উপজেলা নির্বাচন: কক্সবাজার থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ৮ মে কক্সবাজার সদর, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল আজ।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

বিষয়টি বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন- কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত প্রথম ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৫ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র বাছাই ১৭ এপ্রিল, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৮ মে।

কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন:

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, মুজিবুর রহমান, শহিদুল ইসলাম বাহাদুর, মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম, কাইসারুল হক জুয়েল।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাত্র একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি হলেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান রশিদ মিয়া।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- রুমানা আক্তার, চম্পা উদ্দিন, তাহমিনা নুসরাত জাহান লোনা।

মহেশখালী উপজেলা পরিষদ যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন:

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন- হাবিব উল্লাহ, গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ বাদশা, জয়নাল আবেদীন ও আব্দুল্লাহ্ আল নিশান।

ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন- বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জহির উদ্দিন, মিফতাহুল করিম বাবু, শাহজাহান পারুল, জাহেদুল হুদা, মোহাম্মদ আবু ছালেহ্, সাইফুল কাদির, মঈন উদ্দিন তোফায়েল।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন- মিনুয়ারা মিনু, জাহানারা বেগম ও মনোয়ারা বেগম।

কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন:

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন- হানিফ বিন কাশেম, ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, আছহাব উদ্দিন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- আকবর খন, জুনাইদুল হক, জহির উদ্দিন তালুকদার।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- হাসিনা আক্তার, ছৈয়দা মেহেরুন্নেছা।

   

উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে চেয়ারম্যান হলেন যারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, জাল ভোট, কেন্দ্র দখল, ভোটগ্রহণ স্থগিত, আটকসহ নানা বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। তবে দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। সারা দেশে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম।

বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

এদিকে ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

৮৭ উপজেলায় চেয়ারম্যান হলেন যারা:

নীলফামারী: ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নীলফামারী সদর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুজার রহমান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান দীপক চন্দ্র চক্রবর্তী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৬ ভোট।

ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।

বগুড়া: তৃতীয় ধাপে বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ভোটের ব্যবধানে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু সুফিয়ান শফিককে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে, সদর উপজেলার মোট ১৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে শুভাশীষ পোদ্দার লিটন আনারস প্রতীকে ৩৫ হাজার ৭৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান সফিক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৮৫ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তৃতীয় ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও আশুগঞ্জ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঞ্ছারামপুরে তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। ঘোড়া প্রতীকে তিনি ৮২ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ইসলাম তুষার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ১৬২।

অন্যদিকে আশুগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মো. জিয়াউল করিম খাঁন সাজু। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩৪০ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেসমিন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ফলাফল বেসরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। কোনো উপজেলাতেই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

রাঙামাটি: তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে রাঙামাটির লংগদু ও নানিয়ারচর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে লংগদু উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাশ বাবু বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকারকে চার হাজার ১৬০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন।

মোট ২৩টি ভোটকেন্দ্রে আনারস প্রতীকে বাবুল দাশ বাবু পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৮৬ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল বারেক সরকার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৮২৬ ভোট।

অন্যদিকে নানিয়ারচর উপজেলার ১৪টি ভোটকেন্দ্রের সবকয়টির ফলাফলে ৬ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আনারস প্রতীকের অমর জীবন চাকমা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী জ্যোতিলাল চাকমা পেয়েছেন ৪ হাজার ১৬২ ভোট।

খাগড়াছড়ি: তৃতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহালছড়ি উপজেলায় বিমল কান্তি চাকমা কাপ পিরিচ প্রতীক ১০ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) প্রার্থী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংজরী চৌধুরী আনারস প্রীতিকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৫২ ভোট।

ভোট গণনা শেষে রাতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিতদের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা রাজু আহমেদ।

ফরিদপুর: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৩৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫০৮ ভোট।

অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কাওসার ভুইয়া বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৮৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপসমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৩০ ভোট।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে তৃতীয় ধাপের দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ডামুড্যা উপজেলা পরিষদে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন জেলা যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রশিদ গোলন্দাজ। অন্যদিকে গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা হেলিকপ্টার প্রতীকের মো. মোশাররফ সরদার।

শরীয়তপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবদুর রশিদ গোলন্দাজ ২৪ হাজার ৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. আলমগীর পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭১৫ ভোট। অন্যদিকে গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোশারফ হোসেন (হেলিকপ্টার) প্রতীক, ২০ হাজার ১৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন দুলাল পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪৭৫ ভোট।

নরসিংদী: নরসিংদীর শিবপুরে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৪৭ হাজার ৭৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় সাংসদের স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলাম।

টাঙ্গাইল: ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে টাঙ্গাইলের তিনটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে তোফাজ্জল হোসেন তোফা, দেলদুয়ার উপজেলায় মাহমুদুল হাসান মারুফ ও নাগরপুর উপজেলায় কেএম সালমান শামস বিজয়ী হয়েছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে দোয়াত কলম প্রতীকে তোফাজ্জল হোসেন তোফা ৪২ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক হোসেন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ২০৮ ভোট। দেলদুয়ার উপজেলায় মাহমুদুল হাসান মারুফ ২৯ হাজার ২৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিফোন প্রতীকে এম শিবলি সাদিক পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯৫৪ ভোট। নাগরপুর উপজেলায় কেএম সালমান শামস আনারস প্রতীকে ৩৫ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুছ ছামাদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৮১৭ ভোট।

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মশিউর রহমান বাবু ও আমিনুল ইসলাম লাল্টু বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে স্ব স্ব উপজেলা রিটার্নিং অফিস থেকে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মশিউর রহমান বাবু ৩১ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এস এম শওকত হোসেন পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪২ ভোট।

এদিকে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম লাল্টু ৪৭ হাজার ৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন লাল্টু পেয়েছেন ৪২ হাজার ৭৪১ ভোট।

মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে ৪৬ হাজার ৬৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল (তিনি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদের আপন ছোট ভাই)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান (আনারস) প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩০ হাজার ৭১২।

;

ব্যালটের ছবি ফেসবুকে দেওয়া সেই ছাত্রলীগ নেতা আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ব্যালটের ছবি ফেসবুকে দেওয়া সেই ছাত্রলীগ নেতা আটক

ব্যালটের ছবি ফেসবুকে দেওয়া সেই ছাত্রলীগ নেতা আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিল মারা ব্যালটের সঙ্গে ছবি তুলে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) বিকালের দিকে উপজেলার দক্ষিণ চরসাহাভিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে সকালে ছাত্রলীগ নেতা ইয়াকুব মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এরপর ব্যালটে সিল মেরে সেখানেই সিল মারা ব্যালটের ছবি তুলে ‌‘ইয়াকুব আলী’ নামে তার ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন। সেখানে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটনকে দোয়াত-কলমে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাখাওয়াতুল হক বিটুকে টিউবওয়েল প্রতীকে ভোট দিতে দেখা গেছে। পরে ছবিটি ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেন তিনি।

দক্ষিণ চরসাহাভিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আহসানুল বারী ভূঞা বলেন, এ ঘটনায় সংবাদ প্রচারের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট এসে তাকে আটক করেছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ওই লোক ভোটকেন্দ্রে এজেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। তাকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (কুমিল্লা অঞ্চল) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, ভোটকেন্দ্রের গোপন বুথে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়া বা ছবি তোলার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

;

ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক

প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বগুড়া জেলা যুবলীগের দফতর সম্পাদক জাকারিয়া আদিলকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) স্নিগ্ধ আকতার।

তিনি জানান,বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কালে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অভিযোগ করে যে, জাকারিয়া আদিল বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের আশেপাশে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।প্রার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরের দিকে শহরের সেউজগাড়ি আমতলা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার বলেন আদিল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

;

উপজেলা নির্বাচন

তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ: সিইসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সিইসি বলেন, ভোট পড়ার প্রকৃত তথ্য জানতে আরও কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে

বুধবার (২৯ মে) বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এক হাজার ১৫২ জন প্রার্থী ছিলেন। ইভিএমে ১৬ উপজেলায় বাকিগুলো ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

অবাধ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছে। এই লক্ষ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক তৎপর ছিলো।

খুবই সীমিত পরিসরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ভোট কারচুপির চেষ্টায় ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষ ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছে। একজন প্রিসাইডিং অফিসার অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে। 

;