ইউক্রেনের মাইন বিস্ফোরণে রুশ জেনারেল নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বিবিসি

ছবি: বিবিসি

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের একটি মাইন বিস্ফোরণে একজন রুশ জেনারেল নিহত হয়েছেন। দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই জেনারেলের নাম ভ্লাদিমির জাভাদস্কি। মৃত্যুর সময় তিনি ১৪ তম সেনা কোরের ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ৪৫ বছর বয়সী মেজর জেনারেল জাভাদস্কি বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে নিহত হন।
ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়, তবে ধারণা করা হচ্ছে তার ইউনিট সেই সময় খেরসন অঞ্চলে ছিল। তার বর্তমান পোস্টিংয়ের আগে তিনি মস্কোর বাইরে অবস্থিত অভিজাত কান্তেমিরভস্কি ট্যাঙ্ক বিভাগের কমান্ডার ছিলেন।

এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসনের পর থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ছয়জন রাশিয়ান জেনারেল মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এ ঘটনায় রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন কথা বলা হয়নি এবং এটি কোথায় ঘটেছে তা নিয়েও পরস্পরবিরোধী প্রতিবেদন রয়েছে।

এছাড়া নিহতদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা তাদের সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলার পরেও মন্ত্রণালয় বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে সিনিয়র অফিসারদের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেনি। এদিকে মেজর জাভাদস্কির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হলে, তিনি হবেন সপ্তম রাশিয়ান জেনারেল যিনি সংঘাতে মারা গেছেন।

অতি সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওলেগ সোকভ ইউক্রেনের অধিকৃত দক্ষিণ উপকূলে বার্দিয়ানস্কে রুশ সামরিক কমান্ডারদের থাকার হোটেলে হামলার ঘটনায় নিহত হন।

অবশ্য ইউক্রেনীয় সূত্রগুলোর দাবি, রাশিয়ান জেনারেলদের আরও সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে তাদের মধ্যে অন্তত তিনজন এখনও জীবিত রয়েছেন বলে ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

   

ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ কেনার চেষ্টা, ইউক্রেনের এক ব্যক্তির সাড়ে ১১ বছরের কারাদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের জন্য গোপন ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ কেনার চেষ্টা করায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ইউক্রেনের এক ব্যক্তিকে সাড়ে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দক্ষিণ রাশিয়ার একটি আদালত।

রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের সূত্রে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

রাশিয়ার এফএসবি সুরক্ষা পরিষেবাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ৫৭ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম সের্গেই ক্রিভিটস্কি। তিনি ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট।

তবে তিনি দোষ স্বীকার করেছেন কি না সে বিষয়ে কিছু জানায়নি তাস।

এফএসবিকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, সের্গেই ক্রিভিটস্কি ইউক্রেনে পাচার করার উদ্দেশ্যে রাশিয়ার এস-৩০০ সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেমের গোপন যন্ত্রাংশ কেনার চেষ্টা করেছিলেন।

এফএসবি আরও জানিয়েছে, ক্রিভিটস্কি মেলিটোপোলের বাসিন্দা ছিলেন।

উল্লেখ্য, মেলিটোপোল একটি ইউক্রেনীয় শহর, যা ২০২২ সালের শেষের দিকে রাশিয়া বাহিনী দখল করেছিল।

এদিকে, মস্কো দাবি করে যে, মেলিটোপল এখন রাশিয়ার অংশ, যে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ এবং পশ্চিমারা।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে রাশিয়া ৩১টি গুপ্তচরবৃত্তির মামলা এবং ৯৮টি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করে, যা ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সর্বোচ্চ সংখ্যা।

;

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় ৪০ বেসামরিক নাগরিক নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী পা-ও ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (পিএনএলএ)-এর সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষে ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতরা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের শান রাজ্যের নাগরিক। গত মাসে মিয়ানমার জান্তার বিমান হামলা ও কামানের গোলায় তারা নিহত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ড-ভিত্তিক মিয়ানমারের ইংরেজি দৈনিক দ্য ইরাবতির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমটি পা-ও ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের (পিওয়াইও) বরাত দিয়ে জানায়, ২১ জানুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসেং, লোইলেন এবং হপং শহরের বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করা হয়েছে। পা-ও অঞ্চলে জান্তা সৈন্য ও তাদের সহযোগী পা-ও ন্যাশনাল আর্মির (পিএনএ) বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে পিএনএলএ।

২৯৩টি বিমান হামলা এবং ৮০৮টি কামানের গোলার আঘাতে এই নাগরিকদের হত্যা করা হয়েছে। এতে ৫১ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি ৯৭টি ভবন ধ্বংস করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে আসে।  

দ্য ইরাবতিকে পিওয়াইওর মুখপাত্র মা লি লি বলেছেন, নিহতদের মধ্যে দুই কিশোর ও তিন কন্যা শিশু রয়েছে। এ ছাড়া পাঁচজনের মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। জান্তার হামলায় সেখানে ৯৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অন্তত এক ডজন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

;

উত্তর কোরিয়ায় দূতাবাস পুনরায় চালু করছে ইউরোপীয় দেশগুলো



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরোপীয় দেশগুলো প্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহামারী চলাকালীন জার্মানির দূতাবাস বন্ধ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পরিদর্শন করেছেন দেশটির একটি প্রতিনিধিদল।

পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, জার্মান ফেডারেল পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি দল বর্তমানে প্রযুক্তিগত পরিদর্শন সফরে পিয়ংইয়ংয়ে রয়েছেন।

ওই মুখপাত্র আরও বলেছেন, ‘এটি কয়েক দিনের মধ্যে জার্মান দূতাবাসের স্থান পরিদর্শন করবে এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ হওয়া দূতাবাসটি পুনরায় চালু করার বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

প্রসঙ্গত, কোভিড সংকটের সময় পিয়ংইয়ংয়ে অনেক দূতাবাস বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, তারা সেই সময় সেখানে কর্মী বা জাহাজ পাঠাতে পারছিল না।

কোভিড সংকটের সময় কর্তৃত্ববাদী নিয়ন্ত্রণের অধীনে উত্তর কোরিয়া প্রায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং বড় আকারের সীমানা প্রাচীরসহ বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।

সম্প্রতি সেই কঠিন বিধিনিষেধ শিথিল করা শুরু করেছে পিয়ংইয়ং।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ব্রিটেন ২০২০ সালে দূতাবাস বন্ধ করে ওই বছরের মে মাসে উত্তর কোরিয়া থেকে সব কূটনৈতিক কর্মীদের বের করে নিয়ে এসেছিল। এখন তারাও একটি দল পাঠাতে চাচ্ছে সেদেশে।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়ার (ডিপিআরকে) ব্যবহার করে দেশটির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা খুশি যে, কিছু কূটনীতিক পিয়ংইয়ংয়ে ফিরে আসছেন এবং সীমান্ত পুনরায় চালু করার জন্য ডিপিআরকের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ডিপিআরকে সরকারের সঙ্গে লন্ডনে তার দূতাবাসের মাধ্যমে শীঘ্রই যুক্তরাজ্যের একটি প্রযুক্তিগত-কূটনৈতিক দলের সফরের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছি।’

মুখপাত্র আরও বলেন, ‘উত্তর কোরিয়াকে সমস্ত কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের সংস্থা এবং মানবিক এনজিওসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পিয়ংইয়ংয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন।’

কোরিয়ার জন্য সুইডেনের বিশেষ দূত পিটার সেমনেবি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘পিয়ংইয়ংয়ে সুইডিশ কূটনীতিকদের শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবর্তনের দিকে কিছু অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু চাওয়া আছে এবং আশা করি যে, আমরা অপেক্ষাকৃত শীঘ্রই আমাদের দূতাবাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারবো।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কূটনীতিক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে দূতাবাসগুলোর ডিভাইসগুলো পরিষ্কার করা এবং মেরামত করা দরকার।

উত্তর কোরিয়াকে পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি সিউলভিত্তিক ওয়েবসাইট এনকে প্রো অনুসারে, পিয়ংইয়ংয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত নয়টি দেশের দূতাবাস চালু ছিল। তবে শুধুমাত্র চীন, রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং কিউবা গত বছর থেকে তাদের দূতাবাসে কর্মীদের সেখানে ফেরার অনুমতি দিয়েছে।

;

লেবাননে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রেস সার্ভিস সূত্রে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) ফাইটার জেটগুলো লেবাননের তাইব, বেইত লিফ, সাদ্দিকিন এবং খিরবেত সেলম এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক কম্পাউন্ড এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে আঘাত হানে।’

অঅইডিএফ আরও বলেছে, ‘ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় আইতা অ্যাশ শাবের কাছে একটি সশস্ত্র গ্রুপ এবং একটি সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।’

এদিকে, দিন যত যাচ্ছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি তত খারাপ হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে না দিলে আগামী দিনে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় হাজার হাজার শিশু মারা যাবে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ বা মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে রয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘অনিবার্য’।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় খাদ্য সংকটের তীব্রতা এতোই বেশি যে অনেকে পশু খাদ্য খেয়ে বেঁচে আছেন। তেমনি একজন গাজার উত্তরাঞ্চলে বসবাস করা ইবতিসাম আল-কাহলুত। তিনি বলেন, পশুখাদ্য থেকে তৈরি রুটি খেয়ে তার দুই বছরের নাতি খালেদের মৃত্যু হয়েছে।

আরও বলা হয়, গাজার শিশুরা পশু-পাখির খাদ্য দিয়ে তৈরি তিতকুটে খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু সেই খাদ্যেও এখন টান পড়ছে। দুধের শিশুর মুখে খেজুর গুঁজে দিয়ে সন্তানকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন মা।

গাজায় উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে ঠাঁই পাওয়া শিশু ও নারীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেখানকার এই ভয়াবহ চিত্র। বিশেষ করে গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সংকট খুবই প্রকট। কারণ, যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির কারণে সেখানে ঠিকমত পৌঁছাচ্ছে না ত্রাণ সরবরাহ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা একটি বিশাল মানবিক বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে গাজাজুড়ে খাদ্য ও খাবার পানি সরবরাহ করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিট্যারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ইউএনওসিএইচএ)-এর কোঅর্ডিনেশন ডিরেক্টর রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ২ বছরের কম বয়সী প্রতি ছয় শিশুর মধ্যে এক শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার এবং ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ডের ২৩ লাখ মানুষই কার্যত বেঁচে থাকার জন্য ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে অপর্যাপ্ত’ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করছে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ এবং সাহায্য গোষ্ঠীগুলো ‘গাজায় ন্যূনতম সহায়তা সরবরাহ পেতেও অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে ক্রসিং বন্ধ, চলাচল এবং যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর পরীক্ষা পদ্ধতি, অস্থিতিশীলতা, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা এবং অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের মতো বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

;