মালয়েশিয়ায় ভবন ধ্বস: সামাজিক সুরক্ষায় নিবন্ধিত নন শ্রমিকরা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাউথ-ইস্ট এশিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশন (পারকেসো) জানিয়েছে মালয়েশিয়ায় ভবনধ্বসে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ৯ জন শ্রমিকের ৫ জনেরই নাম প্রতিষ্ঠানটিতে নিবন্ধিত নয়। বিদেশি শ্রমিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ফান্ডে অর্থও জমা করেনি নিয়োগকর্তা।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি.সিভাকুমার জানান, যে-সব নিয়োগকর্তা বিদেশি শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ফান্ডে নিবন্ধন করবে না, তাদের কোন ছাড় দিবে না সরকার।

মন্ত্রী ভি.সিভাকুমার আরো জানান, পারকেসোতে নিবন্ধন না করা শ্রমিকদের সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট-১৯৬৯ এর ৬ ধারার লঙ্ঘন। পারকেসো এই নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবে।

তিনি বলেন, বিদেশি শ্রমিককে নিবন্ধন না করানো এবং সামাজিক সুরক্ষা ফান্ডে অর্থ না জমা করার অপরাধে নিয়োগকর্তা ১০ হাজার রিঙ্গিত (প্রায় ২ লক্ষ টাকা) জরিমানা, অনাদায়ে ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

গত মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মালয়েশিয়ার পেনাং প্রদেশের বাতু মং নির্মাণ এলাকায় ভবন ধ্বসে ৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ২ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, যে তিনজন শ্রমিক মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে দুইজন এবং আহত দুইজন শ্রমিক পারকেসোতে নিবন্ধিত। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত তাদের সামাজিক সুরক্ষা ফান্ডে কোনো অর্থ জমা করেনি নিয়োগকর্তা। এছাড়াও আরেকজন মৃত শ্রমিকের নামেও কোনো নিবন্ধন বা অর্থ জমা হয়নি পারকেসো'র ফান্ডে।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই এই শ্রমিকদের পারকেসোতে নিবন্ধিত হওয়ার কথা ছিল। এছাড়াও বেঁচে যাওয়া আরো ৪ শ্রমিকের বিষয়টি নিয়েও ফায়ার এন্ড রেস্কু বিভাগ ও মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান তিনি।

   

কাউলিন শহর জ্বালিয়ে দিলো জান্তা সেনারা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল দখলের পর প্রায় পুরো একটি শহর জ্বালিয়ে দিয়েছে জান্তা সেনারা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কাউলিন নামক শহরটির প্রায় ৮০ শতাংশই জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহ দুয়েক আগে কাউলিন শহরটির পুনর্দখল নেয় জান্তা বাহিনী। পরে শহর পুরো জ্বালিয়ে দেয় মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনী। ড্রোন থেকে নেয়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, শহরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে গেছে।

ছবি: সংগৃহীত

ইরাবতী জানায়, গত ৬ নভেম্বর মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহরটি জান্তার হাতছাড়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটির পুনর্দখল নিয়ে বিদ্রোহীদের সাথে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জান্তা বাহিনী শহরটি পুনরায় দখল করে।

জানা গেছে, শহরটির ৮টি ওয়ার্ডে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া এর আশপাশের আরও ১০টি গ্রামেও আগুন দিয়েছে জান্তা সেনারা।

এ বিষয়ে কাউলিন শহরের পিডিএফ বাহিনীর এক সদস্য ইরাবতী'র বরাতে জানিয়েছেন, ‘কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই ঘটনার দিন ইনবোকে গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে কাউলিন শহরের উপকণ্ঠে কিয়াউকটান গ্রামের কাছে সংঘর্ষ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘর্ষে মাইটকিনা-ইন্দাও-কাইউকটান এলাকাগুলো অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

;

দক্ষিণ কোরিয়ায় নিম্ন জন্মহারে রেকর্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জন্মহার কমায় নতুন রেকর্ড গড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এনিয়ে ৪ বছর টানা জন্মহার কমেছে। তাই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে দেশটির জনসংখ্যা কমা নিয়ে।

দেশটির নারীরা কর্মজীবনের অগ্রগতি এবং সন্তান লালন-পালনে আর্থিক ব্যয় বহনের ভয়ে জন্মহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশু জন্মহার হ্রাস মানে দেশে শ্রমশক্তির হ্রাস এবং বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। যে কোনো দেশের অর্থনীতিতেই জনসংখ্যার এই পরিসংখ্যান নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দেশে জন্মহার বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু সরকারের সব প্রচেষ্টাই এখন পর্যন্ত ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় নারীরা সন্তান জন্মদানে আগ্রহ দিন দিন হারিয়ে ফেলছেন। দেশটিতে গড়ে একজন নারীর তার জীবনের পূর্ণ প্রজনন সময়ে সন্তান জন্মদানের হার মাত্র ০ দশমিক ৭২। গত বছরও যে হার ছিল ০ দশমিক ৭৮।

শিশু জন্ম ও নারী প্রজনন হার নিয়ে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ পায়।

২০১৮ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়াই দ্য অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) এর একমাত্র সদস্য যাদের নারী প্রজনন হার ১ এর নিচে। এ পরিস্থিতিতে জন্মহারের নিম্নগতি আটকাতে জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকার ভিক্তিতে কাজ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে দেশটির সরকার। গত ডিসেম্বরে সরকার থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘অসাধারণ কিছু ব্যবস্থা’ গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

এ বছর এপ্রিলে দক্ষিণ কোরিয়ায় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য আরও বাসস্থান এবং আরও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যাতে জন্মহার হ্রাসের প্রবণতা আটকে দেওয়া যায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজ ব্যবস্থায় বিয়েকে সন্তান জন্মদানের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখা হয়। সেখানে শিশু জন্মহার হ্রাসের পাশপাশি তরুণদের মধ্যে বিয়ে করার প্রবণতাও হ্রাস পেয়েছে। এর কারণ হিসেবে জীবনযাত্রার অত্যধিক ব্যয় এবং অস্বাভাবিক দীর্ঘ কর্মঘণ্টাকে দায়ী করা হচ্ছে। নারীদের ঘর-বাহির দুটোই সামলাতে হয় বলে তাদের মধ্যে সন্তান জন্মদানে অনাগ্রহ বাড়ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জনসংখ্যাগত সংকট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক কল্যাণ ব্যবস্থার জন্য শীর্ষ ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। ৫ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ অর্ধেক হওয়ার পথে।

বর্তমান বিশ্বে জন্মহার হ্রাস এবং বয়স্ক জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা শুধু দক্ষিণ কোরিয়াকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে না। বরং তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোকেও একই সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

২০২২ সালে জাপানে জন্মহার রেকর্ড হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ২৬ হয়। চীনে আরও কমে ১ দশমিক ০৯। যা দেশটিতে নতুন রেকর্ড।

;

পশু-পাখির খাদ্য খাচ্ছে গাজার শিশুরা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিন যত যাচ্ছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি তত খারাপ হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে না দিলে আগামী দিনে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় হাজার হাজার শিশু মারা যাবে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ বা মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে রয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘অনিবার্য’।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় খাদ্য সংকটের তীব্রতা এতোই বেশি যে অনেকে পশু খাদ্য খেয়ে বেঁচে আছেন। তেমনি একজন গাজার উত্তরাঞ্চলে বসবাস করা ইবতিসাম আল-কাহলুত। তিনি বলেন, পশুখাদ্য থেকে তৈরি রুটি খেয়ে তার দুই বছরের নাতি খালেদের মৃত্যু হয়েছে।

আরও বলা হয়, গাজার শিশুরা পশু-পাখির খাদ্য দিয়ে তৈরি তিতকুটে খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু সেই খাদ্যেও এখন টান পড়ছে। দুধের শিশুর মুখে খেজুর গুঁজে দিয়ে সন্তানকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন মা।

গাজায় উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে ঠাঁই পাওয়া শিশু ও নারীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেখানকার এই ভয়াবহ চিত্র। বিশেষ করে গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সংকট খুবই প্রকট। কারণ, যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির কারণে সেখানে ঠিকমত পৌঁছাচ্ছে না ত্রাণ সরবরাহ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা একটি বিশাল মানবিক বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে গাজাজুড়ে খাদ্য ও খাবার পানি সরবরাহ করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিট্যারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ইউএনওসিএইচএ)-এর কোঅর্ডিনেশন ডিরেক্টর রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ২ বছরের কম বয়সী প্রতি ছয় শিশুর মধ্যে এক শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার এবং ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ডের ২৩ লাখ মানুষই কার্যত বেঁচে থাকার জন্য ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে অপর্যাপ্ত’ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করছে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ এবং সাহায্য গোষ্ঠীগুলো ‘গাজায় ন্যূনতম সহায়তা সরবরাহ পেতেও অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে ক্রসিং বন্ধ, চলাচল এবং যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর পরীক্ষা পদ্ধতি, অস্থিতিশীলতা, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা এবং অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের মতো বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এতে ইসরাইলের ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃৃপক্ষ। এর পর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় সেদিন থেকে হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা। চার মাসের বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় এখন পর্যন্ত ২৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।

;

মিশিগান প্রাইমারিতে বাইডেন ও ট্রাম্পের জয়



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্যে নিজ নিজ দলের প্রাথমিক বাছাইয়ে জয় লাভ করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সিএনএন'র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান দলের প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে এখন পর্যন্ত গণনাকৃত ভোটে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিসেবে বাইডেন পেয়েছেন ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট আর রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প পেয়েছেন ৬৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।

এ জয়ের মধ্য দিয়ে দুই নেতা চলতি বছরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন।

তবে মিশিগান প্রাইমারিতে বাইডেনকে জয়ের জন্য বেশ বেগ পেতে হয়েছে। কারণ গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলকে সমর্থনে অসন্তুষ্ট মিশিগানের ভোটাররা।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা ইস্যুকে কেন্দ্র করে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের তার অবস্থান ধরে রাখতে বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। কারণ ইতিমধ্যেই মিশিগান প্রাইমারি নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক ভোটার তাদের অবস্থানকে ‘অনিশ্চিত বা আনকমিটেড’ বলে কাস্ট করেছেন। তাদের এ প্রতিক্রিয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়েও প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

;