অনলাইনেই পাল্লা ক্রিস হেমসওয়ার্থ-জেসন মামোয়ার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্রিস হোমসওয়ার্থ ও জেসন মোমোয়া

ক্রিস হোমসওয়ার্থ ও জেসন মোমোয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিস হোমসওয়ার্থ ও জেসন মোমোয়া- হলিউড প্রেমীদের কাছে খুবই পরিচিত দুই নাম। সুশ্রী চেহারা, শরীরী আবেদন, দারুণ হিউমার ও অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা ছাড়াও এই দুই অভিনেতা ভক্তদের মাঝে অন্য এক কারণে আলোচিত। তা হলো তাদের সুঠাম শারীরিক গঠন। আকর্ষনীয় শারীরিক উচ্চতার কারণেও বিশ্বব্যাপী রমনীদের স্বপ্নের পুরুষ তারা। ক্রিস ও জেসনের উচ্চতা যথাক্রমে ৬ ফিট ৩ ইঞ্চি এবং ৬ ফিট ৪ ইঞ্চি।

জেসন মোমোয়া

সম্প্রতি অ্যাকুয়াম্যানের পোশাক পরে জেসন টিকটকে একটি ছোট ভিডিও আপলোড করেন। সেখানে তিনি হাস্যরসাত্মকভাবে হেমসওয়ার্থকে উদ্ধেশ্য করে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কি অবস্থা হেমসওয়ার্থ? আমার এই মাসলগুলো দেখো। তোমার ওয়ার্কআউট করতে হয়েছিল। আমাকে করতে হয়নি!’

ক্রিস হোমসওয়ার্থ 

তার প্রতুত্তরে ক্রিসও হাতাকাটা জামায় নিজের পেশি পরিদর্শন করেন। টিকটক ভিডিওতে ক্রিস বলেন, ‘কি সুন্দর প্যাডযুক্ত স্যুট পড়েছ জেসন। তবে আমি স্কিনস্যুটই পছন্দ করি।’

এরপর তিনি ফিসফিসিয়ে ক্যামেরায় ‘আই লাভ ইউ অ্যাকুয়াম্যান’ বলেন। শিগগিরই জেসনের ‘অ্যাকুয়াম্যান ২’ সিনেমা আসতে যাচ্ছে। সম্ভবত অ্যাকুয়াম্যান চরিত্রে শেষবারের মতো পর্দায় দেখা দেবেন জেসন।

`অ্যাকুয়াম্যান’ সিনেমায় জেসন মোমোয়া

এর আগে গেম অফ থ্রোনস, ডিউন, এক্স-টেন, উলভ, দ্য ব্যাড ব্যাচ, বুলেট টু দ্য হেড, বেওয়াচের মতো মেগা প্রজেক্টে কাজ করেছেন জেসন। তবে ডিসি কমিকের সুপারহিরো ‘অ্যাকুয়াম্যান’ চরিত্রে অভিনয় করে পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফলতা।

আসন্ন ‘ফুরিওসা’ সিনেমায় ক্রিস হেমসওয়ার্থ

অপর দিকে ডিসির অঘোষিত প্রতিদ্বন্দী মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম জনপ্রিয় থরের চরিত্রে এক যুগ ধরে অভিনয় করছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ। ২০২৪ সালে তার সিনেমা ‘ফুরিওসা’ আসবে। এর আগে স্নো হোয়াইট এন্ড দ্য হান্টসম্যান, এক্সট্রাকশন, রাশ, ম্যেন ইন ব্ল্যাকের মতো বড় সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি।
তথ্যসূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

   

পর্তুগালে পুরস্কৃত নৃত্যশিল্পী সাদিয়া



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি পর্তুগালের পোর্তো শহরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বাতালহা সেন্ট্রো দে সিনেমা পর্তুগালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত 'তিতাস একটি নদীর নাম' ছবি প্রদর্শন, আন্তঃসাংস্কৃতিক পুরস্কার ’২৩ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পর্তুগালের সামাজিক সংগঠন Espaco T অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তো এবং বাতালহা সেন্ট্রো দে সিনেমা পর্তুগাল সম্মিলিতভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক একীকরণ বিষয়ে কাজ করে যাওয়া পর্তুগালের আলোচিত সংগঠন Espaco T’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনও ছিল এ আয়োজনের অংশ।

অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল আন্তঃসাংস্কৃতিক পুরস্কার প্রদান। এতে নৃত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয় সাদিয়া ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম ইভানকে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে, পর্তুগালে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান রীতিমতো প্রশংসনীয়।

সম্মাননাপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়, দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। আর বিদেশের মাটিতে স্বীকৃতি পাওয়ার অন্য রকম অনুভূতি রয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতিকে আমি বিদেশের মাটিতে খুব জোরালোভাবে তুলে ধরতে চাই।’

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Espaco T -এর প্রেসিডেন্ট জর্জ অলিভেইরা, পর্তুগিজ অলিম্পিক বিজয়ী রোজা মাতা, ডেপুটি মেয়র সিটি কাউন্সিলর পেদ্রো বাগানহা, সিটি কাউন্সিলর ড. ফার্নান্দো ফাউলো, সিটি কাউন্সিলর ড. কাতারিনা আরাউজো, পুলিশ কর্মকর্তা, ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলরসহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত রেজিনা আহমেদ, প্রথম সচিব, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর সভাপতি শাহ আলম কাজল, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলিমসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি।

প্রসঙ্গত, ছোটবেলা থেকেই নাচের সঙ্গে সখ্য সাদিয়া ইসলামের। পর্তুগালে প্রফেশনাল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি অব্যাহত রেখেছেন নৃত্যচর্চা। ইভানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইউরোপে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন সাদিয়া।

;

সিডনিতে সোলসের গানে মাতলো বাংলাদেশি চিকিৎসকেরা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্যান্ডদল সোলস। ২০২৩ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরের মধ্য দিয়ে ব্যান্ডটি সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছিল। এদিকে নতুন বছরে প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছে সোলসের পুরো টিম।

এবার সিডনির নিউ সাউথ ওয়েলস’র বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি’র আমন্ত্রণে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পারফর্ম করে সোলস। দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রায় বিশটি গান পরিবেশন করে ব্যান্ডটি। গানগুলো হলো- এ এমন পরিচয়, মন শুধু মন ছুঁয়েছে, দেখা হবে বন্ধু, রাত এখনো বাকি,এই মুখরিত জীবনের চলার বাঁকে, ব্যাস্ততা আমাকে দেয় না, বৃষ্টি দেখে অনেক কেঁদেছি, চায়ের কাপে পরিচয়, বাঁশি শুনে আর কাজ নাই, ও বন্ধু তোকে মিস করছি, কেন এই নিঃসঙ্গতা, রিমঝিম ঝিম বৃষ্টি পরে, সাগরের প্রান্তরে শুনি, সারাদিন তোমায় ভেবে, সুখ পাখি আইলো উড়িয়া।

পুরনো গানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকেরা। অনুষ্ঠানটি প্রসঙ্গে সোলস ব্যান্ডের প্রধান পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘সিডনিতে এর আগে বহুবার গান করেছি। এখানকার শ্রোতারা বাংলা গানকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। এবার এসেছি বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি’র আমন্ত্রণে। সত্যি বলতে আমাদের দেশের চিকিৎসকরা সিডনিতে অনেক সম্মানিত। তাদের জন্য গাইতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

সোলস ছাড়াও অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন প্রিয়াংকা বিশ্বাস, অভিজিৎ , রাজিব, খালিদ, রানা ও সোহেল খান।

আগামী ২ মার্চ মেলবোর্নে মিউজিক্যাল ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করবে সোলস। অস্ট্রেলিয়া সফরে সোলস টিমে রয়েছেন নাসিম আলী খান, পার্থ বড়ুয়া, মীর মাসুম, শেখ আহসানুর রহমান আশিক, মারুফ হাসান রিয়েল, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার শামীম আহমেদ ও লাইটিংয়ে ইভান। আগামী ১২ মার্চ সোলস টিম দেশে ফিরবেন বলে জানায় ব্যান্ড সদস্যরা।

উল্লেখ্য, ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতিমধ্যে বেশকটি গান প্রকাশ করেছে সোলস। গানগুলো হলো ‘সাগরের প্রান্তরে’, ‘কিতা ভাইসাব’, ‘রিকশা’, ‘যদি দেখো’ ও ‘হাওয়াই মিঠাই’ ও বাহানা

;

শিল্পীদের স্বার্থে কাজ করাই আমার লক্ষ্য:  ডিপজল



বিনোদন ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী এপ্রিলের মাঝামাঝি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে এখন পর্যন্ত একটি প্যানেল চূড়ান্ত হয়েছে। এটি হচ্ছে, মিশা সওদাগর ও চলচ্চিত্রের মুভিলর্ডখ্যাত মনোয়ার হোসেন ডিপজলের নেতৃত্বে প্যানেল।

প্যানেলটি ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রাঙ্গণে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। এ প্যানেল নিয়ে সমিতির সদস্যদের মধ্যে বেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক সদস্য মনে করছেন, শিল্পী সমিতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে পরিণত করতে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্ব এ মুহূর্তে বেশি প্রয়োজন। সমিতির মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর করে সমিতির সদস্যদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। শুধু তাই নয়, সদস্যদের কল্যাণে তারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারবে।

অনেক সদস্যর সাথে আলাপকালে তারা বলেছেন, ডিপজল সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা উনাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চাই। কারণ, তিনিই পারবেন সমিতিকে একটি মর্যাদার আসনে নিয়ে যেতে। তাছাড়া, তিনি নেতৃত্বে থাকুন বা না থাকুন, সারা বছরই তিনি সদস্যদের পাশে দাঁড়ান। সদস্যদের যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এমন কোনো সাধারণ সদস্য নেই, যারা তার সহযোগিতা পাননি কিংবা পাচ্ছেন না। তিনি কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। তিনি সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে, সমিতিরই লাভ হবে। সমিতির মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সদস্যরা উপকৃত হবে।


এদিকে, ডিপজলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার লক্ষ্য হচ্ছে, সমিতিকে চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদার আসনে নিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা ও কল্যাণ করা। শিল্পীরা যাতে মর্যাদা নিয়ে ভাল থাকে, এ ব্যবস্থা করা। এখন সিনেমার সংখ্যা কমে যাওয়ায় অনেক শিল্পী বেকার হয়ে গেছে। তাদের হাতে কাজ নেই। আমি চেষ্টা করব, চলচ্চিত্রের অন্যান্য সংগঠনের সাথে সমন্বয় করে কিভাবে সিনেমার সংখ্যা বাড়ানো যায়, এ উদ্যোগ নিতে। যারা একসময় নিয়মিত সিনেমা বানাতেন অথচ এখন বানাচ্ছেন না, তাদের প্রযোজনায় ফিরিয়ে আনব। অনেক প্রযোজক সমিতিরও সদস্য। তাদের সিনেমা বানাতে উৎসাহিত করব। এতে যদি বছরে দশটি সিনেমাও হয়, তাতে শিল্পীদের অনেকে কাজ পাবে। আমি নিজেও একের পর এক সিনেমা বানাচ্ছি। এটা চলমান থাকবে।

তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমিতির কিছু বদনাম হয়েছে। সে সময় আমি বারবার বলেছি, নিজেদের মধ্যকার সমস্যা প্রকাশ্যে না এনে মিলেমিশে সমিতির সুনাম ধরে রাখতে। সেই কমিটি থেকে কোনো কোনো সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিরক্ত হয়ে পদত্যাগও করেছিলেন। এতে সমিতির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এটা ভাল দেখায়নি। এবার আমি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে সকল সিনিয়রদের সাথে নিয়ে সমিতির সুনাম, শৃঙ্খলা ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনব। শিল্পীরা যাতে অসহায় বোধ না করে, সম্মানের সাথে চলাফেরা করতে পারে এ ব্যবস্থা নেব।


ডিপজল বলেন, আমি চাই, কোনো ধরনের কোন্দল ছাড়া নির্বাচনটি আনন্দমুখর করে তুলতে। সবাই এফডিসিতে আসবে, সবার সাথে সুসম্পর্ক থাকবে, এক পরিবারের মতো চলাফেরা করবে, এমন একটি নির্বাচন করতে চাই। গত বছর নির্বাচনে চলচ্চিত্রের অন্যান্য সংগঠনের সদস্যদের প্রবেশে বিধিনিষেধ ছিল, যা খুবই নিন্দনীয় ছিল। এবার আমরা সকল সংগঠনের জন্য উন্মুক্ত করে দেব, যাতে তারা নির্বাচনটি উপভোগ করতে পারে। নির্বাচনে আমি চলচ্চিত্রের সব সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করি।

;

শাস্ত্রীয় নৃত্যের নতুন দুই প্রযোজনা নিয়ে ‘প্রজন্ম’



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
শাস্ত্রীয় নাচের সংগঠন ‘প্রজন্ম’র শিল্পীরা

শাস্ত্রীয় নাচের সংগঠন ‘প্রজন্ম’র শিল্পীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

অনেক বছর ধরেই উন্নতমানের হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় নাচ ও গান শেখার সুযোগ করে দিচ্ছে ভারতীয় হাই কমিশনের অঙ্গ সংগঠন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার। এই সেন্টারের শিক্ষা বৃত্তি পেয়ে ভারতে পড়াশুনা করে আসার ফলে বাংলাদেশ অনেক গুণী শিল্পী পেয়েছে। ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের বৃত্তি পেয়ে ভারত থেকে পড়াশুনা করে আসা তেমনি কয়েকজন শিল্পী মিলে গড়ে তুলেছেন ‘প্রজন্ম’ নামের শাস্ত্রীয় নাচের সংগঠন।

এবার তারা দর্শকের জন্য নতুন দুটি প্রযোজনা নিয়ে হাজির হচ্ছে। আগামীকাল ২৭ মার্চ ধানমণ্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে সন্ধ্যায় প্রদর্শিত হবে সেই প্রযোজনা দুটি। যার নাম ‘ঝালাক’ ও ‘ফায়ারফ্লাইস’। দুটি প্রযোজনার নৃত্যপরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের মেধাবী কত্থক নৃত্যশিল্পী মোহাম্মদ হানিফ।তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ঝালাক হলো সম্পূর্ণ আমাদের মেধাপ্রসূত ফসল। এখানে আমরা পাঁচজন সলো শাস্ত্রীয় নৃত্য পরিবেশন করব। আর ফায়ারফ্লাইস হলো প্রখ্যাত নৃত্যজন লুবনা মারিয়ামের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সাধনার একটি নৃত্যনাট্য। তবে আমরা সেটি একেবারেই নবরূপে উপস্থাপক করব। লুবনা খালা আমাদের সেই স্বাধীনতা ও অনুমতি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই নতুন দুটি প্রযোজনা মঞ্চে আনার জন্য তিনি আমাদের সামগ্রিকভাবে সহায়তা করেছেন। আর আর্থিকভাবে আমরা সহায়তা পেয়েছি খাগড়াছড়ির ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জিতেন চাকমার কাছ থেকে। তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’

হানিফ ছাড়াও প্রযোজনা দুটিতে নৃত্য পরিবেশন করবেন তাজিম চাকমা, অপর্ণা নিশি, তিয়াসা দে, পূজা চ্যাটার্জি, এরা, রাহুল, ফাহমিদা, শাশ^তী, সাকিব, মাহতাবুল, আখিনুর ও মুনমুন।

;