পোল্যান্ডে শীতকালীন যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
পোল্যান্ডে প্রশিক্ষণরত ইউক্রেনীয় সেনা। ছবি : সংগৃহীত

পোল্যান্ডে প্রশিক্ষণরত ইউক্রেনীয় সেনা। ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন কঠোর শীতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পশ্চিম পোল্যান্ডের একটি তুষার-ঢাকা মাঠে ইউক্রেনের সেনাদের ট্রেঞ্চ যুদ্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

জার্মান সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে ওয়েড্রজিনে পোল্যান্ড, ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামের সেনাদের দ্বারা পরিচালিত প্রশিক্ষণটি দেখার জন্য চলতি সপ্তাহে আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি মিডিয়া সংস্থার মধ্যে রয়টার্সও ছিল।

একজন ইউক্রেনীয় সেনা বলেছেন, ‘বেশিরভাগ লোকের আসলে কোনও সামরিক অভিজ্ঞতা নেই এবং তাদের শেখানো হয় কিভাবে কিছু মৌলিক কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। শহুরে এলাকায় এবং পরিখাতে কীভাবে অস্ত্র ব্যবহার করতে হয় তা আমাদের শেখানো হচ্ছে।’

প্রশিক্ষণটি সম্মিলিত অস্ত্র প্রশিক্ষণ কমান্ড দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যা ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ব্লকের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২৪টিতে ওই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলিটারি স্টাফের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিচিয়েল ভ্যান ডার লান বলেছেন, ‘আমরা মানিয়ে নিতে থাকব, কারণ যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি প্রতিদিন পরিবর্তিত হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করে এবং এখন তার ভূখণ্ডের প্রায় পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। গত জুন মাস থেকে চলমান ইউক্রেনের পাল্টা-আক্রমণে কোনও বড় সাফল্য আসেনি।

ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চীফ জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি বলেছেন, ‘যুদ্ধটি স্থির এবং নতুন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে, যা মস্কোকে তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের সুযোগ করে দিতে পারে। তিক্ত শীতের ঠান্ডা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার কারণে অভিযানগুলো আরও জটিল হতে পারে।’

এক ইউক্রেনীয় সেনা বলেছেন, ‘আমি বলব যে, যুদ্ধের ক্ষেত্রে শীতকাল সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ঋতু। এটি আমাদের চলাচল এবং চালচলনকে মারাত্মকভাবে সীমিত করে, যখন শত্রুরা পরিষ্কারভাবে হিট ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে আমাদের দেখতে পায়।’

দ্বিতীয় ইউক্রেনীয় সেনা বলেছেন, ‘পোল্যান্ডে সেনারা যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, তা তাদের পাল্টা আক্রমণে অগ্রগতি করতে সহায়তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘পরিখাতে যুদ্ধ করা এই যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমি মনে করি যে, ওই এলাকায় দক্ষতার উন্নতি আমাদের সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে সফল হতে সাহায্য করবে।’

   

পারমাণবিক বোমারু প্লেনে চড়ে পশ্চিমাদের বার্তা পুতিনের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম অত্যাধুনিক টিইউ-১৬০এম প্লেনে চড়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইং-উইং সম্বলিত দৈত্যাকার টিইউ-১৬০এম প্লেনটি সামরিক জোট ন্যাটোর কোড নাম ‘ব্ল্যাকজ্যাকস’ এ ভ্রমণ করেছেন পুতিন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভিতে পুতিনকে বোমারু প্লেনের সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোকে মস্কোর পারমাণবিক সক্ষমতার একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন পুতিন।

রাশিয়া প্লেনটির নাম দিয়েছে ‘হোয়াইট সোয়ান’। দৈত্যাকার প্লেনটি কাজানের কারখানার একটি রানওয়েতে অবতরণ করে। আধুনিক সুপারসনিক প্লেন তৈরি করার জন্য সুপরিচিত কারখানাটি।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, প্লেনটি আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য। এটি নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এটিকে গ্রহণ করতে পারে।

প্লেনটি কোল্ডওয়ার যুগের বোমারু উড়োজাহাজের একটি আধুনিক সংস্করণ যা পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে দীর্ঘ দূরত্বে অস্ত্র সরবরাহের জন্য ব্যবহার করত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।

আগামী মার্চে রুশ নির্বাচনে পরবর্তী ছয় বছরের জন্য ভ্লাদিমির পুতিন আবারও প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

প্লেনটিতে এমন এক সময়ে পুতিন ভ্রমণ করলেন, যখন রাশিয়া ইউক্রেনের একটি শহরের দখল নিয়েছে এবং তার কট্টর সমালোচক অ্যালেক্সি নাভালনি কারাগারে মারা গেছেন।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, সামরিক গোপন পথে প্লেনটি পুতিনকে নিয়ে ৩০ মিনিট আকাশে উড়েছে। টিইউ-১৬০ এম বিমানে চারজন ক্রু রয়েছে। এটি ১২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বা ১২টি স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। এছাড়া বিমানটি জ্বালানিবিহীন প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার একটানা উড্ডয়ন করতে পারে।

৭১ বছর বয়সী পুতিন এর আগেও ২০০৫ সালে টিইই-১৬০ বিমানের পুরোনো সংস্করণে উড্ডয়ন করেছিলেন।

;

ছেলের মরদেহ দেখেছেন নাভালনির মা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছেলে আলেক্সি নাভালনির মরদেহ দেখেছেন বলে জানিয়েছেন তার মা লিউডমিলা। তবে তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, গোপনে তার ছেলেকে দাফন করতে চায় রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন নাভালনির মা।

তিনি বলেন, গত বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ আমাকে গোপনে একটি মর্গে নিয়ে ছেলে আলেক্সি নাভালনির মরদেহ দেখিয়েছে। তখন তারা আমাকে গোপনে দাফনের অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিল। তারা মর্গে মৃত্যু সার্টিফিকেটে আমার স্বাক্ষর নেয়।

লিউডমিলা নাভালনায়া বলেন, আইন অনুযায়ী কর্মকর্তাদের তার ছেলের লাশ হস্তান্তর করতে হবে, কিন্তু তারা তা করতে অস্বীকার করছে। আমাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে কর্তৃপক্ষ তার ছেলের দাফনের স্থান, সময় এবং পদ্ধতিসহ বেশকিছু শর্ত দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ আমাকে একটি কবরস্থানের উপকণ্ঠে কবরে নিয়ে যেতে চায় এবং বলতে চায় এখানে আপনার ছেলে রয়েছে'।

নাভালনির মা নাভালনায়া ছেলের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ছয় দিন আগে উত্তর রাশিয়ার সালেখার্ড শহরে আসেন।

ওই সময় পুতিনের উদ্দেশে নাভালনির মা বলেছিলেন, আমি আপনার কাছে আবেদন করছি ভ্লাদিমির পুতিন, সমস্যার সমাধান শুধু আপনার ওপরই নির্ভরশীল। আমার ছেলেকে শেষ দেখা দেখতে দিন। আলেক্সির মরদেহ দ্রুত হস্তান্তর করার দাবি জানাচ্ছি যেন আমি তাকে দাফন করতে পারি।

রাশিয়ার ‍আর্কটিক কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থাতেই রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে নাভালনির। তার মৃতদেহ নিয়ে নানা খবর শোনা গেছে। কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য তদন্তের জন্য তার লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু নাভালনির দল বলছে তারা মর্গে কোনো লাশ দেখতে পায়নি।

;

গাজা একটি মৃত্যু কূপে পরিণত হয়েছে : ডব্লিওএইচও প্রধান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজার মানবিক পরিস্থিতি অমানবিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) প্রধান বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এ কথা বলেছেন। একইসঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনের এই অঞ্চলকে ‘মৃত্যু অঞ্চল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ডব্লিওএইচও প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, ‘গাজার স্বাস্থ্য ও মানবিক পরিস্থিতি অমানবিক এবং তা আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজা একটি মৃত্যু কূপে পরিণত হয়েছে।’

এদিকে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গাজার এই শহরে প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধে উপায় খুঁজতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ইসরায়েলে মার্কিন দূত বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাদের চেষ্টার কথা তুলে ধরেছেন।

ব্যাপকভাবে বেসামরিক হতাহতের আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল হুঁশিয়ার করে বলেছে, হামাস পবিত্র রমজানের শুরুতে বাকি জিম্মিদের মুক্তি না দিলে তারা রাফায় স্থল অভিযান জোরদার করবে।

অন্যদিকে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজায় গত চার মাসের অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় এ অঞ্চলের প্রায় ২৪ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

এ ছাড়া সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গাজার দক্ষিণের শহর রাফা। কারণ, এখানে গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১৪ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে। এরা মূলত তাঁবু ও কোলাহলপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বসবাস করছে।

ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে ২৫০ জনকে জিম্মি হিসেবে আটক করেছিল হামাস। এদের মধ্যে ১৩০ জন এখনও গাজায় আটক রয়েছে। এই ১৩০ জনের মধ্যে ৩০ জিম্মি মারা গেছে বলে ধারণা করছে ইসরায়েল।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলায় ২৯,৩১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

;

কংগ্রেসের জন্য তিন আসন ছাড়লো আম আদমি পার্টি



ziaulziaa
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতায় সক্রিয় হয়েছে আম আদমি পার্টি (আপ)। দিল্লির সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি কংগ্রেসকে ছাড়ার জন্য আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল ‘বার্তা’ পাঠিয়েছেন বলে ‘ইন্ডিয়া টুডে’তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দাবি করা হয়েছে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল বুধবার লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘দেখা যাক আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে কী হয়।’ তবে সমঝোতার বিষয়টি আরও আগে চূড়ান্ত হওয়া উচিত ছিল বলেও জানান তিনি।

কেজরিওয়ালের দলের পক্ষ থেকে বুধবারই তিন আসন ছাড়ার বার্তা কংগ্রেস হাইকমান্ডকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার আবার কেজরিওয়ালকে সমন পাঠিয়েছে ইডি।

গত জানুয়ারিতে কংগ্রেস এবং আপ নেতৃত্ব আসন সমঝোতা নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করলেও জট কাটেনি। সূত্রের খবর আপের পক্ষ থেকে দিল্লির সাতটি আসনের মধ্যে একটি বা দুটি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, কংগ্রেস অন্তত তিনটিতে লড়ার দাবিতে অনড় থাকায় আলোচনা ভেস্তে গিয়েছিল।

কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিকের নেতৃত্বে গঠিত আসন সমঝোতার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির অন্য চার সদস্য রাজস্থানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত, ছত্তিসগড়ের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং এআইসিসির সাবেক মুখপাত্র মোহন প্রকাশ ছিলেন বৈঠকে। সঙ্গে ছিলেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলিও।

অন্যদিকে, আপের পক্ষে ছিলেন রাজ্যসভা সাংসদ সন্দীপ পাঠক এবং দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী এবং সৌরভ ভরদ্বাজ অংশ নিয়েছিলেন জানুয়ারির আসন রফা আলোচনায়।

ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব, গুজরাট, আসাম, গোয়াসহ বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে একলা চলো বার্তা দিয়েছে আপ। ওই রাজ্যগুলোর কিছু আসনে একতরফা প্রার্থী ঘোষণাও করেছে তারা। কিন্তু, দিল্লিতে এখনও কেজরিওয়ালের দল একতরফা কোনও পদক্ষপ নেয়নি।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আপ শাসিত দিল্লির সাতটি আসনের সবগুলো আসনই জিতেছিল বিজেপি। তার মধ্যে পাঁচটি আসনেই কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে ছিল। যদিও ২০২০ সালে দিল্লির বিধানসভায় বেশির ভাগ আসনে জিতে কেজরিওয়াল ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

গত বছর দিল্লির পৌরসভাও বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে আপ। এই পরিস্থিতিতে আপ এবং কংগ্রেসের জোট হলে দেশের রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা।

;