ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ২৮৬০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ২৮ হাজার ৬০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ কাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রোববার (৫ মে) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে ঝিনাইদহ-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নাসের শাহরিয়ার জাহেদী ক্যাডেট কলেজের টিউশন ফি বাড়ানোর নতুন প্রস্তাব যৌক্তিক পর্যায় নির্ধারণ করা হবে কিনা, তা জানতে চান।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, পিতা-মাতার আয়ের ওপর ভিত্তি করে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সর্বনিম্ন এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। সম্প্রতি নিম্ন ধাপের টিউশন ফি অপরিবর্তিত রেখে অন্যান্য ধাপগুলোর ফি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ধাপের টিউশন ফি বাড়িয়ে ২৮ হাজার ৬০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, ক্যাডেট কলেজগুলোর টিউশন ফি ছাড়া অন্য কোনো নিজস্ব আয়ের উৎস না থাকায় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিজস্ব আয় বাড়াতে প্রাথমিকভাবে টিউশন ফি বাড়ানোর প্রস্তাবনা থাকলেও সেটা করা হয়নি। পরে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কথা বিবেচনা করে সপ্তম শ্রেণির নবাগত ক্যাডেটদের ফি ২০ ধাপে সর্বনিম্ন বর্তমানের এক হাজার ৫০০ টাকা বহাল রেখে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা (বর্তমানে ২২ হাজার) নির্ধারণের প্রস্তাবনা সব ক্যাডেট কলেজগুলোতে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বৃদ্ধির হার সর্বশেষ ২০১৬ সালে প্রবর্তিত টিউশন ফি’র তুলনায় ৩০ শতাংশের বেশি নয়।

একই বিষয়ে সরকার দলের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মিয়াজীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ক্যাডেট কলেজের পেনশন সংক্রান্ত বকেয়া অর্থ প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। তারা যেহেতু একটি সুখবর পেয়েছেন, এখন হয়তো টিউশন বাড়ানোর যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণে বিবেচনা করতে পারবে। আমি অভিভাবকদের বলবো, ক্যাডেট কলেজ পরিষদের কাছে এ বিষয়ে একটি আবেদন করতে।

পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন, তদন্তে ২ কমিটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী আজ (বৃহস্পতিবার) পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা। পরীক্ষা দিতে এসে হলরুমে বসে পরীক্ষার্থীরা পেলেন দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন। এতে কেন্দ্রে হৈচৈ পড়ে গেলে সে প্রশ্ন ফেরত নিয়ে দুই ঘণ্টা পর পুনরায় প্রথম পত্রের প্রশ্ন এনে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিজয় স্মরণী ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ভুল প্রশ্ন বিতরণের ফলে সকাল ১০টার পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১২টার দিকে। তবে কার ভুলে এমনটা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, পরীক্ষার শুরুতে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। প্রশ্ন হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হৈচৈ শুরু হয়। এরপর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রটি পুনরায় সংগ্রহ করে পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়। তবে ২ ঘণ্টা পর প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে পুনরায় পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি ও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে একটি। এরমধ্যে ইউএনও কার্যালয় থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলাউদ্দিনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটির অপর দুজন সদস্যরা হলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফা আলম সরকার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাবিবুল্লাহ। তবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যদের নাম জানা যায়নি।

ভুল প্রশ্ন বিতরণের বিষয়ে জানতে ওই কলেজের প্রিন্সিপাল কেন্দ্র সচিব শিব শংকর শীলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফা আলম সরকার বলেন, পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করার দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবের। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ট্রেজারি থেকে প্রত্যেক কেন্দ্র সচিবকে বা তাদের প্রতিনিধিকে প্রশ্নপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

সীতাকুণ্ড নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম বলেন, কার ভুলে এ ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে দেখা হবে। উপজেলা প্রশাসন থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনা করা হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসন থেকে সরকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আলাউদ্দিনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটির অপর দুজন সদস্য হলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফা আলম সরকার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাবিবুল্লাহ।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, পরীক্ষার প্রশ্ন বিতরণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের। আর দেখেশুনে প্রতিদিন সকালে প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার। কোথাও একটা ভুল হয়েছে বলে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সময় সমন্বয় করে প্রথম পত্রের পরীক্ষা হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষার দিনে বিকল্প প্রশ্নে পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না।

;

কটিয়াদিতে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান শিক্ষা কার্যক্রম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান শিক্ষা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের আয়োজনে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভূমিকা’ শীর্ষক এক বিজ্ঞান বক্তৃতায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১০ জুলাই) কটিয়াদির গচিহাটা বিদ্যানিকেতন দুদিনব্যাপী এ আয়োজনে বিজ্ঞান জাদুঘরের একটি মিউজিয়াম বাস ও একটি মুভি বাস অংশ নেয়।

বিজ্ঞান জাদুঘরের প্রান্তিক পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষা সম্প্রসারণ কার্যক্রমের আওতায় এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের মিউজিয়াম বাসের মাধ্যমে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর হাতে কলমে জ্ঞান বিতরণ করা এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। প্রান্তিক পর্যায়ের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আকর্ষণ ও অনুরাগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিজ্ঞান জাদুঘর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক এ উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান মনস্ক করতে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিজ্ঞান জাদুঘরের এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

;

ছেলের ফল নিয়ে ‘বিতর্ক’, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিবকে বদলি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
নারায়ন চন্দ্র নাথ ও আমিরুল মোস্তফা

নারায়ন চন্দ্র নাথ ও আমিরুল মোস্তফা

  • Font increase
  • Font Decrease

ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার ফল নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে মামলা-তদন্ত চলার মধ্যেই চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র নাথকে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই কর্মকর্তাকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক পদে বদলি করার কথা জানানো হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাবোর্ডের নতুন সচিব হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিপদপ্তর, ঢাকার বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যাপক আমিরুল মোস্তফাকে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নারায়ন চন্দ্র নাথ চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে বেশ কয়েকবছর ধরে নানা পদে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে ২০১৯ সালে তিনি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ১৯ অক্টোবর তিনি সচিব পদে নিয়োগ পান। পাশাপাশি শিক্ষাবোর্ডের নিয়মিত চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতে বেশ কয়েকমাস ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। প্রজ্ঞাপনে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে দুজনকে অবমুক্ত হয়ে নতুন পদে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অবশ্য প্রজ্ঞাপনে নারায়ন চন্দ্র নাথকে কেন বদলি করা হয়েছে, সেটি উল্লেখ করা হয়নি।

তবে গত একবছর ধরে শিক্ষাবোর্ডেরই আরেকটি পক্ষের ‘রোষানলে’ ছিলেন নারায়ন চন্দ্র নাথ। যার শুরু গত বছরের শেষের দিকে। গত বছর নারায়ন চন্দ্র নাথের ছেলে নক্ষত্র দেব নাথ গতবারের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তবে তিনি একটি বিষয়ে জিপিএ-৫ পাননি। সেজন্য সচিবের পরিবার পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে চায়। কিন্তু পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে গিয়ে দেখতে পায়, কে বা কারা আগেই নক্ষত্র দেব নাথের ছয় বিষয়ের ১২টি পত্রের আবেদন করে ফেলেছেন।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সচিবের স্ত্রী বনশ্রী নাথ পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনকারীকে শনাক্ত ও আইনি প্রতিকার চেয়ে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর পাঁচলাইশ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে এ নিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক আবদুল আলীমের মোবাইল ফোন নম্বর রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে নক্ষত্র দেব নাথের নামে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনটি করা হয়েছিল। বিষয়টি উল্লেখ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

এই ঘটনায় শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সচিব আবদুল আলীম ও চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যাপক মুহাম্মদ ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন বোর্ডের বর্তমান সচিব নারায়ন চন্দ্র নাথের স্ত্রী বনশ্রী দেবনাথ। ইদ্রিসকেও আসামি করা হয়েছে। কারণ, তিনি অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র নাথকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যগুলো বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বলে অভিযোগ করেন নারায়ন চন্দ্র নাথ।

এদিকে, সচিবের ছেলের ফলাফল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও অর্থাৎ একই বিষয়ে একটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল মামলার ফৌজদারি মামলার তদন্ত এবং অন্যটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশক্রমে তদন্ত চলছে। গত ৩ জুন নারায়ন চন্দ্র নাথের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাক্ষাৎকার নেয় তদন্ত কমিটি। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডেকে কথা বলেন তদন্ত কমিটির দুই সদস্য। তবে কমিটি এখনো প্রতিবেদন দেয়নি। তবে ওইদিন তদন্ত কমিটির ‘গোপনীয়’ বৈঠকে বোর্ডের একজন কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে সাক্ষাৎকার দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তোলে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন নারায়ন চন্দ্র নাথ।

;

চট্টগ্রাম বোর্ডে আইসিটি পরীক্ষায় বসেনি ১০২৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম বোর্ডে আইসিটি পরীক্ষায় বসেনি ১০২৪ পরীক্ষার্থী

চট্টগ্রাম বোর্ডে আইসিটি পরীক্ষায় বসেনি ১০২৪ পরীক্ষার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটের (এইচএসসি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষায় অংশ নেয়নি এক হাজার ২৪ জন পরীক্ষার্থী। এ পরীক্ষায় ১১৫টি কেন্দ্রে মোট ৯৪ হাজার ৬২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৯৭ জন।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরের দিকে বার্তা২৪.কম-কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে ৬৯ কেন্দ্রে ৬৯ হাজার ২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৬৮ হাজার ৩২৬ জন। অনুপস্থিত ছিল ৬৭৬ জন। কক্সবাজার জেলায় ১৮টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ৬৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১১ হাজার ৪৯০ জন, অনুপস্থিত ১৫৫ জন।

এছাড়াও পার্তব্য জেলা রাঙামাটি জেলায় ১০টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮০১ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৪ হাজার ৭৪১ জন, অনুপস্থিত ৬০ জন। খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৭৩২ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫ হাজার ৬৭৬ জন এবং অনুপস্থিত ৫৬ জন। বান্দরবান জেলায় ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৪১ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ৩৬৪ জন এবং অনুপস্থিত ৭৭ জন।

পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বন করায় ও কক্সবাজারের একজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান।

;