বরিশালে ৬ আসনের ৭ প্রার্থীই মুক্তিযোদ্ধা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে থাকা ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৩ জনই হলেন ব্যবসায়ী। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত হলফনামার এ তথ্য জানা গেছে। 

তবে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাচাই বাছাইতে প্রাথমিকভাবে বাতিল ঘোষণা করা অধিকাংশ প্রার্থী আপিল করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন বরিশাল-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদ ও বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল আলম চুন্নু।

বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে সাতজনই হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা। এর মধ্যে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) নির্বাচনী এলাকার আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার। 

এছাড়া অপর বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থীরা হলেন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সাংসদ মনিরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সাংসদ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-২ ও ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খান আফতাফ হোসেন ভুলু এবং ঋণ খেলাপীর দায়ে মনোনয়ন বাতিলের পর আপিল করা স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল আলম চুন্নু। এসব বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থীরা আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে থাকা ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৩ জনই হলেন ব্যবসায়ী। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত হলফনামার এ তথ্য জানা গেছে। এরমধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র ও বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার পেশা হিসেবে মৎস্য চাষ ও রাখি-মালামালের ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন।

ব্যবসায়ী প্রার্থীদের মধ্যে পাঁচজন রয়েছেন যারা ব্যবসার পাশাপাশি বেসরকারি চাকরি ও প্রতিষ্ঠানের মালিক। সূত্রমতে, ২৩ জন ব্যবসায়ী প্রার্থী ব্যতিত পাঁচজন রাজনীতিবিদ, চারজন আইনজীবী, দুইজন বেসরকারি চাকরিজীবী, দুইজন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, দুইজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, একজন সাংবাদিক ও লেখক, একজন পেশাদার সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার, একজন কবি ও লেখক, একজন পরামর্শক, একজন কৃষি ও মৎস্য চাষ এবং একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেদের পেশার কথা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া এসএসসি ও সমমান পাশ করেছে এমন রয়েছেন চারজন, এইচএসসি পাশ করেছেন চারজন, বাকিদের মধ্যে অনার্স বা সমমান থেকে মাস্টার্স বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে ২৮ জনের। আর একজন রয়েছেন পিএইচডি ধারী।

হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ব্যবসায়ী। জাতীয় পার্টির ছেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী আইনজীবী ও ব্যবসায়ী এবং এনপিপির মোঃ তুহিন বেসরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী বলে হফলনামায়  উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস আইনজীবী। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন রাজনীতি ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অপর প্রার্থী মোঃ জহুরুল ইসলাম ঠিকাদারি ব্যবসা। মোঃ মনিরুল ইসলাম ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নকুল কুমার বিশ্বাস পেশাদার সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার। জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং জাতীয় পার্টির অপরপ্রার্থী রজিত কুমার বাড়ৈ পরামর্শক। জাকের পার্টির স্বপন মৃধা ব্যবসায়ী। তৃণমূল বিএনপির মোঃ শাহজাহান সিরাজ রাজনীতি। এনপিপির সাহেব আলী আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা। স্বতন্ত্র প্রার্থী একে ফাইয়াজুল হক ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরদার মোঃ খালেদ হোসেন স্বপন ব্যবসায়ী। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন রাজনীতি ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অপর প্রার্থী শেখ মোঃ টিপু সুলতান আইনজীবী। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু ব্যবসায়ী। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আতিকুর রহমান ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মোঃ আজমুল হাসান জিহাদ কবি ও লেখক এবং আইনজীবী। তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও গৃহিণী। জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু আবাসিক হোটেলের ব্যবসা। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আমিনুল হক ব্যবসায়ী বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে পেশা হিসেবে বর্তমান সাংসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথ বিহঙ্গ পরিবহনের চেয়ারম্যান। জাতীয় পার্টির মিজানুর রহমান ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু ব্যবসা মালিকানা হিসেবে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মৎস্য চাষ ও রাখি-মালামালের ব্যবসা। জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার। জাকের পার্টির মোঃ আবুল হোসাইন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মোঃ আসাদুজ্জামান সাংবাদিক ও লেখক। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাহাতাব হোসেন ব্যবসার কথা হফলনামায় উল্লেখ করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ সালাহউদ্দিন রিপনের পেশা জানা যায়নি।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে পেশা হিসেবে নৌকার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক রাজনীতি, সমাজসেবা ও ব্যবসা। জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদ নাসরিন জাহান রতনা ব্যবসা। তৃণমূল বিএনপির টিএম জহিরুল হক তুহিন কৃষি ও মৎস্য চাষ। স্বতন্ত্র প্রার্থী খান আলতাফ হোসেন ভুলু আইনজীবী। এনপিপির মোঃ মোশারফ হোসেন বেসরকারি চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কৃষিকাজ। জাসদের মোহম্মদ মোহসীন ঠিকাদারি ব্যবসা। জাকের পার্টির মোঃ হুমায়ুন কবির সিকদার ব্যবসা। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোঃ মাইনুল ইসলাম আইনজীবী। স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব আহম্মদ তালুকদার ব্যবসা-শিল্পপতি। মোঃ শাহবাজ মিঞা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। মোঃ কামরুল ইসলাম খান বেসরকারি চাকরি বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

 

   

‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনকে চেষ্টা করতে হবে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনকে সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। এর জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা করবে। প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নির্মোহ ও পক্ষপাতহীন দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে মো. আলমগীর এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধিগণ, জেলা-উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইসি কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশন একটা শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। নির্বাচনকালে পরিবেশ অশান্ত থাকলে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে অনাগ্রহ দেখায় আর সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের সুযোগ পায়। কিন্তু প্রশাসন অবস্থানে থেকে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় নির্বাচন বিধায় কোন কর্মকর্তার আত্মীয়-স্বজনরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সে কর্মকর্তাকে বিচক্ষণতার সাথে অন্য এলাকায় দায়িত্ব দিতে হবে। নির্বাচনী দায়িত্বে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োজিত করতে তিনি নিরুৎসাহিত করেন।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী এখন অনেক জনকল্যাণমুখী কাজে নিয়োজিত থাকায় তাদের সাথে জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। তাই নির্বাচনকালে সে সম্পর্ক ভুলে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন ইসি কমিশনার।

তিনি বলেন, নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় অধিক ফোর্স নিয়োজিত থাকবে বলে পুলিশ বিভাগ থেকে কমিশনারকে অবহিত করা হয়। তথাপি যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত সতর্কতার উপর গুরুত্বারোপ করা হবে। প্রয়োজনে বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএনকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এবারের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে অনুষ্ঠিত হবে। কোন কেন্দ্রের ইভিএম কাজ না করলে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ইভিএম প্রতিস্থাপন করার নির্দেশ প্রদান করেন ইসি কমিশনার।

ইভিএমের গতি কমে গেলে অপেক্ষমাণ ভোটারদের অবহিত করতে এবং সময় অতিক্রান্ত হলেও সকল ভোটারের ভোট গ্রহণ করা হবে মর্মে আশ্বস্ত করতে প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

নির্বাচন আচরণ বিধিনিষেধ পালন সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ছোটখাটো ঘটনা সাথে সাথেই সমাধান করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিবেশ সুন্দর ও অনুকূলে রয়েছে বলে কর্মকর্তারা ইসি কমিশনারকে মতবিনিময় সভায় অবহিত করেন। নির্বাচন সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

;

‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’

‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রিটানিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিধিমালা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রার্থীদের ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। আগামীতে এনালগ পদ্ধতি বাতিল করে প্রার্থীদের নমিনেশন পেপার সাবমিটসহ নির্বাচনের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল করতে আইন প্রণয়ন করা হবে।

পরে তিনি টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এসময় মসিকের সদ্য সাবেক মেয়র ও দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, ইভিএমে ভোট নিয়ে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা ও অজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১২টি ওয়ার্ডের ভোটারদের মধ্যে এই অজ্ঞতা অনেক বেশি। সেই সঙ্গে ইভিএম'র ভোট নিজের পছন্দের প্রার্থীর প্রতি থাকবে কি-না, এনিয়ে সংশয় রয়েছে। মূলত একটি গোষ্টি এই ধরনের অপপ্রচার করছে। তাই গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও মোবাইল নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া যাবে কি-না, এই বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি। ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণার মাধ্যমে ইভিএম বিষয়ে ভোটারদের স্বচ্ছ ধারণা দেওয়া অতি জরুরি বলেও আমি মনে করি।

ইকরামুল হক টিটুর সাথে একমত পোষণ করে হাতি প্রতীকের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. সাদেকুল হক খান মিল্কি টজু বলেন, বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী হেরে যাওয়ার পেছনে ইভিএমকে দায়ী করেছিলেন, ইভিএমের ধীরগতি নিয়েও কথা রয়েছে। একই সাথে ইভিএম এর ভোট নিয়ে ভোটারদের শঙ্কা অনেক। এই অবস্থায় ব্যালটে ভোট করলে ভোটাররা অস্বস্তিবোধ করত বলে আমি মনে করি।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এহতেশামুল আলম বলেন, ইভিএম সম্পর্কে ভোটারদের মাঝে ভালো ধারণা আছে, তা বলা যাবে না। ব্যালটে ভোট হলে প্রার্থী এবং ভোটাররা স্বস্তিবোধ করত। এতে আচরণবিধি নিয়েও কমিশনের কঠোর নজরদারি অতীব জরুরি।

জাতীয় পার্টি মনোনীত নাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম স্বপন মন্ডল বলেন, ইভিএমে সাধারণ মানুষের মাঝে ভোট দিতে অনীহা রয়েছে। তারা বলে- ইভিএমে এক মার্কায় ভোট দিলে আরেক মার্কায় চলে যায়। এজন্য প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের আশ্বস্ত করা দরকার। এসব বিষয় খেয়ালে রেখে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করবে বলে আমি আশা করছি।

তবে ভিন্নমত পোষণ করেছেন হরিণ প্রতীকের প্রার্থী কৃষিবিদ রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ইভিএম একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এনিয়ে ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা থাকা দরকার। সেই সঙ্গে প্রার্থীদের প্রচার ও প্রচারণায় করতে গিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন যেন না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকা দরকার। এছাড়াও প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয় সীমা যেন লঙ্ঘন না হয় সেদিকেও নজরদারি করতে হবে।

এসময় প্রার্থীদের এসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ইভিএমে অনিয়ম একেবারেই অসম্ভব, এটা বিজ্ঞানের বিষয়। এতে একজনের ভোট আরেকজনের প্রতীকে চলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি তাই হতো তাহলে বিগত নির্বাচনগুলোতে জাতীয় পার্টিসহ অন্য প্রার্থীরা বিজয়ী হতো না।

তিনি আরও বলেন, ইভিএমে কীভাবে ভোট দিতে হয়, তা ভোটারদের জানাতে জেলা প্রশাসন ও তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। এমনকি নির্বাচনের দিন ভোটারদের লাইনেও বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের ধারণা দেওয়া হবে। ইভিএম শুধু ময়মনসিংহ নয়, এর আগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা এবং ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হয়েছে। এতে কোথাও সমস্যা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তবে আঙ্গুলের ছাপে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে থাকে, সেজন্য সঠিক ভোটার নিশ্চিত হলে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মোট কথা ইভিএম নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, বরং ভোটার উপস্থিতিই আসল বিষয়।

এসময় ইসি মো. আলমগীর প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত প্রসঙ্গে বলেন, কোনো প্রার্থীর প্রতি অসম্মান আচরণ করার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান সম্মানিত। জনগণ যাকে ভোট দিবে, তিনিই নির্বাচিত হবেন। এক্ষেত্রে কোনো নির্বাচন কর্মকর্তা নিরপেক্ষ না হলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিগত সময়ে আপনারা দেখেছেন জেলা প্রশাসক, নির্বাচন কর্মকর্তা ও ওসিসহ অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বাদ যায়নি প্রার্থীরাও। বিগত জাতীয় নির্বাচনে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। মোট কথা এই নির্বাচন হবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন। এতে জাল ভোট বা অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।

মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হানুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, মসিক নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯৬ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩২ পুরুষ, ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫৫ নারী। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৯ জন। তারা আগামী ৯ মার্চ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নগরীর ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রয়োগ করবেন।

এতে মেয়র পদে পাঁচ প্রার্থী ছাড়াও নগরের ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৯ এবং ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী আছেন ৬৯ জন। তবে নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিল নির্বাচিত হওয়ায় কাউন্সিলর পদে ৩২টি ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

;

উপজেলা নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধন নিয়ে বৈঠক মঙ্গলবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে '২৮-তম কমিশন সভা' ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বৈঠকটি তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

কমিশন সভার আলোচ্যসূচি হলো:

ক) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৩ এর সংশোধন সংক্রান্ত।

খ) উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ এর সংশোধন সম্পর্কিত। এবং গ) বিবিধ।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইসির সংস্থাপন শাখার উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অফিস আদেশে বিধি সংশোধনীর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসি সূত্র থেকে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩-এর সংশোধনীতে ২৬টি এবং উপজেলা প্রদত্ত পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬-এর সংশোধনীতে ৮টি বিধান সুপারিশের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এগুলো নিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটির সভাপতি নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানার সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় পরেরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসে এই কমিটি। ওইদিনেও খসড়া চূড়ান্ত না হওয়ায় সংশোধনগুলি এখনো আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। খসড়া তালিকা চূড়ান্ত হলে পরে কমিশন সভায় উপস্থাপন করা হবে।

ইসির একাধিক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা যায়, বিধিমালা সংশোধনী ৮টি বিধান সুপারিশের প্রাথমিক খসড়া নিয়ে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামীকাল কমিশন সভায় বিধিমালা সংশোধনের বিষয়ে নিষ্পত্তি হবে।

বিধিমালায় একগুচ্ছ বিষয় সংযোজন করার প্রস্তাব এসেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসভা ও মিছিলের সুযোগ সৃষ্টি, প্রতি ইউনিয়নে একটি ও পৌরসভার প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একটি নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন, নির্বাচনী ক্যাম্পের আয়তন ৬০০ বর্গফুটে উন্নীত করা, পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সুযোগ সৃষ্টি, একাধিক পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ না রাখা, ফলাফল গেজেট আকারের প্রকাশের ১৫ দিন পর্যন্ত ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রত্যাহার না করা, নির্বাচনী মনিটরিং কমিটি গঠন ও কমিটির সুপারিশে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান, প্রার্থী আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বা পর্যবেক্ষক বা গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি-ভীতি প্রদর্শন বা বাধা প্রদানকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ, ব্যালট পেপারের মুড়িতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত করার বিধান ও ভোট বন্ধ করতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার হাতে ক্ষমতা প্রদান।

আবার ভোটগ্রহণের পূর্বে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানের কথা বলা হয়েছে। তবে একজন প্রার্থী থাকলে নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিল করে ফের কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। আর কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ভোটের ১০দিন পূর্বে মারা গেলে সেই দলকে অন্য এক প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ রাখার কথাও প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে। সেই সাথে নির্বাচনী প্রচারণায় প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধের পক্ষে থাকলেও তা প্রার্থীদের মানাতে পারছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে এবার আইন করেই সেই পথটি রোধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সংস্থাটি।

সংসদ নির্বাচনের মতো ভোটের কোনো পর্যায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বল প্রয়োগ বা কারসাজির কারণে নির্বাচনের ফলাফল পক্ষপাত দুষ্ট হয়েছে মর্মে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে।

ইতিমধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ৫২টিসহ মোট ৪৮১টি উপজেলা ভোটের সময় ঘোষণা করেছে ইসি। দেশে বর্তমানে উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।

;

সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪. কম
সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০ টি সংরক্ষিত নারী আসনে জমা দেওয়া মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে সব কয়টি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রির্টানিং কর্মকর্তা মুনিরুজ্জামান তালুকদার ।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে যাচাই বাচাই শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জোটভুক্ত আওয়ামী লীগের ৪৮ টি ও জাতীয় পার্টির ২ টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনের কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, বাছাইয়ে কারো নাম বাদ না পড়লেও বৈধ মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধে কেউ চাইলে আপিল করতে পারবেন। আর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আপিল নিস্পত্তির জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন রাখা হয়েছে। এরপর কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে বৈধ প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

;