চট্টগ্রামে মাল্টিপারপাস বে-টার্মিনাল, আবুধাবি পোর্টস দিচ্ছে ১০০ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত বে-টার্মিনাল প্রকল্পের অধীন মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে আবুধাবি পোর্টস গ্রুপ (এডি পোর্টস)। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল এবং আবুধাবি পোর্টস গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সাইফ আল মাজরুই স্মারকে সই করেন। এসময় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও এডি পোর্টসের বাংলাদেশ এজেন্ট সাইফ পাওয়ারটেকের প্রতিনিধিরা উপস্থিতি ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টস গ্রুপ বে-টার্মিনাল প্রকল্পের অধীনে মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। তারা অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি যন্ত্রপাতিও সরবরাহ করবে।


জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ পাশে বঙ্গোপসাগরের তীরে ‘বে- টার্মিনাল’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ‘বে-টার্মিনাল’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়ার পর সেখানে ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য ২০১৭ সালে কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়। কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফিজিবিলিটি স্টাডি ও মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়। গত বছরের ১৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত মাস্টারপ্ল্যানের মোড়ক উন্মোচন করেন।

সমীক্ষা অনুযায়ী, মাস্টারপ্ল্যানে এক হাজার ২২৫ মিটার দীর্ঘ দুটি কন্টেইনার টার্মিনাল এবং এক হাজার ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি মাল্টিপারপাস টার্মিনালসহ মোট তিনটি টার্মিনাল রয়েছে। তিনটি টার্মিনালের দৈর্ঘ্য চার দশমিক ৯৫ কিলোমিটার। মাস্টারপ্ল্যানে মোট ১১টি জেটি রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চ্যানেলে যথোপযুক্ত নাব্যতা থাকায় সেখানে ১২ মিটার ড্রাফটের এবং ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। আবহাওয়া এবং সাগরের বড় বড় ঢেউ থেকে রক্ষা করতে একটি ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রেক ওয়াটার বা ঢেউনিরোধক বাঁধ নির্মাণ করা হবে। বে-টার্মিনাল থেকে বহির্নোঙরের দূরত্ব এক কিলোমিটার।

মাল্টিপারপাস টার্মিনালটি চট্টগ্রাম বন্দর ও আবুধাবি পোর্টস গ্রুপ যৌথভাবে নির্মাণ করবে। এক হাজার ২২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের পিএসএ এবং অপরটি নির্মাণে দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড অর্থায়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে। ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ব্রেক ওয়াটার ও অ্যাক্সেস চ্যানেল ড্রেজিং করবে বিশ্বব্যাংক।

বে-টার্মিনাল প্রকল্পের জন্য ৬৬ দশমিক ৮৫ একর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ইতোমধ্যে অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ৫০০ দশমিক ৬৯ একর সরকারি খাস জমি অনুমোদন পেয়েছে। ব্রেক ওয়াটার নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। বছরে ৫০ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২০২৬ সালে অপারেশনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারীরা বিনিয়োগ করছেন। আমি সম্ভাবনা ও স্বপ্ন দেখি, এক সময় আসবে, যখন চট্টগ্রাম বন্দর পৃথিবীর অন্য কোনো দেশেও এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল, বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লা আলী আব্দুল্লা কাসিফ আল মৌদি, আবুধাবী পোর্টস গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল অফিসের রিজিওনাল চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহমেদ আল মুতায়া।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে মেরিটাইম সেক্টরে আমাদের যে যাত্রা, তা পুনর্জীবিত ও উজ্জীবিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সময়ে সমুদ্র ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর গত ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক বন্দরের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন হচ্ছে। মোংলা বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের মতো সক্ষমতা অর্জন করবে। পায়রা বন্দরে নির্মাণাধীন জেটিতে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ ভিড়েছে। এটি নতুন অনুভূতি। আগে মাদার ভেসেলে পণ্য পরিবহনের জন্য আমাদের কলম্বো ও সিঙ্গাপুর বন্দরের ওপর নির্ভরশীল হতে হতো। বর্তমানে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে। এতে করে নির্ভরশীলতা কমে যাবে। মাতারবাড়ি বন্দর আঞ্চলিক হাবে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনালের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। খুব শিগগিরই এর কার্যক্রম শুরু হবে। বে-টার্মিনাল নির্মিত হলে ২৪ ঘণ্টা জাহাজ আসা-যাওয়া করবে। জোয়ার-ভাটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। চট্টগ্রাম বন্দর অন্য ধরনের উচ্চতায় চলে যাবে। বে-টার্মিনালের সঙ্গে সড়ক, রেলওয়ে কানেক্টিভিটি থাকবে। পণ্য পরিবহন সহজলভ্য হবে। বে-টার্মিনাল বাংলাদেশের সমুদ্র পরিবহনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। অল্প সময়ের মধ্যেই মাল্টিপারপাস টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাই।


জানা যায়, টার্মিনালটি নির্মিত হলে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে ১০ লাখ টিইইউ (টোয়েন্টি-ফুট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কন্টেইনার এবং ৭০ লাখ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করতে পারবে। এতে দেশের আমদানি ও রপ্তানি দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহন খরচ এবং সময় কমে আসবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় এডি পোর্ট গ্রুপ একটি দক্ষ প্রতিষ্ঠান। এডি পোর্ট গ্রুপের ৫টি সমন্বিত বিজনেস ক্লাস্টার ডিজিটাল, ইকোনমিক সিটিস এন্ড ফ্রি জোন, লজিস্টিকস, মেরিটাইম এবং পোর্ট রয়েছে। আবুধাবি অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে আবুধাবি পোর্ট গ্রুপ মাকতা গেটওয়ে এডভান্সড ট্রেড এন্ড লজিস্টিক প্লাটফরম তৈরি এবং পরিচালনা করেছে। যা আবুধাবি জুড়ে বাণিজ্য ও লজিস্টিক নৌ, স্থল ও আকাশ পথে পরিষেবা গুলোকে একীভূত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমসহ বে-টার্মিনাল প্রজেক্টে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথভাবে এডি পোর্ট গ্রুপ বিনিয়োগ করবে । এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে তথা বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বিদেশী বিনিয়োগ আসবে এবং দেশীয় অর্থের সাশ্রয় হবে। এতে দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। এডি পোর্ট গ্রুপের সাথে অংশীদারিত্বে কাজ করার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সম্ভব হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে মর্মে আশা করা যায় ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ মিটার গভীরতা ও ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বড় জাহাজ প্রবেশ করতে পারে না। বে টার্মিনালে ভিড়তে পারবে ১২ মিটার গভীরতা ও ২৮০ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের জাহাজ।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, বিকেলে পরিস্থিতি উন্নতি হবে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, ছবি: সংগৃহীত

ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইনের ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ মেরামত ও গ্যাস কমিশনিং সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে বিকেল নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

এলএনজি সরবরাহ ও গ্যাসগ্রিডের চাপ (বর্তমান ৭০ পিএসআই) এর সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সঞ্চালন ও চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সিইপিজেডের জেটি নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট কাজ পরিচালনার সময় জিটিসিএলের ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট উচ্চচাপ গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনের ক্ষতিসাধন করে। নদীর তীর হতে ২৮০ মিটার দূরত্বে মাটির ১.৫ মিটার গভীরে পাইপলাইনটি অবস্থিত।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সকল পাইপলাইনের ম্যাপ রাখার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ম্যাপিং হাতে থাকলে এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। গ্রাহক ভোগান্তি লাঘোব করতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়াতে হবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের পর থেকেই গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। ঝড়ে পন্টুনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই ওই এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ১৫ জুলাই নাগাদ চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সামিট গ্রুপের ভাসমান ওই টার্মিনালটি দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন গ্যাস সরবরাহ দিতে পারে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া সারাদেশেই তার প্রভাব পড়েছে। শিল্প কারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে।

;

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন

ছবি: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বস্ত ব্যাংকিং সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) যশোরের বেনাপোলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মশিউর রহমান জেহাদ, বেনাপোল পৌরসভার মাননীয় মেয়র মোঃ নাসির উদ্দীন, বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ বজলুর রহমান, ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথি ও গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বস্ত ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বকীয়তা বজায় রেখে দ্রুততার সাথে ব্যাংকিং সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

;

শুরু হলো এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফ্রান্সের তৈরি এটিআর-৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট নিয়ে গত বছরে এদেশের আকাশে ডানা মেলে বেসরকারি এয়ারলাইনস এয়ার এ্যাস্ট্রা। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রিমিয়াম এভিয়েশন সার্ভিস ও দেশের ডমেস্টিক এয়ার লাইন্স হিসেবে বেশ জনপ্রিয় লতা পেয়েছে খুব অল্প সময়ে।

এবার যাত্রী সেবা আরও সুন্দর ও আনন্দময় করতে আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা নিয়ে এবার এয়ারলাইনটির ফ্রিকোয়েন্ট ফ্রায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট' এর যাত্রা শুরু হলো।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ফ্রিকোয়েন্ট ফ্রায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট' এর উদ্বোধন হয়।

এয়ার এ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীদের সুবিধার্থে তিনটি ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে অরবিট প্রোগ্রামে ইকো, ইভো এবং প্রো। যাত্রীরা এয়ার এ্যাস্ট্রায় নিয়মিত ভ্রমণ করে তাদের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রামে মাইলেজ যোগ করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট মাইলেজ খরচ করে এয়ার এ্যাস্ট্রায় ফ্রি ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে প্রায়োরিটি চেক-ইন, র‍্যাম্প কার, সিট সিলেকশন অপশন ও অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা।

'অরবিট' উদ্বোধন উপলক্ষে, এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সাথে সাথে একটি ওয়েলকাম কিট পাবেন যাত্রীরা। যেখানে থাকছে দেশের স্বনামধন্য ১০টি ব্র্যান্ড শেয়ারট্রিপ, গোযায়ান, টুয়েলভ ক্লোবিং, শাহরুখ আমিন, এপেক্স, মানা বে, সি পার্ল ওয়াটার পার্ক, সিক্রেট রেসিপি, রেড বাই আফরোজা পারভিন, ফয়েজ লেক রিসোর্ট এর ডিসকাউন্ট ভাউচার। যাত্রীরা এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস, সেলস অফিস, এয়ারপোর্ট চেক-ইন কাউন্টার এবং ইন-ফ্লাইটে অরবিট' এর রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

এয়ারলাইনসটির নতুন এই অরবিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব এবং ওরাকল বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলাসহ ছিলেন এয়ার এ্যাস্ট্রা'র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইমরান আসিফ এবং এয়ার এ্যাস্ট্রা'র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইমরান আসিফ এবং চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সোহেল মজিদ উপস্থিত ছিলেন।

এয়ার এ্যাস্ট্রা বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা, ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা এবং ঢাকা- সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এয়ার এ্যাস্ট্রা'র বহরে বর্তমানে চারটি এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে, যা ফ্রান্সে নির্মিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নিরাপদ টার্বোপ্রপ এয়ারক্রাফট। খুব শীঘ্রই আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট শুরু করবে বলে জানিয়েছে এয়ার এ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ।

;

জয়পুরহাটে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ।

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বমানের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে যাত্রা শুরু করল দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’।

উপজেলার ডাকবাংলো সংলগ্ন মেইন রোডে চালু হওয়া শোরুমটিতে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, ওভেন, এলইডি লাইট, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, আইসিটি, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যসামগ্রী।

উদ্বোধন উপলক্ষে ওয়ালটনের যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতাদের ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে আপন এন্টারপ্রাইজ। এই সুবিধা চলবে চলতি জুলাই মাস জুড়ে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্কেলপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাদেকুর রহমান, থানার অফিসার ইন-চার্জ নয়ন হোসেন, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজালাল হোসেন লিমন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শহীদুজ্জামান রানা, ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মিজানুর রহমান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মেহেদি হাসান, আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেন জানান, আন্তর্জাতিকমানের পণ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে ওয়ালটন বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। ওয়ালটন সব সময় সর্বোচ্চ ক্রেতাসুবিধা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন শোরুমটি উদ্বোধন উপলক্ষে চলতি জুলাই মাস জুড়ে যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতারা ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন।

ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম বলেন, ওয়ালটনের আন্তর্জাতিকমানের পণ্য এখন প্রতিটি ঘরে শোভা পাচ্ছে। রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। ওয়ালটনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই শোরুমটির উদ্বোধন। নতুন শোরুমটি থেকে এই অঞ্চলের মানুষ এখন আরও সহজেই ওয়ালটনের পণ্য ও সেবা পাবেন।

চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, দেশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটনের পণ্য এখন ৪০টিরও অধিক দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই অঞ্চলে নতুন শোরুমের মাধ্যমে ওয়ালটনের ব্যবসায়িক পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। আপন এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে হাতের নাগালেই পাবেন প্রয়োজনীয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য।

;