কারাগারের ভেতরে ইমরানের বিচার, পাকিস্তানের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত

ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিশেষ আদালতের সিদ্ধান্তের পর বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সাইফার মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাগারের ভেতরে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা।

দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জিও নিউজ জানিয়েছে, আদালতের আদেশের পর কারাগারের ভেতরে বিচারের আদেশটি আইন ও বিচার মন্ত্রনালয়ে স্থানান্তর করা হয় এবং এর পর বৃহস্পতিবার সেটি মন্ত্রিসভা দ্বারা অনুমোদিত করানো হলো।

৭১ বছর বয়সি ইমরান খান গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন, যেখানে কারাগারের ভেতরেই তার বিচার গত সপ্তাহ পর্যন্ত চলছিল।

কিন্তু, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ওই বিচারিক কার্যক্রম বেআইনি ঘোষণা করে কারাগারে বিচারের বিরুদ্ধে রায় দেয়।

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ওই রায়ের পর বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত জুলকারনাইন গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদের ফেডারেল জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে সাইফার মামলার শুনানি করেন।

বিচারক গত সপ্তাহে ইমরান এবং তার সাবেক মন্ত্রীসভার পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে হাজির করতে বলেছিলেন। কিন্তু, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ দেখিয়ে ইমরানকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদালতে পেশ করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এটি জানানো হচ্ছে যে, পিটিআই চেয়ারম্যান একটি গুরুতর মাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন।’

মামলার শুনানি শেষে আদালত শুক্রবার (১ ডিসেম্বর ) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

   

উত্তর কোরিয়ায় দূতাবাস পুনরায় চালু করছে ইউরোপীয় দেশগুলো



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরোপীয় দেশগুলো প্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহামারী চলাকালীন জার্মানির দূতাবাস বন্ধ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পরিদর্শন করেছেন দেশটির একটি প্রতিনিধিদল।

পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, জার্মান ফেডারেল পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি দল বর্তমানে প্রযুক্তিগত পরিদর্শন সফরে পিয়ংইয়ংয়ে রয়েছেন।

ওই মুখপাত্র আরও বলেছেন, ‘এটি কয়েক দিনের মধ্যে জার্মান দূতাবাসের স্থান পরিদর্শন করবে এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ হওয়া দূতাবাসটি পুনরায় চালু করার বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

প্রসঙ্গত, কোভিড সংকটের সময় পিয়ংইয়ংয়ে অনেক দূতাবাস বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, তারা সেই সময় সেখানে কর্মী বা জাহাজ পাঠাতে পারছিল না।

কোভিড সংকটের সময় কর্তৃত্ববাদী নিয়ন্ত্রণের অধীনে উত্তর কোরিয়া প্রায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং বড় আকারের সীমানা প্রাচীরসহ বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।

সম্প্রতি সেই কঠিন বিধিনিষেধ শিথিল করা শুরু করেছে পিয়ংইয়ং।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ব্রিটেন ২০২০ সালে দূতাবাস বন্ধ করে ওই বছরের মে মাসে উত্তর কোরিয়া থেকে সব কূটনৈতিক কর্মীদের বের করে নিয়ে এসেছিল। এখন তারাও একটি দল পাঠাতে চাচ্ছে সেদেশে।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়ার (ডিপিআরকে) ব্যবহার করে দেশটির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা খুশি যে, কিছু কূটনীতিক পিয়ংইয়ংয়ে ফিরে আসছেন এবং সীমান্ত পুনরায় চালু করার জন্য ডিপিআরকের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ডিপিআরকে সরকারের সঙ্গে লন্ডনে তার দূতাবাসের মাধ্যমে শীঘ্রই যুক্তরাজ্যের একটি প্রযুক্তিগত-কূটনৈতিক দলের সফরের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছি।’

মুখপাত্র আরও বলেন, ‘উত্তর কোরিয়াকে সমস্ত কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের সংস্থা এবং মানবিক এনজিওসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পিয়ংইয়ংয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন।’

কোরিয়ার জন্য সুইডেনের বিশেষ দূত পিটার সেমনেবি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘পিয়ংইয়ংয়ে সুইডিশ কূটনীতিকদের শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবর্তনের দিকে কিছু অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু চাওয়া আছে এবং আশা করি যে, আমরা অপেক্ষাকৃত শীঘ্রই আমাদের দূতাবাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারবো।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কূটনীতিক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে দূতাবাসগুলোর ডিভাইসগুলো পরিষ্কার করা এবং মেরামত করা দরকার।

উত্তর কোরিয়াকে পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি সিউলভিত্তিক ওয়েবসাইট এনকে প্রো অনুসারে, পিয়ংইয়ংয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত নয়টি দেশের দূতাবাস চালু ছিল। তবে শুধুমাত্র চীন, রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং কিউবা গত বছর থেকে তাদের দূতাবাসে কর্মীদের সেখানে ফেরার অনুমতি দিয়েছে।

;

লেবাননে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রেস সার্ভিস সূত্রে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) ফাইটার জেটগুলো লেবাননের তাইব, বেইত লিফ, সাদ্দিকিন এবং খিরবেত সেলম এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক কম্পাউন্ড এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে আঘাত হানে।’

অঅইডিএফ আরও বলেছে, ‘ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় আইতা অ্যাশ শাবের কাছে একটি সশস্ত্র গ্রুপ এবং একটি সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।’

এদিকে, দিন যত যাচ্ছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি তত খারাপ হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে না দিলে আগামী দিনে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় হাজার হাজার শিশু মারা যাবে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ বা মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে রয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘অনিবার্য’।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় খাদ্য সংকটের তীব্রতা এতোই বেশি যে অনেকে পশু খাদ্য খেয়ে বেঁচে আছেন। তেমনি একজন গাজার উত্তরাঞ্চলে বসবাস করা ইবতিসাম আল-কাহলুত। তিনি বলেন, পশুখাদ্য থেকে তৈরি রুটি খেয়ে তার দুই বছরের নাতি খালেদের মৃত্যু হয়েছে।

আরও বলা হয়, গাজার শিশুরা পশু-পাখির খাদ্য দিয়ে তৈরি তিতকুটে খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু সেই খাদ্যেও এখন টান পড়ছে। দুধের শিশুর মুখে খেজুর গুঁজে দিয়ে সন্তানকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন মা।

গাজায় উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে ঠাঁই পাওয়া শিশু ও নারীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেখানকার এই ভয়াবহ চিত্র। বিশেষ করে গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সংকট খুবই প্রকট। কারণ, যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির কারণে সেখানে ঠিকমত পৌঁছাচ্ছে না ত্রাণ সরবরাহ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা একটি বিশাল মানবিক বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে গাজাজুড়ে খাদ্য ও খাবার পানি সরবরাহ করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিট্যারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ইউএনওসিএইচএ)-এর কোঅর্ডিনেশন ডিরেক্টর রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ২ বছরের কম বয়সী প্রতি ছয় শিশুর মধ্যে এক শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার এবং ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ডের ২৩ লাখ মানুষই কার্যত বেঁচে থাকার জন্য ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে অপর্যাপ্ত’ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করছে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ এবং সাহায্য গোষ্ঠীগুলো ‘গাজায় ন্যূনতম সহায়তা সরবরাহ পেতেও অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে ক্রসিং বন্ধ, চলাচল এবং যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর পরীক্ষা পদ্ধতি, অস্থিতিশীলতা, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা এবং অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের মতো বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

;

ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ঘোষণা চীন ও রাশিয়ার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে শক্তিশালী ঘোষণা দিয়েছে চীন ও রাশিয়া।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান উইডংয়ের মস্কো সফরের পর জারি করা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চীন ও রাশিয়ার উচিত নতুন শতাব্দির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতার নোঙ্গর হিসাবে আরও ভালো ভূমিকা পালন করা।’

উল্লেখ্য যে, পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক থাকা সত্ত্বেও বেইজিং রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের নিন্দা করতে অস্বীকার করেছে এবং যুদ্ধের মধ্যেও এই দুটি ব্রিকস রাষ্ট্রের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক রয়ে গেছে।

সান ওই বিবৃতিতে বলেছেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কৌশলগত দিক নির্দেশনায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা সময় পার করছে।’

এই বিবৃতি পশ্চিমের ওই সন্দেহকে ভিত্তি দেবে যে, গত দুই বছরে মস্কো এবং বেইজিং বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষায় সম্পর্ক বাড়াচ্ছে।

এদিকে, রাশিয়াকে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করায় চীনের কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কালো তালিকাভুক্ত করায় বেইজিং ক্রোধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বেইজিংকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসাবে দেখেছে মস্কো, যেখানে সস্তা শক্তি আমদানি এবং বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদের লাভের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে চীনও।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংস্থা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) ভূমিকার প্রশংসা করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বয় গভীর করার চীনা আশার উপর জোর দিয়েছেন পুতিন।

সান উইডং মস্কো সফরে বলেছেন, ‘উভয় পক্ষের উচিত এসসিওকে নতুন শতাব্দীর পরিবর্তনে স্থিতিশীল নোঙ্গর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে। এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে যৌথভাবে রক্ষা করার জন্য এর ভূমিকাকে উন্নীত করা উচিত।’

রাশিয়ার রাজধানীতে তার সফরের সময় সান উইডং মস্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে ইউক্রেন সংকট, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পৃথকভাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বুধবার বলেছেন, চীনের ইউরেশীয় বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইউক্রেন সংকটের রাজনৈতিক নিষ্পত্তির জন্য মার্চের শুরুতে রাশিয়া, পোল্যান্ড, ইউক্রেন, জার্মানি এবং ফ্রান্স সফর করবেন।

;

নিখোঁজ জয়াপ্রদাকে ৬ মার্চের মধ্যে আদালতে হাজিরের নির্দেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী জয়াপ্রদাকে নিখোঁজ ঘোষণা করল ভারতীয় আদালত। এনডিটিভি জানিয়েছে, বার বার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলায় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পর পর দুইবার আদালতে হাজিরা দেননি তিনি। আগামী ৬ মার্চের মধ্যে তার হাজিরা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে ওই বিশেষ আদালত।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন জয়াপ্রদা। এর পর জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হলেও আদালতে হাজির হননি তিনি।

এমপিএমএলএ স্পেশ্যাল কোর্টের বিচারক শোভিত বানসালের নির্দেশে পুলিশকে একটি বিশেষ দল তৈরি করতে বলা হয়েছে। ৬ মার্চের মধ্যে জয়াপ্রদা যেন আদালতে হাজিরা দেন তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে প্রথম রাজনীতিতে পা রাখেন জয়াপ্রদা। এনটি রামারাওয়ের আমন্ত্রণে ১৯৯৪ সালে তেলুগু দেশম পার্টিতে (টিডিপি) যোগ দেন তিনি।

পরবর্তীকালে ওই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টিতে। ২০০৪ সালে রামপুর আসন থেকে জয়াপ্রদাকে প্রার্থী করে সমাজবাদী পার্টি। রামপুর কেন্দ্র থেকেই প্রথম সাংসদ হন জয়াপ্রদা।

২০০৪ এবং ২০০৯ সালে পর পর দুইবার রামপুর থেকে জয়ী হন তিনি। কিন্তু, পরের বছর ২০১০ সালে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে এসপি।

২০১৪ সালে অজিত সিংহর রাষ্ট্রীয় লোক দলের (আরএলডি) টিকিটে বিজনৌর কেন্দ্র থেকে দাঁড়ালেও হেরে যান তিনি। তারপর বিজেপিতে যোগ দিয়ে লোকসভা ভোটে ফের রামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি।

;