আজরার প্যারিস ফ্যাশন উইকের স্বপ্নপূরণ



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
আজরা মাহমুদ /  ছবি : ফেসবুক

আজরা মাহমুদ / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন আজরা মাহমুদ। দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ইভেন্টগুলো তার পরিচালনাতেই হয়ে থাকে। এই মডেল ও কোরিওগ্রাফারের স্বপ্ন ছিল একদিন বিশ্বের ফ্যাশনের পিঠস্থান’খ্যাত প্যারিস ফ্যাশন উইকে যাবেন।

অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো এই তারকার। গত ৩ মার্চ প্যারিসের ঐতিহাসিক লিসে কার্নো স্কুলে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বনন্দিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড মুগলারের ফল/উইন্টার ২০২৪-২৫ কালেকশন প্রদর্শনী। এতে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল ও কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ।

অনন্য সেই অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আজরা বলেন, ‘আমার ফ্যাশন জগতে আসার মূল কারণটাই ছিল এফটিভি (ফ্যাশন টিভি)। ঐ চ্যানেলে সব সময় ফ্যাশন উইকই দেখাতো। আমার আজকে এতদূর আসা, সুন্দর করে কাজ করা, একটা আলাদা দর্শন তৈরি হওয়া, স্বপ্ন তৈরির বড় জায়গা জুড়ে আছে এই এফটিভি ও প্যারিস ফ্যাশন উইক। আমি ২০০৪ সালে কোরিওগ্রাফি শুরু করেছি। আর আজ ২০ বছর পর এসে সেই জায়গায় যাওয়া, দর্শক হয়ে ফ্যাশন উইক দেখার এই অনুভূতিটা একেবারেই অন্যরকম। আমরা আমাদের কাজের মানের কথা বললে বলতেই পারি যে, আন্তর্জাতিক দিক থেকে কোন অংশে আমরা কম নই বা পিছিয়ে নেই। ঐখানে বসে আমার মনে হচ্ছিল, আজ আমি কাজ ছেড়ে দিলে আমার খারাপ লাগবে না। কারণ আমি মনে করি আমরা এটা অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি। আমাদের মডেলিংকেও একটা একটা মানে উন্নীত করতে পেরেছি। টেকনিক্যাল জায়গা থেকে আমরা অবশ্যই পিছিয়ে আছি, তবে সেটাও খুব একটা নয়।’

প্যারিস ফ্যাশন উইকের ব্যাকস্টেজে আজরা

তিনি আরও বলেন, ‘শেষ হওয়ার পর অনেকক্ষণ চুপ করে বসেছিলাম। সেখানে আমার উপস্থিতিকেই আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এখনো মনে হলে আমার চোখ ভিজে ওঠে। এই আসরে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারাটা আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রেরণাদায়ক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। এরপর থেকে যখনই কোন কাজ করব চেষ্টা করব নতুনতর ভাবনাকে সম্পৃক্ত করতে। আর ঐ অভিজ্ঞতা থেকে নিরন্তর প্রাণিত হতে। মুগলারের শো উপভোগ করার পর থেকে এক অদ্ভূত প্রশান্তি আমাকে ঘিরে রেখেছে। কারণ এতটা বছর ধরে কাজ করে আমি আমার দেশকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পেরেছি। কোন সন্দেহ নেই এটাই আমার পরিতৃপ্তি।’

ব্রুকলিন বেকহাম ও নিকোলা পেল্টজ

যে স্থানে এই শোটি হয়েছে সেটি সম্পর্কে আজরা বলেন, ‘এই ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন করা হয় প্যারিসের ঐতিহাসিক লিসে কার্নো স্কুলে। এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৯ সালে। এখানে ফ্রান্সের অনেক গুণী ব্যক্তিত্ব পড়াশোনা করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক, ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্যাসকাল লামি, যাজক ও ধর্মতত্ত্ববিদ আলেক্সজান্ডার শিম্যান, নব্বই দশকের বিখ্যাত ইলেক্ট্রনিক মিউজিক গ্রুপ ডাফট পাঙ্কের দুই সদস্য থমাস ব্যাংলাটার ও গাই ম্যানুয়েল ডি হমেম-ক্রিস্টো। এই স্কুলের স্থাপত্য নকশা কেবল পুরনো ও দৃষ্টিনন্দনই নয়, অতীত ইতিহাসেরও সাক্ষী। এই রকম একটি স্থাপনায় দাঁড়িয়ে প্যারিস ফ্যাশন উইকের মত বড় ইভেন্টে মুগলারের শো দেখার অভিজ্ঞতাটা একেবারেই অন্যরকম।’

মুগলারের ফ্যাশন শো ছিল দারুণ থিয়েট্রিক্যাল ও ড্রামাটিক ছিল

এরপর তিনি ব্র্যান্ড মুগলার সম্পর্কে বলেন, ‘মুগলারের ফ্যাশন শো ছিল দারুণ থিয়েট্রিক্যাল ও ড্রামাটিক ছিল। সাধারণত আমরা যেমন রানওয়েতে মডেলদের আসা যাওয়া দেখি- সেরকম নয়। এতে মোট ৪১ জন মডেল রানওয়েতে হাঁটেন। মূল ফ্যাশন শো শুরু হলে প্রথমে ৪ জন মডেল হেঁটে যান। এরপর প্রথম পর্দা উন্মোচিত হয়। পর্দার পিছন থেকে আরও মডেল বেরিয়ে আসেন। আর তারা একের পর এক পর্দা ফেলতে থাকেন। এভাবে লিসে কার্নো মূল হলটাকে প্রকাশ করে। এই হলের তিন ভাগের দুই ভাগই ছিল মূল রানওয়ে সেট। একভাগ ছিল দর্শকদের বসার জায়গা। আর মডেলরা মুগলারের সিগনেচার বোল্ড ও ফেমিনিন স্টাইলটাকে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। কালেকশনে কালোর সিংহভাগ ব্যবহার ছিল উল্লেখযোগ্য। সঙ্গে লাল ও কিছু প্রিন্টের ব্যবহার হয়েছে। সাধারণত মুগলারের সংগ্রহে প্রিন্ট খুব একটা দেখা যায় না।’

মুগলারের ফল কালেকশন

তিনি আরও বলেন, ‘শোয়ের একদম শেষে ৪১ জন মডেল একসঙ্গে রানওয়েতে ফিরে আসেন। তখনই ব্যাকস্টেজকে উন্মোচিত করা। দর্শকদের দৃষ্টিগোচর হয় সম্পূর্ণ ব্যাকস্টেজ। দেখা যায় নেপথ্যের মানুষগুলোকে। যারা সবসময়ে থাকেন পেছনে। কখনোই দেখা যায় না তাদের। অথচ এখানে তাদের এবং তাদের কর্মপ্রক্রিয়াকে তুলে ধরা হয়। এটা কোন সন্দেহ নেই অভিনব। পুরো ফ্যাশন শোটি এত সুন্দর করে শুরু ও শেষ হয় যে, সামনের সারিতে থাকা ভিআইপি ও সেলিব্রেটিদের দিকে কারো সেভাবে চোখই পড়েনি। একে বলা যেতে পারে 'দ্য শো টুকওভার' মোমেন্ট।’

এই ফ্যাশন শোতে সেলিব্রিটি অতিথি হিসেবে ছিলেন মিয়া খলিফা

এই ফ্যাশন শোতে অনেক সেলিব্রিটি ছিলেন। মিয়া খলিফা, ব্রুকলিন বেকহাম, নিকোলা পেল্টজ, জুলিয়া ফক্স, কোরিয়ান সুপারস্টার জুংহুয়া, বারবারা পেলভিন প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক ইভেন্ট থেকে কি শিখলেন জানতে চাইলে আজরা বলেন, ‘এই আয়োজনে কেবল অংশগ্রহণের জন্য যাওয়া নয় বরং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা ও বোঝার জন্যও। কারণ তারা কিভাবে কাজ করেন, কিভাবে এই শোগুলো হয়, আমাদের দেশের আয়োজন থেকে কতটা আলাদা এই শো-এটা জানাই ছিল বোধকরি আমার আমার মূল উদ্দেশ্য।’

প্যারিসে আজরার স্বামী দেওয়ান মুহাম্মাদ সাজিদ আফজাল

এই শোতে অংশ নিয়েছিলেন আজরা ও তার স্বামী দেওয়ান মুহাম্মাদ সাজিদ আফজাল। তারা দুজনই কালো রঙের পোশাক পরেছিলেন। নিজের সাজ পোশাক সম্পর্কে আজরা বলেন, ‘এই শো দেখেছি থিয়েরি মুগলারের ভিআইপি অ্যান্ড মিডিয়া রিলেশনস লিড আইদা মেহনাজের অতিথি হিসেবে। এটা আমাদের জন্য এক বিরাট পাওয়া বলতেই হবে। আমরা সবাই জানি মুগলারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ক্যাসি ক্যাডওয়ালেডার সলিড কালার নিয়ে বেশি নিরীক্ষা করেন। বিশেষ করে কালো রং নিয়ে বেশি কাজ করেন। সেই কারণে আমি ও আমার হাজব্যান্ড সাজিদ কালো পোশাক পরে গিয়েছিলাম। হাউজ অব আহমেদ আমাকে নতুন ডিজাইনের শাড়ি দেয় যার ব্লাউজ চামড়া দিয়ে তৈরি, হাতায় জারদৌজি করা। এছাড়া পুরো শাড়ির জমিনে পুঁতির কাজ করা। আমার হাজব্যান্ড পরেছিলেন কালো সিল্ক ও ভেলভেটের টাক্সিডো। এটা জুরহেমের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মেহরুজ মুনিরের ডিজাইন করা। টাক্সিডোর ভেলভেটের পুরোটা জুড়ে পুঁতির কাজ করা।’

আজরা মাহমুদ /  ছবি : ফেসবুক
   

হইচই কর্তৃপক্ষ আমার কাজ পছন্দ করেননি: তানজিকা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

তানজিকা আমিন / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

চিত্রনায়ক রিয়াজের বিপরীতে ‘বকুল ফুলের মালা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়যাত্রা শুরু তানজিকা আমিনের। তবে ছোটপর্দায় অভিনয় করে পেয়েছেন তারকাখ্যাতি। হালে ওটিটিতে অভিষেক হয়ে ক্যারিয়ারে এসেছে নতুন মাত্রা। সম্প্রতি চরকিতে মুক্তি পেয়েছে তার ওয়েব সিরিজ ‘কালপুরুষ’। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

‘কালপুরুষ’ মুক্তি পেয়েছে কয়েক দিন হলো। অল্প সময়ে সাড়া কেমন পাচ্ছেন?


এক কথায় বলতে গেলে ‘কালপুরুষ’-এর সাড়ায় আমি সন্তুষ্ট। আর একটু ব্যাখ্যা করে বলতে গেলে, আমাদের দর্শক মূলত রোমান্টিক কিংবা থ্রিলার ধাচের গল্পই বেশি দেখে থাকেন। সেদিক দিয়ে ‘কালপুরুষ’ তাদের কাছে নতুন একটি জনরা। এটির গল্প মূলত টাইম ট্রাভেল নিয়ে। সায়েন্স ফিকশনের দেশি একটি স্বাদ রয়েছে। ফলে গড়পড়তা সাড়া আশাই করিনি।

তবে এটিও জানতাম যে, সিরিজটি যেহেতু সুনির্মিত, এর গল্পটি নিটোল, একইসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী, এফ এস নাঈম, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, ইমতিয়াজ বর্ষণ, সুষমা সরকারসহ গুণী শিল্পীরা অভিনয় করেছেন, ফলে কোন দর্শক যদি নতুন কিছু দেখতে চান তাদের কাছে উপভোগ্য হবে। তাছাড়া একটা কথা বলতে চাই, দর্শক যা যা দেখতে চাইবে আমরা শুধু তাই তাই বানাবো এটা কিন্তু ঠিক না। শিল্পীর দায়িত্ব রয়েছে দর্শকের রূচি তৈরী করার। একটু রিস্ক নিয়ে যদি নতুন কিছু না করা হয়, তাহলে দর্শক আজীবন একই রূচির মধ্যেই আবর্তিত থাকবেন। সেদিক থেকে ‘কালপুরুষ’ দর্শকের রূচিতে ভিন্নতা আনার কাজ করবে বলে আমার বিশ্বাস।

তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

‘কালপুরুষ’-এ আপনি কি ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন?


মুশকিল হলো- চরিত্র নিয়ে বেশি বললেই গল্প বেরিয়ে আসবে! এটুকু বলতে পারি, আমি খুবই সাদামাটা একটি চরিত্র করেছি। এখানে পোশাক-আশাক, সাজ-সজ্জার কোন বালাই ছিল না। তবে চরিত্রটিতে অভিনয়ের সুযোগ ছিল। নির্মাতা (সালজার রহমান) বুঝেশুনে কাজ করেছেন। তিনি জানতেন ঠিক কি ধরনের পারফরমেন্স চান আমার কাছে। ফলে অভিনয়টা করার ভালো সুযোগ ছিল। ফিল্ম সিন্ডিকেটের সঙ্গে প্রথম কাজ করলাম। অভিজ্ঞতা খুব ভালো। আশা করব তাদের সঙ্গে আরও ভালো ভালো কাজ হবে আগামীতে।

তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

‘মহানগর ২’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে আপনার ওটিটিতে কাজের শুরু। সিরিজটিতে আপনার অভিনয় দারুণ প্রশংসা কুড়ায়। এরপর আপনার যতোটা কাজের সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল তা কি পেয়েছেন?


না, সেটা আমি পাইনি। আমাদের পাশের দেশেও কোন শিল্পী যদি ভালো কাজ করে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হয়, তাহলে তার আর কাজ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। মেধাবী মানুষরা তাকে কাজের সুযোগ দেন। প্ল্যাটফর্মগুলো তাকে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেটি দেখিনি। ‘মহানগর ২’ ছিল ওয়েব প্ল্যাটফর্ম হইচই-এর কাজ। তারাই আমাকে আর কোন কাজের প্রস্তাব দেয়নি। সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে আমার সহকর্মীরা ‘মহানগর ২’-এ আমার অভিনয় পছন্দ করলেও আমার ধারণা হইচই কতৃপক্ষ আমার কাজ পছন্দ করেননি। এজন্যই হয়তো তারা আমাকে আর কোন ধরনের কাজের প্রস্তাব দেননি। তবে এটা ঠিক যে, ‘মহানগর ২’-এ আমার অভিনয় দেখেই চরকি থেকে আমাকে ‘কালপুরুষ’-এর প্রস্তাব দেওয়া হয়। চরকির সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। তাদের সঙ্গেও আরও অনেক কাজ করতে চাই।

তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

চলচ্চিত্র দিয়ে আপনার পথচলা শুরু। সে পথ আর মাড়ালেন না কেন?


আসলে আমি যখন সিনেমা শুরু করি তখন তথাকথিত বানিজ্যিক ঘরানার ছবি বেশি হতো। তারমধ্যে ‘বকুল ফুলের মালা’ ছবিটা একটু আলাদা ছিল বলেই কাজ করতে রাজী হয়েছিলাম। পরে যেসব ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলাম তারমধ্যে একটার গল্পও আমার মনমতো পাইনি বলে আর ছবি করা হয়নি। তবে এখন সিনেমার অঙ্গন অনেক বদলে গেছে। এখন বরং সিনেমায় আমাদের মতো মানসিকতার অভিনয়শিল্পীর কাজের ক্ষেত্র বেশি। তাই আমি আশাবাদী হয়তো শিগগিরই আমাকে আবার সিনেমায় পাওয়া যাবে।

তানজিকা আমিন /  ছবি : ফেসবুক

আমাদের এখানে নারী তারকাদের ওপর প্রযোজকরা ভরসা করতে পারেন না। ফলে নারীকেন্দ্রিক কাজ সেভাবে হয়ও না। তবে বাঁধনকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘এষা মার্ডার’ ছবিটি। তিনি প্রযোজনাতেও সাহস দেখাচ্ছেন। বিষয়টি কিভাবে দেখেন?


আমার তো নারীদের এমন জয়যাত্রার গল্প শুনলে খুব গর্ব হয়। আমিও চাই এ ধরনের কাজ করতে। যদি কখনো সামর্থ হয়, আমিও চাইবো আমার প্রাণের কাছের কোন গল্প নিজের মতো করে বানিয়ে দর্শককে দেখাতে।

;

বিশ্ববিখ্যাত গায়িকা সেলেনা হলেন কানের সেরা অভিনেত্রী!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
কানে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন সেলেনা গোমেজ

কানে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন সেলেনা গোমেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

‘৭৭ তম কান চলচ্চিত্র উৎসব’ আজীবন স্মৃতির পাতায় অমলিন হয়ে থাকবে বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান গায়িকা সেলেনা গোমেজের।

অনেকেই ভাবতে পারেন, কান হলো চলচ্চিত্রের উৎসব আর সেলেনা হলেন গানের মানুষ। অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হওয়ার সুবাদে কোন বড় ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি কানের রেড কার্পেটে সৌন্দর্যের জৌলুস ছড়াতেই পারেন। কান উৎসবে এর বেশি আর কী করতে পারেন তিনি?

কানের রেড কার্পেটে সেলেনা গোমেজ

কিন্তু বিষয়টি অতোটুকুতে আটকে নেই। সেলেনাকে যারা অনুসরন করেন তারা জানেন, এই তারকা এতো বড় গায়িকা হয়ে ওঠার আগে থেকেই অভিনয় করতেন। শিশুশিল্পী হিসেবে ডিজনি স্টুডিওর সিরিজে অভিনয় করতেন তিনি। এজন্য একটা সময় সেলেনাকে ডিজনি গার্লও বলা হতো।

সময়ের সাথে সাথে তিনি গানকেই আপন করে নেন। সেখানে এতো বড় জায়গা দখল করে নেন যে, তার অভিনেত্রী পরিচয় ঢাকা পড়ে যায়। এরমধ্যে তিনি প্রচুর সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন। তার ঝুলিতে বেশ ক’টি রয়েছে মিউজিক অঙ্গনের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘গ্রামি’। সেলেনাই এখন ইন্সটাগ্রামে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ারপ্রাপ্ত শোবিজ তারকা।

কানের ফটোকলে ‘এমিলিয়া প্যারেজ’ নির্মাতা জ্যাক অডিয়াঁর ও সহশিলল্পী যোয়ি সালডানার সঙ্গে সেলেনা

আবারও পরিণত সেলেনা এলেন অভিনয়ে। গত ১৮ মে তার ছবির প্রিমিয়ার হয়েছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে। ‘এমিলিয়া প্যারেজ’ নামের সিনেমাটির প্রিমিয়ার শেষে পুরো টিম নয় মিনিট স্ট্যান্ডিং ওভেশন দেওয়া হয়। দর্শকদের উল্লাসের প্রতিক্রিয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেলেনা। এবারের কান উৎসবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে স্ট্যান্ডিং ওভেশন পাওয়া সিনেমা ছিল এটি।

গতকাল পর্দা নেমেছে কান চলচ্চিত্র উৎসবের। রীতি অনুযায়ী বিজয়ীর তালিকা সেদিনই প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় উঠে এসেছে সেলেনা গোমেজের নাম! ‘এমিলিয়া প্যারেজ’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্যই সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

সেলেনার ছবিটি বিশেষ জুরি পুরস্কারও পেয়েছে। সেলেনার সহশিল্পী ক্লারা সোফিয়া সেই পুরস্কার গ্রহণের জন্য কানের শেষ দিন পর্যন্ত উৎসবেই ছিলেন।   

কানের ফটোকলে সেলেনা গোমেজ

তবে সেলেনা ভীষণ ব্যস্ত শিল্পী। তাই বেশি সময় নিয়ে কান উৎসবে যাননি তিনি। ছবির প্রিমিয়ার শেষেই ফিরে চান মাতৃভূমিতে। তাই ক্লারাই সেলেনা ফোন করে সেরা অভিনেত্রী হওয়ার খবর দেন।  তখন সেলেনা নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে পিকনিক করছিলেন বন্ধুদের সঙ্গে। খবরটি শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সেলেনা। ফোনেই বলেন, ‘আমি খুবই এক্সাইটেড।’

এরপর ইন্সটাগ্রাম স্টোরিতে সেলেনা লেখেন, ‘অশেষ ধন্যবাদ কান চলচ্চিত্র উৎসব এবং জুরি বোর্ডকে।’ 

এবার জুরি বোর্ড প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন ‘বার্বি’ সিনেমাখ্যাত নির্মাতা গ্রেটা গারউইগ। সদস্য ছিলেন এভা গ্রীণ, লিলি গ্ল্যাডস্টোনের মতো অভিনেত্রীরা।

‘এমিলিয়া প্যারেজ’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন তারা

সেলেনার সঙ্গে যৌথভাবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তার ছবির তিন সহশিল্পী যোয়ি সালডানা, অ্যাড্রিয়ানা পাজ ও ক্লারা সোফিয়া গ্যাসকন। নারীকেন্দ্রিক সিনেমাটির নির্মাতা সাবেক স্বর্ণ পামজয়ী ফরাসি পরিচালক জ্যাক অডিয়াঁর।

;

ডিপজল-নিপুণের কাড়াকাড়ি, সানী-বর্ষার অনাগ্রহ!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওমর সানি, বর্ষা, ডিপজল ও নিপুণ

ওমর সানি, বর্ষা, ডিপজল ও নিপুণ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নিয়ে নাটকীয়কার কোন শেষ নেই যেন! এখন চলছে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে ডিপজল আর নিপুণের মধ্যে আইনি লড়াই। নির্বাচনের প্রায় এক মাস পর কারচুপির অভিযোগ এনে আদালনের দারস্থ হন নিপুণ। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে ডিপজলকে আপাতত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। খতিয়ে দেখা হবে এই নির্বাচনে আদৌ কোন কারচুপি হয়েছে কিনা।

এমন পরিস্থিতিতে চেম্বার আদালদের স্মরণাপন্ন হয়েছেন খলনায়ক ডিপজল। নিজের হারানো পদ ফিরে পেতে তার এই তোড়জোড়।

এই যখন অবস্থা তখন (গত শুক্রবার) নিজের ফেসবুক পেজে শিল্পী সমিতিকে নিয়ে প্রশ্ন ছুড়েছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। তিনি লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি শিল্পীদের জন্য কী কাজে লাগে তা আমি আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। যা জানি তা আর বললাম না। পাবলিকের এখন সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখার দরকার নাই। মানুষের এত ধৈর্য!’

একদিন পরই এবার সংগঠনটি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে দিলেন ওমর সানী। এর আগেও অবশ্য সানী এসব বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। চলচ্চিত্রের এক সময়ের পর্দা কাপানো এই নায়ক আর শিল্পী সমিতির সদস্যই থাকতে চান না! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি নিজেই। শিগগিরই সমিতির সভাপতির কাছে চিঠি পাঠাবেন বলেও জানান এই অভিনেতা।

গত ২৫ মে এক ফেসবুক পোস্টে সানী লেখেন, ‘আমি আর শিল্পী সমিতিতে সদস্য হিসেবে থাকতে চাচ্ছি না, আমি কয়েকদিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট সাহেবের কাছে চিঠি পাঠাব। আমার সমস্ত শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা রইল।’

তবে কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি ওমর সানী। 

;

পর্দা নামলো ৭৭তম কানের, বিজয়ের হাসি হাসলেন যারা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
এবারের স্বর্ণ পাম হাতে নির্মাতা শন বেকার, মেরিল স্ট্রিপকে সম্মানসূচক স্বর্ণ পাম তুলে দেন এভা গ্রীণ

এবারের স্বর্ণ পাম হাতে নির্মাতা শন বেকার, মেরিল স্ট্রিপকে সম্মানসূচক স্বর্ণ পাম তুলে দেন এভা গ্রীণ

  • Font increase
  • Font Decrease

গত রাতেই শেষ হলো বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রাচীন এবং সম্মানজনক আয়োজন কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৭ তম আসরের কর্মযজ্ঞ। আর রীতি অনুযায়ী শেষ দিনেই জানা গেলো কানের প্রধান প্রধান পুরস্কারজয়ীর তালিকা। তবে এবারের আয়োজন শুরুর দিনেও ছিল চমক। হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপের হাতে তুলে দেওয়া হয় কানের সম্মানসূচক স্বর্ণ পাম পুরস্কার।

আর গতকাল কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘স্বর্ণ পাম’ জিতেছে হলিউডের সিনেমা ‘আনোরা’। সিনেমাটি সেভাবে আলোচিত ছিল না। কিন্তু ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা, আলী আব্বাসি, জ্যাক অদিয়াঁর, ক্রোনেনবার্গ, কানাডা, জিয়া জ্যাং-কির মতো নির্মাতাদের টপকে শেষ পর্যন্ত স্বর্ণপাম জিতল মার্কিন নির্মাতা শন বেকারের সিনেমাটি। কমেডি-ড্রামা ঘরানার এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মাইকি ম্যাডিসন। এক যৌনকর্মীর জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। পুরস্কার জয়ের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় শন বেকার বলেন, ‘আজ রাতে কী হচ্ছে আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।’

উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে ভারতীয় নির্মাতা পায়েল কাপাডিয়ার ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’

এবারের কান উৎসবে একের পর এক চমক দেখিয়েছে ভারত। উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে ভারতীয় নির্মাতা পায়েল কাপাডিয়ার ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’। কানে প্রদর্শনীর পর ৮ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছিল এই ছবি। ৩০ বছর পর ভারতীয় কোন সিনেমা যা কান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান প্রতিযোগিতা বিভাগে জায়গা পায়। আর তাই পুরস্কার জিতে তৈরি করেছে ইতিহাস। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন কানি কুশ্রুতি, দিব্যা প্রভা, ছায়া কদম, ঋধু হারুন।

সেরা নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছেন পর্তুগালের মিগুয়েল গোমেজ। পিরিয়ড-ড্রামাধর্মী সিনেমা ‘গ্রান্ড ট্যুর’-এর জন্য এ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

‘কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন অভিনেতা জেসি প্লেমনস। সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছেন কোরালি ফারজাঁ।

‘এমিলিয়া পেরেজ’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন সেলেনা গোমেজ, যোয়ি সালডানা, অ্যাড্রিয়ানা পাজ ও ক্লারা সোফিয়া

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন এবারের উৎসবের আলোচিত সিনেমা ‘এমিলিয়া পেরেজ’-এর চার অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ, যোয়ি সালডানা, অ্যাড্রিয়ানা পাজ ও ক্লারা সোফিয়া গ্যাসকন। সিনেমাটির নির্মাতা সাবেক স্বর্ণ পামজয়ী ফরাসি পরিচালক জ্যাক অডিয়াঁর।

আলোচিত ইরানি নির্মাতা মোহাম্মদ রাসুলফ তার ‘দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ’ সিনেমার জন্য বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে চলতি মাসেই তাকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ড মাথায় নিয়েই ইরান থেকে পালিয়ে কানে উৎসবে হাজির হয়েছেন তিনি।

আঁ সার্তে রিগা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে চিনের ছবি ‘ব্ল্যাক ডগ’

আঁ সার্তে রিগা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে চিনের ছবি ‘ব্ল্যাক ডগ’।  গুয়ান হু পরিচালিত সিনেমাটির গল্প এক ব্যক্তি ও কুকুরের সম্পর্ক নিয়ে। দুজনেই একা। এই একাকিত্ব তাদের নতুন এক যাত্রার দিকে নিয়ে যায়।

এ ছাড়া আঁ সার্তে রিগায় জুরি পুরস্কার পেয়েছে ফ্রান্সের সিনেমা ‘দ্য স্টোরি অব সুলেমান’। সিনেমাটির নির্মাতা বরিস লোজকাইন। ‘দ্য স্টোরি অব সুলেমান’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য এই বিভাগে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন আবু সনগারে। ‘দ্য ড্যামড’ সিনেমার জন্য ইতালির রবার্তো মিনারভিনি হয়েছেন সেরা নির্মাতা।

‘দ্য শেমলেস’ সিনেমার জন্য আঁ সার্তে রিগা বিভাগে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন কলকাতার অভিনেত্রী অনসূয়া সেনগুপ্ত

আমাদের প্রতিবেশি দেশটি দু-দুটি ইতিহাস লিখেছে কানের পাতায়। গ্রাঁ প্রিঁ ছাড়াও আঁ সার্তে রিগা বিভাগে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন কলকাতার অভিনেত্রী অনসূয়া সেনগুপ্ত। কনস্ট্যানটিন বোঁজ্যনভের ‘দ্য শেমলেস’ সিনেমার জন্য এ পুরস্কার পান তিনি। অনুসূয়াই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কানে সেরার পুরস্কার জয় করলেন। এটি নিঃসন্দেহে ভারতীয় সিনেমার জন্য একটি ইতিহাস।
১৪ মে শুরু হয়েছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবের এবারের আসর। মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পামের জন্য লড়েছে ২২টি চলচ্চিত্র।

‘ক্রিটিকস উইক’-এর সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘গ্রাঁ প্রিঁ’ জিতেছে আর্জেন্টাইন চলচ্চিত্র ‘সায়মন অব দ্য মাউন্টেন’

সমাপনী অনুষ্ঠানের আগেই ঘোষণা করা হয় কানের সমান্তরাল বিভাগের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম। এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরাল বিভাগ ‘ক্রিটিকস উইক’-এর সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘গ্রাঁ প্রিঁ’ জিতেছে আর্জেন্টাইন পরিচালক ফেদেরিকো লুইসের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সায়মন অব দ্য মাউন্টেন’।

উঠতি বয়সের এক কিশোরের মানসিক ব্যাধির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাকে কেন্দ্র করে ছবিটির গল্প। এতে অভিনয় করেছেন আর্জেন্টাইন অভিনেতা, গায়ক ও গীতিকবি লরেঞ্জো ফেরো। এর যৌথ প্রযোজক আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়ের তিনটি পৃথক প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র : ভ্যারাইটি

;