সালমান খানের বাড়িতে ১০ রাউন্ড গুলি চালানোর নির্দেশ!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সালমান খান /  ছবি : ফেসবুক

সালমান খান / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

গত রোববার ভোরে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে দুজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গুলিবর্ষণ করে। তারা মোটরসাইকেলে করে এসে এই হামলা করেছিল। এই ঘটনায় মুম্বাই পুলিশের রাতের ঘুম চলে গেছে। তারা উঠেপড়ে লেগেছে এ মামলার তদন্তের কিনারা করতে। প্রতিদিন এ নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে আরও অনেক তথ্য এসেছে।

গত সোমবার মাঝরাতে পুলিশের জালে ধরা পড়েন দুই অভিযুক্ত বিক্কি এবং সাগর। মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ শাখা তাদের গুজরাটের কচ্চের ভূজের এক প্রসিদ্ধ মন্দির থেকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার সাতসকালে তাদের মুম্বাইতে আনার পর আদালতে পেশ করা হয়। আদালত বিক্কি আর সাগরকে ১০ দিন রিমান্ডে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

সালমান খান /  ছবি : ফেসবুক

এখন ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ক্রমাগত জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে দুই অভিযুক্তকে। পুলিশি জেরায় অনেক চমকপ্রদ তথ্য মিলছে। বিক্কি আর সাগর জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানিয়েছেন, চার নয়, তাদের ১০ রাউন্ড গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আর এই কাজে তারা সফলতা পেলে ভালো পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আর বলা হয়েছিল, তারা রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠবেন। এ হামলার জন্য বিক্কি আর সাগরকে বাংলাদেশি মুদ্রায় পাঁচ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়। অগ্রিম হিসেবে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। হামলার পর তাদের আরও চার লাখ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। গুলিবর্ষণের এ ঘটনার সাক্ষী হিসেবে খুব শিগগির পুলিশ সালমানের বয়ান নেবে বলে জানা গেছে।

নিয়মিত জিম করেন সালমান

বিক্কি আর সাগর পুলিশকে জানিয়েছেন, জেলবন্দী গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল বিষ্ণোই তাদের এ কাজের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন। আনমোল চেয়েছিলেন ১৯৯৮ সালে যোধপুরের কাছে মথানিয়ার বাবড়ে কৃষ্ণকায় হরিণ শিকারের জন্য সালমানকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে। দুই অভিযুক্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, সালমানকে শুধু ভয় দেখানোর কথা তাদের বলা হয়েছিল। এই অভিনেতাকে হত্যার নির্দেশ তাদের দেওয়া হয়নি।

পানভেলের ফার্ম হাউসে কৃষিকাজ করেন সালমান খান /  ছবি : ফেসবুক

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্কি দশম এবং সাগর চতুর্থ শ্রেণি উত্তীর্ণ। এই দুই হামলাকারী পুলিশকে জানিয়েছেন ২৪ ফেব্রুয়ারি তারা মুম্বাইতে আস্তানা গাড়েন। তারা সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়া পানভেলের ফার্ম হাউসও রেকি করেছিলেন। পানভেলে একটি কক্ষ তারা ভাড়া নিয়েছিলেন। বিক্কি আর সাগর হোলি খেলতে নিজেদের গ্রামে গিয়েছিলেন। আবার ১ এপ্রিল তারা পানভেলে ফিরে এসেছিলেন।

সালমান খান /  ছবি : ফেসবুক

সালমানের বাসার বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনার মামলায় পুলিশ আরও এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। গতকাল বুধবার এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তারা। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পিটিআইয়ের খবর অনুযায়ী, এই সন্দেহভাজন ব্যক্তি হামলার আগে এবং পরে দুই অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। পুলিশ এই ব্যক্তির সঙ্গে আনমোল বিষ্ণোইয়ের যোগসূত্র পেয়েছে।

 

   

ডিপজলকে দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার নির্দেশ হাইকোর্টের



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নিপুণ ও ডিপজল

নিপুণ ও ডিপজল

  • Font increase
  • Font Decrease

সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নিয়ে মিশা-ডিপজল প্যানেল ও নিপুণের মধ্যকার বিবাদে নতুন মোড় নিয়েছে।

নির্বাচনের এক মাস যেতে না যেতেই নতুন কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন নিপুণ। কেন তিনি এ কাজ করলেন এ নিয়ে তাকে মিশা-ডিপজল প্যানেলের একাধিক সদস্য কটাক্ষ করেছেন।

নিপুণও ছেড়ে কথা বলেননি। তিনি বরাবরই বলে এসেছেন যা হবে আইনের আওতায় হবে।

গত ১৯ এপ্রিল সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচনের ভোট হয়। ২৩ এপ্রিল ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি নির্বাচিত হন মিশা সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ডিপজলের চেয়ে ১৭ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হন নিপুণ।

নিপুণ ও ডিপজল

তিনি এবারের নির্বাচনে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন। এই অভিযোগে তিনি নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে আবেদন করেছিলেন। অবশেষে নিপুণের অভিযোগের দিকে আমল দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে (২০২৪-২৬) অনিয়মের অভিযোগ ঢাকার সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে অন্তর্র্বতীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রুলসহ এ আদেশ দেন।

;

কেন তার ছবিতে যৌনকর্মীদের জয়গান, জানালেন সঞ্জয় লীলা বানশালি



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নন্দিত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালি / ছবি: সংগৃহীত

নন্দিত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালি / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেবদাস, সাওয়ারিয়া, গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াডি হোক বা হীরামান্ডি- সঞ্জয় লীলা বানশালির সিনেমায় প্রতিটি যৌনকর্মীই আসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। দেবদাস-এ মাধুরি দীক্ষিতের চন্দ্রমুখী, গাঙ্গুবাঈতে আলিয়া ভাটের গাঙ্গু কিংবা সাওয়ারিতে রানি মুখার্জি- সব অভিনেত্রীকেই ভিন্নভাবে পর্দায় তুলে ধরেন সঞ্জয়।

তবে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া হীরামান্ডি মুক্তি পাওয়ার পর থেকে যেন তাকে নিয়ে আলোচনা শেষই হতে চাইছে না। কারো মতে সিরিজের ভিজ্যুয়াল দৃশ্য, গল্পের সঙ্গে চরিত্রের ধারাবাহিকতা, পোশাক, সঙ্গীত, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অসাধারণ। আবার কারো কাছে সিনেমায় গল্পের কয়েকটি মোড় তেমন যৌক্তিক মনে হয়নি। সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় ভাগ্নি শারমিন সেগলকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে বাছাই করে। শারমিনের অভিনয় সিংহভাগ দর্শকেরই পছন্দ হয়নি।

তবে সব আলোচনা-সমালোচনা ছাপিয়ে কথা হচ্ছে সঞ্জয়ের কল্পনা শক্তি নিয়ে। যৌনকর্মীরা সমাজের এক লাঞ্ছিত অংশ। যদিও এই পেশা কেউই শখ করে বেছে নেন না। তবুও সমগ্র সমাজ তাতেই ঘৃণার চোখেই দেখে। ঘৃনীত এই মানুষরা কীভাবে পরিচালকের কাজে প্রতিবার অপরূপ ভাবে ফুটে ওঠে সেটাই এখন নেটিজেনদের আলোচনার মূখ্য বিষয়। এই ব্যাপারে মুখ খুললেন সঞ্জয় খোদ।

'নর্তকী, যৌনকর্মীরা আমাকে মুগ্ধ করে। রেশনের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলারা নয়'- বললেন সঞ্জয় লীলা বনশালি। বনশালির অধিকাংশ সিনেমার একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে নর্তকী, যৌনকর্মীদের জীবন। এই বিশেষ শ্রেণীর মানুষের প্রতি পরিচালকের এত মুগ্ধতা কেন? সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এমনই প্রশ্ন করা হয়েছিল পরিচালককে। উত্তরে তিনি বলেন, 'আমি মনে করি তাঁরা এমন মহিলা যাদেরকে ঘিরে অনেক রহস্য আছে। এই যে নর্তকী, যৌনকর্মী, ওঁরা সকলের থেকে আলাদা। সর্বদা একটি নির্দিষ্ট ধরণের শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায় যা দেখতে আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় মনে হয়…তাঁদের নাচ, গান, তাঁদের সাজপোশাক সবই আকর্ষণীয়।'

সঞ্জয়ের ছোটবেলা কেটেছিল কাঠিয়াওয়াডিতে। সেইসূত্রে ছোটবেলা থেকেই যৌনকর্মীদের জীবন বেশ কাছে থেকে দেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এই কারণেই তাদের জীবনের সংগ্রাম এত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন পরিচালক। সমাজে যৌনকর্মীদের ধারণা পাল্টে, তাদের প্রতি সম্মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে সঞ্জয়ের সিনেমাগুলোর বেশ পোক্ত ভূমিকা রয়েছে। 

;

কানে বলিউড তারকারা, কেউ নন্দিত তো কেউ নিন্দিত!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
কানে ঐশ্বরিয়া, ঊর্বশী, ত্বাহা ও কিয়ারা

কানে ঐশ্বরিয়া, ঊর্বশী, ত্বাহা ও কিয়ারা

  • Font increase
  • Font Decrease

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ৭৭ তম আসর চলছে মহাসমারোহে। বিশ্ব সিনেমার প্রদর্শন, মার্কেটিং, সেমিনার, কর্মশালাসহ নানা আয়োজন তো থাকছেই। তবে ফ্যাশনপ্রিয় মানুষের চোখ থাকে রেড কার্পেটের দিকে। প্রতিদিন হলিউড-বলিউডসহ বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় শোবিজ তারকারা কানের লাল গালিচা মাতিয়ে থাকেন। বাংলাদেশের দর্শকের অবশ্য সবচেয়ে আগ্রহ থাকে পাশের দেশ ভারতের কোন তারকা কি পোশাক পরলেন সেদিকে!

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বলা হয় ‘কানের রেড কার্পেটের রানী’! কারণ তিনি ২০ বছর ধরে কানের লাল গালিচায় যাচ্ছেন।

কানের লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

রাই সুন্দরীর চেহারার এখনো একটুখানি দ্যূতি কমেনি। তবে এ বছর তার পোশাক আশাক সেভাবে দর্শক মাতাতে পারছে না। এখন পর্যন্ত কানের দুটি লুক প্রকাশিত হয়েছে অ্যাশের। দুটির ডিজাইনই করেছে ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ফাল্গুনী এন্ড শেন পিকক’।

কানের লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

প্রথম দিন তিনি সাদা কালো টেলওয়ালা গাউন পরে রেড কার্পেটে হাটেন। তবে গাউনের ডিজাইন মনে ধরেনি দর্শকের।

দ্বিতীয় দিনও ওই একই অবস্থা। ঝলমলে নীল রঙের জরির গাউন পরেন ঐশ্বর্য্য। তবে এদিন গাউনের সুউচ্চ হাতা নিয়ে মজা করতে ছাড়েননি নেটিজেনরা।

কানের লাল গালিচায় ঊর্বশী রাউটেলা

আরেক বলিউড তারকা ঊর্বশী রাউটেলাও বিগত কয়েক বছর ধরে কানে যাচ্ছেন। শুরুর দিকে তার ফ্যাশন সেন্স নিয়ে হাসাহাসি হলেও আস্তে আস্তে তিনি বেশ মানিয়ে নিচ্ছেন। এ বছর তার পোশাকগুলো দেখে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। ঊর্বশী সাধারনত গাঢ় রঙের পোশাকে হাজির হন। এবারও তার বিকল্প হয়নি।

কানের লাল গালিচায় ঊর্বশী রাউটেলা

প্রথমদিন তিনি পরেন গোলাপী রঙের গাউন। তবে নজর কাড়ে ঘাড়ের কাছে গাউনটির নাটকীয় ডিজাইন। সঙ্গে নেটের হাতমোজাটিও কারও দৃষ্টি এড়ায়নি।

আর দ্বিতীয় দিন এই তারকা হাজির হন গাঢ় লাল আর সোনালী রঙের অফ সোল্ডার গাউনে। এদিনের সাজ কারও বেশ পছন্দ হয়েছে। কেউ আবার বলছে, অতোটাও জমেনি!

কানের সমূদ্র সৈকতে ত্বাহা শাহ

সঞ্জয়লীলা বানশালীর নেটফ্লিক্সের ওয়েব সিরিজ ‘হীরামন্ডি’তে অভিনয় করে বর্তমানে বেশ আলোচনায় রয়েছেন বলিউডেরা তরুণ তুর্কী ত্বাহা শাহ। এই তারকাও পৌঁছে গেছেন কানে। তাকে রেড কার্পেটে একবার দেখা গেলেও এরইমধ্যে কানের তিনটি লুক প্রকাশ করেছেন এই আবেদনময় অভিনেতা। কানের সাগরপাড়ে ফুরফুরে বাতাসে কালো ট্রান্সপারেন্ট শার্টে দারণ দেখাচ্ছে ত্বাহাকে। আরেকটি লুকে তিনি হাজির নীল পানির মধ্যে ইয়োটে নীল জ্যাকেট পরা। 

কানের লাল গালিচায় ত্বাহা শাহ

আর রেড কার্পেটে তিনি হাজির হন ভারতীয় ট্রেডিশনাল পোশাকে। তাকে অফ হোয়াইট পাঞ্জাবী ও প্রিন্স কোটে দেখা গেছে। যাতে বাহারি সুতার হেভি অ্যাম্ব্রয়ডারি করা।

কানের লাল গালিচায় কিয়ারা আদভানি

এবার কানে যাওয়া বলিউড তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়াচ্ছেন হালের সেনসেশন কিয়ারা আদভানি। এই তারকাও রেড কার্পেটে একবারই হাজির হয়েছেন। এমনকি তিনি এবারই প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। কিয়ারার প্রথম দিনের রেড কার্পেট লুক ছিল দুর্দান্ত। ভিন্ন ধাচের কালো ও বেবি পিংক গাউন, নো মেকাপ লুক, ক্ল্যাসিক হেয়ার স্টাইল, ছিমছাম ডিজাইনের ডায়মন্ডের গয়না আর নেটের হাত মোজা- সবমিলিয়ে যেন কোন দেশের রাজকন্যা কিয়ারা।

কানের সমূদ্র সৈকতে কিয়ারা আদভানি

তবে রেড কার্পেটে হাজির হওয়ার আগে কিয়ারা নিজেকে কানের সমূদ্র সৈকতের শীতল বাতাসেও ভিজিয়ে নিয়েছেন কিছুক্ষণ। সে সময় তার পরনের স্লিট কাটিংয়ের অফ হোয়াইট ফ্লোলেস টপ আর কানের পার্লের বৈচিত্রময় ঝোলানো দুল নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। সবাই বলছে, কিয়ারা বেশ বুঝেশুনে আটঘাট বেঁধেই তার প্রথম কান যাত্রা সম্পন্ন করেছেন।

;

এলো হাবিব-আনিসার ‘তোমার আদরে’, আসছে আরও তিন



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
রেকর্ডিং-এর ফাঁকে ফ্রেমবন্দী হাবিব ওয়াহিদ ও আতিয়া আনিসা

রেকর্ডিং-এর ফাঁকে ফ্রেমবন্দী হাবিব ওয়াহিদ ও আতিয়া আনিসা

  • Font increase
  • Font Decrease

হাবিব ওয়াহিদকে নতুন শতাব্দির বাংলা গানের অন্যতম আকর্ষণ বলা যায়। তিনি বাংলাদেশের গানে ভিন্নতা এনেছেন। সবচেয়ে বড়কথা তিনি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। ফলে এ দেশের সব শিল্পী তার সঙ্গে গান করতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সবার তো আর সেই সুযোগ হয় না। সেদিক থেকে আতিয়া আনিসা বেশ সৌভাগ্যবান।

গত বছরই তিনি হাবিবের সঙ্গে প্রথমবার গেয়েছিলেন ‘হোক বাড়াবাড়ি’ শিরোনামের একটি গান।

আতিয়া আনিসা ও হাবিব ওয়াহিদ

আতিয়া আনিসা নিজেও এ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী। পেশাগত সংগীত ক্যারিয়ার অল্প দিনের হলেও তার অর্জনের ঝুলি বেশ পরিপূর্ণ! এরইমধ্যে তিনি সেরা গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন। ‘পরাণ’ সিনেমার ‘চলো নিরালায়’ গানটি গেয়ে প্রথমসারির শিল্পীর কাতারে উঠে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক কনসার্ট শেষ করে দেশে ফিরেছেন আনিসা।

যাই হোক, বছর ঘুরতে না ঘুরতে হাবিব-আনিসা হাজির দ্বিতীয় নিবেদন ‘তোমার আদরে’ নিয়ে। গত ১৭ মে গানটি প্রকাশিত হয়েছে হাবিব ওয়াহিদেও অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

অমিতা কর্মকারের কথায় এই গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। আপাতত অডিও ভার্সন বের হয়েছে। নতুন এই গানে কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে আতিয়া আনিসা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি সত্যিই এতোটা সাড়া আশা করিনি। কারণ এখন সবাই বলেন ভিডিও ছাড়া অডিও গান তেমন কেউ শোনেই না। সে হিসেবে এই গানের অডিওটি দারুণ সাড়া পাচ্ছে। তবে ইউটিউবের কমেন্টে বেশিরভাগ শ্রোতারই অনুরোধ, গানটির যেন ভিডিও করা হয়। তাই আমরা পরিকল্পনা করেছি গানটির ভিডিও প্রকাশ করব।’

রেকর্ডিং-এর ফাঁকে ফ্রেমবন্দী হাবিব ওয়াহিদ ও আতিয়া আনিসা

আনিসা আরও জানালেন, হাবিব ওয়াহিদের গানের ভক্ত তিনি অনেক আগে থেকেই। তার সঙ্গে কাজ করা মানে নতুন কিছু শেখা, নিজেকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করা। তাইতো দ্বিতীয় গান প্রকাশের আগেই হাবিবের সঙ্গে আরও তিনটি গান করে ফেলেছেন আনিসা। প্রতিটি গানই নিয়েই আশাবাদী তরুণ এই শিল্পী।

;