ট্রিপ টু শ্রীলঙ্কা-২: সিগিরিয়া



আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল
ড্রোন শটে সিগিরিয়া রক। ছবি: আজিম খান রনি

ড্রোন শটে সিগিরিয়া রক। ছবি: আজিম খান রনি

  • Font increase
  • Font Decrease

দিনের দ্বিতীয় প্রহরে আমরা সিগিরিয়া পাহাড়ের পাদদেশে পৌঁছুলাম। এই সকালেই মাথার ওপর কাঠফাটা রোদ। ভ্যাপসা গরমে শরীর ঘেমে একাকার। বনের ফাঁকে রাস্তা। পাহাড়ের দিকে এগুনো শুরু করতেই গাইড সুদেশ থামতে বললেন। দুপাশের খাল দেখিয়ে বললেন, এই খাল হ্রদের সঙ্গে সংযুক্ত। আমরা যে পাহাড়ে চড়তে যাচ্ছি, তার পাদদেশের বাগানে এই খাল থেকে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা আছে। এই খাল অন্যতম সেরা নগর পরিকল্পনার নমুনা।

সিগিরিয়া রকের পথে বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স এসোসিয়েশন দল। ছবি: জাকারিয়া মন্ডল

সিগিরিয়া রক কম্পাউন্ডে প্রবেশমূল্য ৩০ মার্কিন ডলার। তবে শ্রীলঙ্কানদের জন্য মাত্র ৫০ শ্রীলঙ্কান রুপি। আর সার্কভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশিদের দিতে হয় চার হাজার রুপি। আমরা অবশ্য শ্রীলঙ্কান সরকারের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বিনা পয়সায় ঢোকার সুযোগ পাই। শ্রীলঙ্কায় ঘুরতে আসা বাংলাদেশি সলো ট্রাভেলার ওয়ার্দা সাইয়েদার সঙ্গে সিগিরিয়ায় ঢোকার মুখে দেখা হয়ে যায়।

লায়ন রকে সিংহের থাবা। ছবি: আবির আবদুল্লাহ

একটু পরই সুদেশের কথার সত্যতা পাই। পাহাড়ের পাদদেশে পরিখা বেষ্টিত সুন্দর বাগান। ১৯৮২ সালে দুর্গ পাহাড়টিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিদিন দেড় থেকে দুহাজার পর‌্যটক এ পাহাড় দেখতে আসে। এ পাহাড়ের সিঁড়িগুলো অনেকটাই খাড়া। ১২০০ পাহাড়ি সিঁড়ি বেয়ে তবেই ওঠা যাবে পাহাড়ি দুর্গের ২০০ মিটার উঁচু চূড়ায়। তাই চূড়ায় উঠতে হলে শারীরিকভাবে সক্ষম হতে হবে। সময় লাগবে পৌনে এক থেকে এক ঘণ্টা।

পাহাড়টির মাঝামাঝিতে একটি চত্বর। সেখানে চূড়ায় ওঠার সিংহ দরোজা। সিংহের থাবা দুটি এখনও স্পষ্ট। তবে দুঃখজনক হলো, পাহাড়ের চূড়ায় সিংহের মাথাটি আর বুঝা যায় না। পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা সিঁড়ি বেয়ে চূড়ায় ওঠার ব্যবস্থা। উপর থেকে চারিদিকে যতো দূর চোখ যায়, শুধু সবুজ আর সবুজ।

ড্রোন শটে সিগিরিয়া রকের টপ ভিউ। ছবি: আজিম খান রনি

কিংবদন্তির কাহিনীতে, রাজা কাশ্যপ সিগিরিয়াকে শ্রীলঙ্কার রাজধানী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। তার পিতা রাজা ধাতুসেনাকে হত্যার পর তিনি পাথরের ওপর একটি বাগান এবং একটি অপ্রতিরোধ্য প্রাসাদ তৈরি করেছিলেন। রাজা কাশ্যপের মৃত্যুর পর রাজধানী ও রাজপ্রাসাদ পরিত্যক্ত হয় এবং চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত এটি একটি বৌদ্ধমঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সিগিরিয়া রকের চূড়ায় এক ট্যুরিস্ট। ছবি: আবির আবদুল্লাহ

রাজা কাশ্যপ একটি আয়নাপ্রাচীর তৈরি করেছিলেন, যা এতটাই পলিশ করা হয়েছিল যে, তিনি হাঁটার সময় এতে তার প্রতিফলন দেখতে পেতেন। সেই আয়না প্রাচীরের উপরে যে গুহাটা রয়েছে, সেখানে অনেক নারীর ছবি আঁকা। নিচের আয়না প্রাচীরে ওসব নারীর ছবি প্রতিফলিত হতো। রাজা সে অনুযায়ী সঙ্গী বেছে নিতেন। গুহার দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতিতে সিংহলি ভাষা ও লিপির বিকাশ ঐতিহাসিকদের কাছে অত্যন্ত আগ্রহের বিষয়।

বলা হয়ে থাকে, সিগিরিয়া একটি প্রাচীন পাথরের দুর্গ। এই মেগালিথিক শিলাটি একটি বিলুপ্ত আগ্নেয়গিরির রেখে যাওয়া শক্ত ম্যাগমা প্লেট দ্বারা গঠিত।

সিগিরিয়া রকে ওঠার পথে একটু জিরিয়ে নিচ্ছেন লেখক। ছবি: জাকারিয়া মন্ডল

সিগিরিয়া বা লায়ন বক কলম্বো থেকে তিন ঘণ্টার পথ। বিশাল স্মৃতিস্তম্ভটি খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দির।

সিগিরিয়া শ্রীলঙ্কার শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে বছরের অধিকাংশ সময়ই গরম থাকে। তাই পর্যটকদের সব সময় পানি সঙ্গে রাখা উচিত। আর বিকেলের দিকে যেতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

সিগিরিয়া রকে ওঠার সিঁড়ির একাংশ। ছবি: আবির আবদুল্লাহ

সিগিরিয়ার আশেপাশে পামগাছের সারিবদ্ধ রাস্তা, জঙ্গলে ছাওয়া সমতলভূমি, লাল পাথরের চূড়া, চকচকে নীল হ্রদ ও বুনোর হাতির পাল অন্যতম আকর্ষণ। এখান থেকে ডাম্বুলা শহর খুব বেশী দূরে নয়। রাতযাপনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও মানের হোটেল। পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর হোটেল হেরিটেজ কান্ডালামাও সিগিরিয়ার কাছে।

আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল: সভাপতি, বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স এসোসিয়েশন

   

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

  • Font increase
  • Font Decrease

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘটে নানা ঘটনা। বছর পার হয়ে গেলেও, সেসব স্মৃতি রয়ে যায় অমলিন। বছর পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই তারিখগুলো তার ইতিহাসের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে বার বার। আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ইতিহাসের পাতা স্মৃতিচারণ করলে পাওয়া যায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা। চলুন তবে আজ জেনে নিই, না জানা অনেক কিছু।

১৯৫৫ সালে এই দিনে যুক্তরাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তুষারপাতের ফলে ৩০ ফুট মোটা স্তর পড়ে এবং ৭০টির বেশি রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইদিন অতিরিক্ত কম তাপমাত্রার কারণে হাজার হাজার ভেড়া মারা গিয়েছিল।

কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকতা ছেড়ে ব্রিটেনের রাজ পরিবারে লেডি ডায়ানার প্রবেশের পথ প্রশস্ত হয়েছিল এই দিনেই। ১৯৮১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানার বাগদান সম্পন্ন হয়। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এই বিয়ে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে সাড়া জাগানো বিয়ের অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

২০২২ সালের এই দিনে রাশিয়ার বর্তমান নেতা ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে একটি ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধ দ্বিতীয় বছর পেরিয়ে তিনে, সহসাই এ যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। দিন দিন সংকট আরও জটিল হওয়ায় ক্লান্ত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন ইউক্রেনের নাগরিকরা।

৮ম পোপ গ্রেগরি ১৫৮২ সালে আজকের তারিখে দিন গণনার নতুন পদ্ধতি ঘোষণা করেছিলেন। সেই দিনপঞ্জিকা ‘গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার’ নামে পরিচিত ছিল।

১৭৩৯ সালে কার্নালের যুদ্ধে ইরানের শাসক নাদির শাহের সেনাবাহিনী ভারতের মুঘল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

;

৪ মাসের শিশুর বিশ্ব রেকর্ড



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনটা পাখি, কোনটা বই! শাকসবজি, ছবি-নবকজাতকদের বুদ্ধিমত্তায় এসব চিহ্নিত করা দুষ্কর ব্যাপার। সাধারণত দেড়-দু’বছর বয়েসে শিশুরা এসব আলাদা করতে শুরু করে।

মাত্র ৪ মাস বয়স। এসময় শিশুরা সাধারণত বুকের ওপর ভর দেওয়া শিখতে শুরু করে। শারীরিক অসুবিধা হলে কান্না করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করতে সামর্থ্য হওয়ার কথা নয়! প্রতিদিন দেখা পারিবারিক সদস্যদের চিনতেও অনেক শিশু হিমশিম খায়। সেই বয়সেইসর্বোচ্চ জিনিস চিহ্নিত করতে পারার বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করা, যেন অবিশ্বাস্য ব্যাপার!   

২-৪ টি নয়, পুরো ১২০টির বেশি চিহ্নিত করে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেসের সনদ অর্জন করেছে ৪ মাস বয়সী শিশু। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নাদিগামা শহরে জন্ম হয়েছিল সেই শিশুর। তার নাম কৈবল্য। তার মা হেমার নজরেই প্রথম মেয়ের প্রতিভা ধরা পড়ে এবং তিনি তা প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

একটি ভিডিওতে শিশু কন্যার বিভিন্ন বস্তু চিনতে পারার একটি ভিডিও করে তিনি কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। যা দেখে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দলের সকল অবাক হয়ে যায়। তারপর তারা শিশু কৈবল্যের প্রতিভা পরীক্ষা করে এবং তাকে যোগ্য মনে করে স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়।

কৈবল্যের বাবা মা এতে অনেক বেশি আনন্দিত। মেয়ের জন্য তারা সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। সকলের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।   

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

;

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালেন্ডারে সালের সংখ্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটলেও প্রতি বছর ঘুরে ফিরে আসে একই তারিখ! ইতিহাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনাও, প্রতি বছরের সাথে ঘুরে ঘুরে স্মরণ করে মানুষ। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক,  বিশ্বের ইতিহাসে আজকের দিনে কি হয়েছিল।

১৯৫২ সালে ভিত্তি স্থাপন করার পর নানা পরিবর্তনের পর বর্তমানে শহীদ মিনার  

এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাঠে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দিতে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। ছাত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাত্র একদিন পরই গর্ব শহীদ মিনার মাথা তুলে দাঁড়ায়। যা এখন বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। রাতারাতি তৈরি হওয়া শহীদ মিনারের সাথেই স্থায়ীভাবে বাঙালির ঐতিহ্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে শুরু করে।

জাপান মেরিন বাহিনীকে হারিয়ে মার্কিন সেনাদের বিজয় উল্লাস

১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইয়ো জিমার উপর পতাকা উত্তোলন করে। অবতরণের ৪ দিন পর মার্কিন সেনারা জাপানের আগ্নেয়গিরি এই দ্বীপটি দখল করে নেয়। জাপানের সৈন্যরা আমৃত্যু চেষ্টা করেও তাদের রুখতে পারেননি। রাজধানী টোকিও থেকে ৬৫০ মাইল দূরের এই দ্বীপটি পরবর্তীতে জাপানের উপর বোমা হামলা করার সময় ব্যবহার করা হয়।

ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের হাইজ্যাক করা প্লেন

টানা দুই দিন ভারতের আকাশে ১৭২ জন বন্দী করে রাখার পর, লুফথানসায় যাত্রীদের মুক্ত করে ফিলিস্তিনের সন্ত্রাসী দল। ১৯৭২ সালের এইদিনে আত্মসমর্পণ করে সেই সন্ত্রাসীরা। ৫শ মিলিয়ন ইউএস ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে ‘পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ ফিলিস্তিন’ দলের সদস্যরা যাত্রীদের মুক্তি দেয়।

স্পেনে বিদ্রোহী বাহিনীর দখল

স্পেনে এইদিনে ১৯৮১ সালে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর দখলদারিত্ব শুরু হয়। নতুন সরকার গঠন বিতর্কের জের ধরে ৩৫০ জন এমপিকে বন্দী করে নেয় তারা।
ইতিহাসের বয়ে চলা স্রোতের টানে কেবল পুরানো সব গল্প ভাসিয়ে আনে। দিন বয়ে যায়, প্রতিদিনের সেসব গল্প বছর ঘুরে ঘুরে বার বার ফিরে আসে। 

;

বসন্তের বিকেলে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী!



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগুন রাঙা পলাশ-শিমুল আর কোকিলের ডাক। বসন্তের বৈশিষ্ট্য বলতে তো এই-ই! বসন্তের আবহাওয়া মানেই হিমেল হাওয়ার প্রকোপ শিথিল হওয়া আর আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। কিন্তু প্রচলিত বৈশিষ্ট্যের প্রথা ভেঙে বসন্তের আকাশে ভিড় জমিয়েছে কালো মেঘ। ঝকঝকে সূর্য যেন আড়ালে লুকিয়ে দেখছে প্রকৃতির ভিন্ন রূপের লীলাখেলা।

বসন্তের বিকেলে নামা ঝুম বৃষ্টিতে রাজধানীর পিচ ঢালা রাস্তা ভিজে উঠলো। সাধারণত যা দেখা যায় বৈশাখে। যখন আসে কাল বৈশাখী ঝড়।

২০২৪ সালের শুরু থেকেই অপ্রকৃত প্রাকৃতিক রূপ যেন জানান দিচ্ছে পুরো বছর জুড়েই প্রকৃতি থাকবে বৈরী। স্বাভাবিক নয়, অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সাথে আপোস করতে হবে বছর জুড়ে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর শীত ছিল তুলনামূলক বেশি। প্রায় প্রতিবছরই শীতে কয়েকদিন শ্বৈতপ্রবাহ হয় । তবে ২০২৪ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছিল। বছরের প্রথম দিকেই আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দেয় এই বছর প্রচণ্ড গরম পড়বে। এলনিনোর প্রভাবে এবছরের বৈশ্বিক তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে। যদিও শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা সম্ভব নয়। তবে সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বছরের প্রথম মাসের কড়া শীতের মাঝেই আকাশ থেকে নেমে আসে জলের ধারা। শীতকালে বৃষ্টি দেখে অবাক বনে যায় সবাই। এবার বসন্তেও বৃষ্টিস্নাত হলো প্রকৃতি।

কালবৈশাখী আসতে এখনো ঢের দেরী। গ্রীষ্ম দূরে থাক, মাত্র তো বসন্ত এলো। বসন্ত আসার এক সপ্তাহের মাথায় এই বৃষ্টির আগমন সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। অবুঝ শিশুরা মনের আনন্দে প্রথম বৃষ্টিতে আনন্দ করছে।

অন্যদিকে, প্রকৃতি মাতার এই অপরিচিত রূপও অনেকের মনে আশঙ্কা ও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে।

;