বিজিএমইএর করোনা শনাক্তকরণ ল্যাবে দিনে ৪ শ জনের পরীক্ষা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরের চন্দ্রায় করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব স্থাপন করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। এই করোনা শনাক্তকরণ ল্যাবে দিনে ৪ শ জন পরীক্ষা করতে পারবেন। এই ল্যাবটি শুধু পোশাক শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষার জন্য।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উদ্বোধন করা হয় পোশাক শ্রমিকদের জন্য বিজিএমইএ-এর সর্বাধুনিক কোভিড-১৯ পরীক্ষার ল্যাব। গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দায়িত্ব মালিকপক্ষের পাশাপাশি বিজিএমইএ থাকবে। খুব শিগগিরই সাভার, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে একটি করে ল্যাব স্থাপন করা হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে মোট চারটি ল্যাব বসবে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

এছাড়া নারী শ্রমিকদের জন্য আলাদা আইসোলেশন সেন্টারও করবে তারা। শ্রমঘন শিল্প হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকিতে পোশাক শ্রমিকরা। এরই মধ্যে সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জে কিছু শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ঝুঁকি কমাতে যত বেশি সম্ভব শ্রমিকদের পরীক্ষার আওতায় আনতে চায় বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার ৪ জুন) দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ল্যাবগুলোর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ'র সভাপতি ড. রুবানা হক। এসময় ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বাডাস)-এর সভাপতি প্রফেসর ডা. এ. কে. আজাদ খান, বস্ত্রকল-মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) -এর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, এফবিসিসিআই-এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এবং সালাম মুর্শেদী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংগঠনের সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, আরও বেশি কারখানার শ্রমিকরা করোনায় আক্রান্তের শঙ্কা করেছিলাম। কিন্তু আমাদের চেয়ে গরিবদের সহ্য ক্ষমতা ও সচেতনতা বেশি। যার ফলে বুধবার রাত পর্যন্ত ২৬৪ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাইকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করছে মালিকপক্ষ।

করোনায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ধাক্কা খাবে পোশাক খাত বলে জানিয়ে বিজিএমইর সভাপতি বলেন, এ বছর পোশাক খাত থেকে রফতানি আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার। তিনি বলেন, করোনায় স্থগিত হওয়া ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ ভাগ অর্ডার পুনরায় ফিরে পেয়েছি।

করোনা মোকাবিলায় এখন মানুষ সুস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি। পোশাকে নয়। ফলে শতকরা ৫৫ শতাংশ অর্ডার কমে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৫৫ ভাগ বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে তুলে নিয়েছে ২ শতাংশ। করোনার কারণে পোশাক খাতে অনেক ছাঁটাই হবে।

স্মার্ট বাংলাদেশে মানুষের মাথাপিছু আয় হবে ১২,৫০০ ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্মার্ট বাংলাদেশে মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়াবে ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আশা প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (১ জুন) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশের সময় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় হবে কমপক্ষে ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। দারিদ্রসীমার নিচে থাকবে ৩ শতাংশের কম মানুষ। চরম দারিদ্র্য নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়।

তিনি বলেন, 'স্মার্ট বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি সীমিত থাকবে ৪-৫ শতাংশের মধ্যে। বাজেট ঘাটতি থাকবে জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে। রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত হবে ২০ শতাংশের বেশি। বিনিয়োগ হবে জিডিপির ৪০ শতাংশ।

বাংলাদেশে শতভাগ ডিজিটাল অর্থনীতি আর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাক্ষরতা অর্জিত হবে বলে আশা করেন তিনি।

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে যাবে। স্বয়ংক্রিয় যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেকসই নগরায়নসহ নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব সেবা থাকবে হাতের নাগালে। তৈরি হবে পেপারলেস ও ক্যাশলেস সোসাইটি। সবচেয়ে বড় কথা, স্মার্ট বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, বলেন অর্থমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সোসাইটি ও স্মার্ট ইকোনমির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ।

;

বাড়বে ভ্রমণ খরচ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জনসাধারণের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ কমাতে, মিতব্যয়ীতার অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং অর্থনীতিতে নতুন রাজস্ব ধারা তৈরি করতে ভ্রমণ কর হার বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করার সময় তিনি বলেন, এই নীতি একদিকে আমাদের আরও রাজস্ব দেবে এবং অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ কমিয়ে ডলার সাশ্রয় করবে।

বিমান পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকীকরণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে সহায়তা করার প্রয়াসে সরকার ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৯৬৯ কোটি টাকা বেশি, যা ছিল ৫ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা।

বাণিজ্যের সুবিধার্থে এবং বিমান চলাচলের খরচ কমানোর জন্য নিবন্ধিত এয়ারলাইন্স দ্বারা আমদানি করা এয়ারক্রাফ্ট ইঞ্জিন, টার্বো জেট এবং বিমানের যন্ত্রাংশ আমদানিতে অগ্রিম কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

এক দশক ধরে চলমান রেয়াতি হারে হোটেল সামগ্রী আমদানির বিদ্যমান প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেহেতু অনেক বড় মাপের এবং উচ্চ মানের হোটেল ইতোমধ্যে এই সুবিধার অধীনে নির্মিত হয়েছে, তাই শুল্ক কর অব্যাহতি অব্যাহত রাখা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হচ্ছে। তাই রাজস্ব সুরক্ষার স্বার্থে আমি বিদ্যমান বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।

;

মোবাইল সিম ১৮ কোটি, ইন্টারনেট ১৩ কোটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ১৮ কোটি ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় তিনি এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যথাক্রমে ১৮ কোটি এবং ১৩ কোটির বেশি।

তিনি বলেন, সংযোগ, দক্ষ মানবসম্পদ, ই-গভর্নমেন্ট এবং আইসিটি শিল্পের প্রসার- এই চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, এই চারটি ক্ষেত্রেই আমাদের অগ্রগতি ও অর্জন অভূতপূর্ব। আমাদের সরকারের উদ্যোগে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ প্রতি এমবিপিএস বর্তমানে ৭৮ হাজার টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকার কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

;

প্রতিরক্ষায় ৪২ হাজার ৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩- ২৪ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪২ হাজার ৯৫ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য এ অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪০ হাজার ৩শ’ ৬০ কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ কমে গিয়ে ৩৬ হাজার ৬শ’ ৪৯ কোটি ৮৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

অপরদিকে সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের জন্য ২০২৩-’২৪ অর্থবছরের বাজেটে ৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি ২০২২-’২৩ অর্থবছরে এ বিভাগের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ৪৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমে ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

;