গুলশানে ঈদে বিলাসবহুল কেনাকাটা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
গুলশানে ঈদে বিলাসবহুল কেনাকাটা

গুলশানে ঈদে বিলাসবহুল কেনাকাটা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে পুরোদস্তুর চলছে ঈদের কেনাকাটা। শেষ মুহূর্তে ঈদ কেনাকাটায় ক্রেতাদের সাথে ব্যস্ত সময় পার করছেন ফ্যাশন হাউসসহ বিপণী বিতানগুলোর বিক্রেতারা।

রোববার (০৭ এপ্রিল) ঈদের বাকি মাত্র ৩ দিন। রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায় নিরিবিলি পরিবেশে ক্রেতা বিক্রেতারা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় । বিক্রি হচ্ছে ফ্যাশন হাউজের নানা ধরনের ডিজাইনার পোশাক জুতা ব্যাগ ও অন্যান্য সামগ্রী ।

সরেজমিনে গুলশান-১ এলাকার পুলিশ প্লাজা, গুলশান-২ এর পিংক সিটি শপিং মল ও অন্যান্য বিপণী বিতান ঘুরে দেখা যায়, শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি পিস, জুতা, কসমেটিকস, ডিজাইনার ড্রেস ও পাকিস্তানি ড্রেসের দোকানগুলোতেই তুলনামূলক ভিড় বেশি।

গুলশান-১ পুলিশ প্লাজার শপিংমলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশীয় ডিজাইনার ড্রেসের পাশাপাশি পাকিস্তানি  আগানুর, সাদাবাহার, বিন সায়েদ, ড্রেসের চাহিদা বেশি।


ঈদ উপলক্ষ্যে ডিজাইনার শপগুলো নিজস্ব ডিজাইনের বাহারি পোশাকের পসরা সাজিয়েছে। সাধারণ থেকে এক্সক্লুসিভ সব ধরনের পোশাক তারা রেখেছেন ক্রেতাদের জন্য। ৩ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আবার ৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার পোশাক পাওয়া যাচ্ছে দোকানগুলোতে। ডিজাইনার শাড়ি ৫ হাজার থেকে ৪০/৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ঈদকে কেন্দ্র করে ব্রান্ডের শোরুমগুলোতেও নতুন ডিজাইনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। পুলিশ প্লাজার নিচতলায় কে ক্রাফট ব্রান্ড এর কর্মী জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে তাদের পাঞ্জাবিসহ থ্রিপিস, শাড়ি, টপস, ওয়ান পিছের নতুন কালেকশন করা হয়েছে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গুলশানের এ মার্কেট গুলো ঈদ উপলক্ষে বিশেষভাবে আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দামি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন এসব শপিংমলের বিক্রেতারা। দেশ বিদেশের বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনারদের তৈরি পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দোকানে সেখান থেকে ক্রেতারা কিনছেন তাদের পছন্দমতো। পোশাকের দাম নিয়ে কিছু জন অভিযোগ করলেও বেশিরভাগ এর কাছে দাম কোন সমস্যা নয় পছন্দটাই মুখ্য বিষয় ।

ঈদের কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মেহরিন জামান বলেন, "দাম ফ্যাক্ট না ম্যাটেরিয়াল ভালো হলে ডিজাইনার ড্রেস বেশি দাম দিয়ে কিনতে সমস্যা নাই। ডিজাইনার ড্রেস গুলো এক্সক্লুসিভ হয় সাধারণত। একপিস ই পরবেন আপনি তাহলে তো দাম বেশি হবেই"।


পুলিশ প্লাজায় কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ‘নিজের ও পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা আগেই শেষ এখন গিফটের জন্য কিছু শাড়ি নিতে এসেছি ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার করে চারটা শাড়ি নিয়েছি শ্বশুরবাড়ির জন্য।’

গুলশান-২ এর পিংক সিটি শপিং কমপ্লেক্স এ দেখা যায় ক্রেতা সমাগম। এখানে অনেক ডিজাইনার শপের তৈরিকৃত পোশাকের দাম ও মান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে অনেক বিক্রেতারা গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানায়, ছবি তুলতে দিতে ও নারাজ। অফিসের সমস্যা আর অজুহাতে এড়িয়ে যাচ্ছেন। এগুলো নিয়ে ট্যাক্স সমস্যা হবে বলে কথা বলতে চান না তারা।

রমজানের শেষ ভাগে এসে হতাশার কথাও বলেন গুলশান শপিং মলের অনেক বিক্রেতা। তারা বলেন, আমাদের এখানে বিদেশি নানা ব্রান্ডের জামা জুতা রয়েছে ডলারের দাম বাড়ার কারণে এ-সব পোশাকের দাম বেড়েছে। যার জন্য তুলনামূলক বিক্রি কম।

পিংক সিটি কমপ্লেক্স -এর এক্সিলেন্ট কালেকশন’র স্বত্বাধিকারী রিপন জানান, ঈদে আমাদের তেমন বিক্রি হয়নি। এই এলাকার সবাই বিদেশ থেকে শপিং করে। তাতে আবার ইন্ডিয়ান পণ্য বর্জনের কাহিনি। পার্টি পেমেন্ট ঠিক করে দিতে পারবো না"।

শর্মীস কালেকশনের রাশেদ জানান, রমজানের শেষ শুক্রও শনিবার যেমন বিক্রির আশা করেছি তেমন হয়নি। অনেক কাস্টমার ইন্ডিয়া বা অন্যান্য দেশে গেছে শপিং করতে। পাকিস্তানি ড্রেসের চাপ কিছুটা বেশি। তবে আগের ঈদের তুলনায় বেচাকেনা কম হয়েছে। অনেকে অনলাইন থেকে কেনাকাটা করছেন।

   

সিটি ব্যাংকের নতুন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি কাজী আজিজুর রহমানকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করেছে। তিনি এর আগে একই ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার (সিআইও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২০ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকের জনসংযোগ প্রধান ইয়াহিয়া মির্জা এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৭ সালে কাজী আজিজুর রহমান এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিটি ব্যাংকে যোগদান করেন এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির ডিএমডি ও সিআইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি কিছু সময় মেঘনা ব্যাংকে কাটিয়ে আবার সিটি ব্যাংকে ফিরে আসেন।

৩৪ বছরের কর্মজীবনে কাজী আজিজুর রহমান বহুজাতিক কর্পোরেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে গ্রবোস্কি অ্যান্ড পুওরট বি.ভি. নেদারল্যান্ডস-এর মতো বৃহৎ কোম্পানিতে প্রযুক্তি উন্নয়ন বিভাগে কাজ করেছেন।

২০০৭ সালে একটি ‘প্রবলেম ব্যাংক’ থেকে সিটি ব্যাংকের যে রূপান্তর বা ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট শুরু হয়, সেই ট্রান্সফরমেশন টিমের অন্যতম শীর্ষ সদস্য হিসেবে ব্যাংকটিতে যোগদান করে আজিজ রহমান এ ব্যাংকের বর্তমান উৎকর্ষে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিটি ব্যাংককে একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকে রূপান্তর করাসহ ২০১৩ সালে ‘সিটিটাচ’ ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করার মাধ্যমে ব্যাংকটির ডিজিটাল মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখেন। সিটি ব্যাংকের ‘সিটিটাচ’ বর্তমানে দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ হিসেবে স্বীকৃত।

আজিজ রহমানের নেতৃত্বে সিটি ব্যাংকে এ মুহূর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। তিনি ভারতের নিউপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিকস ও কমিউনিকেশনসে মেজরসহ ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক এবং প্রযুক্তি বিষয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

;

ফের বাড়ল সোনার দাম, প্রতি ভরি ১১৯৫৪৪ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম। এবার এক হাজার ৮৪ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের, অর্থাৎ হল-মার্ক করা ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বাড়ায়, সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর সোমবার (২০ মে) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, হল-মার্ক করা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮০ হাজার ৮৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (১৮ মে) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৩ হাজার ৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৬ হাজার ৯১৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮০ হাজার ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এনিয়ে এ বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ১৩ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ১১ বার। আর ২০২৩ সালে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ২৯ বার।

;

বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ, ১৭ দিনে এলো ১৩৬ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

দেশে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে আবার রেমিট্যান্স প্রবাহে ‍সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। আর গত এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল যথাক্রমে ১১৪ কোটি ৫৮ লাখ, ১০৯ কোটি ৩১ লাখ , ১২১ কোটি ৭২ লাখ ও ১২২ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি মাসে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি মাসে ২০০ কোটি ডলার ছুঁতে পারে দেশের প্রবাসী আয়। মূলত আসন্ন কোরবানিকে ঘিরে বাড়ছে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা।

এদিকে মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২০ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। আর গত জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

;

‘সমস্যা আমাদের মতো করেই সমাধান করতে হবে’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প ও সহজলভ্য উৎস আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের সমস্যা আমাদের মতো করেই সমাধান করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রোববার (১৯ মে) বিদ্যুৎ ভবনে ইনোভেশন শোকেসিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন দফতর, সংস্থা হতে ২৪টি ইনোভশন উদ্যোগ প্রদর্শন করা হয়।

ভার্চয়ালি যুক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশকে সামনে রেখে পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। নতুন নতুন উদ্ভাবনকে আমরা প্রণোদনা দিচ্ছি।

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট (এআই) এখনই অনেক সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে। এআই-এর ব্যবহার বাড়িয়ে গ্রাহক সন্তুষ্টিতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে অর্থ ও সময়ের সাশ্রয় তত হবে। একই সাথে প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যও নিশ্চিত হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ২০৪১ সালের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে নিজস্ব প্রযুক্তির উদ্ভাবন বা ব্যবহৃত প্রযুক্তির নিজস্ব ভার্সন সৃজন করতে হবে।

ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৪-এ আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) থ্রি-ডি প্রিন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্পেয়ার পার্টস তৈরিকরণ-এ প্রথম স্থান, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বেজড ‘স্মার্ট কাস্টমার এসিস্ট্যান্ট- চ্যাটবট” ২য় স্থান, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) জিআইএস বেসড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থপনার আউটেজ ডিজিটালি মনিটরিং এবং লোড ম্যানেজমেন্ট-এ ২য়, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) আন্ডারগ্রাউড ক্যাবল টেস্ট ভ্যান, ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি) অটোমেটিক ইমার্জেন্সী রেসপন্স টেস্ট অব এসটি ইমার্জেন্সী লুব অয়েল পাম্প থ্রো ডিসিএস ইন্ট্রিগেশন এবং রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল) চার্জ এয়ারকুলার এন্ড চার্জ এয়ার রিসিভার ড্রেইন লাইন মডিফিকেশন ফর প্লান্ট আউটেজ রিডাকশন তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান ইনোভেশন কর্মকর্তা নিরোদ চন্দ্র মন্ডেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির। স্রেডার চেয়ারম্যান মুনীরা সুলতানা, পিডিবি’র চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান, বিআরইবি’র চেয়ারম্যান অজয় কুমার চক্রবর্ত্তী, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন সহ দফতর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

;