একুশের নতুন চেতনা



দেবরাজ ভট্টাচার্য
একুশের নতুন চেতনা

একুশের নতুন চেতনা

  • Font increase
  • Font Decrease

‘সোনার কেল্লা’ চলচ্চিত্রে ফেলুদার যোধপুর যাওয়ার পথে জটায়ুর সাথে আলাপের দৃশ্যটি মনে আছে? সংলাপগুলি খানিকটা এরকম ছিল-

"তো আপ কাহা তক যা রহে হ্যায়?

-যোধপুর।

“ম্যায় ভি যোধপুর জা রহা হু। রাজস্থান কা পটভূমিকামে এক কাহানি লিখনা চাহতা হু। রহস্য-রোমাঞ্চ কাহানি। অব তক সাত্তাইশ কাহানি লিখি হ্যায়। অল পাবলিশড। ইয়ে হ্যায় মেরা সাম্প্রতিকতম্‌ উপন্যিয়াস। দুর্ধষ দুশমন। আপ ক্যায়া বাংলা পড়নে জানতে হো?”

-হাঁ। বোলনা ভি জানতা হু।

“তো কাহা শিখে?”

-কলকাত্তা। আপনি হিন্দি চালিয়ে যেতে পারেন। বেশ লাগছে।

“আরে দুররররর মশাই। আমি গড়পারের লোক। হিন্দি কি কেউ সাধে বলে নাকি?"

শৈশবের নিছক হাসিখেলার অনুভূতির মধ্যে দিয়ে এই দৃশ্য আমরা বয়ে বেড়াচ্ছি আজীবন। কখনো তা রূঢ় বাস্তবের জমিতে অবস্থান করেও। আপোষ করে বদলে ফেলছি কথা বলার চলন। বলতে বলতে শিখতে চাইছি বদলে যাওয়া ভাষার নতুন কোনো এক কাঠামো যা ক্রমশ ভুলিয়ে দেবে আমাদের স্মৃতি সত্তা এবং ভবিষ্যৎ। তবে কি লড়াইটা শুধুই ভাষার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে?

শ্রদ্ধেয় শঙ্খ ঘোষ লিখেছিলেন,- ‘বাংলাদেশ একদিন গান বেঁধেছিল ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়্যা নিতে চায়’। অলক্ষে আমাদেরও মুখের ভাষা কেড়ে নিচ্ছে কেউ, সেকথা যদি কিছুটা উপলব্ধি করি, এবং আমাদের সামান্যতম চেষ্টাকেও তার প্রতিরোধে যদি নিযুক্ত করি, একমাত্র তখনই একুশে ফেব্রুয়ারির মতো কোনো প্রতীকদিন-উদযাপন করবার তাৎপর্য দেখা দিতে পারে। তার অভাবে, সবটাই হয়ে উঠবে নিছক অলঙ্কার’।

কবি শব্দের জন্ম দেন যা একদিন চেতনা হয়ে উঠবে। অশ্বত্থ আর বট পাকুরের গায়ে চিহ্নিত ইতিহাসের বলিরেখা মুছে দেবে দেশ কালের বেড়াজাল। কেউ দেখাবে পথ। কেউ চলবো হাতে হাত রেখে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এমনই কিছু শব্দের অনুরণন ধ্বনিত হতে শোনা গেল কলকাতার দমদম মতিঝিল কলেজে। কলেজের অধ্যাপিকা ড. ময়ূরাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্যোগে অধ্যক্ষ, ছাত্র ছাত্রী, অধ্যাপক এবং সকল কর্মীরা আরও একবার শপথ নিলেন মাতৃভাষার পক্ষে। তবু শপথ ভুলে গেছে যুদ্ধক্ষেত্র। ভাষা এবং শব্দ দানবের হাহাকারে জর্জরিত প্রদেশ থেকে তাই এবারের ডাক নতুন চেতনার প্রতি। অধ্যাপিকা গঙ্গোপাধ্যায়ের ভাষায়,- ‘একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত সংগ্রাম এবং মাতৃ-ভাষার প্রতি ভালবাসা ও দায়বদ্ধতাকে স্মরণে রেখে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা উচিত। এর মধ্যে দিয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃহত্তর সমাজের কাছে একাধারে মাতৃভাষা ব্যবহারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হবে তেমনি ভাষা আগ্রাসনের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা অন্য ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শিখবে। ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয়, ভাষা দিবস পালনের মধ্যে দিয়ে ভাষা ব্যবহার এবং কথার বলার অধিকার সম্পর্কিত গনচেতনার ইতিহাসের সাথে বর্তমান প্রজন্মের পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। এই চেতনা তাদের সার্বিক বিকাশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ’।

একুশ জানে না মাথা নত করতে। একুশের রক্তাক্ত ইতিহাস ব্যক্তিগত চেতনার মাধ্যমে পৌঁছে যাক সমষ্টির অবচেতনে, কোনো এক নতুন একুশের দিকে। একটা মুক্ত এবং সুন্দর পৃথিবীর অপেক্ষায় আমরা। 

'অঞ্জলি লহ মোর': কলকাতায় নজরুল স্মরণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
'অঞ্জলি লহ মোর': কলকাতায় নজরুল স্মরণ

'অঞ্জলি লহ মোর': কলকাতায় নজরুল স্মরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ২৩জুন, রবিবার কলকাতার রবীন্দ্র সদন প্রেক্ষাগৃহে আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কৃষ্ণপুর নজরুল চর্চা কেন্দ্র চমৎকার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের নাম 'অঞ্জলি লহ মোর'। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের ৩০০ জন শিল্পী এই নজরুল-প্রণামে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠান শুরু হয় ঠিক সকাল ৯টায়, শেষ হয় দুপুর ১টা। সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেন ছায়ানট সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। প্রভাতী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান এবং 'পুবের কলম' পত্রিকার সম্পাদক আহমদ হাসান ইমরান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বিদ্যাভবনের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. সুজাতা ঘোষ এবং পাকড়াশি হারমোনিয়ামের কর্ণধার শ্রী শুভজিৎ পাকড়াশি।দলীয়ভাবে নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন গীতলেখা, গীতিলোক সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস, গানের সাথী, চারুশীলে, স্বরলিপি সঙ্গীত কেন্দ্র (হাওড়া), সপ্তসুর - এর শিল্পীবৃন্দ।

কাজী নজরুল ইসলামের প্রিয় রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন
পুনশ্চ রবীন্দ্রানুসারী রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষাকেন্দ্র এবং কলাপী নিউটাউন - এর শিল্পীবৃন্দ। দলীয়ভাবে নজরুল কবিতা আবৃত্তি করেন উচ্চারণ, কাব্যাঙ্গন, শ্রুতিমন, ব্রততী পরম্পরা (বারাকপুর শাখা) - এর শিল্পীবৃন্দ। এককভাবে কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা পাঠ করেন কল্লোল বসু, সুকন্যা রায়, দেবযানী বিশ্বাস, মিতালী ভট্টাচার্য্য, অপরাজিতা মল্লিক, শতানীক ভট্টাচার্য, সংঘমিত্রা ব্যানার্জী, অরণ্য স্পন্দন ভদ্র, মৌমিতা ঘোষ, ইন্দ্রাণী নাগ, ডাঃ সৌমিত্র নারায়ণ শূর, সোহালিয়া সিং, জয়িতা দত্ত এবং গোপা ভট্টাচার্য্য রায়।

একক নৃত্য পরিবেশনায় প্রিয়াঙ্কা কাশ্যপি এবং সায়নী দাস। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন মুদ্রা ডান্স আকাদেমি, ঠাকুরপুকুর চিদানন্দ ড্যান্স একাডেমি, আঙ্গিকম ডান্স একাডেমী - এর শিল্পীবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন অমিতাভ নাথ এবং তানিয়া চ্যাটার্জ্জী। সমগ্র অনুষ্ঠান নজরুলপ্রেমীদের উদ্দেশ্যেই নিবেদিত বলেই জানান কৃষ্ণপুর নজরুল চর্চা কেন্দ্র - এর এবং ছায়ানট সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। সকলের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান সফল হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানের বিশেষ সহযোগিতায় ছিল ভারতীয় বিদ্যাভবন, পাকড়াশি হারমোনিয়াম এবং রিয়েল প্লাস্ট।

;

কলকাতায় 'চেতনায় নজরুল'



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কলকাতায় 'চেতনায় নজরুল'

কলকাতায় 'চেতনায় নজরুল'

  • Font increase
  • Font Decrease

আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ছায়ানট (কলকাতা) অক্সফোর্ড বুকস্টোরে 'চেতনায় নজরুল' অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকেল ৫টায়। ছায়ানট (কলকাতা) - এর উদ্যোগে তৈরি নতুন অ্যালবাম 'নজরুলকে নিবেদিত পংক্তিমালা' অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করেন পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান এবং 'পুবের কলম' পত্রিকার সম্পাদক জনাব আহমদ হাসান ইমরান।

কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন কবির কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই অ্যালবাম। ভারত এবং বাংলাদেশ মিলে ৩৪ জন বাচিক শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন এই অ্যালবামে। যাঁদের লেখা কবিতা স্থান পেয়েছে এই অ্যালবামে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম - কুমুদরঞ্জন মল্লিক, অন্নদাশঙ্কর রায়, নরেন্দ্র দেব, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, আশাপূর্ণা দেবী, ভবানীপ্রসাদ মজুমদার। মোট ৬৭ জন কবির ৭২টি কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই অ্যালবাম। এছাড়াও ছিল নজরুল-কবিতা পাঠের আসর। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ছায়ানটের সভাপতি সোমঋতা মল্লিক।

কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তি করেন সুকন্যা রায়, শ্রবণা ভট্টাচার্য, দেবযানী বিশ্বাস, ডাঃ সৌমিত্র নারায়ণ শূর, ইন্দ্রাণী নাগ, শতানীক ভট্টাচার্য্য, স্নেহাঙ্গনা ভট্টাচার্য, মিতালী ভট্টাচার্য্য, সুজল দত্ত, স্বপ্নিকা দাস রায়, স্বর্ণিকা দাস রায়, মহুয়া বসু, রাজশ্রী বসু, প্রাযুক্তা চক্রবর্তী, অপর্ণা চক্রবর্তী, চিত্রা সোম বাসু, পাপিয়া মুখার্জী, ব্রততী চক্রবর্তী, সন্দীপ ভট্টাচার্য, সীমা দাশগুপ্তা, মাধবী দে, তপন ঘোষ, সঞ্চয়িতা মিত্র, সুস্মিতা ঘোষ, আর্যদ্যুতি ঘোষ, অর্ঘ্যদ্যুতি ঘোষ এবং দিয়ান দাস।

দলীয় পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন কল্যাণী শ্রুতিকল্পর শিশুশিল্পীরা।

;

নজরুল চর্চার স্বীকৃতিতে সম্মানিত সোমঋতা মল্লিক



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
নজরুল চর্চার স্বীকৃতিতে সম্মানিত সোমঋতা মল্লিক/বার্তা২৪.কম

নজরুল চর্চার স্বীকৃতিতে সম্মানিত সোমঋতা মল্লিক/বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease
 
ছায়ানট (কলকাতা) নজরুল চর্চায় নিবেদিত অগ্রণী প্রতিষ্ঠান। সভাপতি শিল্পী সোমঋতা মল্লিকের নেতৃত্বে শুধু ভারত বা বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে ছায়ানট।
 
নজরুল জীবন ও সাহিত্যকর্মের নিরিখে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান পালনের পাশাপাশি ছায়ানট প্রকাশ করেছে নতুনের গান, জীবনীভিত্তিক ক্যালেন্ডার ও বর্ণময় প্রকাশনা। গবেষণা করছে নজরুল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রপঞ্চ।
 
কলকাতায় নজরুল স্মৃতিধন্য জনপদ ও স্থাপনাসমূহকে ধ্বংস, দখল ও অবলুপ্তির কবল থেকে রক্ষা করার কৃতিত্ব ছায়ানটের। সেসব স্থানে তথ্য ফলক দিয়ে সংরক্ষণের আওতায় এনেছে সংগঠনটি।
 
নজরুল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে আলীপুর জেল কিংবা রাঁচি মানসিক হাসপাতাল ছিল তাৎপর্যবাহী। ছায়ানট সেসব স্থানে নজরুল কর্নাল ও তথ্যফলক দিয়ে নজরুলের সংগ্রামমুখর জীবনের ঐতিহাসিক পরম্পরাকে সজিব রেখেছে।
 
নজরুলচর্চায় নিবেদিত ছায়ানট (কলকাতা) - এর সভাপতি সোমঋতা মল্লিক স্বীকৃতি পেয়েছেন কলকাতার 'অন্বেষণ পরিবার' নামক সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাহিত্য সংগঠন কর্তৃক। তাকে এ উপলক্ষে সম্মান প্রদান করেন সংগঠনের শ্রী অমিতাভ। 
 
বার্তা২৪.কম'কে শিল্পী সোমঋতা মল্লিক বলেন, 'যেকোনো সম্মাননা কাজের প্রণোদনা আরো বাড়িয়ে দেয়। বিশ্বময় নজরুল চর্চা এগিয়ে চলুক, এই প্রত্যাশায় আমি ও ছায়ানট কাজ করে যাবে।'
 
;

কলকাতায় দুদিনব্যাপী 'নজরুল কবিতা উৎসব'



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কলকাতায় দুদিনব্যাপী 'নজরুল কবিতা উৎসব'

কলকাতায় দুদিনব্যাপী 'নজরুল কবিতা উৎসব'

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ৪ এবং ৫ এপ্রিল রবীন্দ্র সদন চত্বরে অবনীন্দ্র সভাগৃহে ছায়ানট (কলকাতা) - এর উদ্যোগে 'নজরুল কবিতা উৎসব ২০২৪' অনুষ্ঠিত হয়। দু দিনে শতাধিক শিল্পী একক/দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিকেল ৫টা-রাত্রি ৯টা অনুষ্ঠিত হয় এই কবিতা উৎসব।

পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছায়ানটের সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। নজরুল কবিতা উৎসবের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি এবং পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমির সভাপতি
মাননীয় সুবোধ সরকার। ৪ এপ্রিল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শেখ কামাল উদ্দীন, অধ্যক্ষ- হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয় ও সভাপতি- নজরুল চর্চা কেন্দ্র। তাঁর আলোচনার বিষয় ছিল 'বাংলা সাহিত্যে অভিনবত্বের দিশারী নজরুল'। ৫ এপ্রিল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শেখ মকবুল ইসলাম (ডি. লিট.), বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ, সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ, কলকাতা'। কাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টি নিয়ে গবেষণার অনেকখানি অবকাশ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ড. শেখ মকবুল ইসলাম।

একক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন ঊর্মিলা সেন, অতসী নন্দ গোস্বামী, বর্ণালী সরকার, পীতম ভট্টাচার্য, শম্পা দাস,
তাপস চৌধুরী, সুদীপ্ত রায়, শম্পা বটব্যাল, শুভদীপ চক্রবর্তী, নীলাঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবযানী বিশ্বাস, ইন্দ্রাণী লাহিড়ী, শাশ্বতী ঘোষ, দেবলীনা চৌধুরী, সৌমিতা নস্কর, মিতালী ভট্টাচার্য্য, সুকন্যা রায়, তৃষিতা সাহা, এরিসা কামিলা, ইনশ্রী নাথ, শতাক্ষী নাথ, সোনালী চট্টোপাধ্যায়, মোনামি সামন্ত, দোয়েল চ্যাটার্জী, চিত্রা সোম বাসু, গোপা ভট্টাচার্য্য রায়, ইন্দ্রাণী নাগ, ডক্টর সৌমিত্র নারায়ণ শূর, মিতালী মুখার্জী, দীপ্তি বর্মন, অন্বেষা মুখার্জী, রাকা দাস, দেবলীনা দাশগুপ্ত, শর্মিলা মাজী, মোনালিসা শীল, অপর্না চক্রবর্তী, দীপিকা গোস্বামী, পাপিয়া ভট্টাচার্য, সৃজিতা ঘোষ, শাশ্বতী বাগচী, প্রাযুক্তা চক্রবর্তী, জয়িতা দত্ত এবং রুনা মুখার্জি।

দলীয় পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন ছায়ানট (কলকাতা), আন্তরিক, বরানগর প্রতিশ্রুতি, নৈহাটি বঙ্কিম স্মৃতি সংঘ, আরশি হরিণঘাটা, প্রেরণা আবৃত্তি অনুশীলন কেন্দ্র, আমরা অ আ ক খ স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ, অন্বেষণ, কাব্যপথিক, শ্রুতিবৃত্ত, আবৃত্তিওয়ালা, শৃণ্বন্তু, বৈখরী, পাঠশালা, অনন্ত উড়ান, অনুরণন, চেতনা, শ্রুতিকথন, যাদবপুর কথাছন্দ এবং প্রতিধ্বনি - এর শিল্পীবৃন্দ।

সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সোমা মুখোপাধ্যায়, অপরাজিতা মল্লিক, দেবলীনা চৌধুরী এবং রাকা দাস।

ছায়ানটের সভাপতি সোমঋতা মল্লিক বলেন, "এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো আমরা 'নজরুল কবিতা উৎসব' - এর আয়োজন করলাম। আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি নিয়ে ২ দিন ব্যাপী এই বিশেষ আয়োজনে বাচিকশিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আমরা আপ্লুত।
অনেক বাচিক শিল্পীকে আমরা সুযোগ দিতে পারিনি, আমরা সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী, আগামী বছর আরও বেশীদিন ধরে এই আয়োজন করার চেষ্টা করব। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা জনপ্রিয় কবিতার পাশাপাশি বেশ কিছু স্বল্পশ্রুত কবিতা আমরা শুনতে পেলাম এই কবিতা উৎসবে - এখানেই আয়োজনের সার্থকতা।"

;