মফস্বলে বেড়েছে শিক্ষার বৈষম্যতা



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট , বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারিতে সাভারের শিক্ষাখাতে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপট দেখে গেছে। একদিকে যেমন চলমান নির্দেশনা মেনে সরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তেমনি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চালাচ্ছেন শিক্ষা কার্যক্রম। যার ফলে শিক্ষা থেকে অনেকটা দূরে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এতে করে মফস্বলে বেড়েছে শিক্ষার বৈষম্যতা।

মফস্বলের বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে শুধু অনলাইনে ক্লাস করেনি, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোচিং বা এসাইনমেন্টের কথা বলে নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে গেছেন। এছাড়ও দূর্বল ছাত্রদের জন্য বিশেষ পাঠদানের উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এতে চলমান নির্দেশনা মেনে সরকারি স্কুল-কলেজগুলো বন্ধ থাকলেও বেসরকারিতে অধ্যায়নরতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যে ক্ষতি হওয়ার কথা ছিল তা অনেকাংশেই পুষিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সরকারি স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ থাকলেও অনেক শিক্ষার্থী অর্থ অভাবে তা হয়ে উঠছে না। 

এ অবস্থায় সরকারিতে অধ্যায়নরতা শিক্ষার্থীদের সংসদ টিভিতে প্রচারিত ক্লাস ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

সরকারি স্কুলে অধ্যায়নরত দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. নাঈম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‌‘স্কুল বন্ধ রাখার চলমান সরকারি নির্দেশনা মেনে আমাদের স্কুল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় প্রাইভেট পড়ে কোনো মত কিছুটা কাভার করছি। কিন্তু আমাদের অন্য বন্ধুরা যারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ে তাদের স্কুল গুলো বে-আইনী ভাবে চলছে। ব্যাপারটা হচ্ছে আমরা যারা গরিব বা মধ্যবিত্তরা আছি তারা সবাই সরকারি স্কুলে, তাই তাদের পড়া-লেখা স্কুল অফ হওয়ার কারণে অফ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যারা মধ্যবিত্ত বা বড় লোক আছে তারা কিন্তু ঠিকই প্রাইভেট স্কুলের মাধ্যমে পড়ালেখা চালায় যেতে পাড়ছে। যার ফলে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের মাঝে একটা বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।’
নাঈম আরও বলেন, ‘আমরা যদি ঠিক মত ক্লাস করতে না পারি তাহলে দেখা যাবে যে রেজাল্টের ক্ষেত্রে অনেক বৈষম্য হবে। তাই স্বাস্থ্যবিধির আর কড়াকড়ি করে হলেও আমাদের স্কুল খুলে দেওয়া হোক।
অনলাইন ক্লাসের ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের স্কুলে অনলাইন ক্লাস চলছে কিন্তু অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে তা হয়ে উঠছে না। তাই অনলাইন ক্লাসেও এ সমস্যা সমাধান হবে না।

ফেডারেশন অফ কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন সাভার উপজেলার সভাপতি এস এম নাসির উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, অনেকেই তাদের প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে, দেখছিনা তা নয়। তবে এটা তদারকি করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে বিষয়টা হচ্ছে অনেক স্কুলে পরীক্ষার্থী আছে, তারা একঘন্টা বা দুই ঘন্টার করে কোচিং করাচ্ছেন। অনেকে আবার অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কৌশল করে সচল থাকতে বা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে একঘন্টা বা দুই ঘন্টার করে ক্লাস করাচ্ছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনু মোহাম্মদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, বৈষম্যের চেয়ে বড় কথা হচ্ছে সকলকেই সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। কারণে যে সকল প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে সেখানে কিন্তু শিক্ষার্থীদের করোনার ঝুঁকি রয়েই গেছে। তাই সরকারি নির্দেশনা মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই ভালো।

এ ব্যাপারে কথা বলতে সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাবশিরা ইসলাম লিজা সহ একাধিক শিক্ষা অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা ফোনটি রিসিভ করেননি।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ৮ ডিসেম্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু ৮ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এবারও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা হবে না। অনলাইনে হবে ভর্তির কাজটি।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

তপন কুমার বলেন, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবে।

তপন কুমার আরও বলেন, আজ শিক্ষামন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একাদশে ভর্তি বিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ নভেম্বর চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

;

মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%

মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অসাধারণ সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনে অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজ।

এবছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে মোট ১৬৭৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পাস করে ১৬৭৬ জন। পাসের হার ৯৯.৮২%। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৫০ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৭৪.৫৮%।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪০০ জন শিক্ষার্থী এবং পাস করে ১৩৯৮ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৯.৮৬%। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করে ১২০৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৮৬.০৫%। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৭৯ জন এবং পাস করে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৯৯.৬৪%। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএÑ৫ অর্জন করে ৪৭ জন।

উল্লেখ্য, দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম একটি রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনে অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজ। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এসএসসি, এইচএসসিসহ প্রতিটি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে সেরা ফলাফল অর্জন করে আসছে।

ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, প্রত্যাশা মতো ভালো ফলাফল করার ক্ষেত্রের আসল নিয়ামক আমাদের শিক্ষার্থীরা যারা সারাবছর শ্রেণি শিক্ষার ব্যাপারে সচেতন ও পরিশ্রমী। এখানে শিক্ষক শিক্ষিকাগণ যেমন পাঠদানে আন্তরিক তেমনি অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ এবং সহায়তামূলক। অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলামের মতে, মাইলস্টোন কলেজের ভালো ফলাফল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার ফসল তাই তিনি সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে আরও ভালো ফলাফল লাভের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

;

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক

  • Font increase
  • Font Decrease

মেন্টরস স্টাডি অ্যাব্রোডের আয়োজনে আগামী ১৬-ই নভেম্বর থেকে একুশে নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক।

উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ইউএসএ, ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য, স্কলারশিপ এবং যাবতীয় বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবে।

আয়োজনটি ১৬-১৯ নভেম্বর যথাক্রমে মেন্টরস মৌচাক ব্রাঞ্চ, বনানী ব্রাঞ্চ ও কলাবাগান ব্রাঞ্চে দুপুর ৩টা থেকে এবং ২০ শে নভেম্বর সকাল ১১টায় মিরপুর এবং দুপুর ৩ টা ৩০ মিনিটে মেন্টরস উত্তরা ক্যাম্পাস টু তে আয়োজনটি করা হচ্ছে।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি ফ্রি রাখা হয়েছে।

আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭১৩২৪৩৪০৯, ০১৭১৩২৪৩৪১৩,
০১৭১৩২৪৩৪২৭, ০১৭১৩২৪৩৪৩৭, ০১৭১৩২৪৩৪১৫

;

শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। মঙ্গলবার সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক ছাত্র সমাবেশে তারা এ দাবি জানায়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শোভন রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা নগর শাখার সভাপতি অনিক কুমার দাস, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম। এসময় সংগঠনের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ অর্থমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি পেশ করেন।

সমাবেশে ছাত্র নেতারা বলেন, জুন মাসের ৯ তারিখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট জতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা বলে— প্রতিবছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেলেও সামরিক খাতের মতো অনুৎপাদনশীল খাতগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ছে। এর বিপরীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ দিন দিন কমছে। শিক্ষা খাতের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ খাত এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতের সঙ্গে সরকারের সুদ, সরকারি কর্মজীবীদের পেনশন ও কৃষিতে ভর্তুকি যোগ করে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর অপচেষ্টা শুরু হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ ও জাতীয় আয়ের ৮ শতাংশ বরাদ্দের যে দাবি ছাত্র সমাজ উত্থাপন করে আসছে, তা বরাবরই উপেক্ষিত হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, শিক্ষা খাতে আয় কমিয়ে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির কথা বলে প্রতিনিয়ত নামে-বেনামে বিভিন্ন ধরনের ফি’র বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণের দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত ক্লাসরুম-শিক্ষক নেই, আবাসন ব্যবস্থা ও পরিবহন ব্যবস্থা অপ্রতুল, স্বাস্থ্যসম্মত সাশ্রয়ী খাদ্যের অধিকার থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র, বন্দুক হাতে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ছাত্রদলের ওপর অব্যাহত হামলা চালিয়েছে। ভিন্ন মত ও সংগঠনকে বলপূর্বক দমন করাই আজ তাদের একমাত্র কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জোর জবরদস্তি ও ভয়ের রাজত্ব ভাঙতে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা এবং শিক্ষা সংকোচন ও বাণিজ্যিকীকরণে শাসক শ্রেণির পরিকল্পনা প্রতিহত করার পাশাপাশি অবিলম্বে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ছাত্র সমাজকে আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।

;