নারী পুলিশের সাথে হোটেলে ধরা, ডেপুটি সুপার থেকে হলেন কনস্টেবল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘটনার তিন বছর পর ভারতের উত্তর প্রদেশের কৃপা শঙ্কর কানৌজিয়া নামে পুলিশের এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টকে কনস্টেবল পদে পদাবনতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালে এক নারী কনস্টেবলের সাথে একটি হোটেলে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার কারণে তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।

রোববার (২৩ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে'র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের কৃপা শঙ্কর কানৌজিয়া নামে পুলিশের এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টকে এক নারী কনস্টেবলের সাথে একটি হোটেল থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা হয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে ডিমোশন হয়েছে পুলিশের এই কর্মকর্তার।

তিনি উন্নাওয়ের বিঘাপুরের সার্কেল অফিসার ছিলেন। তবে পরে শাস্তি হিসাবে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে গোরক্ষপুরের ২৬তম প্রভিনশিয়াল আর্মড কনস্টেবলারি ব্যাটেলিয়নের কনস্টেবল পদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ২০২১ সালের জুলাই মাসে কানৌজিয়া পারিবারিক কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বাড়ি না ফিরে এক নারী কনস্টেবলের সাথে কানপুরের একটি হোটেলে গিয়েছিলেন। এসময় তিনি তার ব্যক্তিগত ও অফিসিয়াল উভয় মোবাইল নম্বরই বন্ধ করে দেন।

কিন্তু স্বামীর খোঁজ না পেয়ে ওই সার্কেল অফিসারের স্ত্রী উন্নাওয়ের পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, কানপুরের হোটেলে ঢোকার পরই মোবাইল বন্ধ হয়ে গেছে। বিপদের আশঙ্কা করে সঙ্গে সঙ্গে ওই হোটেলে পৌঁছায় উন্নাও পুলিশ।

কিন্তু কোনও ধরনের বিপদ নয়, বরং আপত্তিজনক অবস্থায় নারী পুলিশ সদস্যের সঙ্গে পাওয়া যায় ওই সার্কেল অফিসারকে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও তাদের একসঙ্গে হোটেলে প্রবেশ করতে দেখা যায়, আর এটি পরবর্তী তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে ওঠে।

এ ঘটনার পর সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে কর্তৃপক্ষ। পরে পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পর, সরকার কর্তৃপক্ষের নিকট তাকে কনস্টেবল পদে পদাবনতির সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের আলোকে পুলিশের এডিজি (প্রশাসন) অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একটি আদেশ জারি করেন।

ফিলিপাইনে টাইফুন 'গায়েমি'র প্রভাবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাইফুন গায়েমির প্রভাবে ফিলিপাইনে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাত, ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে চীনা গনমাধ্যম সিনহুয়া।

গণমাধ্যমটি জানায়, ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ৭ জন, ক্যাভাইট প্রদেশে তিনজন, বাতাঙ্গাস প্রদেশে পাঁচজন এবং রিজাল প্রদেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়াও বুলাকান প্রদেশে একজন এবং পামপাঙ্গা প্রদেশের অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে আরও দুজন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চলতি বছরে ফিলিপাইনে আঘাত হানা তৃতীয় টাইফুন গায়েমির প্রভাবে ম্যানিলাসহ অনেক অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

টাইফুনের তাণ্ডবে প্রাণহানির পাশাপাশি উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোর অনেক বাড়িঘর ও গাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং ভেসে গিয়েছে।

;

পাপুয়া নিউ গিনির তিন গ্রামে হামলা, ১৬ শিশুসহ নিহত ২৬



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওশেনিয়া মহাদেশের দ্বীপ রাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনির তিনটি গ্রামে হিংস্রাত্মক হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৬ জনই শিশু।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আঙ্গোরাম থানার কমান্ডার ইন্সপেক্টর পিটার মান্ডি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, পূর্ব সেপিকের আঙ্গোরাম জেলার তামারা, তাম্বারি এবং আংরুমারার সেপিক নদী গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এতে ভয়ে অনেক মানুষ তাদের নিজ বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, হত্যার আগে অনেক নারী ও মেয়েদেরকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ৩০ সদস্যের যুবকদের একটি গ্যাংয় দ্বারা এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডটি পরিচালিত হয়। এই গ্যাংয়ের সদস্যেরা নিজেদেরকে "আমি পাত্তা দিই না" বলে পরিচয় দিয়ে থাকে।

গত বুধবার (১৭ জুলাই) বন্দুক, ছুরি এবং তারের ক্যাটাপল্ট নিয়ে গ্যাংটি আংরুমারা গ্রামে আক্রমণ করে। এসময় ওই গ্রামের বেশকিছু বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় এবং একজন বৃদ্ধসহ ৫ বছরের এক শিশুকে হত্যা করে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। 

পর দিন তারা তাম্বারি গ্রামে আক্রমণ করে অনেক নারী ও যুবতী মেয়েদের ধর্ষণ করার পর ছুরি দিয়ে তাদের পেট কেটে দেয়। শুধু তাই নয় ছুরি দিয়ে ছোট বাচ্চাদেরও পেট কেটে দেওয়া হয়। এই হামলায় আংরুমারায় তিনজন এবং তাম্বরীতে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৬ জন শিশু- কথাগুলো বলছিলেন আঙ্গোরাম থানার কমান্ডার ইন্সপেক্টর পিটার মান্ডি।

তবে তৃতীয় গ্রামে তারা কবে আক্রমণ করেছিল তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, ‘আমি পাপুয়া নিউ গিনিতে মারাত্মক সহিংসতার ঘটনায় আতঙ্কিত, আপাতদৃষ্টিতে জমি এবং হ্রদের মালিকানা এবং ব্যবহারকারীর অধিকার নিয়ে বিরোধের ফলে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে।’

পিএনজি কর্তৃপক্ষ নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে এবং মৃতের সংখ্যা ৫০ জনেরও বেশি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তুর্ক। এছাড়া গত ১৬ এবং ১৮ জুলাই ইস্ট সেপিক প্রদেশে যে হামলা হয়েছে, তাতে অগ্নিসংযোগের পরে ২০০ জনেরও বেশি লোককে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছিল।

;

ইরান ও রাশিয়ার সম্পর্ক বাধাহীনভাবে উন্নতি হচ্ছে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত, ইরান ও রাশিয়ার সম্পর্ক বাধাহীনভাবে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেনরাশিয়ান ফেডারেশন কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার কনস্তানতিন কোসাসেভ

ছবি: সংগৃহীত, ইরান ও রাশিয়ার সম্পর্ক বাধাহীনভাবে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেনরাশিয়ান ফেডারেশন কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার কনস্তানতিন কোসাসেভ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ান ফেডারেশন কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার কনস্তানতিন কোসাসেভ বলেছেন, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক বাধাহীনভাবে উত্তরোত্তর উন্নতি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ইরানের সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এ বিষয়ে একটি খবর প্রকাশ করে।

খবরে বলা হয়, ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফির সঙ্গে বৈঠকের পর কনস্তানতিন কোসাসেভ এ মন্তব্য করেন। বুধবার তাদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কোসাসেভ বলেন, দুই দেশের মধ্যে সক্রিয় যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষভাবে সংসদীয় দলসহ দুই দেশের মধ্যে কম্প্রিহেনসিভ স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ চুক্তির মাধ্যমে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে সম্পর্কের কারণে এ যোগাযোগ আরো জোরদার হচ্ছে।

এছাড়া দুই দেশের আন্তঃসংসদীয় দলের মধ্যে বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে।

রাশিয়ান ফেডারেশন কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার কনস্তানতিন কোসাসেভ বলেন, ইরান ও রাশিয়া পাশ্চাত্যের বেআইনি নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দুই দেশ একে অপরকে সমর্থন ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

;

৫ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হামাসের কাছে জিম্মি থাকা পাঁচ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের দাবি করেছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী। 

নিহত ওই ব্যক্তির নাম রবিদ কাটজ। তিনি নির ওজ কিবুতজ নিরাপত্তা দলের সদস্য ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে অভিযান চালিয়ে চার জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি করেছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী। এদের মধ্যে দুজন বেসামরিক এবং দুজন সেনাবাহিনীর সদস্য। খবর আল জাজিরা। 

আইডিএফ জানায়, দুই বেসামরিক নাগরিকের একজন হলেন ৫৬ বছর বয়সী মায়া গোরেন এবং ৩৩ বছর বয়সী ওরেন গোন্ডিন। এছাড়া দুই সেনা সদস্য হলেন- ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্টে কিলিল ব্রোডস্কি এবং ২০ বছর বয়সী স্টাফ সার্জেন্ট টমার ইয়াকভ আহিমাস।

গত বছরের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে এসব ব্যক্তিদের জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।

;