যুক্তরাষ্ট্রে ঠান্ডায় জমে ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছাত্র অকূল ধাওয়ানের। অভিযোগ রয়েছে, ঠান্ডায় জমে মৃত্যু হয়েছিল তার। বার বার আবেদন করা সত্ত্বেও তাকে নাইট ক্লাবে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। রাতের ঠান্ডায় তিনি হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার ফলে মৃত্যু হয়।

এনডিটিভি জানিয়েছে, শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন অকূল। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নাইট ক্লাবেই গত ২০ জানুয়ারি রাতে তিনি তার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ঢুকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, বাকিদের ক্লাবে ঢুকতে দেওয়া হলেও অকূলকে বাধা দেন কর্তৃপক্ষ। বার বার তিনি ক্লাবে গিয়ে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

রাত সাড়ে ১১টা থেকে ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন অকূল। সেদিন শহরের তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে। বাইরে থাকার কারণেই ঠান্ডা লেগে গিয়েছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছাত্রের। যা পরবর্তীতে তার মৃত্যু ডেকে আনে। শ্যাম্পেন কাউন্টি কর্নারের তরফে একটি রিপোর্ট গত ২০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে এই তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে পরের দিন সকালে অকূলের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রথমে তার মৃত্যুর কারণ জানা যাচ্ছিল না। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। এতদিনে মৃত্যুর কারণ জানা গেল।

অকূলের বন্ধুরা জানান, সেদিন রাতে তারা অকূলকে বহুবার ফোন করেছিলেন। কিন্তু, একবারও ফোন ধরেননি অকূল। পরে তারা পুলিশের দ্বারস্থ হন। সকালে উদ্ধার করা হয় তার মৃতদেহ। সে রাতে অকূল মদ্যপান করেছিলেন বলেও রিপোর্টে উঠে এসেছে।

যে জায়গাটি থেকে অকূলের নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়েছিল, তার থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে পড়ে ছিলেন অকূল। তার পরিবারের প্রশ্ন, কেন এই সামান্য দূরত্বে ছাত্রকে খুঁজে পেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগল? রাতে অভিযোগ জমা পড়ার পরেও কেন তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না? সঠিক সময়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেলে হয়তো মৃত্যু এড়ানো যেত। অকূলের বাবা, মা ক্যালিফর্নিয়ার বাসিন্দা। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পর পর ভারতীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত পড়ুয়াদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর এসেছে। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের শিকার হচ্ছেন ভারতীয়রা।

   

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যা, নিহত অন্তত ৩৩



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৭ জন।

রোববার (১৪ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রবল ভারী বর্ষণে আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মূলত বাড়ির ছাদ ধসে পড়ার কারণে বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও ব্যাপক বৃষ্টিপাতের জেরে শত শত বাড়িঘর ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেশটির সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে।

বিভাগের মুখপাত্র জনান সায়েক রোববার বলেন, বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ছাদ ধসে, প্রায় ৬০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়াও, ২০০টি গবাদি পশু মারা গেছে, প্রায় ৬০০ কিলোমিটার (৩৭০ মাইল) রাস্তা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রায় ৮০০ হেক্টর (১৯৭৫ একর) কৃষি জমি ‘বন্যায় ভেসে গেছে’।

সর্বশেষ বৃষ্টি ও বন্যায় অন্য প্রদেশগুলোর মধ্যে পশ্চিম ফারাহ, হেরাত, দক্ষিণ জাবুল এবং কান্দাহার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সায়েক জানিয়েছেন।

এদিকে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, আফগানিস্তানের বেশিরভাগ প্রদেশে আগামী দিনে আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

;

তিন দেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্য, জার্মান ও ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পশ্চিম ইউরোপ বিভাগের মহাপরিচালক তাদেরকে তলব করেন।

রোববার (১৪ এপ্রিল) ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পশ্চিম ইউরোপ বিভাগের মহাপরিচালক রোববার ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সাইমন শেরক্লিফ, জার্মান রাষ্ট্রদূত হ্যান্স-উডো মুজেল এবং ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিকোলাস রোচেকে জাতিসংঘের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি জানান।

মহাপরিচালক সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং তিনটি দেশের ‘দ্বিমুখী আচরণের’ সমালোচনা করেন।

তিনি আরো বলেন, ইরান তাদের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবসময় যেকোন শক্তির বিরুদ্ধে প্রস্তুত রয়েছে।

যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতেরা বলেছেন, শিগগিরই তাঁরা নিজ দেশের রাজধানীতে এই বার্তা পৌঁছে দেবেন।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এর জবাবে গতকাল শনিবার ইসরায়েলের ভূখণ্ডে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় ইরান।

;

বাংলাদেশি জাহাজ ছিনতাই: উপকূল থেকে ৮ জলদস্যু গ্রেপ্তার  



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ৮ জলদস্যুকে সোমালিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য প্যান্টল্যান্ডের উপকূল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাদের গ্রেফতারের খবর জানিয়েছে সোমালিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘গারোই অনলাইন’। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, জাহাজটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের পূর্ব উপকূল থেকে দস্যুদের গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে জাহাজ ও এতে থাকা ২৩ নাবিককে মুক্তি দেয় দস্যুরা।

পুন্টল্যান্ডের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশি জাহাজ ও নাবিকদের জিম্মির সঙ্গে জড়িত এই ৮ দস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের কোনো অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি তিনি।

এদিকে, ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দুই দস্যু জানিয়েছে, দুই দিন আগে মুক্তিপণ হিসেবে তাদের ৫০ লাখ ডলার দেওয়া হয়। এই অর্থগুলো নকল কি না পরবর্তীতে সেটি যাচাই-বাছাই করে তারা। এরপর নিজেদের মধ্যে অর্থগুলো ভাগ করে তারা জাহাজ থেকে চলে যায়।

হাজটির মালিকপক্ষ করিম স্টিল রি-রোলিং মিলসের (কেএসআরএম) মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রাত ১২টায় মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। রাত ১২টায় জাহাজটি মুক্ত হওয়ার পর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে ওই জলদস‍্যুদের কবলে পড়ে ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি অবস্থান করছিল জাহাজটি।

;

ইরানের হামলার পর আকাশসীমা খুলল জর্ডান, ইরাক ও লেবানন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বন্ধ হওয়া আকাশসীমা আবারও খুলে দিয়েছে জর্ডান, ইরাক এবং লেবানন।

এর আগে শনিবার (১৩ এপ্রিল) গভীর রাতে এসব দেশ তিনটি আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে, দেশটিতে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টারও আগে আকাশসীমা খুলে দেয় জর্ডান।

এছাড়া ইরাকের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি কাটিয়ে উঠেছে তারা। লেবাননের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, রাতভর বন্ধ থাকার পর দেশটিতে পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানবন্দর।

দুটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যবর্তী জর্ডান তার ভূখণ্ড লঙ্ঘনকারী যে কোনো ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রস্তুত রেখেছে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ায় তেহরানের কনস্যুলেটে হামলার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে। ইরান হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে। হামলায় একাধিক ইরানি কমান্ডার নিহত হন। সেই হামলার জবাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ল ইরান।

;