বাংলাদেশি অভিবাসীদের আইনগত সহায়তায় ফ্রান্স আইনজীবীর আগ্রহ প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশি মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম এর সাথে ফ্রান্সের ফৌজদারী আইনজীবী ক্লেমেন্স উইট এর এক আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ০৯ মে প্যারিসের সেইরো তে অবস্থিত আইনী সংস্থা ছ্যাভান এন্ড উইট অ্যাডভোকেটস এ ঘন্টাব্যাপী উক্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে অন্যান্যদের পাশাপাশি পারিসে বসবাসরত বাংলাদেশী মানবাধিকার কর্মী মঈনুদ্দীন খান এবং আইনী সংস্থা ছ্যাভান এন্ড উইট অ্যাডভোকেটস এ কর্মরত আইনজীবী থিও বেরেবি অংশগ্রহণ করেন।

ক্লেমেন্স উইট প্যারিস বারের একজন বিখ্যাত ফৌজদারি আইনজীবী এবং আইনি সংস্থা ছ্যাভান ও উইট অ্যাডভোকেটস এর অংশীদার।

অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং বর্তমানে মারিয়েন ইনিশিয়েটিভ ফর হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারের বিজয়ী হিসেবে ফ্রান্সে অবস্থান করছেন।

বৈঠকে অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সাংবাদিক, আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও নিপীড়নসহ বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

তিনি বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবত ঘটে আসা জাতিগত, ধর্মীয়, সামাজিক ও যৌন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতাসহ নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও জোরপূর্বক গুমের মতো মানবাধিকার লংঘনজনিত বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম পারিবারিক সহিংসতা, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের অভাব, পারিবারিক পুনর্মিলন ও পূনেকত্রীকরণ, আশ্রয় প্রক্রিয়া ও ভাষাগত সমস্যা সহ ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী, শরণার্থী ও অভিবাসীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করেন।

তাছাড়া, অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম ফ্রান্সে জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স নামক একটি অলাভজনক মানবাধিকার সংস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তার ভবিষ্যত পরিকল্পনার বিষয়ে বৈঠকে উপস্থাপন করেন।

জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স এর ব্যানারে তথ্য প্রচার ও একটি শক্তিশালী রেফারেন্স ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশী শরণার্থী, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীদের জন্য ফ্রান্স সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সহায়তা ও পরিষেবাসমূহ সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বৈঠকে সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে, উভয়পক্ষ ফ্রান্সে বসবাসকারী বাংলাদেশী শরণার্থী, রাজনৈনিক আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীদের জন্য সহায়তা পরিষেবাসমুহ সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে এক্ত্রে কাজ করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন।

জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স তথ্য প্রচারাভিযান, আইনি ও অনুবাদ পরিষেবা, হেল্পলাইন বা হটলাইন স্থাপন, স্থানীয় এনজিও ও সহায়তা সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা, অনলাইন তথ্য হাব তৈরি, আউটরিচ ও বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা এবং নীতি নির্ধারনী অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছে বলে বৈঠকে জানান।

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশী শরণার্থী, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীদের জন্য সহায়তা পরিষেবাসমূহ সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার জন্য একটি পথ খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

   

ইতালিতে ফ্রোজেন ফুড কোচ কোম্পানির কর্মীদের মিলনমেলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ইতালিতে ফ্রোজেন ফুড কোচ কোম্পানির কর্মীদের মিলনমেলা

ইতালিতে ফ্রোজেন ফুড কোচ কোম্পানির কর্মীদের মিলনমেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

ইতালিতে তাজা হিমায়িত পণ্যের জন্য বিখ্যাত কোচ (koch) কোম্পানিতে কর্মরত কয়েক শতাধিক কর্মীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে এই উপলক্ষে কোম্পানি থেকে কর্মীদের জন্য ডিনার পার্টি আয়োজন করে মালিকপক্ষ, সেই সাথে গত এক বছরে কোম্পানিতে সব চেয়ে ভাল কাজ করা কর্মীদের পুরষ্কার দেয়া হয়।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাল কাজের জন্য কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। কোচ কোম্পানি ১৯৮০ সালে ইতালির বোলজানোতে পিটার গোজার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এখনও এটি হিমায়িত খাবারের একটি গর্বিত প্রতিষ্ঠান।

কোচের বিখ্যাত ফুড গুলোর মধ্যে রয়েছে পিৎজা, পাস্তা সহ অন্যান্য। কোচ কোম্পানী পাইকারি বাণিজ্যের সেক্টরে কাজ করে এবং সেই সাথে খুচরা চেইনে অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশে কাজ করে।

কোচ (koch) কোম্পানির গুণগত মানের জন্য অস্ট্রিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, স্পেন, পর্তুগাল, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জাপান এবং আমেরিকায় এর শাখা রয়েছে।

;

বিশ্বের প্রথম ভাসমান মসজিদ নির্মিত হচ্ছে দুবাইয়ে



তোফায়েল পাপ্পু, সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই) করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বে প্রথমবারের মতো ভাসমান মসজিদ নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই কর্তৃপক্ষ। নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দেশের পর্যটন শিল্পেও এক অনন্য আকর্ষণ যোগ করবে এই মসজিদ।

নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে আনুমানিক ৫ কোটি ৫০ লাখ দিরহাম। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৬৪ কোটিরও বেশি। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস বিভাগ (আইএসিএডি) প্রকল্পটির ঘোষণা দেয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইএসিএডির মহাপরিচালক ড. হামাদ আল শেখ আহমেদ আল শাইবানিসহ বিভাগের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিশিষ্ট কর্মকর্তারা। ইসলামি পর্যটনকে আরও শক্তিশালী করতে উচ্চাভিলাষী এই ধর্মীয় প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। মসজিদটি হবে তিন তলা বিশিষ্ট। এক তলা থাকবে সাগরের নিচে, আর বাকি দুই তলা পানির ওপরে। প্রথম তলায় থাকবে নামাজ আদায়ের জায়গা। যাতে একসঙ্গে ৫০ থেকে ৭৫ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।

কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথমদিকে ৬০০ মুসল্লির জন্য বিস্তৃৃত পরিসরে এটি উন্মুক্ত করা হবে। ২ হাজার বর্গফুটজুড়ে বিস্তৃত মসজিদের নির্মাণ কাজ চালু হবে চলতি বছরের অক্টোবরে। নির্মাণে সময় লেগে যাবে প্রায় ১২ মাস।

মসজিদের প্রথম তলায় ওজুর সুবিধা ও ওয়াশরুমের সুবিধাও থাকবে। দ্বিতীয় তলায় থাকবে ইসলামিক বক্তৃতা ও কর্মশালার আয়োজনের জন্য একটি বহুমুখী হল। তৃতীয় তলায় থাকবে কুরআন প্রদর্শনী কেন্দ্র।

খালিজ টাইমসের শেয়ার করা একটি ছবিতে দেখা যায়, মসজিদের অবকাঠামোর পানির ওপরের অংশে থাকবে বসার জায়গাসহ একটি কফি শপ। নিচতলার নামাজের কক্ষে বসে সমুদ্রও দেখতে পারবেন মুসল্লিরা। এ লক্ষ্যেই নামাজ ঘরের একপাশে বিশাল একটা কাচের দেওয়াল হবে।

মসজিদটি সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে দর্শনার্থী নারী-পুরুষ প্রত্যেককেই পরিধান করতে হবে শালীন পোশাক। মেনে চলতে হবে ইসলামিক ঐতিহ্য ও রীতিনীতি। নারীদের ক্ষেত্রে মাথা-কাঁধ ঢাকা থাকে এমন পোশাক পরিধান করতে হবে।

মসজিদটি নির্মাণের অবস্থান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে এটি উপকূলের খুব কাছাকাছি হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগের কালচারাল কমিউনিকেশন কনসালট্যান্ট আহমেদ খালফান আল মনসুরি। মসজিদে আসা পর্যটক ও নামাজ আদায়কারীরা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সেতু দিয়ে মসজিদে ঢুকবেন বলে জানান তিনি।

দুবাইয়ে ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্পের লক্ষ্য হলো একটি বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে দুবাইয়ের মর্যাদা প্রচার করা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘোষিত দুবাই কৌশল-২০২৫ সালে দুবাইকে বিশ্বের সর্বাধিক পর্যটকের শহরে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে এদেশে পর্যটকদের পরিদর্শনের হার ৩ থেকে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেলিজিয়াস ট্যুরিজম ইনিশিয়েটিভের প্রধান ড. আবদুল্লাহ ইব্রাহিম আব্দুল জব্বার বলেন, এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকবে দুবাই ইফতার, ধর্মীয় প্রতিনিধিদের একটি অনন্য সমাবেশ আর ঐতিহাসিক, নতুন বিশিষ্ট মসজিদ পরিদর্শনসহ একাধিক উদ্যোগ।

আল মনসুরি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বৈশ্বিক পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় তিনি নিরাপত্তা, আতিথেয়তা আর বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের খ্যাতির কথা উল্লেখ করে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনে পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

;

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা



সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই) থেকে তোফায়েল পাপ্পু:
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা

  • Font increase
  • Font Decrease

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে ধুলিকণা সৃষ্টি করে কিছু উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ এলাকায় মঙ্গলবার রাত এবং বুধবার সকাল পর্যন্ত আর্দ্রতা থাকবে। আমিরাতের ন্যাশনাল সেন্টার অফ মেটিওরোলজি (এনসিএম) এর তথ্যমতে সারা দেশে আবহাওয়ার অবস্থা রৌদ্রোজ্জ্বল হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে কিছু অংশে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ এবং বৃষ্টিপাতের সাথে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে।

কিছু উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ এলাকায় মঙ্গলবার রাত এবং বুধবার সকাল পর্যন্ত আর্দ্র থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বাতাসের কারণে ধুলো উড়বে।

এদিতে কারও যদি ধূলিকণার অ্যালার্জি থাকে এমন কেউ বাইরের দিকে না যায় এবং বাহিরে যেসব শ্রমিক কাজ করছেন তাদেরও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কেননা কখনও কখনও হালকা থেকে মাঝারি বাতাস, ১৫-২৫ বেগে, ৪৫ কিমি/ঘন্টা বেগে, ধুলো এবং বালি উড়তে পারে।"

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১-৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫-২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।


উপকূলীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৭-৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পার্বত্য অঞ্চলে ৩০-৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। পার্বত্য অঞ্চলে আর্দ্রতা ৬০-৮০ শতাংশ মাঝারি থাকবে, যেখানে উপকূলীয় অঞ্চলে এটি ৭০-৯০ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এনসিএম আরও বলেছে যে মঙ্গলবার রাত এবং বুধবার সকালে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়তে পাওে এবং কিছু অভ্যন্তরীণ এবং উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা এবং কুয়াশা তৈরি হচ্ছে। মাঝারি বাতাস প্রত্যাশিত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলরেখা বরাবর সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকবে।

;

মালয়েশিয়ায় পুলিশের মোটরসাইকেল কিনে বিপাকে বাংলাদেশি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ান পুলিশের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল মাত্র ১ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত বা ৩০ হাজার টাকায় কেনেন একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। সেটা চালানোও শুরু করেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো টিকটকে বড় কথা বলতে গিয়ে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই মালয়েশিয়ান পুলিশের মোটরসাইকেল চালানোর বিষয়টি টিকটকে বড়াই করে জানান দেন প্রবাসী। ভিডিওটিও ভাইরাল হয়ে পড়ে। আর সেটা চোখে পড়ে মালয়েশিয়ান পুলিশের। অবশেষে খুঁজে বের করা হয় তাকে।

সেপাং জেলা পুলিশের প্রধান সহকারী কমিশনার ওয়ান কামারুল আজরান ওয়ান ইওসুফ বলেন, সেপাং পুলিশ হেডকোয়ার্টারের একজন সদস্যের মোটরসাইকেল ছিল সেটি। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।

তিনি বলেন, পুলিশ সদস্য তার মোটর সাইকেলটি মেকানিক দোকানে নিয়ে যান কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক করতে।

মোটরসাইকেলটি অনেকদিন ধরেই পরিচর্যা করা হয়নি। পরে মেকানিক দোকানের বাংলাদেশি কর্মচারী বলেন, ১ হাজার ৫০০ রিঙ্গিতের বিনিময়ে তিনি মোটরসাইকেলটি কিনতে চান। মোটর সাইকেলের মালিক এই প্রস্তাবে রাজি হন।

এরপর ক্রেতা বাংলাদেশি টিকটকে একটি ভিডিও প্রকাশ করলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে তিনি নিজেই বলেন যে, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই তিনি গাড়িটা চালাচ্ছেন। এবং দ্বি-চক্র যানটির সড়ক কর পরিশোধ করা নেই।

এছাড়াও ১৫০০ রিঙ্গিত দিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি কিনেছেন বলেও জানান তিনি।

ওয়ান কামারুল আজরান বলেন, ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে গত শনিবার ওই বাংলাদেশি ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়।

রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৮৭ এর ২৬ (১) ধারায় তাকে জরিমানাসহ শাস্তি দেয়া হয়েছে বিনা লাইসেন্সে মোটর সাইকেল চালনার জন্য।

;