ব্যাংকে নতুন টাকা নাই, গুলিস্তানে রমরমা বাণিজ্য



জাহিদ রাকিব, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ব্যাংকে টাকা নাই, গুলিস্তানে রমরমা বাণিজ্য

ব্যাংকে টাকা নাই, গুলিস্তানে রমরমা বাণিজ্য

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঈদে ছোটদের সালামি দেবেন, এর জন্য বেসরকারি চাকরিজীবী মোতালেব হোসেনের নতুন টাকা দরকার। কিন্তু, একাধিক ব্যাংক ঘুরেও নতুন টাকা পেলেন না তিনি। ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভাষ্য, নতুন টাকা আসে নাই, আসলেও টাকা শেষ। বাধ্য হয়ে গুলিস্তানে এসেছেন মোতালেব হোসেন।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকে নতুন টাকার জন্য গিয়েছি, কিন্তু কোথাও থেকে ব্যবস্থা করতে পারিনি। সব জায়গায় বলছে এবার নতুন টাকা আসে নাই। কেউ জানিয়েছে নতুন টাকা শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে গুলিস্তানে নতুন নোট কিনতে এসেছি।

তবে গুলিস্তানে নতুন টাকা বাজারে এসে চোখ ছানাবড়া মোতালেবের। এখানে নতুন টাকা কোন ঘাটতি নেই।  তাই তার প্রশ্ন ব্যাংকে যদি নতুন টাকা শেষ হয়, তাহলে এখানে এত নতুন টাকা কিভাবে বিক্রি হচ্ছে?


ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশের বাজারে ব্যবসায়ীরা সব কিছুতে সিন্ডিকেট করে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যাংক কর্মকর্তারাও নতুন টাকার সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীদের মতো করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

পরিচয় গোপন করে বার্তা২৪.কম রাজধানীর একাধিক ব্যাংকে নতুন টাকা সংগ্রহ করার জন্য যায়। কিন্তু কোন ব্যাংক নতুন টাকা দিতে পারেনি। 

পরে বহুল পরিচিত গুলিস্তানের নতুন টাকা হাটে যায় বার্তা২৪।  সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে নতুন টাকা কেনাবেচা। ব্যবসায়ীরা নতুন নোটের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বিভিন্ন বয়সী ক্রেতারা ভিড় করছেন নতুন টাকা নিতে। কেউ কেউ আবার পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পছন্দ মতো কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

দেখা গেছে, গুলিস্তান নতুন টাকার হাট থেকে দুই টাকার দু'শ টাকা এক বান্ডিল টাকা কিনতে হলে গুণতে হচ্ছে ৩৫০ টাকা, পাঁচ টাকার পাঁচশত টাকার বান্ডিলে ৬৫০ টাকা। আর ১০ টাকার প্রতি বান্ডিলের জন্য অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, ২০ টাকা টাকার বান্ডিলে ৩০০ টাকা, ৫০ টাকার বান্ডিল ৪০০ টাকা, ১০০ টাকার বান্ডিলে ৩০০ টাকা এবং ২০০ টাকার বান্ডিলের জন্য অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।

একই বাজারে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে এসেছেন সরকারি চাকরিজীবী ইফতেখার হোসেন। নতুন টাকা হাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তা২৪. কমকে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি। গত সপ্তাহে দুইটা ব্যাংকে গেছি। কেউ আমাকে নতুন টাকা দেয়নি। বাধ্য হয়ে আজ গুলিস্তানে এসে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ১০ টাকার দুই বান্ডেল টাকা সংগ্রহ করেছি।


এই হাটে দীর্ঘ ১১ বছর নতুন ও ছেড়া টাকার ব্যবসা করে কালাম মিয়া। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, এবার মার্কেটের চাহিদা তুলনায় নতুন টাকার সরবারহ অনেক কম। তাই গত ঈদের চেয়েও আমাদের বান্ডেল প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্য যেকোন বারের চেয়েও এবার নতুন টাকা নেওয়ার ক্রেতা অনেক বেশি।

ব্যাংকের নতুন টাকা গ্রাহকের কাছে না গিয়ে কালোবাজারে গিয়ে অতিরিক্ত কিভাবে বিক্রি তা জানার জন্য গুলিস্তান এলাকায় বেশ কয়েক ঘণ্টা নজর রাখে বার্তা২৪.কম। এক সেলিম নামে একজন ব্যাগ ভর্তি করে ২০, ৫০, ও ১০০ টাকা আট লাখ টাকার বান্ডেল নিয়ে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতে দেখা যায়।

বার্তা২৪ কমকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা তাদের অফিস সহকারীর মাধ্যমে আমাদের কাছে টাকা বিক্রি করে। আমরা পরে এখানে বিক্রি করি। আমাদের প্রতি বান্ডেলে ১৫ থেকে ২০ টাকা লাভ থাকে। বান্ডেলে যে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে তার এক তৃতীয়াংশ লাভ করে ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এদিকে সেলিমের কথা সূত্র ধরে মতিঝিল বাংলাদেশের ব্যাংকের প্রবেশ মুখে দেখা যায়, সেখানে ৩০ থেকে ৪০ জন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী নতুন টাকার পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন। কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তারা জানান, বাংলাদেশে  ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারির মাধ্যমে অতিরিক্ত দাম দিয়ে নতুন টাকা সংগ্রহ করেন। তাদের কেনা দামের উপর ভিত্তি করে হাজারে ২০ থেকে ২৫ টাকা লাভ করে এই টাকা খুচরা তারা বিক্রি করেন।

এই বিষয়ে কথা বলা জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হকের সাথে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

   

অটোরিকশাচালকের দলকে নগদের জমি বুঝিয়ে দিলেন সাকিব



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের ঘোষণা করা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ উপহার ক্যাম্পেইনে এবার জমি জিতে নিলেন ঢাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আকিজুল ইসলাম ও তার দল। সম্প্রতি প্রবাসী পল্লী গ্রুপের প্রজেক্টে এই জমি হস্তান্তর করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এবং বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আকিজুলের এই বিজয়ী দলের অন্য দুই সদস্য হলেন আসলাম হোসেন ও মাসুম ইসলাম। নগদের ডেপুটি চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোলায়মান বিজয়ী আকিজুলকে তাঁর সিএনজি করেই প্রবাসী পল্লীতে নিয়ে আসেন। আর পথে মাস্ক পরে কৌশলে সেই সিএনজিতে উঠে পড়েন সাকিব আল হাসান। জমিতে এসে সাকিবকে চিনতে পেরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন সিএনজিচালক আকিজুল। আর জমি জেতার খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনিসহ অন্য বিজয়ীরা। এটি ছিল এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চতুর্থ জমি হস্তান্তর।

পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে মোট আটটি জমি বিজয়ী গ্রাহকদের উপহার দেবে নগদ। ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জমি জেতার অফার নিয়ে আসে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে নগদের সাথে জমির জন্য ল্যান্ড পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী লিমিটেড। এই ক্যাম্পেইনে মাত্র তিন ধাপে ঢাকায় জমি জেতার সুযোগ পাচ্ছে গ্রাহকেরা। এছাড়াও তালিকায় আছে শতাধিক মোটরবাইক, টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, স্মার্টফোন, স্মার্ট ওয়াচসহ ২০ কোটি টাকার পুরস্কার।

এদিন আগেই দুই বিজয়ীকে নিয়ে আসা হয় প্রবাসী পল্লীতে। তবে তারা জানতেন না জমি জয়ের কথা। আর দলনেতা আকিজুলের সিএনজি ভাড়া করে প্রবাসী পল্লী রওনা দেন মোহাম্মদ সোলায়মান। পথিমধ্যে গাড়ি নষ্ট হওয়ার অজুহাতে মাস্ক পরে সিএনজিতে ওঠেন সাকিব আল হাসান। একেবারে বিজয়ীদের জমিতে এসে সিএনজি থেকে নামেন সাকিব।

প্রথমত সাকিবকে নিজের সিএনজিতে এনেছেন, এটাই জীবনের বড় প্রাপ্তি মনে করছিলেন আকিজুল। এরপর সাকিবের কাছ থেকে জমি পেয়ে আবেগ যেন আর বাঁধ মানছিল না। চোখ মুছতে মুছতে আকিজুল বললেন, ‘আল্লাহ আজকের দিনটা এইভাবে আমার নামে দিবে, আমি কখনো স্বপ্নও দেখি নাই। সাকিব আল হাসানের মতো বিখ্যাত মানুষকে সিএনজিতে তুলছি, এটাই তো বিশ্বাস করতে পারছি না। এখন জমিও জিতলাম। আমার নসিবে এসব ছিল, কোনোদিন ভাবতে পারিনি।’

সামান্য কিছু টাকা অ্যাড মানি করে দল গঠনের যোগ্য হন আকিজুল। এরপর তিনি আসলাম ও মাসুমকে নিয়ে দল গঠন করেন। আসলাম বলছিলেন, তারা এই ক্যাম্পেইনে বিশ্বাস করেননি। তিনিও আবেগী হয়ে বললেন, ‘আকিজুল ভাই বিজ্ঞাপন দেখে এই দল করছিল। তারপর আমাদের বলল, নগদ বেশি ব্যবহার করতে। নগদ আমরা সবসময় ব্যবহার করি, কিন্তু জমির ব্যাপারটা বিশ্বাস হয়নি। আজ সেই জমি হাতে পেয়ে গেলাম।’

এর আগে ক্যাম্পেইনের প্রথম জমি জিতেছিলেন রাসেল আহমেদ, মোহাম্মদ রুবেল ও মোহাম্মদ রাজীব। প্রথম জমিটি হস্তান্তর করেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেট দল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। পরের সপ্তাহে জমি জেতেন নড়াইলের দেবাশিষ ভৌমিক, পিন্টু ভৌমিক ও সোমা ভৌমিক। এই জমিটির কাগজপত্র বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন আরেক সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপর তৃতীয় জমিটি জেতেন মোঃ হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী ও সন্তানের দল। এই জমিটি হস্তান্তর করেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।

জমি জেতার এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে তিনটি কাজ করতে হবে। প্রথমত নগদে কমপক্ষে ৫০০ টাকার লেনদেন অথবা কমপক্ষে ১০০ টাকার মোবাইল রিচার্জ বা ব্যাংক থেকে নগদে ১,০০০ টাকা অ্যাড মানি করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে পাঠানো ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি (সরকারি প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিট্যান্স নগদে গ্রহণ করেও এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাথে সাথে এই ব্যবহারকারী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার উপযুক্ত হয়েছেন বলে একটি মেসেজ পাবেন। সে ক্ষেত্রে তাকে তিনজনের একটি দল গঠন করতে হবে। এদের সবার নগদ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এরপর দলের সবাই ক্যাম্পেইন জুড়ে নগদে নিয়মিত লেনদেন করলেই জমি জেতার সুযোগ পাবেন।

;

সিটি ব্যাংকের নতুন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি কাজী আজিজুর রহমানকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করেছে। তিনি এর আগে একই ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার (সিআইও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২০ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকের জনসংযোগ প্রধান ইয়াহিয়া মির্জা এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৭ সালে কাজী আজিজুর রহমান এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিটি ব্যাংকে যোগদান করেন এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির ডিএমডি ও সিআইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি কিছু সময় মেঘনা ব্যাংকে কাটিয়ে আবার সিটি ব্যাংকে ফিরে আসেন।

৩৪ বছরের কর্মজীবনে কাজী আজিজুর রহমান বহুজাতিক কর্পোরেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে গ্রবোস্কি অ্যান্ড পুওরট বি.ভি. নেদারল্যান্ডস-এর মতো বৃহৎ কোম্পানিতে প্রযুক্তি উন্নয়ন বিভাগে কাজ করেছেন।

২০০৭ সালে একটি ‘প্রবলেম ব্যাংক’ থেকে সিটি ব্যাংকের যে রূপান্তর বা ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট শুরু হয়, সেই ট্রান্সফরমেশন টিমের অন্যতম শীর্ষ সদস্য হিসেবে ব্যাংকটিতে যোগদান করে আজিজ রহমান এ ব্যাংকের বর্তমান উৎকর্ষে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিটি ব্যাংককে একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকে রূপান্তর করাসহ ২০১৩ সালে ‘সিটিটাচ’ ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করার মাধ্যমে ব্যাংকটির ডিজিটাল মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখেন। সিটি ব্যাংকের ‘সিটিটাচ’ বর্তমানে দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ হিসেবে স্বীকৃত।

আজিজ রহমানের নেতৃত্বে সিটি ব্যাংকে এ মুহূর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। তিনি ভারতের নিউপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিকস ও কমিউনিকেশনসে মেজরসহ ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক এবং প্রযুক্তি বিষয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

;

ফের বাড়ল সোনার দাম, প্রতি ভরি ১১৯৫৪৪ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম। এবার এক হাজার ৮৪ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের, অর্থাৎ হল-মার্ক করা ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বাড়ায়, সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর সোমবার (২০ মে) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, হল-মার্ক করা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮০ হাজার ৮৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (১৮ মে) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৩ হাজার ৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৬ হাজার ৯১৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮০ হাজার ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এনিয়ে এ বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ১৩ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ১১ বার। আর ২০২৩ সালে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ২৯ বার।

;

বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ, ১৭ দিনে এলো ১৩৬ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

দেশে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে আবার রেমিট্যান্স প্রবাহে ‍সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। আর গত এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল যথাক্রমে ১১৪ কোটি ৫৮ লাখ, ১০৯ কোটি ৩১ লাখ , ১২১ কোটি ৭২ লাখ ও ১২২ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি মাসে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি মাসে ২০০ কোটি ডলার ছুঁতে পারে দেশের প্রবাসী আয়। মূলত আসন্ন কোরবানিকে ঘিরে বাড়ছে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা।

এদিকে মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২০ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। আর গত জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

;