কনডেম সেল নিয়ে আদালতের রায়ে আপিল করবে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চূড়ান্ত রায়ের আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া যাবে না বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৪ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করবে।
এর আগে সোমবার (১৩ মে) মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আপিল, রিভিউ, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার ধাপগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না। বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে সারা দেশে যত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে তাদের দুই বছরের মধ্যে ক্রমান্বয়ে সাধারণ সেলে রাখার কথা বলা হয়েছে রায়ে। তবে, বিশেষ কারণে (স্বাস্থ্যগত কারণ, সংক্রামক রোগ) কোনো ব্যক্তিকে নির্জন কক্ষে রাখতে পারবে কারা কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপস্থিতিতে শুনানি হতে হবে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল, নাসিম ইসলাম রাজু।

আইনজীবীরা বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। তবে এবার এ রায়ের বিপক্ষে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন তিন কয়েদি। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এরপর গত বছরের ৫ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়।

রিট আবেদনকারী হলেন চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুর বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম।

কোটা নিয়ে আপিল শুনানি রোববার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কোটা নিয়ে আপিল শুনানি রোববার

কোটা নিয়ে আপিল শুনানি রোববার

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের শুনানি আগামী রোববার (২১ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশেষ চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে কোটা নিয়ে আনা হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানির জন্য রোববার আপিল বিভাগে আবেদন করার কথা জানান এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

দুপুরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী ৭ আগস্ট ২০২৪ সালে যে মামলাটার শুনানি হওয়ার কথা ছিল সেই শুনানি এগিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা নিতে। আমি সেই মর্মে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছি যে, আগামী রোববার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন যাতে মামলার শুনানির তারিখ তারা এগিয়ে আনেন।’ 

;

‘কোটা নিয়ে আপিল শুনানির জন্য রোববার আবেদন করা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন/ছবি: সংগৃহীত

এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা নিয়ে আনা হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানির জন্য রোববার আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এ কথা জানান।

কোটা সংক্রান্ত হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষে ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে পৃথক লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীর পক্ষে আজ লিভ টু আপিল (আপিল দায়েরে আবেদন) করা হয়েছে।

দুই শিক্ষার্থীর আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায় বাতিল বা সংশোধন চাওয়া হয়েছে।

এর আগে এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, কোন সংক্রান্ত হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে রাস্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল দায়ের করেছে। সর্বোচ্চ আদালত শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে গত ১০ জুলাই আদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ কিছু পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনাসহ এ আদেশ দেয়।

ওইদিন এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, আপিল বিভাগ বিষয়টি নিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলেছেন। অর্থাৎ, যেমন আছে, তেমন থাকবে। কোটা বাতিল-সংক্রান্ত ২০১৮ সালের পরিপত্রের ভিত্তিতে যে সব সার্কুলার দেয়া হয়েছে, সে ক্ষেত্রে কোটা থাকছে না। আগামী ৭ আগষ্ট বিষয়টি শুনানির জন্য থাকবে।

সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর আনা আবেদনের শুনানি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত ১০ জুলাই আদেশ দেয়। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যেতে আহ্বান জানানো হয়।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে ৫ জুন রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করে। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো। যেখানে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ, উপজাতি ৫ ও প্রতিবন্ধীর ১ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়।

এই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। সে রুল যথাযথ ঘোষণা করে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে গত ৫ জুন রায় দেয় হাইকোর্ট। গত সোমবার হাইকোর্ট রায় প্রকাশিত হয়। এরপর সংক্ষুব্ধরা লিভ টু আপিল দায়েরের উদ্যোগ নেন।

;

গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা: ডা. সাখাওয়াতসহ ২১ জন কারাগারে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডা. সাখাওয়াত, ছবি: সংগৃহীত

ডা. সাখাওয়াত, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে পল্টন থানার করা মামলায় গ্রেফতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থসহ ২১ বিএনপির নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

এ সময় তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অন্য আসামিরা হলেন, দারুস সালাম থানার ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহবায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূইয়া তামান, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস সালাম থানায় ১২ নং ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারী শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভুইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্মা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ রারিব, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন।

গত ১৭ জুলাই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত একটি গায়েবানা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৪০০/৫০০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ করা হয়, নামাজ শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেইট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে পল্টন মোড়ে আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করে কর্তব্যরত পুলিশ। কিন্তু তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের প্রতি চরম মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং তাদের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ও রাস্তায় থাকা যানবাহনে ভাংচুর করে।

ওই ঘটনায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০/৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

;

ডা. সাখাওয়াতসহ ২১ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ

ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ

  • Font increase
  • Font Decrease

গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে পল্টন থানার করা মামলায় গ্রেফতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থসহ ২১ বিএনপির নেতাকর্মীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আটক আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে মর্মে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

অন্য আসামিরা হলেন, দারুস সালাম থানার ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহবায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূইয়া তামান, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস সালাম থানায় ১২ নং ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারী শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ রারিব, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন।

গত ১৭ জুলাই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত একটি গায়েবানা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৪০০/৫০০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ করা হয়, নামাজ শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেইট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে পল্টন মোড়ে আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করে কর্তব্যরত পুলিশ। কিন্তু তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের প্রতি চরম মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং তাদের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ও রাস্তায় থাকা যানবাহনে ভাঙচুর করে।

ওই ঘটনায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০/৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

;