চোখের জলে আহমেদ রুবেলকে শেষ বিদায়



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আহমেদ রুবেলকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন চিত্রনায়ক ও এমপি ফেরদৌস আহমেদ

আহমেদ রুবেলকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন চিত্রনায়ক ও এমপি ফেরদৌস আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

কুয়াশা ভেজা শীত যাই যাই করছে। এমন রুক্ষ দিনে দেশের শিল্পাঙ্গনে আরও হাহাকার তৈরি করে চলে গেলেন গুণী অভিনেতা আহমেদ রুবেল। গতকাল ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নিজের অভিনীত সিনেমা ‘পেয়ারার সুবাস’র বিশেষ প্রদর্শনী দেখতে এসে মারা গেছেন তিনি। তার আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক, স্তব্ধ গোটা শোবিজ অঙ্গন।

আহমেদ রুবেলের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আজ ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা প্লাজায় আনা হয় তার মরদেহ। ঢাকা থিয়েটারের উদ্যোগে আয়োজিত এই শ্রদ্ধা নিবেদন সকালে হাজির হন দেশের নাট্য ও সিনেমা অঙ্গনের অনেক শিল্পী-তারকা। তারা অভিনেতার প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, আবার শেয়ার করেছেন টুকরো টুকরো স্মৃতিও। অশ্রুজড়ানো কণ্ঠে সেসব বলে রুবেলের আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করেছেন।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, “অত্যন্ত অকালে চলে গেলো রুবেল। অভিনয় শিল্পে তার আরও অনেক কিছু দেওয়ার ছিল। ঢাকা থিয়েটারের অনেকে অকালে চলে গেছেন, তার মধ্যে হুমায়ুন ফরীদি, সেলিম আল দীনও আছেন। আমরা সবাইকে স্মরণ করি। আমার নির্মিত ‘গেরিলা’ ছবিতে শহীদ আলতাফ মাহমুদের চরিত্রে অভিনয় করেছিল রুবেল। সেই স্মৃতিগুলো আজও মনে ভাসে। এত দারুণ অভিনয় করেছিলো যে, আলতাফ মাহমুদ যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিলেন।”

মামুনুর রশীদ ও নাসিরউদ্দিন ইউসুফ

কিংবদন্তি অভিনেতা ও নাট্যজন মামুনুর রশীদ স্মৃতিচারণ করেছেন এভাবে, ‘এটা এত বড় আকস্মিকতা। যে প্রসঙ্গে কথা বলতে একেবারেই ইচ্ছে করে না। আমাদের চেয়ে বয়সে কত ছোট, সুস্থ, এত পথ গাড়ি ড্রাইভ করে এলো। তারপর কী হলো! আমাদের ছেড়েই চলে গেলো। আমাদেরকে একটু সুযোগও দিলো না, সেবা করার। তার সঙ্গে বহু কাজ করেছি। অভিনয় করেছি একসঙ্গে, আমার লেখা দীর্ঘ ধারাবাহিকে কাজ করেছে। তার অভিনয় জীবন আরও দীর্ঘ হতে পারতো। আরও অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে পারতো। কিন্তু কিভাবে কী হয়ে গেলো। আমাদের কাছে রয়ে গেলো জীবন্ত রুবেলের বিনিময়ে শুধু তার স্মৃতি।’

নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম বলেছেন, “স্মৃতিচারণের ভাষা নেই আসলে। এত আকস্মিকভাবে চলে গেলো। রুবেল আমাদের সবার প্রিয় অভিনেতা। গতকাল (৭ ফেব্রুয়ারি) ‘পেয়ারার সুবাস’ দেখলাম, চমৎকার অভিনয় করেছে। কী এমন বয়স হয়েছে, আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। অথচ সে চলে গেলো। এটা ভাবতেও পারছি না আমি। যাই হোক রুবেল যেখানেই থাকুক, শান্তিতে থাকুক। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।”

নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, অমিতাভ রেজা ও রেদোয়ান রনি

ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদও এসেছেন শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেন, “এমন একটা মুহূর্ত, কথা বলার মতো পরিস্থিতি নেই। অসাধারণ একজন অভিনেতা, একজন ভালো মানুষ। আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে, কিন্তু অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া কঠিন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তার সঙ্গে একটি কাজ করার, হুমায়ূন আহমেদের ‘চন্দ্রকথা’। তার সরলতা, অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করেছিল। আমি তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। অন্তর থেকে চাইবো, আহমেদ রুবেলের মতো অসময়ে কেউ যেন চলে না যায়।”
অভিনেতা ফারুক আহমেদের স্মৃতিচারণা ছিল এরকম, “১৯৮৬ সালে রুবেলের সঙ্গে আমার পরিচয়। আমার যোগ দেওয়ার তিন বছর ও ঢাকা থিয়েটারে আসে। তার উচ্চতা, কণ্ঠস্বর প্রথম দিনই আমাকে মুগ্ধ করেছিল। রুবেলের কণ্ঠস্বর শুনে আমার রীতিমতো আফসোস হতো, এত সুন্দর কণ্ঠ কীভাবে হয়! একটা স্মৃতি শেয়ার করি, সিলেটে গিয়েছিলাম শুটিং করতে। আমি বাসে করে, সে তার গাড়িতে। শুটিং শেষে রুবেল বলে, ফারুক ভাই আপনি আমার সঙ্গে যাবেন। আমি যেতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু সে জোর করে আমাকে গাড়িতে নিয়ে বসালো। আমাকে পেছনের সিটে বসিয়ে একটি বালিশ দিয়ে বলল, ‘আপনি ঘুমান। আমি ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলতে থাকি, যাতে সে না ঘুমায়।’ ভোরে যখন আজান দেয়, তখন দেখি আমি আমার বাসার সামনে। সেখানে নামিয়ে দিয়ে তবেই রুবেল তার বাসায় ফিরেছিল।”

নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ও মোরশেদুল ইসলাম

‘আয়নাবাজি’ খ্যাত নির্মতা অমিতাভ রেজা অবশ্য একটু ভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। আহমেদ রুবেলের প্রয়াণের প্রসঙ্গে তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন ধুমপান ও নেশা ছাড়ার জন্য। এছাড়া তার নিঃসঙ্গ জীবনের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। অমিতাভ রেজা বলেন, ‘রুবেল ভাই অসাধারণ অভিনেতা, অসাধারণ ভয়েস আর্টিস্ট। কিন্তু রুবেল ভাই একজন নিঃসঙ্গ মানুষ ছিলেন। এক সপ্তাহ আগেও আমরা কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করিনি। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, সহযাত্রীদের পাশে থাকেন। এবং ধুমপান বন্ধ করুন, সব ধরনের নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকুন। সাম্প্রতিক সময়ে যারাই মারা গেছেন, সকলেরই এটা প্রধানতম কারণ ছিল। এটা এখানে বলা হয়ত উচিত না। কিন্তু আমি চাই না, এরকম দুঃখ আমাদের আরও বাড়ুক।’

অভিনয়শিল্পী সংঘের নেতা-সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সংগঠনটির সভাপতি ও অভিনেতা আহসান হাবিব নাসিম। তিনি বললেন, ‘এটা সত্যি যে, আমরা একজন অসামান্য শিল্পীকে হারালাম। যার আরও অসাধারণ সব চরিত্রে কাজ করার কথা ছিল। যিনি সবসময় অভিনয় নিয়েই ছিলেন। এমন একজন মানুষ সবাইকে হঠাৎ স্তব্ধ করে দিয়ে চলে গেলেন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি।’

টাপুর ও টুপুর

অভিনেত্রী তানভীন সুইটি বলেছেন, “রুবেল ভাই আমার সহশিল্পী ছিলেন। প্রচুর কাজ করেছি তার সঙ্গে। তিনি শুধু একজন গুণী অভিনেতাই নন, একজন ভাল মানুষ। শুটিং এলে বাড়তি কথা বলতেন না, শুধু নিজের চরিত্রে থাকতেন। তাকে বলতাম, নিজের যত্ন নিন। তিনি শুধু বলতেন, ‘হবে হবে’! কী হলো! সবাইকে বলবো, তার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমিও তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।”

‘পেয়ারার সুবাস’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, “সবসময় দেখা হলেই জিজ্ঞেস করতেন, ‘পেয়ারার সুবাস’ কবে আসছে? অথচ কাল (৯ ফেব্রুয়ারি) ছবিটা আসছে, তিনি নেই। সম্প্রতি তিনি আমাদের অফিসে এসেও একটি প্রেসমিটে সবাইকে ছবিটা দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তার প্রয়াণে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি একজন গুণী মানুষকে হারালো।”

ছবিটির আরেক প্রযোজক রেদওয়ান রনি বলেছেন, “রুবেল ভাইয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেক আগের। সহকারী পরিচালক হিসেবে পথচলার শুরুর দিকেই তাকে সেটে পেয়েছি। আমার নির্মিত ধারাবাহিক ‘এফএনএফ’-এ তাকে পেয়েছি। তিনি এরকম একজন অভিনেতা, যাকে অদ্ভুত সব চরিত্রে মানিয়ে যায়। তার চেহারা, কণ্ঠস্বর; এটা সচরাচর হয় না। আমি কাল (৭ ফেব্রুয়ারি) একটা বিষয় ভাবছিলাম, আর দুইটা ঘণ্টা পরে কি হতে পারতো না! তার ছবিটা সবাই দেখছে, দর্শকের উচ্ছ্বাসটা তিনি দেখে যেতেন। আমাদের ছবিটা রুবেল ভাইকে উৎসর্গ করা হয়েছে।”

নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ও মোরশেদুল ইসলাম

জানা গেছে, শিল্পকলা একাডেমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ১টার দিকে আহমেদ রুবেলের মরদেহ নেওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানেও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জানাজা। এরপর অভিনেতার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গাজীপুরে, স্থায়ী ঠিকানায়। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে আসর নামাজের পর দাফন করা হবে।

 

   

দেখুন সোনাক্ষী-জহিরের বিয়ের মনোরম ছবিগুলো



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিয়ের দিন নব দম্পতি সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবালের রোমান্টিক মুহূর্ত

বিয়ের দিন নব দম্পতি সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবালের রোমান্টিক মুহূর্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘হীরামণ্ডি’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দারুণ সফলতার পর আজ ব্যাচেলর জীবন ঘুচিয়ে নতুন জীবনে পা রাখলেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা।

বলিউডেরেই তরুণ অভিনেতা জহির ইকবালের সঙ্গে তার বিয়ের ছবি নিজেই শেয়ার করেছেন ইন্সটাগ্রামে।

সাদার মায়ায় বিয়ের সাজে ধরা পড়লেন নব দম্পতি সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল

এতো ছিমছাম বিয়ের সাজ আলিয়া ভাটকে ছাড়া আর কোন বলিউড নায়িকাকে দেখা যায়নি। তবে সোনাক্ষী যেন আলিয়াকেও ছাড়িয়ে গেছেন। আলিয়া তাও মাথায় একটু টিকলি পরেছিলেন, সোনাক্ষী সেটিও পরেননি। যেন একেবারেই আটপৌরে সাজ অভিনেত্রীর। তারমধ্যেও সাদা হেভি অ্যাম্বিলিশমেন্ট করা শাড়িতে বিয়ের আনন্দ ঠিকরে পড়ছে চোখে মুখে। সোনাক্ষীর ভেতরের আনন্দই যেন তার গ্ল্যামার।

বর জহির ইকবালও পরেছেন সাদা পাজামা পাঞ্জাবী। সোনাক্ষীর মতো পাত্রী পেয়ে নিশ্চয়ই তিনিও দারুণ খুশি। সেই খুশির ঝলক রয়েছে তার চেহারায়ও।

সোনাক্ষী-জহিরের বিয়ের মনোরম ছবি

সোনাক্ষী-জহিরের বিয়ে ঘটনা এখন মুম্বাইয়ের টক অব দ্য টাউন। একেতো বর সোনাক্ষীর চেয়ে বয়সে ছোট। তার ওপর দুজন দুই ধর্মের! তবে এই তারকা যুগল বিয়ের বিষয়ে একেবারেই মুখ বন্ধ রেখেছিলেন।

তারপরও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে যায় এই হেভিওয়েট ওয়েডিংয়ের খুটিনাটি। এরইমধ্যে ফাঁস হয়েছে বিয়ের কার্ড। সঙ্গে লাভ বার্ডদের অডিও ক্লিপিংস, যাতে তারা এক অভিনব কায়দায় অতিথিদের বিয়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বিয়ের সাজে নব দম্পতি সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল

বিয়ের কার্ডের ডিজাইনেও রয়েছে দারুণ নতুনত্ব। হুট করে দেখলে মনে হবে কোন ম্যাগাজিনের কভার। তাতে জুড়ে দিয়েছেন এক আজব শর্ত! বিয়ের কার্ডে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, বিয়েতে লাল পোশাক পরে আসা যাবে না! বিয়ের কার্ডের চমক এখানেই শেষ নয়। তাতে রয়েছে একটি কিউআর কোড। সেটি স্ক্যান করলেই শোনা যাচ্ছে প্রায় এক মিনিটের অডিও বার্তা। তাতে সোনাক্ষী এবং জহির বলছেন, বিগত সাত বছর ধরে একসাথে রয়েছি আমরা। অভিমান আর ভালোবাসা নিয়ে কাটিয়েছি এতোগুলো বছর। এতোদিন আমরা ছিলাম চর্চিত প্রেমিক-প্রেমিকা। এখন অফিসিয়ালি স্বামী স্ত্রী হতে চলেছি।

নায়িকার বিয়ের কার্ড যে সত্যি ইউনিক একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সবচেয়ে নজর কেড়েছে তাদের সাত বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা। আজকাল খুব দ্রুত সম্পর্কগুলো ভেঙে যায়, সেখানে সাত বছর নিঃসন্দেহে বিরাট ব্যাপার।

;

কনার ‘দুষ্টু কোকিল’-এর প্রশংসায় রুনা লায়লা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
রুনা লায়লার সঙ্গে স্টেজে গাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন কনা

রুনা লায়লার সঙ্গে স্টেজে গাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন কনা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের সিনেমা ‘তুফান’-এর আইটেম গান ‘দুষ্টু কোকিল’ এখন দারুণ আলোচনায়। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনার গাওয়া এই গান গড়ছে নানা রেকর্ড। অফিসিয়াল দুটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের মাত্র একদিনের মাথায় গানটি ৫ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করে। এখন পর্যন্ত ভিউ প্রায় ১২ মিলিয়ন।

শুধু তাই নয়, গত শনিবার রাত থেকে গানটি উঠে এসেছে বাংলাদেশের ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে! এর আগে ট্রেলারে অল্প কিছু অংশতেই বাজিমাত করে ‘দুষ্টু কোকিল’! মোটামুটি অনুমেয়ই ছিল যে গানটি মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই ট্রেন্ডিংয়ে চলে আসবে! হলোও তাই। আকাশ সেনের সুর, কথা ও সংগীতে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী কনা। পারফর্ম করেছেন ‘তুফান’-এর নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। শাকিব খানকেও দেখা গেছে।

‘দুষ্টু কোকিল’ গানে শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী

এগুলো তো গেল সাধারন দর্শকের থেকে পাওয়া রি-অ্যাকশন। এবার কনা যে শিল্পীকে নিজের গানের জীবনের আইডল মনে করেন সেই কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লাও করলেন গানটির প্রশংসা।

আগামীকাল রুনা লায়লা তার সঙ্গীত ক্যারিয়ারের ৬০ বছর পার করবেন। এ প্রসঙ্গে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলার সময় উঠে আসে সাম্প্রতিক সময়ের সিনেমার গানের প্রসঙ্গও। তখন রুনা লায়লাকে আলোচিত গান ‘দুষ্টু কোকিল’ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘গানটি আমি শুনেছি। সবার মতো আমারও গানটি ভালো লেগেছে। আসলে ভালো গান হলে তা সবাই পছন্দ করবে। এই গানের কথা, সুর ও সঙ্গীতায়োজন ভালো হয়েছে। তাই দর্শক সহজে গানটি আপন করে নিয়েছে।’

স্টেজ পারফরমেন্সেও অনবদ্য রুনা লায়লা

রুনা লায়লা আলাদা করে কনার প্রশংসা করে বলেন, ‘গানটির গায়িকা কনা আমার স্নেহের মানুষ। সে আমাকে অনেক বেশি শ্রদ্ধা করে। গানটি মুক্তির পর সেই আমাকে লিংক পাঠায়। আমি শুনে তাকে বলেছি, কনা আমার গানটি পছন্দ হয়েছে। তুমি ভালো গেয়েছো। তোমার এক্সপ্রেশনগুলো গানটির সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে গেছে। কনার জন্য দোয়া থাকলো, সে যেন আরও ভালো ভালো গান আমাদের উপহার দেয়।’

বিটিভির আনন্দমেলা অনুষ্ঠানে রুনা লায়লার সঙ্গে নুসরাত ফারিয়া ও কনা

বিষয়টি কনাকে জানানোর পর তিনি ভীষণ আপ্লুত হয়ে পড়েন। বার্তা২৪.কমকে কনা বলেন, ‘আসলে আমি রুনা লায়লার কতো বড় ভক্ত তা তিনি জানেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে প্রায় সব ইন্টারভিউতে বলে আসছি আমার গানের আইডল রুনা লায়লা ম্যাডাম। তিনি অসম্ভব ভার্সেটাইল একজন শিল্পী। তিনি যেমন জটিল ক্ল্যাসিক্যাল গানে পারদর্শী, তেমনি মিষ্টি রোমান্টিক গানেও তার কণ্ঠ পারফেক্ট। তিনি গজল যেমন অসাধারন গাইতে পারেন তেমনি চটুল কথার গানগুলোও তার কণ্ঠে অণ্যরকম মাদকতা তৈরী করে। আমি যেহেতু তাকে অনুসরন করি, তাই আমার কাছে যে ধরনের গানই আসুক না কেন আমিও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে থাকি। এজন্য রোমান্টিক কিংবা স্যাড গানের পাশাপাশি আমাকে আইটেম গানেও পাওয়া যায়।’

‘দুষ্টু কোকিল’ গানে মিমি চক্রবর্তী ও শাকিব খান

কনা আরও বলেন, ‘গানটি রুনা লায়লা ম্যাডাম পছন্দ করেছেন, এটি আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। কারণ তিনি নিজেই আস্ত একটা গানের ইনস্টিটিউশন। তার প্রশংসা পাওয়া কোন অ্যাওয়ার্ডের চেয়ে কম কথা নয়। তাকে গানটি পাঠানোর পর তিনি আমাকে তার ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন, আমাকে দোয়াও করেছেন। তবে সেই অনুপ্রেরণা আমি একান্তই নিজের মধ্যে রাখতে চেয়েছিলাম। যেহেতু আপনি নিজেই তার কাছ থেকে বিষয়টি জেনেছেন এখন আমার বলতে কোন দ্বিধা নেই যে রুনা ম্যাডাম দুষ্টু কোকিল-এর প্রশংসা করেছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

বিটিভির আনন্দমেলা অনুষ্ঠানে রুনা লায়লার সঙ্গে গাওয়ার সুযোগ পান কনা ও এ সময়ের তিন শিল্পী

;

লাল রঙের পোশাক নিষেধ সোনাক্ষীর বিয়েতে!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম

সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম

  • Font increase
  • Font Decrease

সঞ্জয়লীলা বানসালীর ‘হীরামণ্ডি’ ওয়েব সিরিজে দারুণ সফলতার পর আজ ব্যাচেলর জীবন ঘুচিয়ে নতুন জীবনে পা রাখার কথা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার। বলিউডের তরুণ অভিনেতা জহির ইকবালের সঙ্গে তার বিয়ের ঘটনা এখন মুম্বাইয়ের টক অব দ্য টাউন।

একেতো বর সোনাক্ষীর চেয়ে বয়সে ছোট। তার ওপর দুজন দুই ধর্মের! তবে এই তারকা যুগল বিয়ের বিষয়ে একেবারেই মুখ বন্ধ রেখেছেন।

সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম

তারপরও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে গেলো এই হেভিওয়েট ওয়েডিংয়ের খুটিনাটি। এরইমধ্যে ফাঁস হয়েছে বিয়ের কার্ড। সঙ্গে লাভ বার্ডদের অডিও ক্লিপিংস, যাতে তারা এক অভিনব কায়দায় অতিথিদের বিয়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বিয়ের কার্ডের ডিজাইনেও রয়েছে দারুণ নতুনত্ব। হুট করে দেখলে মনে হবে কোন ম্যাগাজিনের কভার। তাতে জুড়ে দিয়েছেন এক আজব শর্ত! বিয়ের কার্ডে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, বিয়েতে লাল পোশাক পরে আসা যাবে না! কিন্তু কেন? অভিনেত্রীর হঠাৎ লালে এতো আপত্তি কেন? অতিথিদের আবার কেউ এমন শর্ত দেয় নাকি?

জহির ইকবাল ও সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম

না, এ বিষয়ে সোনাক্ষী কিছুই জানাননি। তবে নেটিজেনদের ধারনা, বিয়েতে শুধু নববধূই লাল রঙের পোশাক পরবেন। অন্যদের সঙ্গে পোশাকের রঙ মিলে গেলে তাকে আর স্পেশ্যাল লাগবে না এই চিন্তা থেকেই হয়তো অতিথিদের লাল পরতে নিষেধ করেছন।

বিয়ের কার্ডের চমক এখানেই শেষ নয়। তাতে রয়েছে একটি কিউআর কোড। সেটি স্ক্যান করলেই শোনা যাচ্ছে প্রায় এক মিনিটের অডিও বার্তা। তাতে সোনাক্ষী এবং জহির বলছেন, বিগত সাত বছর ধরে একসাথে রয়েছি আমরা। অভিমান আর ভালোবাসা নিয়ে কাটিয়েছি এতোগুলো বছর। এতোদিন আমরা ছিলাম চর্চিত প্রেমিক-প্রেমিকা। এখন অফিসিয়ালি স্বামী স্ত্রী হতে চলেছি।

সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম

নায়িকার বিয়ের কার্ড যে সত্যি ইউনিক একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সবচেয়ে নজর কেড়েছে তাদের সাত বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা। আজকাল খুব দ্রুত সম্পর্কগুলো ভেঙে যায়, সেখানে সাত বছর নিঃসন্দেহে বিরাট ব্যাপার।

শোনা যাচ্ছে, সোনাক্ষী-জহিরের বিয়ের আসর বসছে শিল্পা শেঠীর রেস্তোরা ‘বাস্তিয়ান’-এ। শুরুতে শোনা গিয়েছিল ছিমছামভাবে বিয়েটা সারবেন এই তারকা জুটি। তবে আস্তে আস্তে জানা যাচ্ছে বলিউডের অন্য বিয়ের মতো এটিও হবে দারুণ জমকালো। অভিনেত্রী তার বিয়েতে আবুজানি স্বন্দীপ খোসলার ডিজাইন করা সারারা পরবেন বলেও জানা গেছে।

জহির ইকবাল / ছবি : ইন্সট্রাগ্রাম
;

যেন আজীবন এভাবে গেয়ে যেতে পারি: ক্যারিয়ারে ৬০ পেরিয়ে রুনা লায়লা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
রুনা লায়লা / ছবি : শেখ সাদী

রুনা লায়লা / ছবি : শেখ সাদী

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল সঙ্গীত ক্যারিয়ারে বর্ণাঢ্য ছয় দশক (৬০ বছর) পার করবেন উপমহাদেশের অন্যতম সেরা শিল্পী রুনা লায়লা। বাংলা গানের ভাণ্ডার তার অসম্ভব সমৃদ্ধ। হিন্দি ও উর্দু ভাষায়ও রয়েছে তার কালজয়ী একাধিক গান। মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান করেছেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ‘স্বাধীনতা পদক’-এ তিনি ভূষিত হয়েছেন অনেক বছর আগে। চলচ্চিত্রে গান পেয়ে পেয়েছেন ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। জীবন্ত কিংবদন্তী এই গায়িকা জীবনের এমন শুভলগ্নে কথা বলেছেন বার্তা২৪.কমের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

মন্ত্রীর হাত থেকে এ বছর বাইফা আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা

ছয় দশক, বিরাট ব্যাপার। আপনি সমান ব্যস্ততার সঙ্গে গানের ক্যারিয়ারে ৬০টি বছর পার করলেন। বিষয়টি ভাবতে কেমন লাগছে?


সত্যি ভাবতে অবাক লাগছে! বুঝতেই পারছি না এতোটা বছর কিভাবে গানের সঙ্গে কেটে গেলো। আমি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি অসম্ভব কৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে যে জীবনটা দিয়েছেন, তার কোন তুলনা হয় না। সৃষ্টিকর্তার রহমত, বাবা মায়ের সহযোগীতা এবং আমার গুরুদের আশির্বাদে এতোটা পথ পাড়ি দিতে পেরেছি।

আজ অন্তর থেকে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছে করছে আমার ভক্ত-দর্শক-শ্রোতাদের। তারা আমার গান পছন্দ করেছেন সারাটা জীবন। তাই আমি এখনো গেয়ে যাচ্ছি। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, সমাদর আর শ্রদ্ধা আমি পেয়েছি তা বর্ননা করা যাবে না। এমন ভালোবাসা ক’জনের ভাগ্যে জোটে আমি জানি না।

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আজীবন এভাবে গেয়ে যেতে পারি। এখনো অনেক গান করতে চাই। আরও ভালো ভালো কিছু গান সবাইকে উপহার দিতে চাই।

পারফরমেন্সের সময় রুনা লায়লার আইকনিক ভঙ্গি, বিটিভির আনন্দমেলা অনুষ্ঠানে

স্কুল জীবন থেকেই পেশাদার শিল্পী হিসেবে পথচলা আপনার। যখন শুরু করেছিলেন তখন কি ভেবেছিলেন ছয় দশক পরও মানুষ আপনার গান শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে থাকবে?


(মৃদু হাসি) একদম ভাবিনি। এটা আসলে কেউ ভাবতে পারেও না। কারণ ভবিষ্যতে কি হবে সেটা তো আমরা আগে থেকে জানতে পারি না। তবে এটা স্বপ্ন দেখতাম, একদিন সবাই আমার গান পছন্দ করবে, আমাকে গানের মাধ্যমে ভালোবাসবে।

রুনা লায়লার হাত থেকে বাইফা পুরস্কার গ্রহণ করে আপ্লুত হন প্রখ্যাত অভিনেতা আফজাল হোসেন

ইউনিক গায়কীর জন্য আপনি প্রসিদ্ধ। এই গায়কী কতো শতাংশ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত আর কতো শতাংশ চর্চার ফসল বলে মনে করেন?


গান আসলেই সাধনার বিষয়, গুরুমূখী বিদ্যা। তবে অনেকে কোন তালিম ছাড়াও গাইতে পারেন। তার মানে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত একটা বিষয় আছে আর চর্চারও একটা বিষয় আছে। সৃষ্টিকর্তা কাউকে গলায় সুর না দিলে চেষ্টা করেও সুরেলা করা যায় না। তবে কারও সুর ভালো হলেই হয় না। প্রতিনিয়ত চর্চা ও সাধনার ফলে কণ্ঠ শাণিত হয়। তখন সেই কণ্ঠে গান হয়ে ওঠে মোহনীয়।

একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলে, বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা, বলিউড ডিভা শ্রীদেবী ও পাকিস্তানের কিংবদন্তি গায়িকা আবিদা পারভীন

৬০ বছর পার করার পরও আপনি আপনার গায়কী ধরে রেখেছেন। যেটা অনেক শিল্পীর ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। এটি কিভাবে হয়েছে?


আমি আসলে জীবনটা বহুকাল আগে থেকেই ডিসিপ্লিনের মধ্যে এনেছি। শুধু নিয়ম করে গলা সাধলেই হয় না। পুরো জীবনপ্রণালী হতে হয় নিয়মতান্ত্রিক। এক্ষেত্রে সারগাম করা যেমন ইমপরটেন্ট, তেমনি রয়েছে খাদ্যাভ্যাস, শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া, মোস্ট ইমপরটেন্টলি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া। শিল্পীকে দীর্ঘকাল তার শিল্পস্বত্তার মধ্যে নিবিষ্ট থাকতে হলে তার চারপাশটা সুস্থ ও সুন্দর রাখতে হয়। পজিটিভ চিন্তা ভাবনা, পজিটিভ এনার্জির সঙ্গে ওঠাবসা করা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত ইমপ্রুভ করার মানসিকতা থাকতে হয়।

রুনা লায়লাকে শুধু গানের শিল্পীরা নন, আইডল মনে করেন সব মাধ্যমের শিল্পীরা। তাকে চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহার মিমের সম্মান প্রদর্শণ

আমি মনে করি, গানের মহাসমূদ্রে আমি কেবল তীরে এসে পৌঁছানো এক মুসাফির! এখনো কতোকিছু শেখার বাকী। এখনো আমি শিখে চলেছি। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত শিখে যাবো, আর নতুন সৃষ্টিতে সেই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে যাবো। এই কাজটি করি বলেই হয়তো দর্শক আমার গান এখনো পছন্দ করেন, আমাকে নতুনভাবে ফিরে পান।

লতা মঙ্গেশকর ও রুনা লায়লা (জীবনের দুই সময়ে)

আপনার গান অসংখ্য শিল্পীর অনুপ্রেরণা। আপনি কোন শিল্পীর গান শুনে অনুপ্রাণীত হতেন?


লতাজি’র (লতা মঙ্গেশকর) কথা সবার আগে বলতে হয়। এছাড়া আশাজি (আশা ভোসলে), নুরজাহান ও আমাদের দেশের ফেরদৌসী রহমান আপা, আঞ্জুমান আরা আপার কথা বলতেই হয়। লতাজি-আশাজি’র সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়ে উঠেছিল পরিবারের মতো। লতাজি চলে যাওয়ার আগে প্রায় প্রতিদিনই তার সঙ্গে ওয়াটস্যআপে ইন্টার‌্যাকশন হতো। যেদিন কথা বলতাম অনেক লম্বা হতো সেই আলাপ। এখন আশাজির সঙ্গেও একই রকম যোগযোগ রয়েছে।

যেখানেই যান রুনা লায়লাকে এভাবেই ভক্তরা ঘিরে ধরেন / ছবি : শেখ সাদী
;