বিশ্বকে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান খামেনির ভাগনির



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ভাগনি ও অধিকার কর্মী ফরিদেহ মোরাদখানি। এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

মোরাদখানি ইরানে গ্রেফতার হওয়ার দুইদিন পর তার এই ভিডিওবার্তা অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে চাপে রাখতে বিশ্ববাসীকে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভাগনি ফরিদেহ মোরাদখানি। গত শুক্রবার ফ্রান্সে থাকা তার ভাই মাহমুদ মোরাদখানি ওই ভিডিও শেয়ার করেন। শেয়ার করার পরপরই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

ভিডিওতে মোরাদখানি বলেন, ধর্মীয় নীতি-নৈতিকতার প্রতি খামেনি সরকারের কোনো আনুগত্য নেই। ক্ষমতা ধরে রাখতে ও বলপ্রয়োগ করতে তারা যে কোনো উপায় বেছে নিচ্ছে। তিনি ইরানিদের ওপর সরকারের ‘সুস্পষ্ট নিপীড়নের’ নিন্দা করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেছেন।

ভিডিওতে ফারিদেহ বলেছেন, এই শাসনব্যবস্থা কোনো ধর্মীয় নীতির প্রতি অনুগত নয় এবং বলপ্রয়োগ ছাড়া কোনো আইন বা নিয়ম তারা জানে না এবং যেকোনো উপায়ে তারা ক্ষমতা বজায় রাখতে চায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্রোহ দমনে সরকারে ক্র্যাকডাউনের প্রতিবাদে ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘হাস্যকর’।

   

ক্যাবেজ এন্ড কনডম নামেই ডাকার অনুরোধ



মাজেদুল নয়ন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি পরিচিত জায়গার নাম সুকুমভিত। বাংলাদেশিরাও সবচেয়ে বেশি এই এলাকায় থাকেন। আর সুকুমভিত এলাকাতেই এখন সবচেয়ে আলোচিত রেস্টুরেন্ট 'ক্যাবেজ এন্ড কনডম'। ভিন্ন দেশ থেকেও মানুষ এখানে এসে এক বেলা খেয়ে যান। এই রেস্টুরেন্টে খাওয়া মানে শুধুই পেট ভরানো নয়, বরং জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ যৌন মিলন নিয়ে সচেতনতা তৈরির বৈশ্বিক উদ্যোগের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করা।

থাইল্যান্ডে 'গলি'কে বলা হয় 'সই'। সুকুমভিত সই-১২ তে ঢুকে ২০০ মিটার হাঁটলেই চোখে পড়বে ক্যাবেজ এন্ড কনডম রেস্টুরেন্ট। এখানে রেস্টুরেন্টের প্রতিটি সাজসজ্জায় রয়েছে কনডমের ব্যবহার। কনডম দিয়েই তৈরি করা হয়েছে নানা ভাস্কর্য। রয়েছে মিস্টার এবং মিসেস কনডমের ভাস্কর্যের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ।

এর আগে অনেকের কাছে নাম শুনলেও যাওয়া হয়নি। তবে গত সোমবার দেশ থেকে আসা বাংলাদেশি বন্ধুর পরিবারের সঙ্গে আমরাও গেলাম রেস্টুরেন্টে। ভেতরে এক পার্শ্বে কৃত্রিম উপায়ে ম্যানগ্রোভ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। গাছ থেকে সবসময় পানি ঝড়ে পড়ছে একটা বৃহৎকার অ্যাকুরিয়ামে, সেখানে খেলা করছে মাছেরা।

এখানে যে বাতিগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেখানে রয়েছে কনডমের আকৃতির নকশা। তবে খুব সাধারণ প্রশ্ন, কেন এই নামকরণ?

ক্যাবেজ এন্ড কনডম

কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, থাইল্যান্ডের বেসরকারি সংস্থা পপুলেশন এন্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (পিডিএ) তাদের একটি প্রকল্পের আওতায় এই রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করেন। থাইল্যান্ডের পরিবার ও সমাজেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে 'যৌনতা নিয়ে কথা বলা বারণ', এক ধরনের ট্যাবু রয়েছে। ফলে অসচেতনতা এবং গোপনীয় ভাবার কারণে অনেক কিশোর কিশোরী নিজেদের জীবনকে বিপদে ফেলছেন। তাই নিরাপদ যৌনতা এবং পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই এই নাম দেওয়া হয়েছে।

আমরা সাতায় কাই (মুরগির মাংসের সাতায়), সাতায় গুং (চিংড়ির সাতায়), টম খা গাই (নারিকেলের দুধ দিয়ে মুরগির মাংস রান্না), সোম তাম থাই (পেপের সালাদ), প্লা কা পোং নুয়েং সে এর সঙ্গে ভাত অর্ডার করলাম। এখানে প্রায় ১০০ ধরনের খাবার রয়েছে।

প্রতি সোম ও বুধবারে ঐতিহ্যবাহী থাই নৃত্য পরিবেশন করা হয় সন্ধ্যা সাগে সাতটা এবং সাগে আটটায়। আমরাও বেশ উপভোগ করলাম আর এখানকার স্টাফরাও বেশ আন্তরিক।

খাবারের স্বাদ কেমন?

থাইল্যান্ডের খাবারে এখন আমার অন্তত স্বাদ বোঝার ক্ষমতা হয়েছে দাবি করতে পারি। সেই অনুযায়ী সৎ মতামত দিলে বলবো, খাবারের স্বাদ গড়। অনেক সুস্বাদু বলা যাবে না। তবে পরিবেশনে ভিন্নতা আর সাজসজ্জায় মৌলিকতা রয়েছে।

এখানে কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের অনুরোধ করেন, তাদের রেস্টুরেন্টের পুরো নামটি বলার জন্য। কারণ এখনো অনেকেই 'কনডম' শব্দটি বলতে সংকোচ বোধ করেন। তাই যৌনতা একটি স্বাভাবিক কার্য এবং কনডম তার অনুষঙ্গ, বিষয়টিতে সচেতন করতে যেন 'ক্যাবেজ এন্ড কনডম, নামে ডাকা হয় তার অনুরোধ করেন।

এখানে খাবারের শেষে বিল নিয়ে আসার সময় কর্মীরা কোন মিন্ট নিয়ে আসলো না। বরং ঝুড়ি ভর্তি কনডম নিয়ে আসে। সেখান থেকে যার যত ইচ্ছা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

;

ইউক্রেনে সেনা পাঠানো নিয়ে পশ্চিমাদের সতর্ক করলেন পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে সেনা পাঠানো নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের পরিণতি হবে ‘দুঃখজনক’।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) মস্কোয় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন পুতিন। পশ্চিমাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, রুশ সেনারা ইউক্রেনে যুদ্ধের ময়দানে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এখন কোনো দেশ যদি কিয়েভের সহায়তায় সৈন্য পাঠানোর সাহস দেখায়, তার ‘পরিণতি হবে দুঃখজনক’।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তাদের (পশ্চিমা দেশ) শেষ পর্যন্ত এটা মাথায় রাখা উচিত যে আমাদের এমন সব সমরাস্ত্র রয়েছে, যেগুলো তাদের ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম। পশ্চিমাদের সব পদক্ষেপই এমন সংঘাতের প্রকৃত ঝুঁকি সৃষ্টি করে, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার হতে পারে। আর এভাবে সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, রাশিয়াকে এখন তার পশ্চিম সীমান্তে প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে হবে। এমন সময় তিনি এ ঘোষণা দিলেন যখন সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দিতে যাচ্ছে।

পুতিন বলেন, পশ্চিমারা ইউক্রেনের সংঘাতকে উসকানি দিয়েছে এবং মিথ্যা বলে চলেছে যে রাশিয়া ইউরোপে আক্রমণ করতে চায়।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশের অভ্যন্তরীণ নানা বিষয় নিয়েও কথা বলেছেন পুতিন। ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে পুতিনের কোনো প্রকৃত বিরোধী নেই। ফলে নির্বাচনের ফল কী হবে, তা অনেকটাই নিশ্চিত। নির্বাচনের আগে চলতি বছরের শুরু থেকে গণমাধ্যমে পুতিনের উপস্থিতিও বেড়েছে। সম্প্রতি একটি বোমারু বিমানে চড়ে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

 

;

রাম রহিমকে প্যারোলে মুক্তি দিতে আদালতের অনুমতি লাগবে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে খুন এবং ধর্ষণের অপরাধে জেল খাটছেন ডেরা সাচা সৌদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। আদালতের অনুমতি ছাড়া আর তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে না বলে। এমনটাই বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার হাইকোর্ট।

এনডিটিভি জানিয়েছে, হরিয়ানা সরকারকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, রাম রহিমকে প্যারোলে মুক্তি দিতে হলে আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ৫০ দিনের জন্য প্যারোলে জেলের বাইরে বেরিয়েছিলেন রাম রহিম। তার আগে গত নভেম্বরে তাঁকে ২১ দিনের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

ডেরার ম্যানেজার রঞ্জিত সিংকে হত্যা এবং সিরসার আশ্রমে দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন রাম রহিম। তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জেলে থাকাকালীন রাম রহিমের ঘন ঘন প্যারোলে মুক্তি নিয়ে নানা সময়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি শিরোমণি গুরুদ্বার নিবন্ধন কমিটি তার এই প্যারোলে মুক্তির বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। সেই মামলাতেই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামীতে রাম রহিমকে প্যারোলে মুক্তি দিতে হলে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হবে। অনুমতি ছাড়া আর মুক্তি পাবেন না তিনি।

শুনানিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, রাম রহিমের মতো ঘন ঘন মুক্তি পেয়েছেন, এমন আর একজন অপরাধীর উদাহরণও তারা দেখাতে পারবেন কি না।

রাম রহিমের ঘন ঘন এই মুক্তি পাওয়া নিয়ে সরব হয়েছিল দিল্লির নারী কমিশনও। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠন তার প্যারোলের বিরোধিতা করেছে।

তবে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থানে সিরসা এলাকায় রাম রহিমের ডেরার প্রচুর সংখ্যক ভক্ত থাকার জন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোরও অনুগ্রহ পেয়ে থাকেন বলে একটি অংশের অভিযোগ রয়েছে।

;

গাজায় ত্রাণ বিতরণের সারিতে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি, নিহত ১০৪



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজার দক্ষিণ-পশ্চিমে ত্রাণ বিতরণের পয়েন্টে সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ১০৪ জন নিহত ও ৭৬০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর জানায় কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা এলাকাটি ক্ষুধা সংকটে ছিল।  

ইসরায়েলি বাহিনীর এই হামলার ঘটনাকে ‘‘গণহত্যা’’ উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের চলমান হামলা "গণহত্যা যুদ্ধের" অংশ।

বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার একমাত্র উপায় হিসেবে যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বানও জানায় মন্ত্রণালয়টি। 

প্রতিবেদনে জানানো হয়, আটা বহনকারী ত্রাণবাহী ট্রাকগুলো দেশটির আল-রশিদ স্ট্রিটে জমায়েত হয়েছিল। সেখানেই ইসরায়েল এ হামলা চালায়। 

ঘটনাটির একটি ভিডিও ফুটেজ আল জাজিরা যাচাই করেছে। ফুটেজে দেখা যায় নিহত ও আহতদের ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরা আটা আনতে গিয়েছিলাম। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে অনেক মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন।

;