গাজার পরিস্থিতি গোটা বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে : রাইসি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, ‘গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি সমস্যা তৈরি করেছে।’

রয়টার্স জানিয়েছে, মস্কোতে রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি একথা বলেন।

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গাজার বোমা হামলা বন্ধ করা দরকার উল্লেখ করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আজ, এটি শুধুমাত্র আমাদের অঞ্চলের জন্যই নয়, সমগ্র মানবতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

রাইসি আরও বলেন, ‘গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তাতে আজ মানবজাতি একতরফা ক্রিয়াকলাপ ও একটি অন্যায্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ভুগছে তারই স্পষ্ট প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন যে, গাজা উপত্যকায় গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনি ছিটমহলে ইসরায়েলের হামলায় ৬ হাজারেরও বেশি শিশু নিহত হয়েছে।

রাইসি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থনে ওই অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি লজ্জাজনক যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো, যাদের মানবাধিকার রক্ষা করার কথা, তারা তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং পুরো বিশ্ব সম্প্রদায়ের চোখের সামনে এসব ঘটছে।’

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর সকালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে এবং গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ অভিযান পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেয়।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলের নতুন করে আগ্রাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। আল হাদাথ টিভি চ্যানেলের মতে, গাজায় চলমান সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে।

   

ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ঘোষণা চীন ও রাশিয়ার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী ঘোষণা দিয়েছে চীন ও রাশিয়া।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান উইডংয়ের মস্কো সফরের পর জারি করা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চীন ও রাশিয়ার উচিত নতুন শতাব্দির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতার নোঙ্গর হিসাবে আরও ভালো ভূমিকা পালন করা।’

উল্লেখ্য যে, পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক থাকা সত্ত্বেও বেইজিং রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের নিন্দা করতে অস্বীকার করেছে এবং যুদ্ধের মধ্যেও এই দুটি ব্রিকস রাষ্ট্রের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক রয়ে গেছে।

সান ওই বিবৃতিতে বলেছেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কৌশলগত দিক নির্দেশনায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা সময় পার করছে।’

এই বিবৃতি পশ্চিমের ওই সন্দেহকে ভিত্তি দেবে যে, গত দুই বছরে মস্কো এবং বেইজিং বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষায় সম্পর্ক বাড়াচ্ছে।

এদিকে, রাশিয়াকে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করায় চীনের কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কালো তালিকাভুক্ত করায় বেইজিং ক্রোধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বেইজিংকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসাবে দেখেছে মস্কো, যেখানে সস্তা শক্তি আমদানি এবং বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদের লাভের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে চীনও।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংস্থা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) ভূমিকার প্রশংসা করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বয় গভীর করার চীনা আশার উপর জোর দিয়েছেন পুতিন।

সান উইডং মস্কো সফরে বলেছেন, ‘উভয় পক্ষের উচিত এসসিওকে নতুন শতাব্দীর পরিবর্তনে স্থিতিশীল নোঙ্গর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে। এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে যৌথভাবে রক্ষা করার জন্য এর ভূমিকাকে উন্নীত করা উচিত।’

রাশিয়ার রাজধানীতে তার সফরের সময় সান উইডং মস্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে ইউক্রেন সংকট, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পৃথকভাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বুধবার বলেছেন, চীনের ইউরেশীয় বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইউক্রেন সংকটের রাজনৈতিক নিষ্পত্তির জন্য মার্চের শুরুতে রাশিয়া, পোল্যান্ড, ইউক্রেন, জার্মানি এবং ফ্রান্স সফর করবেন।

;

নিখোঁজ জয়াপ্রদাকে ৬ মার্চের মধ্যে আদালতে হাজিরের নির্দেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী জয়াপ্রদাকে নিখোঁজ ঘোষণা করল ভারতীয় আদালত। এনডিটিভি জানিয়েছে, বার বার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলায় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পর পর দুইবার আদালতে হাজিরা দেননি তিনি। আগামী ৬ মার্চের মধ্যে তার হাজিরা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে ওই বিশেষ আদালত।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন জয়াপ্রদা। এর পর জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হলেও আদালতে হাজির হননি তিনি।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের বিচারক শোভিত বানসালের নির্দেশে পুলিশকে একটি বিশেষ দল তৈরি করতে বলা হয়েছে। ৬ মার্চের মধ্যে জয়াপ্রদা যেন আদালতে হাজিরা দেন তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে প্রথম রাজনীতিতে পা রাখেন জয়াপ্রদা। এনটি রামারাওয়ের আমন্ত্রণে ১৯৯৪ সালে তেলুগু দেশম পার্টিতে (টিডিপি) যোগ দেন তিনি।

পরবর্তীকালে ওই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টিতে। ২০০৪ সালে রামপুর আসন থেকে জয়াপ্রদাকে প্রার্থী করে সমাজবাদী পার্টি। রামপুর কেন্দ্র থেকেই প্রথম সাংসদ হন জয়াপ্রদা।

২০০৪ এবং ২০০৯ সালে পর পর দুইবার রামপুর থেকে জয়ী হন তিনি। কিন্তু, পরের বছর ২০১০ সালে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে এসপি।

২০১৪ সালে অজিত সিংহর রাষ্ট্রীয় লোক দলের (আরএলডি) টিকিটে বিজনৌর কেন্দ্র থেকে দাঁড়ালেও হেরে যান তিনি। তারপর বিজেপিতে যোগ দিয়ে লোকসভা ভোটে ফের রামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি।

;

কাউলিন শহর জ্বালিয়ে দিলো জান্তা সেনারা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল দখলের পর প্রায় পুরো একটি শহর জ্বালিয়ে দিয়েছে জান্তা সেনারা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কাউলিন নামক শহরটির প্রায় ৮০ শতাংশই জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহ দুয়েক আগে কাউলিন শহরটির পুনর্দখল নেয় জান্তা বাহিনী। পরে শহর পুরো জ্বালিয়ে দেয় মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনী। ড্রোন থেকে নেয়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, শহরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে গেছে।

ছবি: সংগৃহীত

ইরাবতী জানায়, গত ৬ নভেম্বর মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহরটি জান্তার হাতছাড়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটির পুনর্দখল নিয়ে বিদ্রোহীদের সাথে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জান্তা বাহিনী শহরটি পুনরায় দখল করে।

জানা গেছে, শহরটির ৮টি ওয়ার্ডে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া এর আশপাশের আরও ১০টি গ্রামেও আগুন দিয়েছে জান্তা সেনারা।

এ বিষয়ে কাউলিন শহরের পিডিএফ বাহিনীর এক সদস্য ইরাবতী'র বরাতে জানিয়েছেন, ‘কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই ঘটনার দিন ইনবোকে গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে কাউলিন শহরের উপকণ্ঠে কিয়াউকটান গ্রামের কাছে সংঘর্ষ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘর্ষে মাইটকিনা-ইন্দাও-কাইউকটান এলাকাগুলো অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

;

দক্ষিণ কোরিয়ায় নিম্ন জন্মহারে রেকর্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জন্মহার কমায় নতুন রেকর্ড গড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এনিয়ে ৪ বছর টানা জন্মহার কমেছে। তাই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে দেশটির জনসংখ্যা কমা নিয়ে।

দেশটির নারীরা কর্মজীবনের অগ্রগতি এবং সন্তান লালন-পালনে আর্থিক ব্যয় বহনের ভয়ে জন্মহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশু জন্মহার হ্রাস মানে দেশে শ্রমশক্তির হ্রাস এবং বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। যে কোনো দেশের অর্থনীতিতেই জনসংখ্যার এই পরিসংখ্যান নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দেশে জন্মহার বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু সরকারের সব প্রচেষ্টাই এখন পর্যন্ত ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় নারীরা সন্তান জন্মদানে আগ্রহ দিন দিন হারিয়ে ফেলছেন। দেশটিতে গড়ে একজন নারীর তার জীবনের পূর্ণ প্রজনন সময়ে সন্তান জন্মদানের হার মাত্র ০ দশমিক ৭২। গত বছরও যে হার ছিল ০ দশমিক ৭৮।

শিশু জন্ম ও নারী প্রজনন হার নিয়ে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ পায়।

২০১৮ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়াই দ্য অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) এর একমাত্র সদস্য যাদের নারী প্রজনন হার ১ এর নিচে। এ পরিস্থিতিতে জন্মহারের নিম্নগতি আটকাতে জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকার ভিক্তিতে কাজ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে দেশটির সরকার। গত ডিসেম্বরে সরকার থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘অসাধারণ কিছু ব্যবস্থা’ গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

এ বছর এপ্রিলে দক্ষিণ কোরিয়ায় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য আরও বাসস্থান এবং আরও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যাতে জন্মহার হ্রাসের প্রবণতা আটকে দেওয়া যায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজ ব্যবস্থায় বিয়েকে সন্তান জন্মদানের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখা হয়। সেখানে শিশু জন্মহার হ্রাসের পাশপাশি তরুণদের মধ্যে বিয়ে করার প্রবণতাও হ্রাস পেয়েছে। এর কারণ হিসেবে জীবনযাত্রার অত্যধিক ব্যয় এবং অস্বাভাবিক দীর্ঘ কর্মঘণ্টাকে দায়ী করা হচ্ছে। নারীদের ঘর-বাহির দুটোই সামলাতে হয় বলে তাদের মধ্যে সন্তান জন্মদানে অনাগ্রহ বাড়ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জনসংখ্যাগত সংকট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক কল্যাণ ব্যবস্থার জন্য শীর্ষ ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। ৫ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ অর্ধেক হওয়ার পথে।

বর্তমান বিশ্বে জন্মহার হ্রাস এবং বয়স্ক জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা শুধু দক্ষিণ কোরিয়াকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে না। বরং তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোকেও একই সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

২০২২ সালে জাপানে জন্মহার রেকর্ড হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ২৬ হয়। চীনে আরও কমে ১ দশমিক ০৯। যা দেশটিতে নতুন রেকর্ড।

;