রাফায় ইসরায়েলের হামলা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে ফিলিস্তিনের রাফাতে দখলদার ইসরায়েলের চলমান হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। শুধু তাই নয়, ইসরায়েলি সৈন্যদের ওই এলাকা ছেড়ে দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৪ মে) হেগ ভিত্তিক জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইসরায়েলকে এ নির্দেশ দেন। কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

রায়ে আইসিজের প্রধান বিচারপতি নওয়াফ সালাম বলেন, “রাফাতে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করতে হবে। ওই এলাকায় ঘিরে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না যাতে অঞ্চলের বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

তিনি জানান, রাফায় মানবিক পরিস্থিতি বিপর্যয়কর। তাই যত দ্রুত সম্ভব সেখানে ইসরায়েলি সৈন্যদের হামলা বন্ধ করতে হবে।

আদালতের বিচারকরা বলেছেন, ইসরায়েল গাজার বাসিন্দাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে যেসব প্রতিশ্রতি দিয়েছে এবং রাফা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করছে সেটিতে তারা সন্তুষ্ট নন।

এর আগে রাফাতে ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দারস্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটি দাবি করে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ কারণে সেখানে হামলা বন্ধ করতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা আবেদনে বলেছে, রাফাহ শহরসহ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলিদের সামরিক অভিযান বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এই আবেদনের বিষয়ে আজ রায় দিয়েছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এ আদালত। তবে এ রায় দিতে পারলেও রায় কার্যকর করানোর ক্ষমতা নেই আইসিজের। এর আগে ইউক্রেনে আগ্রাসন বন্ধের জন্য রাশিয়াকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু রাশিয়া তা মানেনি।

এর আগে সোমবার ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) শীর্ষ প্রসিকিউটর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, চলতি মাসে ইসরায়েল দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে আক্রমণ শুরু করে। এতে প্রাণ হারান অসংখ্য ফিলিস্তিনি নাগরিক। আহতের সংখ্যাও কম নয়। এ অবস্থায় ওই এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা।

   

ইরানে জনপ্রিয় র‍্যাপ গায়কের মৃত্যুদণ্ড বাতিল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের সর্বোচ্চ আদালত দেশটির জনপ্রিয় র‍্যাপ গায়ক তোমাজ সালেহির মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছেন। সালেহির আইনজীবী আমির রাইসিয়ান শনিবার (২২ জুন) এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, সরকারের সমালোচনা করে গান করায় এর আগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ আমির রাইসিয়ান বলেন, ইরানের সুপ্রিম কোর্ট সালেহির মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করেছেন। এই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে সালেহিকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ও বিষয়টি জানিয়েছিলেন তার আইনজীবী রাইসিয়ান। তখন তিনি বলেছিলেন, সালেহির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহে সহায়তা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, দাঙ্গার আহ্বানসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালে পুলিশ হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই বিক্ষোভের সময় ৩৩ বছর বয়সি তোমাজ সালেহি দেশের দুর্নীতি, শাসনব্যবস্থা, সরকারের সমালোচনা করে গান করেছিলেন। ওই বছরের অক্টোবরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর বিক্ষোভ চলাকালে শত শত বিক্ষোভকারী নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের তালিকায় ছিলেন ইরানের নিরাপত্তাকর্মীরা। সে সময় গ্রেপ্তার করা হয় কয়েক হাজার মানুষকে। তাদের মধ্যে নয়জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা এরই মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

;

পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে ৫ সেনা নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আফগানিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার (২১ জুন) দেশটির সেনাবাহিনীর একটি গাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের পার্বত্য খুররাম জেলায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানি তালেবান ও ইসলামিক স্টেট গ্রুপ (আইএস) পাকিস্তানের ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেশ সক্রিয়।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িতে আগে থেকে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে পাঁচজন সেনাসদস্য শহীদ হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার দায় কোনো সংগঠন স্বীকার করেনি।

পাকিস্তানের ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর মাঝেমধ্যেই হামলা চালায় দেশটির তালেবান। সংগঠনটি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত।

২০২১ সালের আগস্টে প্রতিবেশী আফগানিস্তানে তালেবান শাসন ফিরে আসার পর এমন হামলার ঘটনা বেড়েছে।

;

দুই কোটি না দিলে যৌন হেনস্থার মামলায় ফাঁসানোর হুমকি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই কোটি রুপি না দিলে ফাঁসানো হবে যৌন হেনস্থার মিথ্যা মামলায়! ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্থার মামলায় গ্রেফতার হওয়া ভারতের কর্নাটকের সাবেক জেডিএস সাংসদ প্রজ্বল রেভান্নার ভাই সুরজকে এমনই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নাতি তথা কর্নাটক বিধানসভার জেডিএস সদস্য সুরজ এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন।

সুরজের পক্ষে তার সহকারী শিবকুমার এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে শিবকুমার অভিযোগ করেছেন জেডিএসের যুব শাখার কর্মী চেতন কেএস এবং তার শ্যালকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে যে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উছিলায় সুরজের সঙ্গে পরিচিতি বাড়ান চেতন। ‘সুরজ রেভান্না ব্রিগেড’ নামে একটি মঞ্চও গড়েছিলেন তিনি।

এর পরে প্রজ্বলের নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে হইচই শুরু হতেই চেতন পরিস্থিতি বুঝে যৌন হেনস্থার মিথ্যা অভিযোগের তাঁকে ফাঁসানোর হুমকি দিতে থাকেন।

পুলিশকে সুরজ জানিয়েছেন, প্রথমে তার কাছে পাঁচ কোটি রুপি চেয়েছিলেন চেতন। পরে সেই দাবি কমে দুই কোটিতে দাঁড়ায়।

প্রসঙ্গত, একাধিক নারীকে যৌন নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরে গত মাসে গ্রেফতার করা হন সুরজের বড় ভাই প্রজ্বল। তিনি এখন জেলবন্দি।

আরেক নির্যাতিতাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় প্রজ্বল-সুরজের বাবা তথা কর্নাটকের সাবেক মন্ত্রী এইচডি রেভান্নাকেও। তবে পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

;

অস্ত্রের জন্য আবেদন করেছেন ৪২ হাজার ইসরায়েলি নারী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েলি নারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। যে কারণে ইসরায়েলে অস্ত্রের জন্য আবেদনকারী নারীর সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি নারীদের অস্ত্রের প্রতি ঝুঁকে পড়ার সমালোচনা করেছে নারীবাদী সংগঠনগুলো।

ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, হামলার পর থেকে অস্ত্রের অনুমতির জন্য নারীদের কাছ থেকে ৪২ হাজার আবেদন জমা পড়েছে এবং যার মধ্যে ১৮ হাজার অনুমোদিত হয়েছে।

ইসরায়েলের ডানপন্থী সরকার এবং তার উগ্র ডানপন্থী নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের অধীনে অস্ত্র আইন শিথিল করার কারণেই দেশটির নারীরা নিজেকে সশস্ত্র করতে উব্দুদ্ধ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় অনুসারে, ইসরায়েল এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের ১৫ হাজারেরও বেশি বেসামরিক নারী এখন একটি করে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক লিমোর গোনেন অ্যারিয়েলের পশ্চিম তীরের একটি শুটিং রেঞ্জে অস্ত্র চালানোর ক্লাস চলাকালীন এএফপিকে বলেন, ‘আমি কখনো অস্ত্র কেনার বা পারমিট পাওয়ার কথা ভাবিনি। কিন্তু, গত ৭ অক্টোবরের পরে পরিস্থিতি বদলে গেছে।’

গোনেন আরও বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর আমাদের সবাইকে টার্গেট করা হয়েছিল। আমি আর বিস্মিত হতে চাই না। তাই আমি নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি।’

ইজরায়েলের সরকারি পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে এএফপির সমীক্ষা বলছে, গত ৭ অক্টোবরের হামলার ফলে ১,১৯৪ জন ইসরায়েলির মৃত্যু হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক।

এরপর ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক আক্রমণে গাজায় অন্তত ৩৭,৪৩১ জন নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

;