সোমবার ছায়াশূন্য কাবার দেখা মিলবে



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সোমবার ছায়াশূন্য কাবার দেখা মিলবে, ছবি: সংগৃহীত

সোমবার ছায়াশূন্য কাবার দেখা মিলবে, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোমবার পবিত্র কাবা ঘরের ঠিক ওপরে উঠে আসবে সূর্য। ওই সময়ে ছায়াশূন্য পবিত্র কাবার দেখা মিলবে।

জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন, সোমবার (২৭ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে পবিত্র কাবার ঘরের ঠিক ওপর সূর্য থাকবে। বছরের দুইবার এমন ঘটনা ঘটলেও চলতি বছরে প্রথমবারের মতো এ ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

আল আরাবিয়া নিউজকে জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটির প্রধান মাজেদ আবু জাহরা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর নাগাদ মক্কার পবিত্র কাবা ঘরের সঙ্গে সূর্য একই লাইনে অবস্থান করবে। এ সময় সূর্যের কেন্দ্রবিন্দুটি কাবার ঠিক ওপরে উঠে আসবে।

জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন, সূর্যের এই অবস্থানকে ‘ছায়াশূন্য’ (জিরো শ্যাডো) অবস্থা বলেই চিহ্নিত করেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বছরে অন্তত দুইবার পবিত্র মক্কা নগরীর ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটে। প্রতিবছর ২৭ বা ২৮ মে ছাড়াও ১৫ বা ১৬ জুলাই তারিখে একই ঘটনা ঘটে থাকে। পবিত্র কাবাঘরটি বিষুবরেখা ও কর্কটক্রান্তির মাঝে অবস্থিত হওয়ার কারণেই এমনটা ঘটে।

তারা আরও জানান, মক্কায় সোমবার ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে সূর্যোদয় হবে। উত্তরপূর্ব দিকটি থেকে সূর্য ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে শুরু করবে। সে কারণে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলেও পবিত্র এই মসজিদ ঘরের কোনো দিকে কোনো ছায়া থাকবে না।

পৃথিবীর অক্ষরেখায় সূর্য ২৩.৫ ডিগ্রি কৌণিক অবস্থান নিয়ে বিষুব রেখার উত্তর ও দক্ষিণ দিকে ঘুরতে থাকে।

এভাবে একবার উত্তর গোলার্ধে একবার দক্ষিণ গোলার্ধে যায়। আর এই আসা যাওয়ার পথে বছরে দুইবার সরাসরি ওপরে অবস্থান নিয়ে পবিত্র কাবাকে ছায়াশূন্য করে দেয়।

জ্যোতির্বিদ আবু জাহরা আরও জানান, কাঠের কোনো কাঠি মাটিতে লম্বালম্বী করে মানুষ কাবার সঠিক দিক নির্ধারণ করতে পারবে। এর মাধ্যমে কিবলার দিকটি কাঠির ছায়ার ঠিক বিপরীতে দেখতে পাবে।

   

সৌদিতে ১৭ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে আর মাত্র একদিন বাকি। এরই মধ্যেই বুধবার (১২ জুন) আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে হজ করতে গিয়ে সৌদিতে এখন পর্যন্ত ১৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন।

মারা যাওয়া দু’জনের নাম মো. শাহ আলম (৭৭) ও সুফিয়া খাতুন (৬২)। তাদের একজনের বাড়ি কুমিল্লা ও অন্যজনের কিশোরগঞ্জ জেলায়।

এ বছর হজ পালনে গিয়ে মারা যাওয়া অপর হজযাত্রীরা হলেন- রংপুর জেলার তারাগঞ্জের গোলাম কুদ্দুস (৫৪) ও পীরগঞ্জের শাহাজুদ আলী (৫৫), নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মো. আসাদুজ্জামান (৫৭), ভোলা জেলার মো. মোস্তফা (৯০), কুড়িগ্রাম জেলার মো. লুৎফর রহমান (৬৫), ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের মো. মুরতাজুর রহমান (৬৩), চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার মোহাম্মদ ইদ্রিস (৬৪), ঢাকা জেলার কদমতলির মোহাম্মদ শাহজাহান (৪৮), কুমিল্লা জেলার মো. আলী ইমাম ভুঁইয়া (৬৫), কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মো. জামাল উদ্দিন (৬৯), কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার মোহাম্মদ নুরুল আলম (৬১), কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মাকসুদ আহমদ (৬১), ফরিদপুর জেলার নগরকান্দার মমতাজ বেগম (৬৩), ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম (৫৭) ও গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার মো. সোলাইমান (৭৩)।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ পালন করতে গিয়ে মারা গেলে তার মরদেহ সেখানেই দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তিও গ্রহণ করা হয় না। এছাড়া মক্কায় কোনো হজযাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয় তার।

এদিকে বুধবার সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছর হজযাত্রী ও তাদের ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত গাইডসহ মোট ৮৫ হাজার ১২৯ জন সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এ নিয়ে শতভাগ হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। হজযাত্রীদের বহন করতে এবার তিনটি এয়ারলাইনস মোট ১২৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৫টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ৩৭টি ফ্লাইট রয়েছে।

;

কোরবানি করা যাবে যেসব পশু দিয়ে



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কোরবানির পশু হিসেবে গরু বেশ জনপ্রিয়, ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির পশু হিসেবে গরু বেশ জনপ্রিয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানি বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য পশু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে। পবিত্র কোরআনে চতুষ্পদ জন্তুর কথা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি সব জাতির জন্য কোরবানির বিধান রেখেছি, যেন আমি তাদের জীবনোকরণ হিসেবে যে চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছি তাতে (জবাই করার সময়) আল্লাহর নাম স্মরণ করে। -সুরা হজ : ৩৪

যেসব পশু দিয়ে কোরবানি হয়
তিন ধরনের চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে কোরবানি করা যাবে। তা হলো- ১. ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা, ২. গরু, মহিষ, ৩. উট।

কোরবানির পশুর বয়সসীমা
কোরবানির জন্য উটের বয়স পাঁচ বছর হতে হবে। গরু ও মহিষের বয়স দুই বছর হতে হবে। ছাগল ও ভেড়ার বয়স এক বছর হতে হবে।

হজরত নাফে (রহ.) বর্ণনা করেছেন, হজরত আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা.) কোরবানি, হজ ও উমরার পশুর ক্ষেত্রে উটের বয়স পাঁচ বছর, গরু ও মহিষের বয়স দুই বছর এবং ছাগল, দুম্বা ও ভেড়ার ক্ষেত্রে এক বছর বয়স হওয়ার কথা বলতেন। -মুয়াত্তা মালেক : ৭৫৪

তবে ছাগল ও ভেড়া এক বছর পরিপূর্ণ না হয়ে বছরের বেশির ভাগ সময় অতিবাহিত হয় এবং দেখতে এক বছরের বাচ্চার মতো মনে হয় তাহলে এ ধরনের দুম্বা ও ভেড়া দিয়ে কোরবানি জায়েজ। ছাগলের বয়স এক বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ হবে না। -ফাতাওয়ায়ে কাজিখান : ৩/৩৪৮

কোরবানির পশু যেমন হবে
কোরবানির পশু সব ধরনের শারীরিক ত্রুটিমুক্ত হওয়া জরুরি। গুণগত দিক থেকে উত্তম হলো, পশুটি দেখতে সুন্দর, নিখুঁত বা দোষত্রুটি মুক্ত ও হৃষ্টপুষ্ট। যে পশু দেখলে পছন্দ হয়। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শিংবিশিষ্ট ও মোটাতাজা একটি মেষ কোরবানি করেছেন। এর চেহারা, পা ও চোখ ছিল মিটমিটে কালো। -সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩১২৮

আরও পড়ুন:
কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি দিতে হয়

ত্রুটিযুক্ত পশুর কোরবানি শুদ্ধ হয় না

;

এবার হাজিরা ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করতে পারবেন



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইলেকট্রিক স্কুটার, ছবি: সংগৃহীত

ইলেকট্রিক স্কুটার, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যাতায়াতের সুবিধার্থে এ বছর ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করতে পারবেন হাজিরা। মক্কা নগরী ও পবিত্র স্থাপনাগুলোর দেখভালের দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবের রয়্যাল কমিশন এ অনুমতি দিয়েছে। স্কুটারে যাতায়াতের জন্য তিনটি রাস্তাও ঠিক করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হালকা ও নিরাপদ এই বাহন ব্যবহারের মাধ্যমে পবিত্র স্থাপনাগুলোতে হাজিদের যাতায়াতে সুবিধা হবে। আর পুরো বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

ইলেকট্রিক স্কুটারে যাতায়াতের জন্য তিনটি রাস্তা নির্ধারণ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেগুলো হলো- মুজদালিফা থেকে মিনায় যাওয়ার রাস্তা; জামারায় হেঁটে চলাচলের পথ থেকে পশ্চিমের রাস্তা এবং জামারায় প্রবেশে হেঁটে চলাচলের পথ থেকে পূর্ব দিকের রাস্তা। এসব রাস্তার দূরত্ব ১ দশমিক ২ কিলোমিটার আর রাস্তাগুলো ২৫ মিটার প্রশস্ত।

ইলেকট্রিক স্কুটারগুলোর গতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার। সহজে ব্যবহার এবং সময় বাঁচানোর উপযোগী করে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুটারগুলো নিরাপদ, উন্নতমানের এবং সাশ্রয়ীও।

হজের পাঁচ দিনের আনুষ্ঠানিকতার সময় মিনা, আরাফাতের ময়দান ও মুজদালিফায় হাজিদের অবস্থান করতে হয়। আরবি জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাতের ময়দানে অবস্থানকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা ধরা হয়। সে হিসাবে এ বছর ১৫ জুন পবিত্র হজ পালিত হবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করবেন ৮৫ হাজার ২৫৭ জন। গত ৯ মে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট শুরু হয়।

এদিকে সৌদি আরবে পৌঁছা হজযাত্রীদের মধ্যে মক্কা ও মদিনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন মক্কায় এবং তিনজন মদিনায় মারা যান।

আরও পড়ুন : কাজিমিয়া নন, এবার সবচেয়ে বয়স্ক হজযাত্রী সারহোদা সাতিত

;

ত্রুটিযুক্ত পশুর কোরবানি শুদ্ধ হয় না



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ত্রুটিযুক্ত পশুর কোরবানি শুদ্ধ হয় না, ছবি: সংগৃহীত

ত্রুটিযুক্ত পশুর কোরবানি শুদ্ধ হয় না, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানি বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য পশু দোষ-ত্রুটিমুক্ত হওয়া আবশ্যক। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি সব জাতির জন্য কোরবানির বিধান রেখেছি, যেন আমি তাদের জীবনোকরণ হিসেবে যে চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছি তাতে (জবাই করার সময়) আল্লাহর নাম স্মরণ করে।’ -সুরা হজ : ৩৪

কোরবানির পশু সব ধরনের শারীরিক ত্রুটিমুক্ত হওয়া জরুরি। গুণগত দিক থেকে উত্তম হলো, পশুটি দেখতে সুন্দর, নিখুঁত বা দোষত্রুটি মুক্ত ও হৃষ্টপুষ্ট।

যে পশু দেখলে পছন্দ হয়। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শিংবিশিষ্ট ও মোটাতাজা একটি মেষ কোরবানি করেছেন। এর চেহারা, পা ও চোখ ছিল মিটমিটে কালো। -সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩১২৮

পশুর যেসব ত্রুটি থাকলে কোরবানি শুদ্ধ হয় না। এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের বিধান নিম্নরূপ-

১. অন্ধ : যে গরু চোখে দেখতে পায় না, তা স্পষ্ট।
২. রোগাগ্রস্ত : রোগ-বালাইয়ে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট।
৩. পঙ্গু : যে পশু হাঁটাচলা করতে পারে না।

৪. আহত : যার কোনো অঙ্গ ভেঙে গেছে তা স্পষ্ট। -সুনানে তিরমিজি : ১৪৯৭
৫. যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশি দাঁত পড়ে গেছে যে ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না- এমন পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ নয়। -বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২১৫

৬. যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। পক্ষান্তরে যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙে গেছে বা শিং একেবারে ওঠেনি সে পশু কোরবানি করা জায়েজ। -রদ্দুল মুহতার : ৬/৩২৪

৭. যে পশুর লেজ বা কোনো কান অর্ধেক বা তারও বেশি কাটা, সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। আর যদি অর্ধেকের বেশি থাকে তাহলে তার কোরবানি জায়েজ। তবে জন্মগতভাবেই যদি কান ছোট হয় তাহলে অসুবিধা নেই। -সুনানে তিরমিজি : ১/২৭৫

কোরবানির পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হজরত আলী (রা.) বলেন, আমাদের রাসুল (সা.) আদেশ করেছেন, আমরা যেন কোরবানির পশুর চোখ ও কান ভালো করে দেখে নিই এবং কান কাটা, কান ছেঁড়া বা কানে গোলাকার ছিদ্র করা পশু দ্বারা কোরবানি না করি। -সুনানে আবু দাউদ : ২৮০৪

আরও পড়ুন: কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি দিতে হয়

;