হেফাজতে পুলিশি নির্যাতন: পিবিআই’র প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীর জবানবন্দি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিন পুলিশ সদস্যকে নির্দোষ মর্মে পিবিআই’র প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির ওপর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছে আদালত।

নারাজি দাখিলের ৮ মাস পর সোমবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত মামলার বাদী স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজিব কর রাজুর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

পিবিআই’র প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে গত মার্চ বাদী মাসে এ নারাজি দাখিল করেন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বাদির জবানবন্দি গ্রহণ পিছিয়ে যায়।

সোমবার বাদীর আইনজীবী সুমন কুমার রায় আদালতকে বলেন, দীর্ঘদিন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য মামলাটি রয়েছে। কিন্তু তা গ্রহণ করা হচ্ছে না। হয় জবানবন্দি গ্রহণ করুন, না হয় নারাজি আবেদন খারিজ করে দিন। এরপর আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

জবানবন্দিতে বাদী আদালতকে বলেন, হেফাজতে নির্যাতন সংক্রান্তে পুলিশের বিভাগীয় তদন্তে আসামিরা দোষী প্রমাণিত হয়েছে। সেখানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনফেস্টিগেশন (পিবিআই) আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়া হাস্যকর। তদন্তকালীন আসামিরা আমার সাথে টাকার বিনিময়ে আপোষ করতে চেয়েছিল আমি রাজি হই নাই। সঠিক তদন্ত হয় নাই। আমি বিচার চাই। বাদীর জবানবন্দির পর আদালত পরে আদেশ দিবেন জলে জানান।

মামলায় রাজধানীর কোতয়ালী থানার এসআই মিজানুর রহমান, এসআই জলিল ও এএসআই ফরিদ ভূঁইয়াকে আসামি করেন।

মামলায় অভিযোগ, ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই এসআই মিজান ও এএসআই ফরিদ ভূঁইয়া সাদা পোশাকে ভিকটিমের ৬৯ নম্বর গোয়ালনগর কোতয়ালীর বাসায় সিলিং ভেঙে ঢুকে। কোনো কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আসামিরা ভিকটিম রাজুকে হাতকড়া পরিয়ে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। ভিকটিমের বাসা তল্লাশি করে ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৮ টাকার স্বর্ণ এবং তার মায়ের চোখ অপারেশন করার ৪১ হাজার ৩০০ টাকা ছাড়াও বাসা থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ কোতয়ালী থানায় নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে আসামিরা তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। নির্যাতনে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা শেষে তাকে আবার থানায় নিয়ে আসে আসামিরা। তাকে পাঁচ লাখ টাকা দিতে বলে পুলিশ। টাকা না দিলে অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি বানিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিকে আবারও নির্যাতন করে পুলিশ কর্মকর্তারা।

নির্যাতনে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজুকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থানায় এনে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন করে এসআই জলিল। হাতের নখ উপড়ে ফেলা হয়। বাম হাত ভেঙে দেওয়া হয়। বাম পায়ে প্রচণ্ড আঘাত দিয়ে অচল করে ফেলা হয়। এরপর ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিলে ছেড়ে দেওয়া হবে, না দিলে মাদক মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। খবর পেয়ে রাজুর বড় ভাই আশিষ কর এসআই মিজানের হাতে ২ লাখ টাকা তুলে দেন।

পরে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে সাদা কাগজে নাম-ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে রাখেন। এরপর পুলিশ হুমকি দিয়ে বলে, ‘তুই যদি মুখ খুলিস এবং তোকে যদি তাঁতীবাজার এলাকায় দেখতে পাই তবে মেরে ফেলব।’

আসামিদের নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে ভিকটিম প্রায় এক বছর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে এ বিষয়ে ভিকটিম কোতয়ালী থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে তাকে ঘুরাতে থাকেন। শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক (বর্তমানে বিচারপতি) কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলা করলে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনফেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে বাদী এ বিষয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করলে অভিযোগটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং পুলিশ হেডকোয়াটার্সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রদান করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশ আসামি মিজানুর রহমান, মো. আব্দুল জলিল এবং ফরিদ মিয়াকে একটি ইনক্রিমেন্ট সমপরিমাণ অর্থ আগামী ৫ বছরের জন্য কর্তনের আদেশ প্রদান করেন।

আর আদালতে করা মামলায় পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিয়া কুতুবুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেন।

পুলিশ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বাদী গত ২ মার্চ আদালতে নারাজি দাখিল করেন। নারাজি দাখিলের দিই বাদী জবানবন্দি গ্রহণের বিধান থাকলেও সেদিনসহ জবানবন্দি গ্রহণের জন্য ৪টি ধার্য তারিখ গেলেও আদালত জবানবন্দি গ্রহণ করেন নি।

   

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন।

সব মামলায় জামিন পাওয়ায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীর কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী তাহেরুর ইসলাম তৌহিদ।

উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর ভোরে রাজধানীর উত্তরা থেকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে আটক করে র‌্যাব। ৫ নভেম্বর আলতাফ হোসেন চৌধুরীর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। 

;

গৃহকর্মীর মৃত্যু: স্ত্রীসহ ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদকের জামিন নামঞ্জুর



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গৃহকর্মীর ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’র মামলায় ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দার আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন।

আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী ও আশরাফ উল আলম। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আবাসিক ভবনের নবম তলা থেকে পড়ে কিশোরী গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়। প্রীতি ওড়ান নামের ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী ওই ভবনের বাসিন্দা ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হকের বাসায় কাজ করতো।

এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন গৃহকর্মী প্রীতির বাবা লুকেশ ওড়ান। এরপর তাদের গ্রেফতার করা হয়। গত ৭ জানুয়ারি আদালত আসামিদের রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি ফের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি রিমান্ড শেষে তাদের ফের কারাগারে পাঠানো হয়।

;

শিশু আয়ানের মৃত্যু: তদন্তে নতুন কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

কমিটিতে তিনজন চিকিৎসক, দুইজন সিভিল সোসাইটির ব্যক্তি ও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে রাখা হয়েছে। কমিটি এক মাসের মধ্যে আয়ানের মৃত্যুর পুরো ঘটনা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকদের অবহেলা আছে কি না, তার মৃত্যুর ঘটনায় কারা দায়ী, এই কমিটি তা খুঁজে বের করবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। রিটের পক্ষে ছিলেন এডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। ইউনাইটেড হাসপাতালের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা।

এডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল গুলশান ও সাতারকুল ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দুটি প্রতিষ্ঠান। রিট পিটিশনার গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালকেও মামলায় পার্টি করেছেন। আমরা আজ ইউনাইটেড হাসপাতাল গুলশানের পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করে আদালতে শুনানি করেছি। আজ আমরা আট সপ্তাহ সময় প্রার্থনা করে সব পক্ষকে শুনে আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেছিলাম। আদালত বিষয়টি নিয়ে আরও একটি তদন্ত কমিটি করে আদেশ দিয়েছেন। নতুন এই কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ২০ মার্চ আদালতের সামনে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

এর আগে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে রাজধানীর বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট লোক দেখানো (আইওয়াশ) ও হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।

শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। পরে শিশু আয়ানের বাবা রিটে পক্ষভুক্ত হন। নতুন করে রিটে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়।

গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যায় শিশু আয়ান। এর আগে তাকে বাড্ডার সাতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নাতে খতনা করানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল। সেখানে অজ্ঞান করার পর তার আর জ্ঞান ফেরেনি। সাত দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মারা যায় শিশুটি।

;

বাবুল চিশতীর অর্থ আত্মসাৎ মামলায় চার্জ শুনানি পেছাল



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) নিরীক্ষা (অডিট) কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অর্থ আত্মসাতের মামলায় চার্জ শুনানির পিছিয়ে আগামী ১৩ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এর বিচারক বদরুল আলম ভূঞার আদালতে মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ছিলো। কিন্তু এ দিন আসামিপক্ষ শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৩ মার্চ চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুর রহমান এতথ্য জানান।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- মেসার্স রিমি এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোস্তফা কামাল, দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও চৌধুরী মোস্তাক আহমেদ, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের হেড ব্যাংকিং অপারেশন ডিভিশন (অবসরপ্রাপ্ত) প্রকাশ চন্দ্র মোদক এবং পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের জেনারেল সার্ভিস ডিভিশনের এভিপি ও প্রধান মো. মনিরুল হক। আসামিদের মধ্যে বাবুল চিশতি কারাগারে আছেন। অপর চার আসামি জামিনে আছেন।

২০১৩ ও ২০১৪ সালে চাঁদপুরের কচুয়া শাখা, জামালপুরের বকশীগঞ্জ শাখা, শেরপুরের শ্রীবরদী শাখা ও শেরপুর শাখা চারটি উদ্ধোধন করা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে কোনো রকম প্রাক্কল এবং প্রাক্কলিত মূল্য নিরূপণ না করে প্রচলিত বাজার দরের চেয়ে অধিক মূল্যে এই চার শাখার ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন ওয়ার্কের জন্য সাজানো দরপত্র প্রকাশ ও কার্যাদেশ দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল পরিশোধিত দেখিয়ে ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৮২৩ টাকা আত্মসাৎ করে।

এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ ২০২০ সালের ১১ মার্চ মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী মামলাটি তদন্ত করে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০২৩ সালের ২৯ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

;