নেট মিটারিংয়ের সম্ভাবনা অনেক, তবে অর্জন সামান্যই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নেট এনার্জি মিটারিংয়ের সম্ভাবনা অনেক তবে অর্জন সামান্যই। বিনিয়োগ ছাড়াই এর সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। এতে ৫ থেকে ৭ বছরেই বিনিয়োগ উঠে আসছে। তবে অব্যবহৃত সোলার প্যানেল পড়ে থেকে ময়লা পড়ে অকেজো হয়ে যাচ্ছে।

এ কারণে অনেকেই আগ্রহ হারাচ্ছেন। এজন্য প্যানেলগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কোনো কৌশল বের করতে হবে।

শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনের আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সোলার নেট মিটারিংয়ের সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এমন মতামত উঠে আসে।

বক্তারা বলেন, নেট মিটারিং কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি ভোক্তার আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। তবে এখানে আমদানি শুল্কসহ কিছু অসামঞ্জস্য রয়েছে। এগুলো দূর করা গেলে অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখতে সক্ষম।

বিদ্যুৎ বিভাগের উন্নয়ন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, সৌর বিদ্যুতের ইনভার্টার ও স্টোরেজের ওপর থেকে ডিউটি কমানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে। এফবিসিসিআই প্রস্তাবনা দেবে। সেই প্রস্তাবনা নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মোহাম্মদ হোসাইন আরো বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে খুবই আন্তরিক হয়ে কাজ করছে। একটা সময় যখন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বাসার ছাদে সোলার প্যানেল থাকা বাধ্যতামূলক করা হলো, তখন অনেকেই ভাড়ায় আনতো বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে। সংযোগ পাওয়ার পর সেগুলো ফেরত দিতো। এখানে আমাদেরও দায় রয়েছে। তবে এখন প্রেক্ষাপট বদলে যাচ্ছে। এখন গ্রাহকদের নিজেদের স্বার্থে সোলার প্যানেল থাকা উচিত। কারণ, এতে তারা অনেক লাভবান হবেন।

অব্যবহৃত সোনার প্যানেল পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সোলার প্যানেলে ময়লা পড়ে অকেজো হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে অন্যরা আগ্রহ হারাচ্ছে। প্যানেলগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কোনো কৌশল বের করতে হবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-এর (বিইআরসি) সদস্য (পাওয়ার) আবুল খায়ের মোহাম্মদ আমিনুর রহমান বলেন, ভর্তুকি দিয়ে কোনোখাতকে স্থায়ী ভিতের ওপর দাঁড় করানো যায় না। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠলে সেটাই হয় শক্তিশালী ও স্থায়ী। তবে হ্যাঁ, একটা সময় পর্যন্ত প্রণোদনার প্রয়োজন থাকতে পারে।

ইপিজেডগুলোতে বিপুল পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ইপিজেড কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না- এমন আলোচনার প্রেক্ষিতে বিইআরসির সদস্য বলেন, ইপিজেড নিয়ে আমরাও সমস্যায় আছি। তারা আমাদের কাছে আসছেন লাইসেন্স থেকে অব্যাহতি চাইতে।

পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের রেক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের নেট মিটারিং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সেরা। এ জন্য রক্ষণাবেক্ষণের প্রোটোকল থাকা দরকার।

আমার মনে হয়, বিদ্যুতের বিতরণ কোম্পানিগুলো হুমকি মনে করছে। তাই, তারা এতে কম আগ্রহ দেখাচ্ছে। এখানে তাদের ঝুঁকি হ্রাসের ব্যবস্থা থাকা উচিত। তাদের হুইলিং চার্জ থাকলে তবেই নেট মিটারিং সফল হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

স্রেডার সাবেক সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, আমি যখন স্রেডা’তে ছিলাম, তখনও ইপিজেডের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছিলাম। একাধিক দফায় প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলাম কিন্তু সফল হতে পারিনি। ইপিজেড কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ কেনে নির্দিষ্ট দামে। তারপর সেখানে ১৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ আদায় করে। হতে পারে, সেই সার্ভিস চার্জ হারানোর ভয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের ভিজিটিং গবেষণা ফেলো ও ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ইশতিয়াক বারী।

তিনি বলেন, ইপিজেডগুলোতে নেট এনার্জি মিটারিং করা গেলে বছরে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৯শ ৪৮ মেগাওয়াট থেকে ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯শ ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।

চীন ২০১৩ সালে, ডেনমার্ক ২০১০ সালে নেট এনার্জি মিটারিং পদ্ধতি চালু করেছে। এর মাধ্যমে তাদের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে বলে রিপোর্টে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে ২০১৮ সালে নেট মিটারিং নীতিমালা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১শ ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ৩শ ২৪টি শিল্প কারখানা এবং ৫শ ৭৪টি আবাসিকে নেট মিটারিং স্থাপন করা হয়েছে।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৮ বছরের বিনিয়োগ উঠে আসছে। এরপর আরো ১২ বছর ফ্রি সার্ভিস পাচ্ছেন।

বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী নুরুল আখতার বলেন, নেট মিটারিং ঝুঁকিমুক্ত এবং বিনিয়োগ ছাড়াও সম্ভব। এখানে নিজে বিনিয়োগ করা যায় আবার তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিনিয়োগ ছাড়াও সম্ভব। এখানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসা উচিত। নেট মিটারিং কার্বন নিঃসরণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ঢাকা চেম্বারের পরিচালক সাইফুদ্দৌলা বলেন, নেট মিটারিংয়ের নীতিমালায় অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। ধরুন, আমি একটি কারখানায় বিনিয়োগ করলাম। ৫ বছর পর সেই কারখানা বন্ধ হয়ে গেল, তাহলে কী হবে! সরকারের কাছে বিক্রির বিকল্প সুবিধা থাকা উচিত। এছাড়া অর্থায়নের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করতে হবে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অজিৎ কুমার ভৌমিক বলেন, নেট মিটারিং অনেক হচ্ছে। ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত হচ্ছে। আমরা প্রস্তুত আছি গ্রাহক এলেই দেওয়া হবে।

ইউনাইটেড ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ২ থেকে ৩ বছর পরে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে গ্রাহকেরা ধরে নিচ্ছেন, সোলার নষ্ট হয়ে গেছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সোলার নিয়ে। এখন ৫ বছরের আগেই বিনিয়োগ উঠে আসছে। গ্রিড বিদ্যুতের চেয়ে সৌর বিদ্যুতের দাম অনেক কম। এখানে সচেতনতা বাড়াতে পারলেই হয়। কিছু বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া উচিত, তবে বরাদ্দ লোডের বেশি হবে না, এমন বিধিনিষেধ থাকা উচিত।

ডেসকো’র নাসির উদ্দিন বলেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা দেখছি, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক সমস্যা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উত্তরাতে একটি লাইটিং প্রজেক্ট করে। সেখানে দেখলাম রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কিছুদিন পরেই অকেজো হয়ে পড়ে। অপর একটি প্রকল্পে দেখলাম, প্যানেলের ওপর দুই ইঞ্চি ধুলার আস্তরণ পড়েছে আবার ব্র্যাক ইউনির্ভাসিটির মতো সফল প্রকল্পও রয়েছে।

চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন খানের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি)-এর চেয়ারম্যান মো. শামীম জাহাঙ্গীর, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার-এর এডিটর মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, টোটাল এনার্জির হেড অব বিজনেস ইমরানুল হক চৌধুরী, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এসই জহিরুল করিম প্রমুখ।

   

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারও দেশে রেমিট্যান্সের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। বাড়তে শুরু করেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ মার্কিন ডলার।

রোববার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, চলতি জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে এসেছে ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ১২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত মে মাসের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৬ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলার, এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার, মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৩ লাখ, ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫০ কোটি ৩৬ লাখ, ও জানুয়ারির দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেক বেড়েছে।

ধর্মীয় উৎসবগুলোকে সামনে রেখে দেশের অভিবাসী কর্মীরা সাধারণত বেশি অর্থ পাঠান। তাই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসতে পারে।

এদিকে জুনের ২১ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৪১ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দেশে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার, ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ও ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

;

নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে রোডম্যাপ নেই বাজেটে: ওয়েব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উইমেন এন্ট্রেপ্রেনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওয়েব) প্রেসিডেন্ট নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী এবং নারী উদ্যোক্তাদের ৭০ শতাংশ হোমবেজড উদ্যোক্তা অথচ এসব উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের কোনো রোডম্যাপ নেই বাজেটে।

রোববার (২৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর অ্যাংকর টাওয়ারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল এসব কথা বলেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ওয়েবের ভাইস প্রেসিডেন্ট তাজিমা মজুমদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস এম আঞ্জুমান উল ফেরদৌসী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, সরকার ব্যাংকখাত থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার কথা বলেছে, এই বার্তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ ক্রমাগত ব্যাংক বিমুখ হচ্ছেন। অন্যদিকে, মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে মহাজন প্রথা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প অর্থনীতির একটি বড় অংশ জুড়ে আছে। এটি দেশের আয়ের একটি বড় অংশ বহন করে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে সক্ষম হলেও এই উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা করার কথা উল্লেখ নেই বাজেটে বা এখাতে কোনো বরাদ্দও রাখা হয়নি।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, আমরা আশা করি, বাজেট পাস করার আগে বিষয়গুলোর দিকে নজর দেবে সরকার।

তিনি আরো বলেন, আমরা লক্ষ করছি, স্বাধীনতার পর কয়েক দশক ধরে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনার যে আন্দোলন, তার সুফল নারী উদ্যোক্তারা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ২০২৪ সালে এসে ব্যাংক ঋণে (নারীসহ) সুদের হার শুধুমাত্র ডবল ডিজিট নয়, আগের থেকে প্রায় তিনগুণ করা হয়েছে। এতে করে ৩-৪ শতাংশ থেকে এখন ১৩.৭৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

;

বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার

বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেডা) উদ্যোগে রিসেন্ট ফরেক্স পলিসি ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বাফেডা’র এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি মো. আবুল হাসেমের সঞ্চালনায় পরিচালিত উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং বাফেডা’র ট্রেজারার মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং বাফেডা’র টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান সুভাস চন্দ্র দাস এফসিএমএ, এফসিএ।

সেমিনারে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এফইপিডি’র পরিচালক মো. সরোয়ার হোসেন এবং অতিরিক্ত পরিচালক রোকসানা আক্তার।

উক্ত সেমিনারে এডি ব্যাংকসমূহের ট্রেজারি বিভাগ এবং অফসোর ব্যাংকিং ইউনিটের প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।

;

ইসলামী ব্যাংকের প্রবেশনারি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ)’র উদ্যোগে নতুন যোগদানকৃত প্রবেশনারি অফিসারদের দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (২৩ জুন) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রোগ্রাম উদ্বোধন করেন। আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, এফসিএস এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট খোন্দকার মোঃ মুনীরুল আলম আল-মামুন ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ। ২০০ জন প্রবেশনারি অফিসার দিনব্যাপী এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন।

;