সুরঙ্গে পানি ঢুকিয়ে হামাসকে শেষ করার পরিকল্পনা ইসরায়েলের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
গাজায় হামাসের টানেল। ছবি : সংগৃহীত

গাজায় হামাসের টানেল। ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজার সুড়ঙ্গগুলোতে পানি ঢুকিয়ে এ বার হামাসকে শেষ করার প্রস্তুতি নিয়েছে ইসরায়েল। রয়টার্স জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই সেখানে বড় বড় পাম্প নিয়ে এসেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

ইসরায়েল প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, গাজার নীচে সুড়ঙ্গগুলো থেকেই লড়াই চালাচ্ছে হামাস। স্থলপথে গাজায় ঢোকার পর ইজ়রায়েল বাহিনীর প্রথম লক্ষ্য ছিল সুড়ঙ্গগুলোকে ধ্বংস করা।

পুরো গাজাজুডে যেভাবে হামাসের সুড়ঙ্গের জাল বিস্তৃত তাতে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হচ্ছে ইসরায়েল বাহিনীকে। হাসপাতাল, স্কুল, বড় বড় আবাসনের নীচে সুড়ঙ্গ বানিয়ে সেগুলো আত্মগোপন, কমান্ড সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করছে বলে দাবি ইসরায়েলের।

আকাশপথ, স্থলপথে হামলা চালিয়েও যখন সুড়ঙ্গের ওই জাল ছেঁড়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেই এ বার অন্য পথ বেছে নিল বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে সুড়ঙ্গগুলো চিহ্নিত করা হবে। তার পর পাম্প দিয়ে পানি ঢুকিয়ে প্লাবিত করা হবে ওই সুড়ঙ্গগুলোকে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের কয়েক কিলোমিটার উত্তরে বড় বড় পাঁচটি পাম্প বসিয়েছে ইসরায়েল বাহিনী। যে পাম্পগুলোর মাধ্যমে ঘণ্টায় কয়েক হাজার কিউবিক মিটার পানি তোলা যায়। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হামাসের সুড়ঙ্গগুলোতে পানি ঢোকানো হতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে পাশাপাশি আরও একটি বিষয় উঠে আসছে। সেটি হল, সব জিম্মি মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত কি এই কৌশল নেবে ইসরায়েল? যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও উল্লেখ নেই ওই প্রতিবেদনে। ইসরায়েলও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, ইসরায়েল বাহিনীর এক কর্মকর্তা সুড়ঙ্গে পানি ঢোকানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে ঠিকই, তবে হামাসের সুড়ঙ্গগুলোকে যে একেবারে ধ্বংস করে দেওয়ার নানা রকম কৌশল নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে জানিয়েছেন।

তবে ইসরায়েল বাহিনীর একটি অংশ আবার ওই রণকৌশলের বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়েও দিতে চাননি বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

   

চোখের জলে নাভালনিকে শেষ বিদায় জানালো সমর্থকরা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার মস্কোর মোমবাতি জ্বালানো একটি গির্জায় শুক্রবার (১ মার্চ) দেশটির প্রয়াত বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

শেষকৃত্যের সময় তার গির্জার চারপাশে নীরবে দাঁড়িয়েছিলেন তার হাজার হাজার শোকার্ত সমর্থক। তাদের গির্জার ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তারা বাইরে থেকেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

আর্কটিক কারাগারে মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর আলেক্সি নাভালনির পরিবার অবশেষে তাকে বিদায় জানাতে পারলো।

মস্কোর এক কোণে অসামান্য গম্বুজযুক্ত অর্থোডক্স গির্জাটির ভেতরে যাদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে আলেক্সি নাভালনির বাবা-মা অন্তর্ভুক্ত ছিল। নাভালনির এ সময় দেহ একটি কফিনের ভেতর ছিল।

তার সংক্ষিপ্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ হতেই গির্জাটি বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় অনেককে চিৎকার করে বলতে শোনা গেছে, ‘বন্ধ করবেন না, আমাকে বিদায় জানাতে দিন!’

গির্জার বাইরে প্রতিবাদী শোককারীদের অনেকে ফুল ধরে কেঁদেছেন। তাকে সমাহিত করার পর কিছু শোকার্তরা চিৎকার করে বলেন, ‘আমরা আপনাকে ভুলব না! আমাদের ক্ষমা করুন!’

ভিড়ের মধ্যে এক বয়স্ক লোক চিৎকার করে বলে উঠেন, ‘তিনি রাশিয়া সম্পর্কে সত্য কথা বলেছেন। ধন্যবাদ।’

আর্কটিক সার্কেলের একটি উচ্চ-নিরাপত্তা কারাগার নাভালনির মৃত্যু তার সমর্থকদের মধ্যে হতাশার জন্ম দিয়েছে, কারণ অনেক তরুণ রাশিয়ান আলেক্সি নাভালনিকে পরিবর্তনের জন্য তাদের সেরা নেতা হিসেবে মনোনীত করেছিল।

আনা নামের একজন শোকার্ত এএফপিকে বলেছেন, ‘তার মতো মানুষের মৃত্যু হওয়া উচিত নয়।’

শীতের কোট এবং টুপিতে ব্যস্ত ভিড়ের মধ্যে অনেকেই ছবি তোলার জন্য তাদের ফোন ধরেছিলেন। এই দৃশ্য আলেক্সি নাভালনি রাজধানীতে মাত্র এক দশক আগে সমাবেশের কথা মনে করিয়ে দেয়।

৩৭ বছর বয়সি ডাক্তার ম্যাক্সিম বলেন, ‘এটি কিছুটা ভীতিকর, কারণ আপনি জানেন না এর পরিণতি কী হবে। কিন্তু, আমি মনে করি এটি মানুষের জেগে ওঠার এবং নীরব না থাকার একটি উপায়।’

নাভালনির শেষকৃত্যের সময় গির্জা এবং বোরিসোভো কবরস্থানের চারপাশে কয়েক ডজন পুলিশ এবং অফিসারদের টহল দিতে দেখা যায়।

২২ বছর বয়সি প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেনা বলেন, ‘মনে হয়েছে আমার হাজির থাকা উচিত। এটাও মনে হয়েছে যে, আমার এখানে থাকা দরকার। যদি আমি উপস্থিত না থাকতাম, তবে আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারতাম না।’

৬০ বছর বয়সি সাবেক আইনজীবী ইনেসা বলেন, ‘আমি এসেছি কারণ, তিনি ছিলেন একজন নায়ক, আমাদের জন্মভূমির শেষ নায়ক।’

;

প্রতিবাদী গান গাওয়ায় ইরানি পপতারকার ৩ বছরের কারাদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেরভিন হাজিপুর নামের একজন ইরানি পপ গায়কের গান এক বছরেরও বেশি সময় আগে গণবিক্ষোভের সময় গণসংগীত হয়ে উঠেছিল। তাকে শুক্রবার (১ মার্চ) কমপক্ষে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে তেহরান।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মাহসা আমিনীর মৃত্যুর কারণে দেশব্যাপী বিক্ষোভের সময় ‘বারায়ে’ শিরোনামের গান লিখে, গেয়ে প্রকাশ করেছিলেন শেরভিন।

প্রসঙ্গত, ২২ বছর বয়সি ইরানী কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনিকে নারীদের জন্য ইসলামী প্রজাতন্ত্রের কঠোর পোষাক কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দেশটির নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে তার মৃত্যু হয়।

শেরভিন হাজিপুর শুক্রবার তার ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে বলেছিলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করার জন্য মানুষকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়া দেওয়ার জন্য তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

এ ছাড়াও শাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য তাকে আট মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই রায় কখন জারি করা হয়েছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে জানানি শেরভিন। ইরানের আইন অনুসারে, ‘শেরভিন হাজিপুর তিন বছর কারাগারে থাকবেন।’

২০২৩ সালের মার্চ মাসে নওরোজ বা পারস্য নববর্ষ উপলক্ষে হোয়াইট হাউসের একটি অনুষ্ঠানে ‘বারায়ে’ গানটি বাজানো হয়েছিল।

এক মাস আগে মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন শেরভিন হাজিপুরকে সামাজিক পরিবর্তনের জন্য সেরা গানের জন্য একটি বিশেষ গ্র্যামি প্রদান করেন,।

মাহসা আমিনির মৃত্যু ইরানে মাসব্যাপী বিক্ষোভের সূত্রপাত করে, যার ফলে কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শতাধিক লোক নিহত হয় এবং আরও হাজার হাজার গ্রেপ্তার হয়। বিক্ষোভ চলাকালে শেরভিন হাজিপুরকে অল্প সময়ের জন্য গ্রেফতার করা হয়।

গত জানুয়ারিতে ইরানের একটি আদালত আরেক পপ গায়ককে, যিনি নারীদের জন্য বাধ্যতামূলক হেডস্কার্ফের সমালোচনা করেছিলেন, তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল তেহরান।

;

হাইতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে বন্দুকযুদ্ধ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের বেশ কয়েকটি স্থানে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই বন্দুকযুদ্ধে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েক ডজন বাণিজ্যিক এয়ারলাইনসকে অস্থির এই ক্যারিবীয় দেশটিতে ফ্লাইট স্থগিত করতে বাধ্য করেছে।

কারণ, বন্দুকযুদ্ধের সময় হাইতির প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সেখানে থাকা বিমান গুলির কবলে পড়ে। তাই আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলো অপারেশন বাতিল করতে বাধ্য হয়।

এ ছাড়াও স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।

দেশটির পুলিশ সংস্থার মতে, কানান সম্প্রদায়ের কাছে একটি থানায় হামলায় দুই নারীসহ অন্তত চার পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

একজন বিশিষ্ট গ্যাং নেতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরিকে অপসারণ করার জন্য একাধিক দল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলা চালাতে একত্রিত হয়েছে। হামলায় কয়েকটি থানা লক্ষ্যবস্তু করা হয়, দুটিতে আগুন দেওয়া হয়। হামলার সময় টাউসাইন্ট লুভারচার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।’

‘বারবিকিউ’ নামে পরিচিত গ্যাং লিডার জিমি চেরিসিয়ার বন্দুকযুদ্ধে শুরু হওয়ার ঠিক আগে একটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিওতে আক্রমণের কথা প্রচার করেছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের বন্দুক দিয়ে এবং হাইতিয়ান জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশকে মুক্ত করবো।’

এই পদক্ষেপটি এমন সময় আসলো যখন প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি গ্যাংদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করার জন্য হাইতিতে কেনিয়ার সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছেন।

হাইতির জাতীয় পুলিশের প্রধান ফ্রান্টজ এলবে এবং পুলিশের মুখপাত্র গ্যারি ডেসরোসিয়ার হেনরির পদক্ষেপের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উভয় সংকটে নিমজ্জিত হাইতি। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ দখল নিয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নৃশংস সহিংসতা চালিয়েছে এবং অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছে।

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী হেনরিকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবিতে গত সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে।

হাইতিতে বর্তমানে কোনও নির্বাচিত সরকার নেই। হেনরি ২০২১ সালের জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইসের হত্যার পরপরই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন।

রাজনৈতিক সমঝোতার আওতায় চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার কথা থাকলেও তা এখনও করা হয়নি।

অন্যদিকে, কেনিয়ার পুলিশ অফিসারদের হাইতিতে মোতায়েন করার বিষয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশায় হেনরি কেনিয়ায় ভ্রমণ করেছিলেন।

পূর্ব আফ্রিকান দেশটির একটি আদালত জানুয়ারির শেষের দিকে রায় দিয়েছিল যে, প্রস্তাবিত মোতায়েনটি অসাংবিধানিক। তবে হেনরি এবং কেনিয়ার কর্মকর্তারা একটি চুক্তিতে কাজ করছেন, যা শীঘ্রই হাইতিতে বাহিনী পৌঁছানোর অনুমতি দেবে।

বৃহস্পতিবার কমিউনিটি অফ ল্যাটিন আমেরিকান অ্যান্ড ক্যারিবিয়ান স্টেটস (সিইএলএসি) শীর্ষ সম্মেলনের আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ‘বছরের পর বছর ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতার পর হাইতির একটি সমাধান দরকার।’

গুতেরেস ক্যারিবিয়ান দেশ সেন্ট ভিনসেন্টে বলেন, ‘আপনি হাইতিতে যতোটা সম্ভব পুলিশ বাহিনী রাখতে পারেন। কিন্তু, যদি কোনও রাজনৈতিক সমাধান না হয়, তবে সমস্যার সমাধান হবে না।’

;

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ব্রায়ান মুলরনি মারা গেছেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মারা গেছেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ব্রায়ান মুলরনি। ৮৬ বছর বয়সি এই মুলরনি মুক্তবাণিজ চুক্তির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর খবর বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

তার মেয়ে ক্যারোলিন মুলরনি বলেছেন, পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শান্তিতে চোখ বুজেছেন তার বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ক্যারোলিন লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমার মা ও পরিবারের পক্ষ থেকে আমার বাবা, কানাডার ১৮তম প্রধানমন্ত্রী ব্রায়ান মুলরনির মৃত্যুসংবাদ ঘোষণা করছি।’

উল্লেখ্য, কানাডার ফরাসি ভাষাভাষীদের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত কুইবেকে জন্ম মুলরনির। তিনি শুরুতে সেখানে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতেন। পরে ব্যবসায় নির্বাহী হিসেবে কাজ করেন।

এর পর ১৯৮৩ সালে মধ্য-ডানপন্থী প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভস দলের নেতৃত্বে আসেন। পরের বছর তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন। এর পরের বছর মুলরনির নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভরা পিয়েরে ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন লিবারেলদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় পায়। ১৯৮৮ সালে কানাডার শাসনক্ষমতায় বসেন মুলরনি।

৯ বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মুলরনি। আশির দশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে যেসব উদার অর্থনৈতিক নীতিমালা চালু ছিল, তা অনুসরণ করতেন মুলরনি।

তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর একটি হলো, ১৯৮৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার মুক্তবাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। পরে মেক্সিকোকেও এই চুক্তির আওতায় যুক্ত করা হয় এবং এর নাম দেওয়া হয় নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (নাফটা)।

;