‘ক্যাম্পাস’-এর আবেদনময়ী শিক্ষিকা হয়ে ১০০ পর্বে সুষমা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে পাভেল ও সুষমা সরকার

‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে পাভেল ও সুষমা সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেত্রী সুষমা সরকার। বেছে বেছে ভালো গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি অভিনয় শুরু করেন মেধাবী নির্মাতা তুহিন হোসেনের পরিচালনায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক ‘ক্যাম্পাস’-এ। এরইমধ্যে ধারাবাহিকটি সময়ের অন্যতম আলোচিত নাটকের তকমা পেয়েছে।

আজ (১৩ মে) নাটকটি ১০০ পর্ব অতিক্রম করবে। দর্শকের চাহিদার কথা মাথায় রেখে কাস্টিং ও গল্পে আসছে নতুন নতুন চমক। ১০০ পর্বের পর থেকে গল্পের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে যুক্ত হবে সালহা খানম নাদিয়া, সাজু খাদেমসহ আরো অনেকে।

‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে সুষমা সরকার ও রওনক হাসান

নাটকটি ১০০ পর্ব পর্যন্ত পৌঁছানোর আনন্দ উদযাপনের জন্য গত ১১ মে রাতে নাটকের অভিনেতা, অভিনেত্রী ও কলাকুশলীদের নিয়ে এক আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে।

নির্মাতা তুহিন হোসেন জানান, ‘নাটকটি দর্শকমহলে দারুন সাড়া ফেলেছে। গত বছর ১৭ ডিসেম্বর নাটকটি সম্প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে শোবিজসহ সর্বমহলের দর্শকের কাছে নাটকটি আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে।’

পরিচালকের ভাষ্যমতে, ক্যাম্পাসের গল্পটি সর্বশ্রেনীর দর্শককে ভাবাবে। আর সে কারণেই এই গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

শুটিংয়ের ফাঁকে অভিনেতা রওনক হাসান ও নির্মাতা তুহিন হোসেন 

সুষমা সরকার বলেন, ‘আমি ধারাবাহিকে অভিনয় করতে গেলে খুব বাচ-বিচার করি। কারণ ধারাবাহিকে অভিনয় করলে সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন পর্দায় উপস্থিত থাকতে হয়। তা দর্শকের চোখে পড়েই যায় কোন না কোন সময়। কাজটি যদি ভালো না হয় তাহলে সুনাম নষ্ট হওয়ার ভয়ও তাই বেশি। তাছাড়া আজকাল ধারাবাহিক নাটকের ধারাবাহিকতা থাকে না। সেদিক থেকে ‘ক্যাম্পাস’-এ কাজ করাটা আমার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত। নির্মাতা খুব সুন্দরভাবে গল্পটি টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।’

এ ধারাবাহিকে সুষমার চরিত্রটিও বেশ মজার। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন আবেদনময়ী শিক্ষিকার ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। খানিকটা বলিউডের ‘ম্যায় হু না’ সিনেমার সুস্মিতা সেনের চরিত্রের মতো। শিক্ষকরা তো বটেই, ছাত্ররাও তার প্রেমে পাগল। ছাত্রের ভূমিকায় পাভেল আর শিক্ষিকার ভূমিকায় সুষমার রসায়ন পছন্দ করেছে দর্শক।

নাটকটির ১০০ পর্ব উদযাপন অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করছেন সুষমা

নাটকটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক হাসান, চাষী আলম, আহসান হাবিব নাসিম, মিহি আহসান, শিবলী নোমান, নাইমা আলম মাহা, ফরহাদ বাবু ও আরো অনেকে।

নাটকটি চিত্রায়িত হয়েছে রাজাশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী ও ঢাকার বিভিন্ন নয়নাভিরাম স্থানে। নাটকটি রচনা করেছেন আওরঙ্গজেব।

অনন্ত-রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠান যেন বলিউডের 'রিইউনিয়ন'



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের ধুম যেন কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। 

ঐতিহ্যবাহী হিন্দু বৈদিক রীতিনীতি মেনে শুক্রবার (১২ জুলাই) সম্পন্ন হয়েছে আম্বানি পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ে।

অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট/ছবি: রয়টার্স

হাজার হাজার কোটি রুপি হাওয়ায় ওড়ানো এই বিয়ের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে আজ। আম্বানি পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন ব্যবসা, রাজনীতি এবং শিল্প ক্ষেত্রের ভিভিআইপি-রা।

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ও গৌরী/ছবি: রয়টার্স

এ আয়োজনে যোগ দিতে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি শো তারকা কিম কার্দাশিয়ান এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। উপস্থিত হয়েছেন বলিউডের নামি-দামি তারকারা। সবাইকে একত্রে দেখে মনে হচ্ছে, এ যেন বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, বলিউডের 'রিইউনিয়ন'।

টাইগার সালমান/ছবি: এপি

মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা সেন্টার (বিকেসি) এর জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জমকালো এ বিয়ের অনুষ্ঠান। 

গত মার্চ মাস থেকেই বিয়ে উপলক্ষে উৎসব চলছে। আজ বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। সবুজ ঘেঁষা শেরওয়ানি পরেছিলেন তিনি। আর গৌরীর পরনে ছিল সোনালী আনারকলি সালওয়ার। 

ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

অন্যদিকে জমকালো স্যুটে দেখা মিলেছে ‘টাইগার’ সলমন খানের। ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট/ছবি: সংগৃহীত

বিয়েতে নজর কাড়লেন রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট। রণবীর পরেছিলেন অফহোয়াইট কুর্তা। কানে চকচক করছে হীরের দুল। আলিয়া ভাটের পরনে ছিল দুধে আলতা শাড়ি, জরির কাজের পাড়। সঙ্গে মানানসই গহনা। 


সঞ্জয় দত্ত এসেছিলেন নীল কুর্তা আর পাজামা পরে। 


শনিবার (১৩ জুলাই) শুভ আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে উৎসব উদযাপন হবে। আর রোববার (১৪ জুলাই) হবে রিসেপশন পার্টি।

;

সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্ট গ্রহণ করতে প্রস্তুত: ইমি



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শীর্ষ র‌্যাম্প মডেল শাবনাজ সাদিয়া ইমি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। মাঝেমধ্যে নাটকে অভিনয়ও করতে দেখা গেছে তাকে। আজ শবনম ফেরদৌসী পরিচালিত ‘আজব কারখানা’ চলচ্চিত্রে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছে ইমির। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই তারকা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আজ সিনেমা হলে প্রথমবার নিজেকে দেখলেন। অনুভূতি কেমন?


এই অনুভূতি আমি ঠিক বোঝাতে পারবো না! এতো জিনিস একসঙ্গে মাথা আর মনে খেলছে যে ঠিক কোন অনুভূতির কথা বলবো সেটাই বুঝতে পারছি না। আজ আমার বাবা থাকলে হয়তো খুব খুশি হতেন। কারণ তিনি একজন মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তিনি বুঝতেন একজন শিল্পীর প্রথমবার বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা কেমন! আমি দীর্ঘকাল এই দিনটির জন্য অপক্ষো করেছি। আজ একটা স্বপ্ন সত্য হলো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথমদিনে দর্শকের কেমন সাড়া পেলেন?


আজ আমার পরিচিতি-অপরিচিত অনেক দর্শকের সঙ্গে দেখা হয়েছে সিনেমা হলে। যারা দেখতে এসেছেন তারা ভালোটাই বলেছেন। তবে আমি যদি কোন ভুল করি বা আমার কোন খামতি থাকে সেটা শুনতেও প্রস্তুত। কারণ অভিষেক সিনেমাতেই শতভাগ পারফেক্ট হবো না এটা খুব ভালো করেই মাথায় আছে। ফলে সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্টই আমি গ্রহণ করবো। যা ভবিষ্যতে আমার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে মনে করি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

ছবিটি বেশ অল্প সংখ্যক হলে মুক্তি পেয়েছে। এর কারণ কী?


ছবিটি কতো সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছালো কিংবা সিনেমাটি কতোখানি ব্যবসা করলো সেটি আমার কাছে মূখ্য নয়। আমার কাজ ছিলো, নিজের চরিত্রটি সুচারুরূপে ফুটিয়ে তোলা। সেটি একদম না পারলে ডিরেক্টর নিশ্চয়ই শট ওকে করতেন না। আর ব্যবসার দিকটি প্রযোজক-পরিচালকের ডিপার্টমেন্ট। যদিও আমার প্রযোজক-পরিচালক এরইমধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এই ছবি একেবারে সিঙ্গেলস্ক্রিন পূর্ণ হওয়ার মতো ছবি নয়। কারণ প্রতিটি ছবি আলাদা উদ্দেশে নির্মিত হয়। এই ছবিটির উদ্দেশ্যই ছিলো আমাদের বাংলার ফোকগানের সমৃদ্ধ ভাণ্ডারকে সিনেমার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা। সেটি অনেকটাই করতে পেরেছেন নির্মাতারা। ছবিটি এরইমধ্যে ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে, প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাছাড়া নির্মাতা এও বলেছেন যে, এখনই সারাদেশের অনেক বেশি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি দিতে চান না তারা। কারণ এই কাজে যে পরিমাণ লোকবল দরকার তা আপাতত আমাদের নেই।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবি হিসেবে ‘আজব কারখানা’কে বেছে নেওয়ার কারণ কী?


যেহেতু অনেক বছর ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি, তাই এরমধ্যে সিনেমার একেবারেই প্রস্তাব যে পাইনি তাতো নয়! বেশকিছু ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি নানা কারণে। কিছু ছবির গল্প, নির্মাতা কিংবা সহশিল্পী পছন্দ হয়নি বলে করিনি। একটা সময় আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাও যা ছিলো তাতে আমার মতো মানসিকতার মেয়ের ছবি করার সুযোগ ছিলো না। তাছাড়া একটা সময় নিজেকে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুতও মনে করতাম না। কারণ আমার বাবা অভিনয়ের জন্য কি পরিমাণ ডেডিকেটেড ছিলেন সেটা নিজের চোখে দেখেছি। আমিও চাইতাম অভিনয় করতে হলে অবশ্যই একটু শিখে পড়েই আসবো। এজন্য কিছু নাটকে অভিনয় করে এবং নিজস্ব চর্চার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেছি। এরপর আমার কাজ ছিলো একটি ভালো গল্প, ভালো নির্মাতা ও ভালো সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করা। সেটি আমি ‘আজব কারখানা’তেই পেয়েছি। নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী আমাকে আগ্রহ করে ছবিতে নিয়েছেন। সহশিল্পী হিসেবে কলকাতার পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে পাওয়াটাও কম সৌভাগ্যের কথা নয়। সব মিলিয়ে রাজী হওয়া।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবিতে অভিনয়, তাও পরমব্রত’র মতো তারকার সঙ্গে বেশিরভাগ দৃশ্য। কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো?


এক কথায় বলতে গেলে ভালো ছিলো। কারণ অভিনয়টা আরাম করে করার মতো একটি পরিবেশ পেয়েছি। নির্মাতা বেশ ধরে ধরে আমার অংশের কাজটুকু করেছেন। তাছাড়া চরিত্রটিও ছিলো আমার বাস্তব জীবনের সঙ্গে অনেকটাই মিল। এখানে আমি একজন নামকরা মডেলের চরিত্রেই অভিনয় করেছি। এজন্য কাজটি করা আমার জন্য অতো কঠিন ছিলো না। তবে যতোই চেনাজানা চরিত্র করি না কেন, পরমব্রত’র মতো পাকা অভিনেতার সঙ্গে প্রথম সিনেমায় কাজ করতে গেলে কিছুটা ভয় থেকেই যায়। সেটি আমাকে কাটিয়ে উঠতে তিনি বেশ সাহায্য করেছেন। যার ফলে তার সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতেও আমার খুব একটা অসুবিধা হয়নি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আাগামীর কাজের পরিকল্পনা কী?


‘আজব কারখানা’র শুটিং শেষ করেছিলাম কোভিডের আগেই। তখন থেকেই আমি অপেক্ষা করছিলাম এই ছবিতে আমার অভিনয় দর্শক কিভাবে নেয় সেটা দেখার। এই ছবির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই আমার আগামীর অভিনয়ক্যারিয়ার নির্ভর করবে বলে মনে হয়েছে। এজন্য এরমধ্যে আর কোন সিনেমায় কাজ করিনি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে নেয় আমাকে। ভালোভাবে নিলে নিশ্চয়ই ভালো নির্মাতাদের ভালো ভালো ছবিতে কাজের প্রস্তাব পাবো। আর সিনেমার বাইরে মডেলিং তো চলবেই। সম্প্রতি বলিউড তারকা আর্জুন রামপালের সঙ্গে ঢাকাতেই একটা ফ্যাশন শো করলাম। তিনি আমার পছন্দের তারকাদের একজন। সেই অভিজ্ঞতাও মনে রাখার মতো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

;

মায়ের লেখা গল্পে জনপ্রিয় সিরিজের নতুন কিস্তি নিয়ে নুহাশ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

  • Font increase
  • Font Decrease

চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘পেট কাটা ষ’ নির্মাণ করে দারুণ সাড়া ফেলেন এ সময়ের মেধাবী নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। গ্রাম বাংলায় প্রচলিত দেশি ভূতের গল্প নিয়ে সিরিজটি নির্মাণ করেছিলেন নুহাশ। এবার সেই সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই নির্মাতা। সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় হলো, সিরিজটির গল্প লিখেছেন নুহাশের মা কবি গুলতেকিন খান!

প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজের গল্প লিখলেন গুলতেকিন। শৈশবে নুহাশ তারা বাবা হুমায়ূন আহমেদকে (প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক) খুব একটা কাছে পাননি, ফলে মা’ই ছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। মায়ের কাছেই বাংলা, ইংরেজি পড়ে, অঙ্ক কষে শৈশব কেটেছে তার। বহু বছর পর সেই হোমওয়ার্কের স্মৃতিকাতর দিনে ফিরেছেন মা ও ছেলে। আবারও হোমওয়ার্ক করতে বসেছেন তারা। দুজন মিলে হিসাব কষে গল্প লিখেছেন।

মায়ের সঙ্গে কিশোর নুহাশ

মা ও ছেলে মিলে ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের চারটি গল্পের মধ্যে তিনটি গল্প লিখেছেন। এই কাজ নয়, নুহাশের প্রতিটি চিত্রনাট্যের সঙ্গেই মিশে আছেন গুলতেকিন খান। কীভাবে? নুহাশ বললেন, ‘যখনই কোনো চিত্রনাট্য লিখি, সেটা প্রিন্ট করে মা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন। চিত্রনাট্যের ভালো-মন্দ নিয়ে আমরা আলোচনা করি। আমার চিত্রনাট্যের সঙ্গে মা ভীষণভাবে জড়িয়ে থাকেন।’ নুহাশ আরও বলেন, ‘‘সৃজনশীল ক্ষেত্রে কাজ করলে অনেককে পরিবার বুঝতে চায় না। কিন্তু আমার পরিবার শুধু বুঝছেই না, আমার সঙ্গে কাজও করছে। এটা আমার জন্য গর্বের ব্যাপার, আমি ভীষণ সৌভাগ্যবান।’

চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের দৃশ্যধারণ শেষের পথে। এ বছরের শেষের দিকে সিরিজটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। আগের মৌসুমের তুলনায় এই মৌসুমের চিত্রনাট্য ভীষণ পরিণত। বিশেষ করে গুলতেকিন ম্যামের (খান) ইনপুট সিরিজটাকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।

‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের প্রথম সিজনের পোস্টার

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলুতে মুক্তি পেয়েছে নুহাশের স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘ফরেনারস অনলি’। এ বছর ‘পেট কাটা ষ’ ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক কাজ করেছেন তিনি। নির্মাতা নুহাশকে নিয়ে গুলতেকিন খান বললেন, ‘ও যখন যেটা করে, খুব মনোযোগ আর নিষ্ঠার সঙ্গে করে। মা হিসেবে বলছি না, দর্শক হিসেবে বলছি, নুহাশের নির্মাণ আমার খুব ভালো লাগে।’

প্রথমবার কোনো সিরিজের গল্প লেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে গুলতেকিন বলেন, ‘‘এটা আমার জন্য অদ্ভুত সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা ছিল। প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু নুহাশ যখন বলল সে পছন্দ করেছে, তখন মনে হলো, আমাকে খুশি করার জন্য ও ‘ভালো’ বলবে না। গল্পটা ভালো না হলে ও বলত, ‘এখানে একটু ভালো করতে হবে।’ দুজন মিলে গল্পটা লিখেছি।’’

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন
;

এবার ধানুষের নায়িকা তৃপ্তি, পারিশ্রমিক নিচ্ছেন দ্বিগুণ



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
ধানুষ ও তৃপ্তি দিমরী

ধানুষ ও তৃপ্তি দিমরী

  • Font increase
  • Font Decrease

‘লাইলি মজনু’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখলেও নেটফ্লিক্সের হিন্দি ওয়েব সিরিজ ‘বুলবুল’ ও ‘কালা’য় অসাধারন অভিনয় করে তারকাখ্যাতি পান তৃপ্তি দিমরী।

তবে গত বছর ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘এনিম্যাল’-এ রণবীর কাপুরের সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে অভিনয় করে রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এই অভিনেত্রী। ভারতের জাতীয় ‘ক্রাশ’-এ পরিণত হন তৃপ্তি।

ওয়েব সিরিজ ‘বুলবুল’-এ তৃপ্তি দিমরী

এরপর থেকেই একের পর এক বড় বাজেটের সিনেমার দুয়ার খুলে যায় তৃপ্তির। বর্তমানে তিনি আলোচনায় আছেন ভিকি কৌশলের মতো জনপ্রিয় নায়কের বিপরীতে অভিনয় করা ‘ব্যাড নিউজ’ সিনেমার জন্য। এ ছবিতেও ভিকি আর তৃপ্তির স্নানদৃশ্য নেট দুনিয়ায় দারুণ উষ্ণতা ছড়াচ্ছে।

এরপরই কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ ছবিতে দেখা যাবে তৃপ্তিকে।

ধানুষ ও আনন্দ এল রায়

এবার এই নায়িকার আরেকটি নতুন সিনেমার খবর পাওয়া গেল। আনন্দ এল রায়ের মতো সফল নির্মাতার পরের ছবির হিরোইন হতে চলেছেন তৃপ্তি। আর তাতে এই নায়িকা রোমান্স করার সুযোগ পাচ্ছেন দক্ষিণ ভারতের তথা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুষের সঙ্গে। ছবিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘তেরে ইশক মে’। নাম শুনলেই বোঝা যায় এটিও হতে চলেছে একটি দারুণ রোমান্টিক গল্পের ছবি।

এদিকে, ‘অ্যানিমেল’ ছবির সাফল্যে নিজের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ বাড়িয়েছেন তৃপ্তি। বলিপাড়া সূত্রে খবর, ‘অ্যানিমেল’ ছবিতে অভিনয় করে ৪০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন তৃপ্তি। তবে এখন প্রতি ছবিতে এক কোটি রুপি নিচ্ছেন তৃপ্তি।

তৃপ্তি দিমরী

মুম্বাইয়ের পশ্চিম বান্দ্রায় অধিকাংশ বলি তারকার আস্তানা। শাহরুখ খান, সালমান খান থেকে শুরু করে প্রবীণ অভিনেত্রী রেখার বাংলো রয়েছে ওই এলাকায়। আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর দম্পতিও থাকেন পশ্চিম বান্দ্রায়। রণবীরের বাড়ির কাছাকাছিই নাকি বাংলো কিনেছেন তৃপ্তি। তা নিয়েও বলিপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

;