মম’র চোখে নিজের সেরা ৫ চরিত্র



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন, ছবি : নূর এ আলম

জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন, ছবি : নূর এ আলম

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে তারকারা নানা চরিত্র হয়ে হাজির হন পর্দায়। চরিত্রগুলো কখনো দর্শকে হাসায়, কখনো কাঁদায়, কখনো বিষণ্ন করে আবার কখনো ভাবনার জগতে নিয়ে যায়। এতো এতো চরিত্রের ভিড়ে তারকার কাছে তার অভিনীত সেরা চরিত্র কোনগুলো, তা নিয়ে বার্তা২৪.কমের নতুন বিভাগ ‘তারকার সেরা ৫ চরিত্র’। এ বিভাগের আজকের তারকা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ


আপনার অভিনীত সেরা ৫টি চরিত্র নিয়ে কথা বলতে চাই...


শিল্পী হয়ে নিজেই নিজের সেরা কাজগুলো নিয়ে বলাটা কঠিন। কারণ সবকটি কাজই তো সর্বোচ্চ অনেস্টি দিয়ে করার চেষ্টা করে থাকি। তারপরও নিজের ভালোলাগা তো বটেই, সেই সঙ্গে দর্শক ও সমালোচকপ্রিয়তার কথা বিবেচনা করে ৫টি চরিত্রের কথা বলছি...

জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন আফরিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন মেকওভার, ছবি : নূর এ আলম

‘দারুচিনি দ্বীপ’-এর জরী


অনেকেই হয়তো জানেন, লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমা দিয়ে আমার পেশাগত অভিনয়জীবন শুরু। হুমায়ূন আহমেদের মতো কথাসাহিত্যিকের গল্প, তৌকীর আহমেদের মতো অভিনেতার নির্মাণ এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় ছিল ছবিটি। সবমিলিয়ে আমার শুরুটা দারুণ হয়েছিল বলতেই হয়। এই ছবির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র ‘জরী’। সেই চরিত্রে আমি অভিনয় করি। একে তো প্রথম যে কোন কিছুর প্রতি মানুষের আলাদা দুর্বলতা থাকে। তারওপর জরি চরিত্রটি সত্যিই অনবদ্য। একজন তরুণী, যে আবার চোখে দেখে না তার জীবনযাপন, সংগ্রাম, সমাজে অ্যাকসেপ্টেন্স-এর কথা বলা হয় চরিত্রটিতে। শুরুতেই বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি চরিত্র করার সুযোগ পেয়েছিলাম। ছবিটি মুক্তির পর সবার কাছ থেকে দারুণ সাড়া পাই। প্রথম ছবির জন্য আমি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও পাই। সবমিলিয়ে ‘দারুচিনি দ্বীপ’-এর জরি আমার প্রথম পছন্দের চরিত্র।

জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন আফরিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন মেকওভার, ছবি : নূর এ আলম

‘ছুঁয়ে দিলে মন’-এর নীলা


‘ছুঁয়ে দিলে মন’-এর নীলাও আমার খুব প্রাণের কাছের একটি চরিত্র। শুধু এজন্য না যে সিনেমাটি একইসঙ্গে সুপারহিট এবং সমালোচকপ্রিয়। এই চরিত্রটি আমার চোখের সামনে তৈরী করেছিলেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। ফলে আমি চরিত্রটির মধ্যে ঢুকে গিয়েছিলাম শুরু থেকেই। এরপর নিজের মধ্যে তা লালন করেছি দীর্ঘদিন। এই চরিত্রে আমি শুধু অভিনয়ই করিনি, এর পুরো লুক কেমন হবে, কি ধরনের সাজ পোশাক হবে সবটাই আমার আইডিয়া ছিল। ফলে এই চরিত্রটির প্রতি আমার দুর্বলতা অণ্যরকম। রোমান্টিক গল্পের ছবি ‘ছুঁয়ে দিলে মন’। আমার আর আরিফিন শুভ’র রোমান্টিক রসায়ন দর্শক খুব পছন্দ করে। তার বাইরেও যে নায়িকা চরিত্রটি আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে স্বকীয় হতে পারে সেটি নীলা চরিত্রটি দেখলে বোঝা যায়। এই চরিত্রটি করে আমি মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারের দর্শক জরিপ এবং সমালোচক- দুই শাখাতেই সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাই।

জাকিয়া বারী মম / মেকাপ : শোভন মেকওভার, ছবি : নূর এ আলম

‘আলতা বানু’র আলতা


‘আলতা বানু’ আমার সাম্প্রতিক কাজ। এটি একটি নারীকেন্দ্রীক সিনেমা। অরুণ চৌধুরীর পরিচালনায় এই ছবিটিও প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মস। এখানে আমি নাম ভূমিকায় অভিনয় করি। একটি আটপৌরে মেয়ের জীবন সংগ্রামের গল্প ‘আলতা বানু’। চরিত্রটিতে অনেক বাঁক ছিল। তাই কাজটি করে আনন্দ পেয়েছি। মুক্তির পর যে সব দর্শক গল্পনির্ভর ছবি দেখতে পছন্দ করেন তারা আমাকে দারুণ ফিডব্যক দিয়েছিলেন।

আমার অভিনীত চলচ্চিত্রের সংখ্যা তো খুব বেশি নয়। তারমধ্যে এই তিনটি চরিত্র বেশি পছন্দ। এছাড়া ‘স্ফূলিঙ্গ’ নামে তৌকীর আহমেদের আরেকটি ছবি করেছিলাম সরকারি অনুদানের। সেখানেও উচ্চবিত্ত পরিবারের ড্রাগ অ্যাডিক্টেড একটি মেয়ের চরিত্র করেছিলাম। সেটিও আমার বেশ ভালো লেগেছিল।

জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন আফরিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন মেকওভার, ছবি : নূর এ আলম

‘ফুলমতি’ নাটকের ফুলমতি


নাটকেই তো সবচেয়ে বেশি অভিনয় করা হয়েছে। তারমধ্যে অনেক চরিত্র আছে খুব প্রিয়। তবে একটি চরিত্র বাছতে বলা হলে সুমন আনোয়ারের গ্রামীণ পটভূমির নাটক ‘ফুলমতি’র কথা বলব। এখানেও আমি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলাম। আফরান নিশো একটি ছোট্ট চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছিলেন। গ্রামীণ সমাজে একটি দরিদ্র মেয়ে নিজের সম্মান নিয়ে বাঁচতে কি ধরনের ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে তার জীবন্ত চিত্র তুলে ধরেছিলেন সুমন আনোয়ার। চরিত্রটিতে অভিনয়ের অনেক জায়গা ছিল। আমি চেষ্টা করেছিলাম ফুলমতির গহনের জ্বালা পর্দায় মূর্ত করতে। নাটকটি প্রচারের পর ভীষণ সাড়া পেয়েছিলাম সব শ্রেণীর দর্শকের কাছ থেকে।

দর্শক অবশ্য আমার নাটকের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দ করেছে শিহাব শাহীনেরই পরিচালনায় ‘নীলপরী নীলাঞ্জনা’র নীলাঞ্জনা চরিত্রটি। তাহসান খানের সঙ্গে এই রোমান্টিক কাজের কথা এখনো দর্শক আমাকে বলে থাকে।

জাকিয়া বারী মম / পোশাক : হুর বাই সৌমিন আফরিন, গয়না : গয়নার মেলা, মেকাপ : শোভন মেকওভার, ছবি : নূর এ আলম

ওয়েব সিরিজ ‘অগোচরা’র হিন্দু বাড়ির বউ


সম্প্রতি ওয়েবেই পছন্দের কাজগুলো করা হচ্ছে। এরমধ্যে একটি চরিত্র বাছতে বললে বিঞ্জের ‘অগোচরা’ ওয়েব সিরিজের চরিত্রটির কথা বলব। জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর এক ভিন্ন রকম গল্প নিয়ে ওয়েব সিরিজটি পরিচালনা করেছেন সিদ্দিক আহমেদ। প্রযোজনা করেছেন হাসিবুল হাসান তানিম। পুরান ঢাকার আন্ডাওয়ার্ল্ডের গল্প নিয়ে নির্মিত। এ ধরনের গল্পে নারী চরিত্রের খুব একটা কাজ থাকে না। তবে আমাকে প্রধান নারী চরিত্রটি করতে দেওয়া হয়েছিল, যে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জল। এখানে আমি একটি হিন্দু ঘরের বউ। তবে এই বিভীষিকাময় পরিস্থিতি থেকে সে স্বাধীনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। চরিত্রটিতে গ্রে শেড রয়েছে। তাই কাজটি করে মজা পেয়েছি।

   

সোনাক্ষির বিয়ে, কিছুই জানতেন না বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জহির ইকবাল, সোনাক্ষি সিনহা, শত্রুঘ্ন সিনহা

জহির ইকবাল, সোনাক্ষি সিনহা, শত্রুঘ্ন সিনহা

  • Font increase
  • Font Decrease

আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, তারপরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন সম্প্রতি হীরামান্ডিতে অভিনয় করে প্রশংসিত সোনাক্ষী সিনহা। ২৩ জুন প্রেমিক জহির ইকবালের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন তিনি। তবে, বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই নানা কারণে তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে হবু নববধূকে।

একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার কন্যা সোনাক্ষি। বাবার পথ ধরেই বলিউডে পদার্পণ তার। ভক্তদের নানান সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। সম্প্রতি সঞ্জয় লীলার প্রথম ওয়েব সিরিজে ফারিদা চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতির চূড়ান্তে পৌঁছেছেন তিনি। সেই আলোচনার মুহূর্তেই আবার আরেক বিস্ফোরক ঘোষণা দিয়ে ফেলেন তিনি। সবাইকে চমকে দিয়ে বিয়ে করার ঘোষণা দিয়ে ফেলেন সোনাক্ষি। ভারতীয় গণমাধ্যম গুলোর তথ্য অনুসারে জুনের ২৩ তারিখ কোর্ট ম্যারেজ করবেন এই হবু দম্পতি।

জহির ইকবাল, সোনাক্ষি সিনহা

সোনাক্ষির বিয়ের খবর শুনে অনেকেই চমকে গেছেন। তবে এরপর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক তথ্য আসে যে, শত্রুঘ্ন সিনহা নাকি নিজেই মেয়ের বিয়ের সম্পর্কে কিছু জানতেন না। মেয়ের বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা সম্পর্কে নাকি তিনি অবগত ছিলেন না। সোনাক্ষির ভাই লব সিনহা এই বিয়ের ব্যাপারে  কোনো মন্তবয্ই করেন নি। বরং, এসব ব্যাপারে তার কোনো সম্পৃক্তত নেই- এমন মন্তব্য করে তিনি ব্যাপারটা এড়িয়ে যান।

সোনাক্ষির এরকম কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্তের তথ্য সামনে আসার পর বলিউড জুড়ে রোষের মুখে পড়ছেন তিনি। শত্রুঘ্নর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন অনেকে।

কথিত আছে, সালমান খানের এক পার্টিতে গিয়ে পরিচয় হয়েছিল সোনাক্ষি- জহিরের। কিছুদিন বাদেই বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে জড়ান তারা। বছরখানিক ধরে লিভইনেও ছিলেন। এখন সম্পর্কটিকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ব্যস্ত রয়েছেন তারা।    

;

ঈদে প্রেক্ষাগৃহে কেমন চলছে ৫ সিনেমা?



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঈদে প্রেক্ষাগৃহে কেমন চলছে ৫ সিনেমা?

ঈদে প্রেক্ষাগৃহে কেমন চলছে ৫ সিনেমা?

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে ঢাকাই সিনেমা ঈদকেন্দ্রিক হওয়ায় দুই ঈদে সিনেমা মুক্তি নিয়ে একটা প্রতিযোগিতা লেগে থাকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর। সেই ধারাবাহিকতায় এবারেএ ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে সর্বমোট পাঁচটি সিনেমা।

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার মধ্যে সর্বাধিক ১২৩টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘তুফান’। যেগুলো হচ্ছে 'তুফান', 'ময়ূরাক্ষী', 'রিভেঞ্জ', 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড' ও 'আগন্তুক'।

এরমধ্যে সর্বোচ্চ হল পেয়েছে শাকিবের ‘তুফান’। সিনেমাটি ১২৩ হলে মুক্তি পেয়েছে। রিভেঞ্জ' সিনেমাটি দেশের ১৫টি সিনেমাহলে মুক্তি পেয়েছে। 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড' সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে দেশের ১২ টি প্রেক্ষাগৃহে। আগন্তুক' সিনেমাটি মোট ৫টি হলে মুক্তি পেয়েছে। ময়ূরাক্ষী সিনেমাটি দুইটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।

তুফান

ঈদুল আজহার অন্যতম সিনেমা 'তুফান'। রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমাটি প্রথম থেকেই আলোচনার শীর্ষে রয়েছে ৷ যার প্রধান কারণ শাকিব খান। 'তুফান' সিনেমায় শাকিবের প্রথম লুক পোস্টার প্রকাশের পরই ভক্তরা নড়েচড়ে বসেছিলেন।‘তুফানে’র টিকিট না পেয়ে মধুমিতা হলে ভাঙচুর।নির্মাতা থেকে জানা যায়, ৪৭টি পুরো হাউজফুল। এছাড়াও সিলেটে নন্দিতা হলে বন্যার মধ্যেও দর্শক ছবি দেখছেন এবং শো হাইউফুল।২০ বছরের সব রেকর্ড ব্রেক করে ‘তুফান’ সিনেপ্লেক্সে সর্বোচ্চ ৪৭ শো পেয়েছে। প্রতিনিয়ত শো বেড়ে যাচ্ছে। মাত্র দুদিনে দর্শকদের যে চাপ আমরা অনুভব করি দু-চারদিনের মধ্যে শো সংখ্যা কতো পৌঁছায় তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এর আগে কোনো বাংলা সিনেমা এতগুলো শো পায়নি। এক্ষেত্রে ‘তুফান’ দর্শকদের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

রিভেঞ্জ

শবনম বুবলি ও রোশান অভিনীত 'রিভেঞ্জ' সিনেমাটি দেশের ১৫টি সিনেমাহলে মুক্তি পেয়েছে। এমডি ইকবাল পরিচালিত এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, মিশা সওদাগর ও সীমান্তসহ আরও অনেকে।সিনেপ্লেক্স গুলো জানা যায় বুবলির সিনেমা যেহেতু তাই বেশ অনেকে দর্শক টিকিট নিচ্ছে। তবে তুফান সিনেমার দেখা দর্শক আগ্রহীরা অনেক বেশি।

ময়ূরাক্ষী

রাশিদ পলাশ পরিচালিত 'ময়ূরাক্ষী' সিনেমায় অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি ও সুদীপ বিশ্বাস দীপ। সিনেমাটি দুইটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। রাজধানীর সীমান্ত সম্ভারের স্টার সিনেপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টারে দেখা যাচ্ছে ছবিটি।

সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, সুমিত সেনগুপ্ত, ফারজানা ছবি, সমু চৌধুরী, দীপক সুমন, প্রণব ঘোষ, সাবিনা পুঁথি, ফারুক, মুহিন খান, মানিক শাহ, জুলফিকার চঞ্চল, রুদ্র হক, মিতুল, কস্তূরী চৌধুরী। সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন জাহিদ নিরব। গান গেয়েছেন মুহিন খান, পূর্ণতা, তরসা, জাহিদ নিরব ও শাকিলা সাকি, নাদিম ভুঁইয়া।

আগন্তুক

পূজা চেরি অভিনীত 'আগন্তুক' সিনেমাটি মোট ৫টি হলে মুক্তি পেয়েছে। সুমন ধর পরিচালিত সিনেমাটি শুধু মাল্টিপ্লেক্সেই দেখা যাবে। পূজা চেরি ও শ্যামল মাওলা ছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মিলি বাশার, মাসুম বাশার, হিন্দোল রায়, শিখা খান মৌ, আনোয়া শাহী, শাহেদ আলী সুজন। এর ডিজিটাল পার্টনার টাইগার মিডিয়া।

ডার্ক ওয়ার্ল্ড

ঈদুল আজহায় মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত 'ডার্ক ওয়ার্ল্ড' সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। দেশের ১২ টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুন্না খান, কলকাতার কৌশানি মুখার্জি, দীপা খন্দকার, মিশা সওদাগর, বড়দা মিঠু, শিমুল খান, মারুফ আকিব, ডনসহ অনেকেই।

;

দুবাইতে রয়েছে স্ত্রী ও ১৭ বছরের সন্তান, যা বললেন সালমান খান



বিনোদন ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডের ভাইজান খ্যাত সালমান খানের বয়সের ঘরে যোগ হয়েছে ৫৬ বছর। যাকে বলা হয় বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর। কয়েকদিন আগেই ৫৭-তে পা দিয়েছেন বলিউডের এই সুপারস্টার। এখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি ভাইজান। এ অভিনেতার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন, আলোচনা বছরের পর বছর ধরে চলছেই। কিন্তু সব কিছুকে পাশ কাটিয়ে সাল্লু কেবল কাজেই ব্যস্ত আছেন।

বিয়ে নিয়ে সালমান সাধারণত কোনো মন্তব্য করেন না। তবে এ বিষয়ে সম্প্রতি মুখ খুললেন বলিউড ভাইজান। জবাব দিলেন তার সম্পর্কে উঠে আসা একটি গুঞ্জনের।

ঝুম বাংলা ডট কম নিউজের তথ্য অনুসারে, বিয়ে না করলেও সালমান খান এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রেম করেছেন। তার প্রেমিকার তালিকায় রয়েছেন সংগীতা বিজলানি, ঐশ্বরিয়া রাই, ক্যাটরিনা কাইফ, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ও ইউলিয়া ভান্টুর। কিন্তু কারো সঙ্গেই সম্পর্কের পরিণতি দেননি তিনি।

সম্প্রতি সালমান তার ভাই আরবাজ খানের টক শো ‘পিঞ্চ’-এর একটি পর্বে অংশ নেন। সেই বিশেষ পর্বটি প্রচারে আসে ঈদের দিন। এখানকার একটি সেগমেন্ট হলো, সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো। এতে একজন নেটিজেনের মন্তব্য উত্থাপন করেন আরবাজ।

সেটা ছিল এমন- ‘কোথায় লুকিয়ে আছো ভীতু? ভারতের সবাই জানে যে, তুমি দুবাইতে নিজের স্ত্রী নূর এবং ১৭ বছরের সন্তানের সঙ্গে আছো। ভারতের মানুষকে কত দিন মুর্খ বানিয়ে রাখবে?’

এই প্রশ্নটা শুনে সালমান জানতে চান, ‘এটা কার উদ্দেশ্যে বলেছে?’ আরবাজ জানান, এটা সালমানকে নিয়েই লেখা। তখন জবাব দেন সালমান খান বলেন, এসব মানুষ খুবই জ্ঞানী! একদম বাজে কথা এটা। আমি জানি না, এগুলো কে বলেছে বা কোথায় লেখা হয়েছে, তারা কী মনে করে এইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমি তাদের গুরুত্ব দেব? ভাই, আমার কোনও বউ নেই। আমি ভারতেই থাকি, আর গোটা ভারত জানে আমি কোথায় থাকি। সেই ৯ বছর বয়স থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। আমি এইসব লোকজনের প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না।’

;

২০ বছরের টিকিট বিক্রির রেকর্ড ভাঙলো তুফান সিনেমা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুধু সিনেপ্লেক্সে সপ্তাহের পর সপ্তাহ চালিয়ে কিছু কিছু ছবি লগ্নী তুলে ফেলেছে। তাই ছবি মুক্তিতে এখন সিনেপ্লেক্স টার্গেট করেন সংশ্লিষ্টরা! আর প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত ২০ বছর ধরে মানসম্মত বাংলাদেশি সিনেমা প্রদর্শন করে আসছে দেশের সর্বাধুনিক সিনে থিয়েটার স্টার সিনেপ্লেক্স। ফলে সিনেপ্লেক্স বাংলা সিনেমার জন্য হয়ে উঠেছে একটি বিশেষ ঘটনা!

নতুন বিষয় হলো, ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া পাঁচটি ছবির মধ্যে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘তুফান’ এক চেটিয়া ব্যবসা করছে! শুধু তাই নয়, এ ছবির মাধ্যমে সিনেপ্লেক্সের ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির স্থাপন করলো বাংলাদেশি সিনেমা! সর্বোচ্চ শো ও দর্শক চাহিদা আকাশচুম্বী থাকায় বাংলা ছবির অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে শাকিব খান অভিনীত এই ছবি!

ঈদের দ্বিতীয়দিন দুপুরে স্টার সিনেপ্লেক্সের জৈষ্ঠ্য বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০ বছরের সব রেকর্ড ব্রেক করে ‘তুফান’ সিনেপ্লেক্সে সর্বোচ্চ ৪৭ শো পেয়েছে। প্রতিনিয়ত শো বেড়ে যাচ্ছে। মাত্র দুদিনে দর্শকদের যে চাপ আমরা অনুভব করি দু-চারদিনের মধ্যে শো সংখ্যা কতো পৌঁছায় তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এর আগে কোনো বাংলা সিনেমা এতগুলো শো পায়নি। এক্ষেত্রে ‘তুফান’ দর্শকদের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিনেপ্লেক্সে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫২টি শো চলেছিল ‘স্পাইডারম্যান’ এর। এরপরের অবস্থানে দৈনিক ৪২ শো ছিল শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ এর। বাংলা সিনেমার মধ্যে ‘পরাণ’ এর শো ছিল ৩২টি, সুড়ঙ্গ ৩১টি, হাওয়া ২৬টি, প্রিয়তমা ২১টি করে শো চলেছিল। এবার দৈনিক শো-এর রেকর্ড ভেঙে দিলেন শাকিব খান!

;