শিশুদের সারপ্রাইজ দিলেন সালমান, গাইলেন আতিক



বিনোদন রিপোর্ট, বার্তা ২৪.কম
শিশুদের সঙ্গে অতিথিরা

শিশুদের সঙ্গে অতিথিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীতে চলমান ‘লাল সবুজের মহোৎসব’-এর উদ্বোধনী দিনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে ‘যদি রাত পোহালে গানে’ কণ্ঠ মিলিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষেও শিল্পীদের সঙ্গে গাইতে দেখা যায় তাকে। এবার উৎসবের দ্বিতীয় দিনে শিশুদের জন্য গাইলেন এই মেয়র। স্পন্দন ব্যান্ডের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে মেয়র আতিক গাইলেন আজম খানের গান ‘এত সুন্দর দুনিয়ায়’।

সঙ্গীতপাগল এই মেয়রের কাণ্ড দেখে গ্যালারিতে হাজার হাজার শিশু উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, উৎসবের পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান কয়েক হাজার শিশুর মাঝে উপহার পৌঁছে দেন। আগত শিশুরা হঠাৎ ‘সারপ্রাইজ’ হিসেবে ব্যাগ ভর্তি নানা রঙের উপহার পেয়ে খুশীতে ফেটে পড়ে। পরবর্তীতে কয়েকজন শিশুর হাতে উপহার তুলে দেন সালমান এফ রহমান নিজেই।


তবে, এর আগে শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় নৃত্য, গানে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় উদযাপিত হয় সন্ধ্যাটি। পরিবেশনার পাশাপাশি দর্শক-শোতাও ছিলো শিশুরাই। আর এভাবেই বর্ণিল রূপ পেল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে হাতিরঝিলের অ্যামফিথিয়েটারে চলমান ‘বিজয়ের ৫০ বছর : লাল সবুজের মহোৎসব’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার ছিল এফবিসিসিআই আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন। শিশুদের অংশগ্রহণে নানা পরিবেশনার শিশুদের পরিবেশনা শেষে সঙ্গীত পরিবেশন করে ব্যান্ডদল স্পন্দন ও ধ্রুবতারা।

এতে নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমবেত শিশুরা অংশ নেয়। বাংলার ষড়ঋতুসহ দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন গেন্ডারিয়া কিশালয় কচিকাঁচার মেলার শত শিশু শিল্পী।


প্রায় এক ঘন্টার নাচ-গানের পরিবেশনায় মাতিয়ে রাখে তারা। শুরুতেই সম্মেলক কণ্ঠে তারা গেয়ে শোনায়- জয় বাংলা বাংলার জয়/হবে হবে নিশ্চয়/কোটি প্রাণ একসাথে জেগেছে অন্ধরাতে/জেগে ওঠার এই তো সময় ...।

এই সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচ করে আরেক দল। নেপথ্যে উচ্চারিত হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের নানা অধ্যায়। পরের পরিবেশনার শিরোনাম ছিল ‘গ্রীস্ম বর্ষা শরৎ হেমন্ত শীত বসন্ত’।

এই গানের সুরে নৃত্যশিল্পীরা ফুল, পাখির সঙ্গে ছাতা মেলে নাচ করে। এভাবেই পুরো আয়োজনটি এগিয়ে চলে নৃত্য-গীতের সম্মিলনে। ষড়ঋতুনির্ভর পরিবেশনার মাঝে বয়ে যায় মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়। মনোমুগ্ধকর নাচের সঙ্গে ব্যাকড্রপ স্ক্রিনের আকাশে ভেসে বেড়ায় শরতের নীলাকাশ। দুলতে থাকে শ্বেতশুভ্র কাশফুল।


এভাবেই নানা অনুষঙ্গের আশ্রয়ে প্রতিটি ঋতুই উঠে অনিন্দ্য সুন্দর উপস্থাপনায়। তাদের সেই পরিবেশনায় মুগ্ধতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দর্শকসারি থেকে বারংবার ঝরে পড়ে করতালি। গ্যালারিজুড়ে ছড়িয়ে ছিল জাগো ফাউন্ডেশনের এক হাজার শিশু-কিশোর শ্রোতা-দর্শক।

এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্র্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান।


দর্শকসারিতে উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, তোমরা আনন্দ নিয়ে পড়াশোনা করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি গান শিখবে, কবিতা আবৃত্তি করবে, বিতর্ক করবে। তোমদেরকে আনন্দ নিয়ে পড়াশোনার করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই বক্তব্যে শিশু-কিশোররা করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

সালমান এফ রহমান বলেন, বিজয়ের ৫০ বছর আমাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ববহ। কারণ, এই দেশ স্বাধীন না হলে আজ আমরা কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম না। ব্যবসায়ী কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ও আমাদের হতো না। তাই আমাদের জাতীয় জীবনে এইসময়টি আর আসবে না। সে কারণেই আমরা সিদ্ধান্ত নেই বিজয়ের মাসের শুরু থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত আমাদের এই বিজয় উদযাপন করবো।

এদিনের পরিবেশনা পর্বে উপস্থাপিত আরো কয়েকটি গানের শিরোনাম ছিল- ‘পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে/আয় রে আয় আয়’, ‘বাজেরে বাজে ঢাক/এলো বৈশাখ’, ‘শিউলিতলায় ভোরবেলায় পুষ্প কুড়ায় পল্লী বালা’, ‘আমার মাইজা ভাই সাইজা ভাই কই গেলারে’


আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। আজ শুক্রবার তৃতীয় দিনের আয়োজনে পরিবেশিত হবে নারীদের বিশেষ অনুষ্ঠান।

সহযোগিতা পেলে ‘কাগজের ফুল’ নির্মাণ করতে চান ক্যাথরিন মাসুদ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তারেক মাসুদের অসমাপ্ত ‘কাগজের ফুল’ সিনেমাটির শুটিং শেষ করে মুক্তি দিতে চান ক্যাথরিন মাসুদ । চার বছর পর বাংলাদেশে এসে আবারও তিনি কথা বললেন ছবিটির প্রসঙ্গে। তিনি জানালেন, সহযোগিতা পেলে ‘কাগজের ফুল’ নির্মাণ করবেন। শুক্রবার (১২আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় কাঁটাবন পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে আয়োজিত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের ১১তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় এমনটাই জানান তিনি।

২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের জোকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ, চিত্রগ্রাহক ও সাংবাদিক মিশুক মুনীরসহ আরও তিনজন চলচ্চিত্রকর্মী নিহত হন। সেদিন তারা ‘কাগজের ফুল’ ছবির লোকেশন দেখতে গিয়েছিলেন। ফিরলেন লাশ হয়ে। সেই রক্তমাখা ‘কাগজের ফুল’ সিনেমা নিয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার সন্ধ্যায় তারেক মাসুদের জীবন ও চলচ্চিত্র সহযোদ্ধা ক্যাথরিন মাসুদ বলেন, ‘অনেকদিনের প্রশ্ন এটি, কাজ করা হবে কিনা। আমি আজও একই কথা বলবো। আসলে কাজটা তখন শুরুই হয়নি, আমরা শুধু স্ক্রিপ্টটা লিখেছিলাম। এরপর প্রি প্রোডাকশনের কাজ কিছুটা এগিয়েছি। আরও অনেক কাজ বাকি ছিলো। তখন যে বাজেট ছিলো তা আমাদের জন্য বিশাল পাহাড় মনে হয়েছে। আসলে এতো বড় বাজেটের সিনেমা বাংলাদেশে কীভাবে সম্ভব! বাংলাদেশে এখন চলচ্চিত্রে অনেক এগিয়েছে, ভালো ভালো কাজ হচ্ছে সব জায়গায়। এখন হয়তো একটা সম্ভাবনা আছে, কাজটা নতুন করে শুরু করার। আমারও ইচ্ছে আছে। যতদিন জগতে থাকি আমার শেষ ইচ্ছা এই কাজটি আমি সমাপ্ত করে যাবো।’

ক্যাথরিন যোগ করেন, ‘‘আসলে ২০১১ সালের ঘটনার পর বোঝা খুব কষ্টসাধ্য ছিলো যে, একজন মানুষের ওপর কতটা মানসিক চাপ যেতে পারে। আমি ভাবিনি মানুষ বুঝবে, তখন আমার হাতে এক বছরের বাচ্চা। আমার সাথে একজন সঙ্গী থাকলে কাজগুলো হয়তো করতে পারতাম। মিশুক মুনীর বেঁচে থাকলেও হতো। কিন্তু আমরা দুজনকেই হারালাম। আমরা তবুও স্বপ্ন দেখি ‘কাগজের ফুল’ নিয়ে। সহযোগিতা পেলে সিনেমাটি নির্মাণের ইচ্ছে আছে। ’’

স্মরণ অনুষ্ঠানে তারেক মাসুদের লেখা ‘চলচ্চিত্রযাত্রা’ গ্রন্থটি প্রকাশ হয়। বইটি প্রসঙ্গে ক্যাথরিন বলেন, ‘তাকে (তারেক মাসুদ) বুদ্ধিজীবী বলবো না। কারণ তিনি নিজের সম্পর্কে তা ব্যাবহার করতেন না। তাকে চলচ্চিত্র চিন্তাবিদ বলা যায়। তারেক নিজেকে চিন্তাবিদ নয়, দুশ্চিন্তাবিদ বলতো। সে বলতো যদি কখনও আমার লেখাগুলো সংকলন করে প্রকাশ হয়, আমি খুব খুশি হবো। তারেক মারা যাওয়ার পর আমার কিছু কাজের লিস্ট ছিলো কী কী করতে হবে তার জন্য। তার মধ্যে প্রথম ছিলো এই বইটি প্রকাশ করা। আমাদের ইচ্ছে ছিলো তারেকের এই বইয়ের মাধ্যমে বর্তমান মানুষের ভাবনাকে নাড়া দিতে পারে। তাদের কাজে তার চিন্তার প্রভাব রাখতে পারে, তাহলে হয়তো এগুলোর মধ্যে তাকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে। সে ছিলো সিনেমার ফেরিওয়ালা, হাতে হাতে মানুষের কাছে তার চিন্তা-দর্শন পৌঁছে দিতো।’

ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক চলচ্চিত্র নির্মাতা অদ্রি হৃদয়েশের সঞ্চালনায় এই আয়োজনে তারেক মাসুদ ও তার চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক ও লেখক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, নির্মাতা প্রসূন রহমান, সমালোচক মনিরা শরমিন প্রমুখ। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি নির্মাতা ও লেখক বেলায়াত হোসেন মামুন।

উল্লেখ্য, ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি আয়োজিত এই সভার নাম রাখা হয় তারেক মাসুদ স্মরণ ও ‘চলচ্চিত্রযাত্রা’ গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা।

;

'চলো নিরালায়' গানটা নাভেদ ভাই গাওয়ান: অয়ন চাকলাদার



কামরুজ্জামান মিলু, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অয়ন চাকলাদার

অয়ন চাকলাদার

  • Font increase
  • Font Decrease

অয়ন চাকলাদার । সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তার। গায়ক হিসেবেও রয়েছে আলাদা পরিচিতি। রায়হান রাফী পরিচালিত ‘পরাণ’ ছবির প্রথম গান ‘চল নীরালায়’ উন্মুক্ত হবার পরই শ্রোতারা পছন্দ করেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অয়ন চাকলাদার ও আতিয়া আনিসা। বার্তা২৪.কমের সঙ্গে সংগীত জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অয়ন চাকলাদার।

গানের ভুবনে কিভাবে আসা?

অয়ন চাকলাদার: ২০১১ সালে লেজার ভিশনের 'জেগে উঠো' শিরোনামের অ্যালবাম দিয়ে গানের জগতে আসা। ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছিল আমার এই অ্যালবাম । নতুন সঙ্গীতে 'আমরা করবো জয়' গানটি গেয়েছিলাম আমি, ইভান ইভু এবং ইমরান ।

কোন সিনেমাযর গানে কাজ করছেন?

অয়ন চাকলাদার: একটা সিনেমাতেই অফিসিয়ালি গান গাওয়া হয়েছে। রিলিজও হয়েছে । সেটাকেই সবাই হিট বলছে । গানটা হচ্ছে হিট মুভি 'পরাণ' এর ‘চল নীরালায়’, যা আমি এবং আনিসা গেয়েছি । সুর-সংগীত করেছেন নাভেদ পারভেজ । লিখেছেন জনি হক। এছাড়া আরও কিছু সিনেমার গানের কথা চলছে কিন্তু খুব বেশী চূড়ান্ত হয় নাই।

'চলো নিরালায়' গানের প্রস্তুতি, গানের প্রস্তাব নিয়ে বলবেন কি?

অয়ন চাকলাদার: আমাকে গানটা নাভেদ পারভেজ ভাই গাওয়ান । তখনও জানতাম না এটা সিনেমার গান । গাওয়ার প্রায় মাস তিনেক পর রায়হান রাফি ভাই এবং নাভেদ ভাই আমাকে জানান যে গানটা ‘পরাণ’ মুভিতে যাবে । তারও প্রায় মাসখানেক পর গানটায় আনিসার ডুয়েট কন্ঠ নেয়া হয় ।

দেশে-বিদেশে আপনার প্রিয় শিল্পী কে?

অয়ন চাকলাদার: দেশে বাপ্পা মজুমদার, জেমস, আসিফ, কুমার বিশ্বজিৎ, হাসান, ন্যানসি, সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ । বিদেশে সনু নিগাম, অরিজিত সিং, মাইকেল জ্যাক্সন, ফ্রেডি মার্কারি, চেস্টার বেনিংটন, মার্কো সারেসটো, ডোলোরিস ওরিওডন, শ্রেয়া ঘোষাল, শুভমিতা প্রমুখ ।

কে কে আছেন আপনার পরিবারে?

অয়ন চাকলাদার: বাবা মা ছোট ভাই । ছোট্ট পরিবার আমাদের। বাবা শাজাহান চাকলাদার দীর্ঘ সময় সিএ ফার্মের ম্যানেজার ছিলেন । মা মোর্শেদা ইয়াসমিন ‍গৃহিনী । আর ছোট ভাই অরিত্র চাকলাদার ইওডা চারুকলা থেকে পড়ে এখন গেইম ডিজাইনিং নিয়ে আছে ।

সামনে কি কি সিনেমার গান করবেন? পরিকল্পনা কি?

অয়ন চাকলাদার: আপাতত সামনের জন্য আর একটা সিনেমাতেই গান গেয়েছি । বদরুল আনাম সৌদ ভাই পরিচালিত 'শ্যামা কাব্য' । গানের শিরোনাম ‘পাখি যাও যাও ’। লিখেছেন সৌদ ভাই নিজেই । গেয়েছি আমি আর আনিসা । সুর সংগীত করেছেন ইমন সাহা দাদা । আর পরিকল্পনা বলতে যতদিন সুস্থ, স্বাভাবিক থাকি মিউজিক করতে চাই, গান গাইতে চাই।

;

অধরা খানের ‘বর্ডার’



কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
অধরা খানের ‘বর্ডার’

অধরা খানের ‘বর্ডার’

  • Font increase
  • Font Decrease

সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু মানুষের জীবনচক্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন সিনেমা ‘বর্ডার’। এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অধরা খান। এটি মুক্তি পাবে ৯ সেপ্টেম্বর।

এর আগে প্রচারের অংশ হিসেবে প্রকাশ পেল সিনেমাটির ফার্স্ট লুক পোস্টার। অধরা খান পোস্টারটি শেয়ার করেছেন তার ফেসবুক ওয়ালে। অধরা লিখেছেন, ‘বর্ডার’ হলো দুই দেশের সীমানা। এই সীমানা দিয়ে বৈধভাবে পার হয় মানুষ, গরু ও নানান দ্রব্যাদি। তেমনই আবার মাদকসহ নানান দ্রব্যাদির চোরাচালানও হয়। এই চোরাচালানকে ঘিরে গড়ে ওঠে বেশ কিছু গ্যাং। তাদের মাঝে ঘটে নানান ঘাত, প্রতিঘাত ও সংঘাত। এমনই সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু মানুষের জীবনচক্র নিয়ে আমাদের সিনেমা ‘বর্ডার’।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশ করা হয় পোস্টারটি।আসাদ জামানের কাহিনিতে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন সৈকত নাসির। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশীষ খন্দকার, সুমন ফারুক, সাঞ্জু জন, অধরা খান, রাশেদ মামুন অপু, মৌমিতা মৌ, শাহিন মৃধাসহ অনেকে। প্রযোজনায়: ম্যাক্সিমাম এন্টারটেইনমেন্ট। পরিবেশনায় আছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে অধরা অভিনীত ‘নায়ক’, ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ সিনেমাগুলো মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়াও হাতে আছে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ ও ‘উন্মাদ’।

;

প্রথম দিনে বক্স অফিসে সাড়া ফেলেনি লাল সিং চাড্ডা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আমির খান ও কারিনা কাপুর

আমির খান ও কারিনা কাপুর

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউড পারফেক্টশনিস্ট আমির খান। চার বছর পর পর্দায় ফিরেছেন। ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর মতো কালজয়ী ছবিকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন নিজের আঙ্গিকে। কোনও ত্রুটি রাখেননি ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রচারেও।

লাল সিং চাড্ডা বৃহস্পতিবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। শুরু থেকেই অস্কারজয়ী হলিউড ছবির এই পুনর্নির্মাণ ঘিরে চলেছে নানাবিধ বিতর্ক। উঠেছে বয়কটের ডাক। এ সব কিছু সামলে প্রথম দিন কেমন ব্যবসা করল ছবিটি?

শুরুতেই বক্স অফিসে ছক্কা হাঁকাতে ব্যর্থ আমির খান এবং কারিনা কাপুর খান অভিনীত ‘লাল সিং চাড্ডা’। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে টিকিট বেশি বিক্রি হয়। মনে করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ দিনে মেট্রো শহরগুলিতে ভালো ব্যবসা করবে ছবিটি। মুক্তির দিন সব মিলিয়ে ১০-১১ কোটি টাকা এসেছে ছবির ঝুলিতে।

চার বছর পর পর্দায় ফিরেছেন আমির। ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর মতো কালজয়ী ছবিকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন নিজের আঙ্গিকে। কোনও ত্রুটি রাখেননি ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রচারেও। কিন্তু বয়কটের ডাক, বিতর্ক ছাপিয়ে প্রথম দিনে খুব বেশি আয় করতে পারেনি ছবিটি। জানা যাচ্ছে, পিভিআর, আইনক্স এবং সিনেপলিসের মতো তিনটি চেন থেকে ৬.২৫ কোটি টাকা মতো এসেছে। বাকি পাঁচ কোটি মতো এসেছে দেশের অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহগুলি থেকে। এই অবস্থায় ‘লাল সিং’ আদৌ ১০০ কোটি ছুঁতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

আমিরের ছবির সঙ্গেই মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমারের ‘রক্ষা বন্ধন’। এই ছবির অবস্থায় বক্স অফিসে বিশেষ ভালো নয়। প্রথম দিন মাত্র ৭.৫০ কোটি থেকে ৮.৫০ কোটির ব্যবসা করেছে আনন্দ এল রাই পরিচালিত এই ছবি।

‘পুষ্পা’, ‘কেজিএফ’, ‘আরআরআর’-এর মতো দক্ষিণী ছবিগুলির ভিড়ে খানিক কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল বলিউড। বড় বাজেটের একাধিক হিন্দি ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। 'ভুল ভুলাইয়া ২' যদিও ব্যতিক্রম। কার্তিক আরিয়ান ছবিটি প্রায় ২০০ কোটির ব্যবসা করে।

;