ব্যাটালিয়ন ২৩৭ দখল করে নেয়ার দাবি কেআইএ’র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন ২৩৭-এর সদর দফতর (হেডকোয়ার্টার) দখল করে নেয়ার দাবি করেছে কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (কেআইএ) ও তার মিত্ররা।

ভামো জেলায় হামলার এক সপ্তাহ পরে তারা ওই সদর দফতর দখল করে নেয়। কেআইএ’র মুখপাত্র কর্নেল নাওয়া বু বলেন, মোমাউক শহরের কাছে দাসাই গ্রামের পাশে ওই ঘাঁটি তারা দখলে নিয়েছে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ)। তিনি দাবি করেন, গত সপ্তাহে তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে সামরিক জান্তার কমপক্ষে ২০টি আউটপোস্ট। 

শুক্রবার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্নেল নাউ বু বলেন, প্রথমে আমরা ওই ঘাঁটির চারপাশে সব বাংকার দখল করি। তারপর প্রধান কার্যালয় আমাদের দখলে আসে। ওই এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছে আমাদের সেনারা। তবে এই রিপোর্ট নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে ইরাবতী। এতে বলা হয়, এই অপারেশনে যুক্ত ছিল কেআইএ, আরাকান আর্মি, কাচিন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) ও অন্য গ্রুপগুলো। তাদের হামলার জবাবে মামুউকের কাছে লাইজাতে গোলা ও বিমান হামলা করেছে সামরিক জান্তা।

এখানেই কেআইএর প্রধান কার্যালয়। পিডিএফ বলেছে, ব্যাটালিয়ন ঘাঁটিটির পতন হয়েছে। ফলে সামরিক জান্তার সেনারা ভামাকো শহরে আমাদের ওপর ও অন্য ঘাঁটিগুলেতে আকাশ থেকে হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করেছে। 

পিডিএফের একজন সদস্য বলেন, আমরা কমপক্ষে ৪০ জন সেনা সদস্যকে হত্যা করেছি। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছি কমপক্ষে ২০০ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম। কাচিন মিডিয়ায় একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, শাসকগোষ্ঠী বিরোধী বাহিনী ওই ব্যাটালিয়নের ভিতরে অবস্থান করছেন। তারা সেখানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র নিজেদের দখলে নিয়েছেন। 

ভামো জেলায় লাইজা’কে সংযুক্ত করে একটি সড়কের পাশে ২০০৫ সালে ৪০০ হেক্টর জমির ওপর প্রতিষ্ঠা করা হয় ব্যাটালিয়ন ২৩৭ সদর দফতর (হেডকোয়ার্টার)। এর আগে ৮ই মার্চ কেআইএ এবং এর মিত্ররা দাওথপোনিয়ান শহরে ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন ১৪২-এর সদরদফতর দখল করে। সেখানে ব্যাপক যুদ্ধ হয় সামরিক জান্তার সেনাদের সঙ্গে। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী সাদা পতাকা উড়ায়।  এই ব্যাটালিয়নে ছিলেন কমপক্ষে ১০০ সেনা সদস্য।

গণঅসন্তোষ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সাবেক ক্যাপ্টেন ইউ হতেত মায়াত। তিনি বলেন, ব্যাটালিয়ান ২৩৭ এর পতন এটাই বলে দেয় যে, সামরিক জান্তা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। তিনি আরও বলেন, ভামোতে এটা হলো ২১তম মিলিটারি অপারেশন্স কমান্ডের একটি শাখা। তারপরও বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে কেআইএ। শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ মূল্যবান শহর এখন কেআইএ’র হাতে। 

   

কারেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহে একমত যুক্তরাষ্ট্র-মিশর 



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘের সরবরাহকৃত ত্রাণ কারেম আবু সালেম সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে গাজায় নিতে একমত হয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল সিসি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই দুই নেতা ফোন কলে ঐক্যমত পোষণের কথা জানান। 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কারেম আবু সালেম সীমান্ত দিয়ে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা গাজায় পৌঁছানোর জন্য মিশরের প্রেসিডেন্ট উদ্যোগ গ্রহণ করায় তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। 

ফিলিস্তিনের গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্তের ক্রসিং পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত গাজা, মিশর এবং ইসরায়েলের সীমান্তে থাকা কারেম আবু সালেম ক্রসিং দিয়ে গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। 

মিশরের প্রেসিডেন্ট দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে- এর ফলে ফিলিস্তিনিদের গাজায় যে মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে তার কিছুটা লাঘব করা যাবে। এছাড়া জ্বালানির অভাবে বন্ধ থাকা হাসাপাতাল ও বেকারিগুলোও চালু করা যাবে। 

ওয়াফা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ ওই পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

হোয়াইট হাইস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালু করার জন্য বাইডেন সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। আগামী সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য তিনি মিশরে একটি বিশেষ দল পাঠানোর কথা জানিয়েছেন।

গত ৬ মে ইসরায়েল বাহিনী মিশর ও ফিলিস্তিন সীমান্তে থাকা রাফাহ বর্ডার ক্রসিং নিজেদের দখলে নিয়েছে। এই এলাকাতেও ইসরায়েল বাহিনী স্থল অভিযান ও বিমান হামলা চালায়। গাজা থেকে অনেকে ফিলিস্তিনি হামলা থেকে বাঁচতে রাফাতে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু হামলা শুরু হওয়ার পর অনেকে এখান থেকে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।

;

ভারতে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ শুরু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে আজ। ষষ্ঠ দফায় শনিবার (২৫ মে) ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে; যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

এই পর্বে ভোট হবে ছয় রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৮ আসনে। কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট ২০১৯ সালে এই ৫৮ আসনের মধ্যে তারা জিতেছিল ৪৫টিতে। তবে এবার বেশির ভাগ আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দফায় ভাগ্য র্নিধারণ হবে মনোজ তেওয়ারি, মনোহর হুড্ডা, কানাইয়া কুমার, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, অভিনেতা দেব ও অভিনেত্রী জুন মালিয়াসহ মোট ৮৮৯ জন প্রার্থীর।

গত বার এই ৫৮ আসনের মধ্যে হরিয়ানার ১০ ও দিল্লির সাত আসনের সবগুলোতে জিতেছিল বিজেপি। অথচ এই ১৭ আসনেই এবার কঠিন লড়াইয়ের মুখে বিজেপি। দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (আপ) সঙ্গে জোট করেছে কংগ্রেস। তবে এই পর্বের নির্বাচনে বিশেষভাবে নজর থাকবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। কারণ প্রায় প্রতিটি ধাপের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই দফায় যে আট আসনে নির্বাচনে হবে তার মধ্যে পাঁচটিতে গত বার জিতেছিল বিজেপি। বাকি তিনটি জিতেছিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। 

ষষ্ঠ দফার মধ্যদিয়ে লোকসভা ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৪৮৬ আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। শেষ দফায় ১ জুন ভোট হবে ৫৭ সংসদীয় আসনে।

;

আইসিজের নির্দেশ অমান্য, রাফায় হামলা চালাল ইসরায়েল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজার রাফায় অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। কিন্তু এ নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রাফার শাবৌরা শরণার্থী শিবিরে যুদ্ধবিমান থেকে চালানো হয় হামলা।

বার্তাসংস্থা বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার শুনানিতে শুক্রবার ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতের ১৫ বিচারকের একটি প্যানেল।

একইসঙ্গে রাফার মিশর সীমান্ত ক্রসিং মানবিক ত্রাণ প্রবেশের জন্য খুলে দেওয়া, গাজায় তদন্তকারীদের প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে গাজায় ঢোকার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইসিজে।

তবে আইসিজের এ রায় ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আইসিজের এ রায় ঘোষণার পর ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, গাজায় ক্ষমতাসীন সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস করা এবং গোষ্ঠীটির কব্জায় থাকা জিম্মিদের উদ্ধারে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই রায়কে ‘ভুয়া, ভয়ানক এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থী’উল্লেখ করে বলা হয়, ‘প্রত্যেক দেশেরই আন্তর্জাতিক আইন ও মূল্যবোধ অনুসরণের ভিত্তিতে নিজেদের নাগরিক ও সীমানা রক্ষার অধিকার রয়েছে এবং ইসরায়েল ঠিক তা ই করছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘রাফার বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়িয়ে সেখানে অভিযান চালাতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য সেখানকার শত্রু ঘাঁটিগুলোতে অভিযান চালানো। বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ক্ষতিসাধন নয়।’

;

পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধস, শতাধিক প্রাণহানির শঙ্কা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভূমিধসে পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

শুক্রবার (২৪ মে) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাওকালাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫০টিরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাটির নিচে চাপা পড়ে অনেকেই।

এতে আরও বলা হয়, বাসিন্দারা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকায় এ ভূমিধস হয়েছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় তিনশ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ এখনো হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিতভাবে জানায়নি।

এদিকে ভূমিধসের পর চিকিৎসা দল, সামরিক বাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কর্মীদের দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

পাপুয়া নিউগিনি রেডক্রসের অন্তর্বর্তীকালীন মহাসচিব জ্যানেট ফিলমোন এএফপিকে জানান, ভূমিধসের জায়গাটি প্রত্যন্ত গ্রামে। সেখানে জরুরি সেবা বা ত্রাণ পৌঁছাতে দুই দিন লেগে যেতে পারে। 

;