নির্বাচনের ফল পাল্টে দেয়ার চেষ্টা মামলায় ট্রাম্পের আবেদন প্রত্যাখ্যান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে ফল পাল্টে দেওয়া চেষ্টা মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেন্সিয়াল দায়মুক্তির’ আবেদন ফেডারেল কোর্টের বিচারক তানিয়া চাটকান প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের পক্ষে তার আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেখান যে, ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিয়াল দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এ জন্য তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করার আর্জি জানান তারা।

কিন্তু বিচারক তানিয়া চুটকান শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিদের আর অফিসে না থাকলে ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হতে পারবেন না বলে কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাননি। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে তার নির্বাচনে পরাজয় রোধ চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার বিচারক চুটকান জানায়, খন কোনো প্রেসিডেন্ট আর প্রেসিডেন্ট পদে নেই, তখন তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের বিচার না করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ডেমোক্রেট জো বাইডেন। নির্বাচনের ফল উল্টে দেয়ার জন্য বেআইনিভাবে চেষ্টা করছিলেন ট্রাম্প। এ নিয়ে মামলা চলছে। এ মামলার রায় নিয়ে শুক্রবার দিনের শেষের দিকে বিচারক তানিয়া লিখেছেন, যেসব দায়মুক্তির বিধান আছে তা উপভোগ করতে পারেন শুধু ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একজন মাত্র প্রধান নির্বাহী থাকেন।

রায়ের পরে, ট্রাম্প প্রচারণার একজন মুখপাত্র বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএসকে বলেছেন, "দুর্নীতিগ্রস্ত বামপন্থীরা ব্যর্থ হবে এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প উচ্চ আদালতে এই অন্যায় সিদ্ধান্তগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে আমেরিকা এবং আমেরিকানদের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন"।

ট্রাম্প ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পরাজয়কে উল্টে দেওয়ার জন্য তার কথিত প্রচেষ্টার সাথে সম্পর্কিত - মার্কিন প্রতারণার ষড়যন্ত্র সহ - চারটি অপরাধমূলক গণনার মুখোমুখি হচ্ছেন।

ট্রাম্পের আইনি দল সর্বশেষ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে কিনা তা স্পষ্ট নয়, সাবেক রাষ্ট্রপতি সম্প্রতি এই মামলায় বেশ কয়েকটি আইনি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।

এই সপ্তাহের শুরুতে, বিচারক চুটকান ২০২১ সালে ইউএস ক্যাপিটল দাঙ্গার কংগ্রেসনাল তদন্ত সম্পর্কিত রেকর্ড পাওয়ার জন্য মিঃ ট্রাম্পের একটি প্রচেষ্টাকেও অবরুদ্ধ করেছিলেন।

   

লেবাননে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রেস সার্ভিস সূত্রে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) ফাইটার জেটগুলো লেবাননের তাইব, বেইত লিফ, সাদ্দিকিন এবং খিরবেত সেলম এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক কম্পাউন্ড এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে আঘাত হানে।’

অঅইডিএফ আরও বলেছে, ‘ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় আইতা অ্যাশ শাবের কাছে একটি সশস্ত্র গ্রুপ এবং একটি সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।’

এদিকে, দিন যত যাচ্ছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি তত খারাপ হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে না দিলে আগামী দিনে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় হাজার হাজার শিশু মারা যাবে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ বা মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে রয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘অনিবার্য’।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় খাদ্য সংকটের তীব্রতা এতোই বেশি যে অনেকে পশু খাদ্য খেয়ে বেঁচে আছেন। তেমনি একজন গাজার উত্তরাঞ্চলে বসবাস করা ইবতিসাম আল-কাহলুত। তিনি বলেন, পশুখাদ্য থেকে তৈরি রুটি খেয়ে তার দুই বছরের নাতি খালেদের মৃত্যু হয়েছে।

আরও বলা হয়, গাজার শিশুরা পশু-পাখির খাদ্য দিয়ে তৈরি তিতকুটে খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু সেই খাদ্যেও এখন টান পড়ছে। দুধের শিশুর মুখে খেজুর গুঁজে দিয়ে সন্তানকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন মা।

গাজায় উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে ঠাঁই পাওয়া শিশু ও নারীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেখানকার এই ভয়াবহ চিত্র। বিশেষ করে গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সংকট খুবই প্রকট। কারণ, যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির কারণে সেখানে ঠিকমত পৌঁছাচ্ছে না ত্রাণ সরবরাহ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা একটি বিশাল মানবিক বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে গাজাজুড়ে খাদ্য ও খাবার পানি সরবরাহ করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিট্যারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ইউএনওসিএইচএ)-এর কোঅর্ডিনেশন ডিরেক্টর রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ২ বছরের কম বয়সী প্রতি ছয় শিশুর মধ্যে এক শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার এবং ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ডের ২৩ লাখ মানুষই কার্যত বেঁচে থাকার জন্য ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে অপর্যাপ্ত’ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করছে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ এবং সাহায্য গোষ্ঠীগুলো ‘গাজায় ন্যূনতম সহায়তা সরবরাহ পেতেও অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে ক্রসিং বন্ধ, চলাচল এবং যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর পরীক্ষা পদ্ধতি, অস্থিতিশীলতা, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা এবং অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের মতো বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

;

ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ঘোষণা চীন ও রাশিয়ার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী ঘোষণা দিয়েছে চীন ও রাশিয়া।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান উইডংয়ের মস্কো সফরের পর জারি করা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চীন ও রাশিয়ার উচিত নতুন শতাব্দির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতার নোঙ্গর হিসাবে আরও ভালো ভূমিকা পালন করা।’

উল্লেখ্য যে, পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক থাকা সত্ত্বেও বেইজিং রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের নিন্দা করতে অস্বীকার করেছে এবং যুদ্ধের মধ্যেও এই দুটি ব্রিকস রাষ্ট্রের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক রয়ে গেছে।

সান ওই বিবৃতিতে বলেছেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কৌশলগত দিক নির্দেশনায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা সময় পার করছে।’

এই বিবৃতি পশ্চিমের ওই সন্দেহকে ভিত্তি দেবে যে, গত দুই বছরে মস্কো এবং বেইজিং বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষায় সম্পর্ক বাড়াচ্ছে।

এদিকে, রাশিয়াকে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করায় চীনের কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কালো তালিকাভুক্ত করায় বেইজিং ক্রোধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বেইজিংকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসাবে দেখেছে মস্কো, যেখানে সস্তা শক্তি আমদানি এবং বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদের লাভের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে চীনও।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংস্থা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) ভূমিকার প্রশংসা করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বয় গভীর করার চীনা আশার উপর জোর দিয়েছেন পুতিন।

সান উইডং মস্কো সফরে বলেছেন, ‘উভয় পক্ষের উচিত এসসিওকে নতুন শতাব্দীর পরিবর্তনে স্থিতিশীল নোঙ্গর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে। এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে যৌথভাবে রক্ষা করার জন্য এর ভূমিকাকে উন্নীত করা উচিত।’

রাশিয়ার রাজধানীতে তার সফরের সময় সান উইডং মস্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে ইউক্রেন সংকট, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পৃথকভাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বুধবার বলেছেন, চীনের ইউরেশীয় বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইউক্রেন সংকটের রাজনৈতিক নিষ্পত্তির জন্য মার্চের শুরুতে রাশিয়া, পোল্যান্ড, ইউক্রেন, জার্মানি এবং ফ্রান্স সফর করবেন।

;

নিখোঁজ জয়াপ্রদাকে ৬ মার্চের মধ্যে আদালতে হাজিরের নির্দেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী জয়াপ্রদাকে নিখোঁজ ঘোষণা করল ভারতীয় আদালত। এনডিটিভি জানিয়েছে, বার বার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলায় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পর পর দুইবার আদালতে হাজিরা দেননি তিনি। আগামী ৬ মার্চের মধ্যে তার হাজিরা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে ওই বিশেষ আদালত।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন জয়াপ্রদা। এর পর জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হলেও আদালতে হাজির হননি তিনি।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের বিচারক শোভিত বানসালের নির্দেশে পুলিশকে একটি বিশেষ দল তৈরি করতে বলা হয়েছে। ৬ মার্চের মধ্যে জয়াপ্রদা যেন আদালতে হাজিরা দেন তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে প্রথম রাজনীতিতে পা রাখেন জয়াপ্রদা। এনটি রামারাওয়ের আমন্ত্রণে ১৯৯৪ সালে তেলুগু দেশম পার্টিতে (টিডিপি) যোগ দেন তিনি।

পরবর্তীকালে ওই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টিতে। ২০০৪ সালে রামপুর আসন থেকে জয়াপ্রদাকে প্রার্থী করে সমাজবাদী পার্টি। রামপুর কেন্দ্র থেকেই প্রথম সাংসদ হন জয়াপ্রদা।

২০০৪ এবং ২০০৯ সালে পর পর দুইবার রামপুর থেকে জয়ী হন তিনি। কিন্তু, পরের বছর ২০১০ সালে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে এসপি।

২০১৪ সালে অজিত সিংহর রাষ্ট্রীয় লোক দলের (আরএলডি) টিকিটে বিজনৌর কেন্দ্র থেকে দাঁড়ালেও হেরে যান তিনি। তারপর বিজেপিতে যোগ দিয়ে লোকসভা ভোটে ফের রামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি।

;

কাউলিন শহর জ্বালিয়ে দিলো জান্তা সেনারা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল দখলের পর প্রায় পুরো একটি শহর জ্বালিয়ে দিয়েছে জান্তা সেনারা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কাউলিন নামক শহরটির প্রায় ৮০ শতাংশই জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহ দুয়েক আগে কাউলিন শহরটির পুনর্দখল নেয় জান্তা বাহিনী। পরে শহর পুরো জ্বালিয়ে দেয় মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনী। ড্রোন থেকে নেয়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, শহরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে গেছে।

ছবি: সংগৃহীত

ইরাবতী জানায়, গত ৬ নভেম্বর মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহরটি জান্তার হাতছাড়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটির পুনর্দখল নিয়ে বিদ্রোহীদের সাথে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জান্তা বাহিনী শহরটি পুনরায় দখল করে।

জানা গেছে, শহরটির ৮টি ওয়ার্ডে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া এর আশপাশের আরও ১০টি গ্রামেও আগুন দিয়েছে জান্তা সেনারা।

এ বিষয়ে কাউলিন শহরের পিডিএফ বাহিনীর এক সদস্য ইরাবতী'র বরাতে জানিয়েছেন, ‘কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই ঘটনার দিন ইনবোকে গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে কাউলিন শহরের উপকণ্ঠে কিয়াউকটান গ্রামের কাছে সংঘর্ষ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘর্ষে মাইটকিনা-ইন্দাও-কাইউকটান এলাকাগুলো অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

;