শতকরা ৩৪% নার্সরা লং কোভিডে ভুগছেন। কোভিড-১৯ এর আগে যাদের ডায়াবেটিস ছিল না তাদের ডায়াবেটিস হয়েছে। কোভিড-১৯-এ অনেকের মায়োপ্যাথি হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, বিএসএমএমইউয়ের চিকিৎসকদের গবেষণার কাজ করতে হবে। একবার গবেষণার কাজ করলেই হবে না। ধারাবাহিকভাবে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, কোভিড-১৯ শেষ হয়ে যায়নি। বিশ্বের অনেক দেশেই কোভিড-১৯ রয়েছে। যে কোনো সময় কোভিড-১৯ সংক্রমণ হতে পারে, সে জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

সিম্পোজিয়ামে আরও জানানো হয়, ডায়াবেটিস, ওজনাধিক্য, উচ্চ রক্তচাপ– এগুলো দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগ। করোনা ও নিউমোনিয়া সংক্রামক রোগ। করোনা হলে এই দুই ধরনের রোগের কিছু জটিলতা দেখা যায় এবং একটি রোগের দ্বারা অন্যটি প্রভাবিত হয়। তাই কোভিড-১৯ ও নিউমোনিয়া হলে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের কোভিড-১৯ জটিলতাও বেশি হয়।

সমীক্ষা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, করোনা রোগীদের মধ্যে ১০% মানুষের ডায়াবেটিস আছে এবং তাদের ১৫% চিকিৎসাধীন থাকার প্রয়োজন হয়েছে। কোভিড-১৯ পরবর্তী কিছু জটিলতা নিয়েও কিছু রোগী আমাদের কাছে আসছেন। তাকে পোস্ট কোভিড অথবা লং কোভিড সিনড্রম বলা হয়। দুর্বলতা, গায়ে ব্যথা, মাথা ধরা, ঘুম কম হওয়া ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সঙ্গে টিকা গ্রহণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

সিম্পোজিয়ামে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু সালেহ আহমেদ, বার্ডেমের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারিয়া আফসানা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের কনসালট্যান্ট ডা. মীর ইসারাকুজ্জামান একটি করে গবেষণা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে গবেষণা ফল প্রকাশ করেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ ইকবাল।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএসএমএমইউয়ের হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. দিপল কৃষ্ণ অধিকারী। সিম্পোজিয়ামে প্যানেল অব এক্সপার্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, বার্ডেমের অধ্যাপক ডা. ফারুক পাঠান ও অধ্যাপক ডা. এম আইয়ুব আলী চৌধুরী।

 

;