মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

  • Font increase
  • Font Decrease

উৎসবমুখর পরিবেশে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (মসিক) মেয়র পদে ৭ প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মাঝে একজন জাতীয় পার্টির ও ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র ৬ প্রার্থী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পৌনে ৪টায় আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন দাখিল করেন।

একই সাথে ৩৩ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন এবং ১১ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৬৯ জন।

ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মেয়র পদে মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীরা হলেন, সদ্য সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাদেকুল হক খান (টজু), মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলম ফেরদৌস জিলু, প্রয়াত পৌর মেয়র মাহমুদ আল নূর তারেকের ছেলে অ্যাড. ফারমার্জ আল নূর রাজীব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম (স্বপন মন্ডল) এবং কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক সদস্য কৃষিবিদ ড. রেজাউল হক।

সাধারণ কাউন্সিলর পদে; নগরীর ১ নম্বরে ৫ জন, ২ নম্বরে ৪, ৩ নম্বরে ৩, ৪ নম্বরে ৬ জন, ৫ নম্বরে ৬ জন, ৬ নম্বরে ৬ জন, ৭ নম্বরে ৫ জন, ৮ নম্বরে ৪ জন, ৯ নম্বরে ৯ জন, ১০ নম্বরে ৪ জন, ১১ নম্বরে ২ জন, ১২ নম্বরে ৪ জন, ১৩ নম্বরে ৮ জন, ১৪ নম্বরে ৬ জন, ১৫ নম্বরে ৬ জন, ১৬ নম্বরে ২ জন, ১৭ নম্বরে ২ জন, ১৮ নম্বরে ৫ জন, ১৯ নম্বরে ৭ জন, ২০ নম্বরে ৩ জন, ২১ নম্বরে ৪ জন, ২২ নম্বরে ৭ জন, ২৩ নম্বরে ৪ জন, ২৪ নম্বরে ৯ জন, ২৫ নম্বরে ৫ জন, ২৬ নম্বরে ৩ জন, ২৭ নম্বরে ৩ জন, ২৮ নম্বরে ৫ জন, ২৯ নম্বরে ৮ জন, ৩০ নম্বরে ৫ জন, ৩১ নম্বরে ৪ জন, ৩২ নম্বরে ৬ জন, ৩৩ নম্বরে ৪ জনসহ মোট ১৬৪ জন।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ওয়ার্ড; ১ নম্বরে ১০ জন, ২ নম্বরে ৭ জন, ৩ নম্বরে ৪ জন, ৪ নম্বরে ৫ জন, ৫ নম্বরে ৫ জন, ৬ নম্বরে ৭ জন, ৭ নম্বরে ৪ জন, ৮ নম্বরে ৬ জন, ৯ নম্বরে ৭ জন, ১০ নম্বরে ৬ জন, ১১ নম্বরে ৮ জনসহ মোট ৬৯ জন।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ওয়ার্ড; ১ নম্বরে ১০ জন, ২ নম্বরে ৭ জন, ৩ নম্বরে ৪ জন, ৪ নম্বরে ৫ জন, ৫ নম্বরে ৫ জন, ৬ নম্বরে ৭ জন, ৭ নম্বরে ৪ জন, ৮ নম্বরে ৬ জন, ৯ নম্বরে ৭ জন, ১০ নম্বরে ৬ জন, ১১ নম্বরে ৮ জনসহ মোট ৬৯ জন।

দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একাংশ নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সদ্য সাবেক মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, বিগত পাঁচটি বছর জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছি। চেষ্টা করেছি নগরীকে সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য। কিন্তু কোভিড ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে প্রত্যাশিত উন্নয়ন করতে পারিনি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে আমাদের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলাম। এবার অনেকেই প্রার্থী হয়েছেন। যার কারণে ভোট উৎসবমুখর হবে। আশা করি জনগণ আগামী ৯ মার্চ আমার কাজের মূল্যায়ন ভোটের মাধ্যমে করবেন।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মেয়র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামূল আলম বলেন, বিগত পাঁচ বছরে নগরীতে মানুষের আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। যার কারণে মানুষ পরিবর্তন চাচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে আমি মেয়র প্রার্থী হয়েছি। মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ যানজট, জলাবদ্ধতা এবং ধুলাবালুমুক্ত নগরী গড়ে তুলবো।

শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী অ্যাড. সাদেক খান মিল্কি টজু বলেন, নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী আমার সঙ্গে রয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আমার বড় শক্তি ইমেজ। শহরে আমার ভালো একটি ইমেজ রয়েছে। এবার পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। আশা করি সাধারণ ভোটাররা আমাকে মূল্যায়ন করবে।

জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম স্বপন মন্ডল বলেন, ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টির একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। যেহেতু এখানে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছে সেহেতু মানুষের জাতীয় পার্টিকেই বেছে নেবে। তবে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। জয়ী হলে অবহেলিত ময়মনসিংহ নগরীকে ঢেলে সাজাবো সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে।

১৫৭ বছরের পুরোনো ময়মনসিংহ পৌরসভা ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ২০১৯ সালের ৫ মে প্রথম সিটির ভোট গ্রহণ হয়। তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইকরামুল হক টিটু মেয়র নির্বাচিত হলে সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ভোট হয়েছিল।

সূত্রমতে, ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গকিলোমিটারের আয়তনের এই নগরীতে ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭১ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১০ জন নারী। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৯ জন। এতে মোট ভোটে কেন্দ্র রয়েছে ১২৮টি। ভোট গ্রহণ হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

   

উপজেলা নির্বাচন: রাজশাহীর তিন উপজেলায় বৈধ ৩১ জন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া, দূর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মোট ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। প্রার্থীদের জমাকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধতার ঘোষণা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিটার্নিং অফিসার কল্যাণ চৌধুরী বলেন, দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ মে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২ মে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের মূল প্রচারণা শুরু হবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে নির্বাচনী সভা এবং প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সকল প্রার্থীদের যথাযথভাবে মানতে অনুরোধ জানান।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ২৩ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৪-২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭-২৯ এপ্রিলের মধ্যে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২ মে। প্রচার শেষে আগামী ২১ মে হবে ভোটগ্রহণ।

এসময় জানানো হয়, এই তিনটি উপজেলায় ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। চেয়ারম্যান ১০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ১১ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৩১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী ঘোষিত হলেন- দূর্গাপুর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, মো. শরিফুজ্জামান, মো. আব্দুল মজিদ; পুঠিয়া উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান জি.এম হিরা বাচ্চু, মো. মখলেসুর রহমান, মো. আব্দুস সামাদ, মো. আহসান উল হক মাসুদ; বাগমারা উপজেলার মো. জাকিরুল ইসলাম, মো. আ. রাজ্জাক সরকার, মোহা. নাছিমা আক্তার।

এসময় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী ঘোষিত হন- দূর্গাপুর উপজেলা মো. আ. কাদের মন্ডল, মো. হাসেম আলী, মো. আ. মোতালেব, মো. শামীম ফিরোজ, মো. মোসাব্বের সরকার জিন্নাহ, মো. আব্দুল হক; পুঠিয়া উপজেলার মো. ফজলে রাব্বি মুরাদ, মো. আব্দুল মতিন মুকুল, মো. জামাল উদ্দিন বাগমারা উপজেলার মো. আতাউর রহমান; বাগমারা উপজেলার মো. আতাউর রহমান, মো. শহিদুল ইসলাম, মোছা. বানেছা বেগম, মোসা. সারমিন আহম্মেদ, মোসা. কহিনুর বেগম; পুঠিয়া উপজেলার মৌসুমী রহমান, মোছা. পরিজান বেগম, মোছা. শাবনাজ আক্তার; বাগমারা উপজেলার মোছা. শাহিনুর খাতুন, কহিনুর বানু, খন্দকার শাহিদা আলম, মোছা. মমতাজ আক্তার বেবী।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পর্কে দূর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তারা বৈধতা পেয়েছেন। জেলা প্রশাসন চুল ছেঁড়া যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন- সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া বিনতে আফজাল, উপজেলা নির্বাচন অফিসার দূর্গাপুর মো. জয়নুল আবেদীন, রাজশাহী জেলার ডিএসবি মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ।

;

কুষ্টিয়ার দুই উপজেলায় প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে কুষ্টিয়ার দুই উপজেলার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা নির্বাচন অফিসের সভাকক্ষে কুষ্টিয়া সদর ও খোকসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি ২৩ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ আবু আনসার উপস্থিত প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।

এর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন এবং খোকসা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরপরই প্রার্থীরা মঙ্গলবার থেকে প্রচারণায় নেমে পড়েন। আগামী ৮ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

;

ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচন ৫ জুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুর পর শূন্য আসনে আগামী ৫ জুন ভোট গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের ৩২তম সভায় শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এই তথ্য জানান।

সভা শেষে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম জানান, ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিজয়ী আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাপূর্বক ইসি সচিব বলেন, উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ ৭মে, মনোনয়নপত্র বাছাই ৯ মে, বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল ১০ থেকে ১৪ মে, আপিল নিষ্পত্তি ১৫ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৬ মে এবং প্রতীক বরাদ্দ ১৭ মে। এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক কর্মকর্তা।

;

উপজেলা নির্বাচন: চতুর্থ ধাপে ৫৫ উপজেলার ভোট ৫ জুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চতুর্থ ধাপে ৫৪ উপজেলার ভোট ৫ জুন

চতুর্থ ধাপে ৫৪ উপজেলার ভোট ৫ জুন

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ও শেষ ধাপে ৫৫ উপজেলায় আগামী ৫ জুন ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন ইসি।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচনে ভবনে ইসির ৩২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা শেষে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম উপজেলা ভোটের চতুর্থ ধাপের তফসিল ঘোষণাপূর্বক বলেন, আগামী ৫ জুন দেশের ৫৪ উপজেলায় চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এর সঙ্গে নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হওয়া ভোটও এ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে মোট ৫৫ উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে।

তিনি জানান, চতুর্থ ধাপে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৯ মে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ১২মে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১ ৩ থেকে ১৫ মে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ মে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২০ মে।

ইসি সচিব বলেন, চতুর্থ ধাপের ভোটে ৯টি জেলায় ভোট হবে ইভিএমে। বাকিগুলোয় স্বচ্ছ ব্যালট ভোটগ্রহণ করা হবে।

;