টেলরের ব্রেকআপ গানে সবাই কাঁদছে কেন?



বিনোদন ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’ টেলর সুইফটের ১১ তম স্টুডিও অ্যালবাম। আবেগে ভরপুর এ অ্যালবামের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন ভক্তরা। অপেক্ষার পালা শেষে একসাথে একটি ডবল অ্যালবাম বের করেছেন তিনি।

গানে গানে শ্রোতাদের হৃদয়ে কাপন ধরিয়ে দিয়েছে সুইফট। গানের কথায় উঠে এসেছে বাস্তবতার ছোঁয়া।

সুইফটের ছয় বছরের সম্পর্কের অবসানের পর "দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট" প্রথম রিলিজ ঘোষণা করা হয়। এতে ব্রেকআপ গানে রাগ, দুঃখ, আকাঙ্ক্ষা এবং বিভ্রান্তির কথা দর্শকদের কাছে ফুটে উঠেছে।

গানে গানে প্রেম ভেঙে যাওয়ার গল্প তুলে এনেছেন শিল্পী। বিয়ের আংটি বদলের পর বিচ্ছেদে তার হৃদয় ভেঙে যায়, সে তার জীবনের গতি হারায়- এই ধরণের ব্যথা শ্রোতাদরে সামনে হাজির করেছেন টেলর।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হৃদয়বিদারক সঙ্গীতের সাথে শ্রোতাদের সংযোগ করা স্বাভাবিক এবং সহায়ক। সুইফট এ অ্যালবাম সম্পর্কে তার নিজস্ব দর্শন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ভক্তদের সাথে ভাগ করেছেন।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েক্সনার মেডিকেল সেন্টারের গ্যাবে ওয়েল-বিয়িং অফিস এবং স্ট্রেস, ট্রমা অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (স্টার) প্রোগ্রামের পরিচালক আরিয়ানা গালিঘর বলেছেন, এই লেখকের দৃঢ় বিশ্বাস চোখের পানি কাগজের পাতায় কালির মতো পবিত্র। একবার আমরা আমাদের সবচেয়ে দুঃখজনক গল্পটি বলে ফেললে, আমরা এটি থেকে মুক্ত হতে পারি।

তিনি বলেন, আপনি যদি "অল টু ওয়েল"-এর একটি পারফরম্যান্স দেখে থাকেন তবে আপনি জানেন যে সুইফট সবচেয়ে হৃদয়বিদারক অংশগুলিকে চিৎকার করে গান গাইতে দারুণ আনন্দ পায়।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েক্সনার মেডিক্যাল সেন্টারের মনোবিজ্ঞানী ড. জ্যারিড হিসার বলেছেন, আপনি নিজে ব্রেকআপের মধ্যে না থাকলেও, অতীতের অভিজ্ঞতাগুলো থেকে সেই আবেগগুলোকে আবার ব্যবহার করা সাহায্য করতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই এই আবেগ এড়ানোর ফাঁদে পড়ে যাই। অতীতের মানুষটার কাছে ফিরে গেছেন এমন ভাবনা চলে আসে।

এই প্রক্রিয়াটি সেই অভিজ্ঞতাগুলির আরও গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং আপনি যদি সেগুলি সম্পর্কে পুরোপুরি ঠিক বোধ না করেন তবে এটি ঠিক আছে।

হিসার বলেন, যারা সেই কঠিন অভিজ্ঞতা এবং আবেগগুলি মনে করতে নিরাপদ বোধ করেন না, সঙ্গীত এমন মানুষদের জন্য মুখ্য হতে পারে। আমি মনে করি এটি মননশীলতার একটি সহজ উপায়। তিনি বলেন। "যদি আমরা সব সময় মননশীল হতে সক্ষম হই, তবে এটি দুর্দান্ত হবে, কিন্তু আমাদের বেশিরভাগই পারে না।

গ্যালিগার বলেছেন, সুইফটের ব্রেকআপ গানের কথা লেখার মধ্যে যে সূক্ষ্মতা রয়েছে তা প্রকাশ হওয়ার পরই তিনি সাফল্য পেয়েছেন।

তিনি বলেন, যদিও তার লেখায় দুঃখ এবং ক্ষতি হতে পারে, তবে তার কাজে ক্ষমতায়নের থিমও রয়েছে।


তার নতুন অ্যালবাম, "ফ্রেশ আউট দ্য স্ল্যামার" এর একটি গানে, সুইফট লিখেছেন ‘প্রতিদিন তার হাসি এক ঝলকের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়’। এ থেকে তিনি শিখেছেন, তিনি মুক্ত, এবং তিনি পাঠকে এগিয়ে নিতে চলেছেন তার সাথে।

গ্যালিগার বলেছেন, তিনি সর্বদা প্রতিশোধমূলক ব্রেক আপ গানের সাথে জিলটেড প্রাক্তনের ট্রপ অনুসরণ করেন না।

তিনি বলেন, তার অনেক গান আসলে কথোপকথনে কিছুটা ভারসাম্য আনে। "এবং হ্যাঁ, (কিছু গান) এক ধরণের হাইলাইট 'এ কারণেই আমি একটি সীমানা নির্ধারণ করছি', তবে প্রায়শই এমন গানের কথাও রয়েছে যা 'আমি কীভাবে বড় হয়েছি এবং পরিবর্তিত হয়েছি এবং আমি নিজের সম্পর্কে কী শিখেছি তা এখানে রয়েছে।

সুইফ্ট তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে অ্যালবামটিকে প্রাসঙ্গিক করে বলেছেন যে গানগুলিতে অনুভূতির প্রকাশের অর্থ এই নয় যে এখনে একজন ভিলেন এবং একজন নায়ক রয়েছে।

ব্রেকআপ গান সান্ত্বনাদায়ক, ক্ষমতায়ন করতে পারে। এখানে খুব বেশি ভালো জিনিসও থাকতে পারে। এই আবেগগুলি উপস্থিত থাকার জন্য স্থান দেওয়া সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ, এবং সঙ্গীত সত্যিই আমাদের এটিতে ট্যাপ করতে সহায়তা করতে পারে।

   

লোপেজের পাশে বেনের অনুপস্থিতিতে সন্দিহান ভক্তরা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অ্যাটলাসের প্রিমিয়ারে জেনিফার লোপেজ

অ্যাটলাসের প্রিমিয়ারে জেনিফার লোপেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

নেটফ্লিক্সের আসন্ন প্রজেক্ট ‘অ্যাটলাস’ এ কাজ করেছেন জেনিফার লোপেজ। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নির্মিত এই সিনেমায় প্রধান এবং নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। সিনেমায় প্রধান খল চরিত্রে সিমু লিউ ছাড়াও স্টার্লিং কে. ব্রাউন, মার্ক স্ট্রং-সহ অনেক নামকরা অভিনয় শিল্পীরা কাজ করেছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সিনেমাটি প্রকাশ পাবে ২৪ মে।

ক্যালিফোর্নিয়ার মিশরীয় থিয়েটারে এর প্রিমিয়ার উপলক্ষে রেড কার্পেট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২০ মে রাতে সেখানে সিনেমা সংশ্লিষ্ট একগাদা হলিউড তারকা উপস্থিত হন।

এই অনুষ্ঠানে এসে আবারও ব্যকি্তগত  ব্যাপার নিয়ে  আলোচিত হন অভিনেত্রী এবং পপ সঙ্গীত শিল্পী জেনিফার লোপেজ। হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেকের অর্ধাঙ্গিনী তিনি। তবে এই অনুষ্ঠানে একাই আসেন লোপেজ।

রেড কার্পেটে হেঁটে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করার সময় সকলের নজর ছিল লোপেজের দিকে। পাপ্পারাজিরা অপেক্ষা করছিলেন বেনের আগমনের। সকলকে অবাক করে দিয়ে একাই এগিয়ে যান লোপেজ।

জেনিফার লোপেজ- বেন অ্যাফ্লেক দম্পতি

বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল এই তারকা দম্পতির সংসারে চীর ধরতে শুরু করেছে। যদিও প্রিমিযার অনুষ্ঠানেও বিয়ের আংটি হাতে নিয়েই উপস্থিত হন লোপেজ। মেট গালাতেও একাই এসেছিলেন লোপেজ, বেন উপস্থিত ছিলেন না। পুরোটা সময় লোপেজ জেনডায়া-ব্যাড বানিদের সঙ্গে ঘুরছিলেন। আবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলে দিলো।

যদিও বেনের এই অনবরত অনুপস্থিতিতে লোপেজ বা বেন কেউই কোনো পোক্ত কারণ দেখাননি। তবে আগে এক সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল,‘যদি সাময়িক উন্মাদনার কারণ দেখিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভব হতো তবে অনেক আগেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটতেন। গত ২ বছর যেন কোনো জ্বরের ঘোরে কাটাচ্ছিলেন তিনি। এখন ধীরে ধীরে তার জ্ঞান ফিরতে শুরু করেছে। তাই তিনি অনুভব করতে পারছেন কোনো ভাবেই এই সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করা সম্ভব নয়!’

এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর অনেকরেই সন্দেহ ছিল। তবে যত দিন যাচ্ছে ততই যেন গুঞ্জনের সত্যতা মিলতে শুরু করেছে।

;

কানে গিয়ে আন্তর্জাতিক সিনেমায় সুযোগ পেলেন ভাবনা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা /  ছবি : ফেসবুক

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ `কান চলচ্চিত্র উৎসব'-এ প্রথমবার অংশ নিয়ে বর্তমানে বেশ আলোচনায় রয়েছেন অভিনেত্রী ভাবনা। নিত্য নতুন পোশাক পরে ছবি দিচ্ছেন, তা নিয়ে মেতে উঠছে নেটিজেনরা।

তবে ভাবনার এবারের কানযাত্রা শুধুমাত্র ফ্যাশনের মধ্যেই আটকে নেই। বিশ্ব চলচ্চিত্রে নিজেকে দেখতে চান, এমন ইচ্ছা থেকেই নিজ উদ্যোগে তার এই উৎসবে যাওয়া। এমন দারুণ একটি জায়গায় গিয়ে তিনি ঘোষণা দিলেন নিজের ৭ম সিনেমার।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা /  ছবি : ফেসবুক

মালয়েশিয়া বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি নির্মাতা  জাফর ফিরোজের ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ছবির নাম ‘জেনুবিয়া’।

পরিচালক জাফর ফিরোজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করে ১২ বছর আগে মালয়েশিয়া যান। বর্তমানে সেখানে পিএইচডি করছেন। এর আগে ‘রিবর্ণ’ নামের একটি চায়নিজ চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। এবারই প্রথম ভাবনাকে মূল চরিত্রে রেখে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন ফিরোজ। ছবিটি বাংলা, ইংরেজি ও চায়নিজ ভাষায় তৈরি এবং মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

আর এই ছবির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন কিয়াও লি, যিনি একজন ব্রিটিশ চায়নিজ প্রযোজক। একই সঙ্গে তিনি ইউনেসকো ফিল্ম সিটির সঙ্গেও যুক্ত আছেন।

‘জেনুবিয়া’ ছবির প্রথম পোস্টার

কান থেকে ভাবনা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘‘অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমার চাওয়া থাকে প্রতিনিয়ত নিজেকে নতুন চরিত্রে দেখার। ‘জেনুবিয়া’র চরিত্রটি ঠিক তেমনি, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। এখনই বিস্তারিত বলতে পারছি না। কিন্তুগল্পটা শোনার পর মনে হয়েছে, সত্যি অসাধারন। যেদিন ছবিটা সবাই দেখবেন সেদিন বুঝতে পারবেন আমি কেন এই কথাগুলো বললাম।’

প্রথমবার একা কানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে ভাবনা বলেন, ‘আমি একা এসেছি বলে প্রথমদিকে বেশ নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু আস্তে আস্তে ভয়কে জয় করতে শিখেছি। আমার সঙ্গে কান উৎসবে আসার পর যা কিছু ঘটছে, সবই কল্পনাতীত।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা /  ছবি : ফেসবুক

‘জেনুবিয়া’ ছবিটি নিয়ে নির্মাতা গণমাধ্যমকে বললেন, ‘‘এ বছরের নভেম্বরে মালয়েশিয়াতে আমরা একটি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছি। তারই মার্কেটিংয়ের জন্য কান উৎসবে যাই। শুনলাম, বাংলাদেশ থেকে ভাবনা এসেছেন সেখানে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করে গল্প শোনাই। তিনি রাজি হয়ে যান। আমরাও সিদ্ধান্ত নিলাম একসঙ্গে কাজটি করবো। আগামী তিন মাসের মধ্যে ছবির কাজ শুরু করতে চাই। পুরো শুটিং মালয়েশিয়াতেই হবে। অন্যান্য অভিনয়শিল্পীও এরমধ্যে চূড়ান্ত করা হবে।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা /  ছবি : ফেসবুক

ভাবনাকে কাস্ট করা নিয়ে নির্মাতা বলেন, ‘কানে দেখা হয়েছে বলেই হুট করে তাকে সাইন করানো হয়নি। গল্পের সঙ্গে মানানসই এমন কয়েকজন আমাদের তালিকায় ছিলেন। তারমধ্যে ভাবনাও একজন। যখন শুনলাম ভাবনা কান উৎসবে আসছেন, তখন ভাবলাম, হোয়াই নট তার সঙ্গে বসি। এরপর তো ব্যাটে বলে মিলেই গেল! আমার ছবিতে চরিত্রটি যেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, তাতে ভাবনার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, তিনি খুব সুন্দরভাবে তা উপস্থাপন করতে পারবেন। তার আত্মবিশ্বাসও আমাদের অনেক বেশি আশ্বস্ত করেছে।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা /  ছবি : ফেসবুক
;

বেবি বাম্প আগলে দীপিকা, রণবীরের হাত ধরা মুহূর্ত ভাইরাল



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বেবি বাম্প আগলে দীপিকা, রণবীরের হাত ধরা মুহূর্ত ভাইরাল

বেবি বাম্প আগলে দীপিকা, রণবীরের হাত ধরা মুহূর্ত ভাইরাল

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারেত লোকসভা নির্বাচন চলছে। মহারাষ্ট্রে পঞ্চম দফা নির্বাচনে, বলিউডের অনেক তারকা তাদের ভোটকেন্দ্রে গেছেন ভোট দিতে।


ভোট দেওয়ার প্রমাণ হিসাবে তাদের হাতের কালিও তুলে ধরেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নতুন মা-বাবা দীপিকা পাডুকোন এবং রণবীর সিংও। এসময় হবু মায়ের বেবি বাম্প দেখা গেছে ।


দীপিকা এবং রণবীর ভোটকেন্দ্রে যাওয়া মন কেড়েছে ভক্তদের। তাদের একসঙ্গে হেঁটে যেতে দেখে মুগ্ধ সবাই।

রণবীর, সব পরিস্থিতিতে দীপিকার হাত ধরে আগলে রাখেন। তিনি তাঁকে বুথেও নিয়ে যান। ভোট দিতে যাওয়ার সময় দু’জনেই সাদা শার্ট এবং নীল রঙের ডেনিম পরেন।

এখানেই দীপিকার প্রথমবার বেবি বাম্প দেখা গেল। ক্যামেরার সামনে হাসতে হাসতে তাদের পোজ দিতেও দেখা যায়।

;

সব গান সুপারহিট হতে হয় না: কনা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
দিলশাদ নাহার কনা /  ছবি : ফেসবুক

দিলশাদ নাহার কনা / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, অডিও, জিঙ্গেল এবং ভয়েস ওভার ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন দিলশাদ নাহার কনা। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা। তার ঝুলিতে তথাকথিত সুপারহিট গানের সংখ্যাও কম নয়। দুই-তিন ঘণ্টার স্টেজ শো আরামসে নিজের গান গেয়ে মাতিয়ে রাখতে পারেন এই শিল্পী। মা দিবসে এসেছে তার নতুন গান। সমসাময়িক বিষয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ


কেমন আছেন?


আলহামদুলিল্লাহ বলতেই হবে। সবমিলিয়ে সৃষ্টিকর্তা ভালো রেখেছেন। এই তো বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম বিদেশে। দারুণ সময় কাটিয়েছি। দেশে ফিরে কক্সবাজারে একটি শো করতে গিয়েছিলাম। আসার পথে শরীরটা খারাপ হতে শুরু করে। এরপর বেশ কদিন ধরে শরীরটা একটু খারাপ। শিল্পীদের কণ্ঠ বসে গেলে তো মুশকিল। তারমধ্যেও বেশ কয়েকটি গানে কণ্ঠ দিতে হয়েছে।

দিলশাদ নাহার কনা /  ছবি : ফেসবুক

মা দিবসে ‘মা’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করেছেন। সেটি নিয়ে জানতে চাই...


কদিন আগে চলে যাওয়া বিশ্ব মা দিবসে এই গানটির একটি মিউজিক ভিডিও কনা তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেছি। ‘আমি বুড়ো হয়ে গেলেও / মা’র কোলে গিয়ে শোবো / মা কপালে রাখবে হাত / সব ক্লান্তিগুলো ধোবো...’- এমন কথার গানটির গীতিকার ও সুরকার কিংবদন্তিতূল্য প্রিন্স মাহমুদ।


এই গানটিরতে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?


একজন শিল্পীর গাওয়া সব গান সুপারহিট হতে হয় না। সব গান শ্রোতার মুখে মুখে থাকবে সেটাও আমি মনে করি না। একজন শিল্পী তার রূচি অনুযায়ি এমন কিছু গানও করবেন যা বিশেষ শ্রেণীর শ্রোতার জন্য, আবার এমন গানও করবেন যা সবাই সমানতালে শুনবে। এমনও গান গাইতে হবে যা একজন শ্রোতা তার বিশেষ অনুভূতির সময় সঙ্গী হিসেবে নেবে। তেমনি একটি গান ‘মা’। যারা গানটি শুনেছেন তারা তাদের ভালোলাগার কথা আমাকে জানিয়েছেন। তবে এটি এমন গান নয় যে অলিতে গলিতে বাজবে। এ ধরনের গান শ্রোতার একান্ত অনুভূতির সঙ্গী হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

দিলশাদ নাহার কনা /  ছবি : ফেসবুক

প্রতিটি গান তৈরীর নেপথ্যে দারুণ সব গল্প থাকে। এই গানের পেছনে তেমন কোন গল্প আছে?


এই গানটি আসলে দুই বছর আগে ইমরান (জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল) গেয়েছিলেন। শোনার পর আমার ভীষণ ভালোলাগে। সেকথা প্রিন্স মাহমুদ জানতে পেরে বলেন, তুইও একবার গাইতে পারিস গানটা। তার কথামতোই আমি গানটি গেয়েছি। এরপর তো এবারের মা দিবসে আমার ইউটিউব চ্যানেলে সেটি প্রকাশ করি।


সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড পেলেন...


হ্যাঁ। সম্প্রতি ২০২২ সালের সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি প্রবর্তিত প্রথম পুরস্কারটি পেয়েছি। আমি খুব আনন্দিত, কারণ এটি এসেছে চলচ্চিত্রের পরিচালকদের বিবেচনায়। ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমার ‘তার হাওয়াতে’ গানের জন্য এই অর্জন। গানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

পরিচালক সমিতির অ্যাওয়ার্ড হাতে কনা /  ছবি : ফেসবুক

বর্তমানে ব্যস্ততা কি নিয়ে?


একাধিক পণ্যের জিঙ্গেল নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে। সম্প্রতি আপন জুয়েলার্সের বিজ্ঞাপনে কণ্ঠ দিয়েছি। আজ গাইবো ফ্যাশন হাউজ দেশাল-এর বিজ্ঞাপনচিত্রের জন্য একটি গান। দুটি বিজ্ঞাপনই দর্শক নন্দিত হবে বলে আমার ধারনা।

;