রক্তক্ষরণজনিত রোগীদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলো মেডট্রনিক বাংলাদেশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মেডট্রনিক'র লোগো, ছবি: বার্তা২৪.কম

মেডট্রনিক'র লোগো, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মেডট্রনিক বাংলাদেশ প্রাইভেট দ্বারা পর্যালোচিত ওনিক্স ওয়ান গ্লোবাল স্টাডিজ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি ওনিক্স ওয়ান গ্লোবাল স্টাডি ও ওনিক্স ওয়ান ক্লিয়ার স্টাডি 'মেডট্রনিক ওনিক্স ওয়ান মান্থ ডিএপিটি' শীর্ষক প্রোগ্রামে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে মেডট্রনিক বাংলাদেশ জানায়, এইচ বি আর ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ওনিক্স স্টেন্টের সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি রয়েছে ডিএপিটি ও পিসিআইয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রায় ২ হাজার উচ্চ রক্ত চাপের ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের এক মাসে ডুয়াল অ্যান্টিপ্লাটিলেট থেরাপির ভিত্তিতে এবং মাল্টিসেন্টারের পর্যালোচনায় প্রকাশ করা হয় দুটি ড্রাগ ইলিউটিং স্টেন্টের (ডিইএস) ক্লিনিক্যাল ফলাফল।

এইচ বি আর রোগীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের প্রতিনিধিত্ব করে ওনিক্স ওয়ান গ্লোবাল স্টাডি, যা শুধুমাত্র এইচ বি আর ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ছাড়াও আরও বেশ কিছু চিকিৎসা সম্পর্কিত কার্যাবলী নিজেদের আওতাভুক্ত করেছে যেমন, অ্যান্টিকোয়াগল্যান্টের ব্যবহার নেফ্রোলজি ব্লাড ফিউশন ও সার্জারি। এ সকল রোগ এর সাথে সম্পর্কিত রোগীরাও ওনিক্স ওয়ান গ্লোবাল স্টাডিজের অন্তর্ভুক্ত।

সাম্প্রতিক পর্যালোচনার ফলাফলে কম রেজ্যুলেট ওনিক্সের সাথে বায়োফ্রিডম ড্রাগ কোটিং স্টেন্টের তুলনা করা হয়েছে যা ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর কার্ডিওলজিতে ডিইএস ঝুঁকিপূর্ণ রোগী যাদের এক মাস ডিএপিটি প্রদান করা হয় এবং তাদের গাইডলাইন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রেজ্যুলেট ওনিক্স ও বায়োফ্রিডম এর সমন্বিত ফলাফল অনেক বেশি চমকপ্রদক ও দুর্দান্ত যার ফলস্বরুপ মাত্র এক বছরে লীজান রিভাসকুলারাইজেশন (টিএলআর) কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮ শতাংশে।

এসময় মেডট্রনিক ফ্রন্টিয়ার মার্কেটের সিনিয়র ডিরেক্টর ক্রেইগ মার্ফি বলেন, 'মেডট্রনিক পুরোনো জটিল রোগীদের ক্লিনিক্যাল তথ্য সংগ্রহ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, পাশাপাশি যে সকল প্রযুক্তি রোগীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে সে সকলের উন্নয়নের জন্য মেডট্রনিক কাজ করতে বদ্ধপরিকর।'

বিশ্বব্যাপী ১৪০ টি সাইটে প্রায় ২,৭০০ রোগী তাদের আওতাভুক্ত রয়েছেন বলে জানানো হয়।

প্রোগ্রামে ইউনাইটেড হাসপাতাল ঢাকা লি. এর কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এন. এ. এম মোমেনুজ্জামান বলেন, 'বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী পিসিআই (পার্কিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন) রোগীরাই রক্তপাতের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন। ওনিক্স ওয়ান গ্লোবাল স্টাডি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের পিসিআই অনুসরণ কারে ডিএপিটির সময়সীমা নির্ধারণ করেছে যা উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।'

   

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, কোনো অবস্থায়ই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বার অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়াসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:

>> বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশপথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

>> সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

>> যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনোভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।

>> ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটাগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

>> বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

>>হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

>> হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

>> কোনো অবস্থায়ই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

>> সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

>> নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশাই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

এ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

;

তিন মাসের মধ্যে আসতে পারে ডেঙ্গুর টিকা: আহমেদুল কবির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অনুমতি পেলে আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর টিকা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবির।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় এডিস মশা এবং এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় বছরব্যাপী উত্তর সিটির প্রস্তুতি এবং করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

আহমেদুল কবির বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি ডেঙ্গুর টিকার সিড এনেছে। মার্চে ল্যাব রেগুলারিটি পারমিশন পেলেই তিন মাসের মধ্যে আসতে পারে ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন।

ডেঙ্গু মোবাবিলা ও কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতি এবং পরামর্শ নিতে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ, নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবির, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার, সিডিসি সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, নিপসম কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. গোলাম সারোয়ার, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের আইইডিসিআর বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন, মো. মোইনুল আহসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়াও রয়েছে বুয়েটের নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব, পিপিডব্লিউ পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, পিপিডব্লিউ উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার দত্ত, মেট্রোরেল প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম, এ, এন, ছিদ্দিক, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, ডিএনসিসি ওয়াড কাউন্সিলর ডাঃ আব্দুল মতিন, ওয়াড কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, রিহাব সাবেক সভাপতি সামসুল ইসলাম আলামিন, আইসিডিডিআরবি বিজ্ঞানী রাশেদুল হক, ডিওএইচএস প্রতিনিধি মেজর শামস আহমেদ জিয়াসহ প্রমুখ।

;

গর্ভাবস্থায় শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ না করতে নীতিমালা



স্টাফ করেসপন্ডেট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ না করার মর্মে নীতিমালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে বলা হয়েছে, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকসহ সবাইকে এ নিয়ম মানতে হবে। ইতোমধ্যে নীতিমালাটি হাইকোর্টে জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিচালক ডা. তাহমিনা সুলতানা

জানা যায়, ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

স্বাস্থ্য সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজ কল্যাণ সচিবকে এ নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। নোটিশে তাদের তিন দিনের মধ্যে সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে মাতৃগর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা-লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ করতে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়।

মাতৃগর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা সম্পর্কে এর আগেই আইনে নিষেধ করা হয়। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে এটি তাদের নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে।

;

চিকিৎসকদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিবন্ধিত সকল চিকিৎসককে আগামী ৩১ জানুয়ারি মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দেওয়া নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)।

নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিএমডিসির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এতদ্বারা বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল হতে মেডিকেল চিকিৎসক/ডেন্টাল চিকিৎসক হিসেবে চূড়ান্ত নিবন্ধন প্রাপ্ত সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সূত্রোক্ত পত্রের মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬৪ অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ (Proof of Submission of Return or PSR) দাখিলের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

‘বর্ণিত অবস্থায়, চূড়ান্ত নিবন্ধন প্রাপ্ত (Full Registered) মেডিকেল চিকিৎসক/ডেন্টাল চিকিৎসকগণকে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বিএমএন্ডডিসি অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে লগইন করে ডকুমেন্টসমূহ আপলোড করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো’।

;