‘একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক’ রোধে কানাডায় প্রশাসনিক চাপ 



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে জনসাধারণের উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বের প্রায় সব মহাসাগরে প্লাস্টিকের পরিমাণের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে দিচ্ছে। গত কয়েক বছরে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন দেশে নেওয়া হচ্ছে আইনি বা বিকল্প ব্যবহারযোগ্য পণ্যের উৎপাদনের পদক্ষেপ।

সম্প্রতি কানাডার পার্লামেন্টে প্লাস্টিক দূষণ রোধের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কনজারভেটিভ দল থেকে আবারও দাবি তোলা হয়। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম দাবিটি তোলা হয়েছিল। দেশটির সংবাদমাধ্যম সিবিসির প্রতিবেদনে সে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

মূলত, একক-ব্যবহারের প্লাস্টিক হল ডিসপোজেবল প্লাস্টিক যা একবার ব্যবহার করে ফেলে দিতে হয়। পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিকের পানীয়ের বোতল ও বোতলের ক্যাপ, খাবারের মোড়ক, প্লাস্টিকের প্যাকেট, প্লাস্টিকের মোড়ক, স্ট্র, স্টিরার্স, স্টাইরোফোমের কাপ বা প্লেট, এয়ারবাড, প্লাস্টিকের কাপ-প্লেট-চামচ-গ্লাস-ছুরি, ট্রে, মিষ্টির বাক্স বাঁধার রিবন, থার্মোকল, স্টিয়ারার, সিগারেটের প্যাকেট, আইসক্রিম ও ক্যান্ডি স্টিক ইত্যাদি হল একক-ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক।

সিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়,  টরন্টো ইউনিভার্সিটি অব আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মরিয়ম ডায়মন্ড বলেন, ‘আমরা অনেক বেশি  প্লাস্টিক উৎপাদন করেছি যা শেষ পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং ন্যানোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে পরিবেশকে দূষিত করছে এবং এতে মানুষ অসুস্থ হচ্ছে।’

ডায়মন্ড বলেছেন, বৃহত্তর পরিবেশ ঝুঁকির আশঙ্কাকে প্রাধান্য না দিয়ে প্লাস্টিকের এমন অধিক ব্যবহার দেখে  তিনি উদ্বিগ্ন। 

ডায়মন্ড সায়েন্টিস্ট কোয়ালিশন ফর অ্যান ইফেক্টিভ প্লাস্টিক ট্রিটির সদস্য এবং রাসায়নিক দূষণের আন্তর্জাতিক প্যানেলেরও ভাইস-চেয়ার। তার পরামর্শ হল- তরল জাতীয় খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্লাস্টিক স্ট্র পরিহার করতে হবে। যাদের  শারীরিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে তারা ছাড়া বাকিদের স্ট্র ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করেন তিনি।  প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করার কোনো দরকার নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কনজারভেটিভ দলের এমপি কোরি টোচর গত মাসে হাউস অফ কমন্সে সি-৩৮০ বিল নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, কানাডিয়ান এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন অ্যাক্টের অধীনে বিষাক্ত পদার্থ হিসেবে উৎপাদিত প্লাস্টিক আইটেমগুলোকে তালিকাভুক্ত করে সেসব নিধনের পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি। 

অবশ্য এমন একটি তালিকা এরই মধ্যে করা হয়েছে যার অন্যতম উপাদান এই একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক। এই তালিকাটি ছিল ফেডারেল সরকারের একক-ব্যবহারের প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার জন্য একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ, যা বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে নেওয়া পদক্ষেপ।

হাউসে টোচরের বিল নিয়ে বিতর্ক হওয়ার পাঁচ দিন পরে, কনজারভেটিভ এমপি ব্র্যান্ডেন লেসলি একটি আট মিনিটের ভিডিও পোস্টে বলেন, পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ ব্যবহার বাড়াতে হবে। কেনাকাটা, খাওয়া, সমুদ্রে ভ্রমণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্লাস্টিক এড়িয়ে এর বিকল্প ব্যবহারে ঝুঁকতে হবে।

ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসোর্স এবং পরিবেশগত গবেষণার স্কুলের অধ্যাপক টনি ওয়াকার বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।’ 

উল্লেখ্য, কানাডার পরিসংখ্যান অনুযায়ী,, ২০১৬ সালে কানাডার ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার টন। ২০১৯ সালে সেই প্লাস্টিক দূষণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ১৪০ টনে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলার অংশ হিসেবেই ২০২০ সালে দেশটিতে সি-৩৮০ বিল উত্থাপন করা হয়। সেই ফেডারেল মূল্যায়নে বলা হয়, যেহেতু প্লাস্টিক খুব ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এবং পরিবেশে স্থায়ী অবস্থান নেয়, তাই প্লাস্টিক দূষণের পরিমাণ সময়ের সাথে সাথে বাড়তেই থাকবে। প্লাস্টিক দূষণের ফলে পরিবেশ এবং মানুষের স্বাস্থ্যের উপর যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে তাতে উদ্বেগ বাড়ছে। এর সমাধানে উদ্যোগ নিতে হবে।’

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড (ডব্লিউডব্লিউএফ) অনুসারে, একক-ব্যবহারের প্লাস্টিক ধীরে ধীরে এবং ধীরে ধীরে প্লাস্টিকের ছোট ছোট টুকরোতে ভেঙে যায় যা মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে পরিচিত। এসব প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কারণ এটি অ-বায়োডিগ্রেডেবল এবং পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হতে কয়েক বছর সময় নেয়। প্লাস্টিকের ব্যাগগু পঁচতে হাজার হাজার বছর সময় লাগতে পারে, এতে মাটি এবং জল দূষিত হয়। প্লাস্টিক তৈরি করতে ব্যবহৃত বিষাক্ত রাসায়নিকগুলো প্রাণীর টিস্যুতে স্থানান্তরিত হয় এবং অবশেষে, মানব খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে।

কোনো প্লাস্টিকই বায়োডিগ্রেডেবল নয়। তবে কোনো প্লাস্টিক ১০০ মাইক্রনের থেকে পাতলা হলে, তার চরিত্র বেশি ভঙ্গুর হয়। অর্থাৎ, অল্পসময়ের মধ্যেই ছোটো ছোটো টুকরোতে ভেঙে যায় এই ধরনের প্লাস্টিক। যা আমাদের কাছে পরিচিত মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে। সাধারণ প্লাস্টিক পণ্যের থেকেও আণুবীক্ষণিক এই প্লাস্টিক কণা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। এই সংক্রান্ত একাধিক তথ্যও সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট থেকে শুরু করে গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ-সর্বত্রই হদিশ মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের। বাস্ততন্ত্রের ক্ষতিসাধন তো বটেই, খাদ্য এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে মানুষের দেহেও অবাধে প্রবেশ করছে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

   

লেবাননে ভয়ঙ্কর ফসফরাস বোমা হামলা ইসরায়েলের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বনাঞ্চল লক্ষ্য করে ফসফরাস বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

এর ফলে সেখানে আগুন ধরে গেছে। কাফার কিলা শহরের কাছে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের গবেষক রামজি কাইস সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলেছেন, জনবহুল এলাকায় ইসরায়েলের এয়ারবার্স্ট সাদা ফসফরাস যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার নির্বিচারে বেসামরিক লোকজনের ক্ষতি করছে এবং অনেককে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করেছে।

এদিকে আল-জাজিরার সানাদ ফ্যাক্ট-চেকিং এজেন্সির যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আপার গ্যালিলির আয়েলেত হাশাহারে একটি ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা সেনাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

এক্স-এ ইসরাইলি আর্মি রেডিওর শেয়ার করা ফুটেজে দেখা যায়, ইসরাইলি ঘাঁটির আশপাশে সাইরেন বাজছে এবং সেনারা ভয়ে দৌড়াচ্ছে।

সাদা ফসফরাসের সংস্পর্শে এলে মানুষ তীব্র জ্বালা অনুভব করে অনেক ক্ষেত্রে এটা মানুষের হাড় পর্যন্ত পুড়িয়ে দেয় এবং এর নিরাময়ে অনেক সময় লাগে। সেসঙ্গে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে।

সাদা ফসফরাসের কারণে যদি মানুষের শরীরের মাত্র ১০ শতাংশও দগ্ধ হয়, তাহলেও তা মারাত্মক। এর সংস্পর্শে এলে মানুষের শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে এবং শরীরের অনেক অঙ্গ কাজ করা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যে কারণে সশস্ত্র সংঘাতে সাদা ফসফরাস ব্যবহার বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোতে নিষিদ্ধ।

কনভেনশন অন কনভেনশন উইপনস (সিসিডব্লিউ) এর প্রটোকল ৩ বেসামরিক জনগোষ্ঠী বা বেসামরিক এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে সাদা ফসফরাস ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।

এই প্রোটোকলের অধীনে, এটি কেবল আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের নীতি অনুসারে সংকেত, স্ক্রিনিং এবং চিহ্নিতকরণের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

;

ইসরায়েলের গোপন স্থাপনার ফুটেজ প্রকাশ করল হিজবুল্লাহ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক গণমাধ্যম বিভাগ। 

রোববার (২৩ জুন) প্রকাশিত এই ভিডিও ফুটেজ সম্পর্কে লেবাননের আল-মায়াদিন টেলিভিশন চ্যানেল বলছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর কাছে নিরাপত্তার দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলোকে হিজবুল্লাহ চিহ্নিত করেছে।

দেশটির ক্ষমতাসীন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার যখন লেবাননের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, ঠিক তখনই এ ফুটেজ প্রকাশ করল সংগঠনটি। 

বার্তাসংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশিত ফুটেজে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের দিমোনা পরমাণু চুল্লি, তেল আবিবের বেনগুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, হাকিরিয়া কমপ্লেক্স এবং নেভাতিম বিমানঘাঁটি।

উল্লেখ্য, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হাকিরিয়া কমপ্লেক্সে রয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং বহু শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার বাসা-বাড়ি, রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি এবং লেবানন উপকূলের কারিশ গ্যাসক্ষেত্র। 

এর আগে, শুক্রবার (২১ জুন) ইসরায়েলের একটি নৌঘাঁটিসহ ৬টি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। এতে ওই নৌঘাঁটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বহু সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। 

;

ভারতে সরকারি অফিসে ১৫ মিনিট দেরি হলেই কাটা যাবে ছুটি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলবে। এক্ষেত্রে চাকরিজীবীদের অফিসে ঢুকতে হবে সকাল ৯টায়। দেরি হলেই ক্যাজুয়াল লিভ কাটা হবে বলে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এই নতুন নিয়ম প্রণয়ন করেন।

রোববার (২৩ জুন)  টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি চাকরিজীবীদের সময়মত অফিসে উপস্থিতির প্রকাশিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, এখন থেকে অফিসে ঢুকতে সরকারি চাকরিজীবীরা সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট ছাড় পাবেন। সকাল সোয়া ৯টার মধ্য অফিসে উপস্থিত না হলে তাদের জন্য বরাদ্দ ক্যাজুয়াল লিভের মধ্যে থেকে অর্ধদিবস ছুটি কেটে নেওয়া হবে।

এ ছাড়াও, প্রতিদিন অফিসে প্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার সময় বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ব্যবহারও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ কর্মচারীরা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে তা ব্যবহারে অনীহা দেখা যায়। তাছাড়া, করোনা মহামারির পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের অফিসে দেরিতে আসার প্রবণতাও বেশি লক্ষ্য করা গেছে। ফলে নতুন এ নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

;

গ্রিসে একদিনে ৬৬ দাবানল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীসের ইভিয়া দ্বীপের কন্টোডেস্পোটি এলাকায় এবং পশ্চিম থ্রেসের সাপসি শহরাঞ্চলে একদিনে অন্তত ৬৬টি দাবনলের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ জুন) গভীর রাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব দাবানলের ঘটনা ঘটে।

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুতে এ খবর দেওয়া হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে এসব দাবানলের ৫২টি স্থানের আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে দমকল বাহিনী। বাকি ১৪টি স্থানের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে দেশটির ফয়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তবে এসব দাবানলের ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতিদিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আমনা (এএমএনএ) জানিয়েছে, ইভিয়া দ্বীপের কন্টোডেস্পোটি এলাকায় এবং পশ্চিম থ্রেসের সাপসি শহরে এসব দাবানলের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দাবানল মোকাবিলায় জোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে গ্রীস প্রশাসন। এসব দাবানলের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, দাবানলের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সন্দেভাজনরা ইয়েট ক্রজে যাওয়ার সময় আতশবাজি ছুড়ে দিলে সেখান থেকে এসব দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। বেসামিরক নিরাপত্তা মন্ত্রী অ্যাটিকা অঞ্চলে একটি দাবানলের উচ্চ ঝুঁকির বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি দেশটির ঐতিহাসিক নগরী এথেন্স এবং এর পার্শ্ববর্তী বন্দর শহর পিরেউস পিন ইভিয়াতেও বারতি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন।  

গণমাধ্যমের পৃথক আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। এই দাবানলের শত শত প্রাণীরও মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে এই দাবানল শুরু হয় এবং শুক্রবার পর্যন্ত আগুনে কয়েকশ প্রাণী মারা গেছে। কৃষকদের খড় পোড়ানো থেকে ওই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। 

;