ভারতে ৩০০ শোরুমে শুরু হলো ওয়ালটন ফ্রিজের বিক্রয় ও বিপণন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়া শহরে ওয়ালটন ফ্রিজের শোরুম।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়া শহরে ওয়ালটন ফ্রিজের শোরুম।

  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ভারতের বাজারে নিজস্ব ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ করেছে ওয়ালটন। দেশটিতে এতদিন ওইএম (ওরিজিনাল ইক্যুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার) হিসেবে ফ্রিজ, টিভি, ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রফতানি করে আসছে ওয়ালটন। এবার দেশটিতে ওইএম এর পাশাপাশি নিজস্ব ব্র্যান্ড লোগোতেও ফ্রিজ রফতানি কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। এই সাফল্য ভারতের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি তথা ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পণ্য দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস শাখার সূত্রমতে, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ ইতিমধ্যে ভারতের বাজারে পৌঁছে গেছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিবেশী দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৩০০টি আউটলেটে বিক্রয় হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। পর্যায়ক্রমে বাড়বে আউটলেটের সংখ্যা। সেইসঙ্গে ফ্রিজের পাশাপাশি এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্যও ওয়ালটন ব্র্যান্ড লোগোতে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে।

ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের বাজারে এখন একচেটিয়া আধিপত্য ওয়ালটন ফ্রিজের। ওয়ালটনের টার্গেট- বিশ্ববাজারেও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করা। সেজন্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকার উন্নত দেশগুলোর বাজারে ওইএম এর পাশাপাশি ওয়ালটনের নিজস্ব ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছি আমরা। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাজার ভারতে ওয়ালটনের নিজস্ব ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ করেছি। বাংলাদেশের মতো ভারতের বাজারেও শীর্ষস্থানে পৌঁছাতে শক্তিশালী বিক্রয়, বিপণন ও বিক্রয়োত্তর সেবার ফ্যাসিলিটি গড়ে তুলেছি।

তিনি জানান, ভারতে বেশ কয়েক বছর ধরে ওইএম এর আওতায় বাৎসরিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ফ্রিজ রফতানি করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের রফতানিকৃত ফ্রিজের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার, দীর্ঘস্থায়ীত্ব এবং উচ্চ গুণগত মান অতি অল্প সময়ে ভারতের ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে দেশটিতে এবার ওয়ালটনের ব্র্যান্ড লোগোতে ফ্রিজ রফতানি কার্যক্রম শুরু করেছি। যা কিনা বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে এক বিশাল মাইলফলক।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস শাখার ভাইস-প্রেসিডেন্ট আব্দুর রউফ জানান, ভারত এশিয়ার মধ্যে অন্যতম এক বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বিশ্বের সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার এই দেশটিতে বাৎসরিক ১ কোটি ৪০ লাখ ইউটিন ফ্রিজের চাহিদা রয়েছে। দেশটিতে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড লোগোতে ফ্রিজ বিক্রয় ও বিপণন শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্য রফতানি খাতে সম্ভাবনাময় এক বিশাল বাজারের দ্বার উম্মোচিত হলো। বাংলাদেশের মত ভারতের বাজারেও মার্কেট লিডার হওয়ার টার্গেট নিয়েছি আমরা। সেজন্য দেশটিতে ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম চালাতে প্রস্তুত করা হয়েছে অত্যন্ত দক্ষ মার্কেটিং টিম। ইতিমধ্যে ভারতে Walton.in নামে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করেছি।

এছাড়া, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দেওয়ার কাজ চলমান আছে। ভারতের অন্যতম বৃহৎ ‘ইন্ডিয়া কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস’ মেলাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেলাতেও ওয়ালটন ফ্রিজ প্রদর্শনী করা হবে।

ওয়ালটন সূত্রমতে, বাংলাদেশের বাজারে সিংহভাগ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, কম্প্রেসার, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য রফতানি করছে ওয়ালটন। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি এই ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট।

   

৭ মাসে দেশে রেমিটেন্স এসেছে ১৩ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) প্রথম সাত মাসে প্রবাসীদের মাধ্যমে ১২ হাজার ৯৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর করা প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২ হাজার ৪২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ১ হাজার ৬১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সৌদি আরব থেকে ১ হাজার ৬০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৩৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ইতালি থেকে ৯০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কুয়েত থেকে ৮৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, মালয়শিয়া থেকে ৮৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কাতার ৬৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ওমান থেকে ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সিঙ্গাপুর থেকে ৩৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও অন্যান্য দেশ থেকে আরও ১ হাজার ৮৫৩মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে।

;

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেইনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ)’র উদ্যোগে “ইসলামী ব্যাংকিং লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ফিনটেক” শীর্ষক এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। 

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকিং লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্টের ওপর আলোচনা করেন মালয়েশিয়ার আইএনসিইআইএফ ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড.ওবাইয়েতুল্লা ইসমাত বাছা ও ইসলামিক ফিনটেকের উপর আলোচনা করেন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. আলী জ্যাং।

স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ এফসিএস ও মো: আলতাফ হোসাইন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাব্বির ও কাজী মো: রোজাউল করিমসহ প্রধান কার্যালয়ের উর্ধতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সকল জোন ও শাখা প্রধানগণ জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রফেসর ড.ওবাইয়েতুল্লা ইসমাত বাছা বলেন ইসলামিক ব্যাংকিং সারা বিশ্বে দ্রুত প্রসার হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ইসলামিক মানি মার্কেটের প্রসার ও। কনভেনশনাল ব্যাংকিং যেভাবে আর্থিক বাজারে যত ব্যাপকভাবে প্রবেশ করতে পারে ইসলামিক ব্যাংকিং সেভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তবুও ইসলামি ব্যাংকিংয়ের প্রসারতা ব্যাপক।

ড. আলী জ্যাং বলেন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে আর্থিক অন্তর্ভুত্তিতে ফিনটেক উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রাখছে। ব্যাংকের কার্যকলাপকে আরো সহজ ও নির্ভরশীল করতে এআই, ব্লক চেইন ও বিগ ডেটার মত আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করা উচিৎ। তিনি ইসলামী ব্যাংকের প্রযুক্তি ভিক্তিক সেবা সমূহের প্রশংসা করেন।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপত্বির বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইসলামী ব্যাংক দক্ষতার সঙ্গে লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট করে যাচ্ছে। তাছাড়া ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের সুবিধা বিবেচনায় ফিনটেক প্রযুক্তিতে জোর দিয়ে যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকের ফিনটেক অ্যাপ-সেলফিন বর্তমানে দেশে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় অ্যাপ। তিনি আরো বলেন ইসলামী মানি মার্কেটের ব্যাপকতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে ইসলামী ব্যাংকের প্রযুক্তি ভিক্তিক সেবা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

;

ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় বুয়েটে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ল্যাব উদ্বোধন, বাইক উপহার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাল্টিন্যাশনাল বাংলাদেশি ব্র্যান্ড ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গবেষণার জন্য ওয়ালটনের তৈরি তাকিওন ১.০০ মডেলের ইলেকট্রিক বাইক উপহারও দেওয়া হয়।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ওয়ালটন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয়ে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশনের অংশ হিসেবে বুয়েটে গড়ে তোলা হয়েছে ওই ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ল্যাব। ল্যাবটির পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে, ওয়ালটন গ্রুপের অন্যতম অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ল্যাবের উদ্বোধন করেন বুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম।

বুয়েটকে ই-বাইক উপহার ওয়ালটনের

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) লিয়াকত আলী, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র এএমডি মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, বুয়েটের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (রাইজ)-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান তালুকদার, ফ্যাকাল্টি অব পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. আবু রায়হান মো. আলী, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্সের ডিন প্রফেসর ড. জীবন পোদ্দার, ফ্যাকাল্টি অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. এহসান, ফ্যাকাল্টি অব ইইই’র ডিন প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ফ্যাকাল্টি অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড প্ল্যানিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. ইশরাত ইসলাম এবং ফ্যাকাল্টি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. শফিউল বারি, ওয়ালটন কম্পিউটারের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মো. তৌহিদুর রহমান রাদ এবং ওয়ালটন ডিজিটেকের ডেপুটি হেড অব মার্কেটিং তানজিমুল হক তন্ময় প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন ডিজি-টেকের বিভিন্ন প্রোডাক্ট লাইন নিয়ে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন করেন সিবিও মো. তৌহিদুর রহমান রাদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনী মেধায় সমৃদ্ধ। কিন্তু গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তারা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশনের মাধ্যমে তারা ওয়ালটনে গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে পারছেন। সেজন্য ওয়ালটনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের সবার অবদানে দেশীয় শিল্পখাত সমৃদ্ধ হবে। বাংলাদেশের পণ্য বিশ্বজয় করবে। ওয়ালটন বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট। ওয়ালটন এখন অনেক বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বুয়েট সবসময়ই ওয়ালটনের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। আমাদের প্রকৌশলীরা ওয়ালটনের মতো দেশীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পেরে গর্ববোধ করছে। এই রিসার্চ ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ওয়ালটন এবং বুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।

দেশের শিল্পখাতে বুয়েটের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বুয়েটের ভিসি ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, স্থানীয় শিল্পখাতের উন্নয়নে বুয়েট সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। আমরা দেশীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সরকারকে সবময় পরামর্শ দিয়ে আসছি। দেশীয় শিল্পকে নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আরো আন্তরিক হতে হবে।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা মেধাবী। তাদের মেধা কাজে লাগাতে হবে। আমাদের যে সামর্থ্য আছে, সেটার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের শিল্পখাত অনেক এগিয়ে যাবে। দেশ এগিয়ে যাবে। আমরা সমৃদ্ধশালী হবো।

তিনি বলেন, দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু তাদের কাজের স্বীকৃতি ও ব্র্যান্ডিং হচ্ছে না। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের সমন্বয় ঘটছে ওয়ালটনে। ফলে, মেধাবীরা ওয়ালটনে সুযোগ পাবেন প্রযুক্তি নিয়ে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ওয়ালটনকে অন্যতম সেরা গ্লোবাল ব্র্যান্ডে পরিণত করার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা। দেশের মেধাবী প্রকৌশলীরা যখন দেশেই গবেষণা ও উদ্ভাবনের পর্যাপ্ত সুযোগ পাবেন, তখন সেই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। সেজন্য ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশনের মাধ্যমে এই ল্যাব তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইনোভেশন ও প্রযুক্তিগত শিল্পের উন্নয়নে ওয়ালটন এবং বুয়েট একসঙ্গে কাজ করছে। বুয়েটের সঙ্গে আমাদের এই সুগভীর সম্পর্ক চলমান থাকবে। আমাদের প্রত্যাশা, এই রিসার্চ ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বনামধন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এবং ওয়ালটন উভয় পক্ষই উপকৃত হবে।

রিসার্চ ল্যাব উদ্বোধনের পাশাপাশি বুয়েটকে নিজস্ব কারখানায় তৈরি পরিবেশবান্ধব ই-বাইক- ‘তাকিওন ১.০০’ উপহার দিয়েছে ওয়ালটন। বুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-বাইকের চাবি হস্তান্তর করেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম।

জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে নতুন মডেলের এই ইলেকট্রিক বাইক বাজারে ছাড়ে ওয়ালটন। পরিবেশবান্ধব এই ই-বাইক সাশ্রয়ী মূল্যে বাজারে আসে ৩টি ভার্সনে। মাত্র ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা চার্জে এই বাইকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দে্ওয়া যায়। প্রতি কিলোমিটারে সর্বোচ্চ খরচ পড়ছে মাত্র ১৫ পয়সা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি গবেষণার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ওয়ালটন। ওয়ালটন কারখানায় বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা ও উদ্ভাবন (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এ কার্যক্রম গতিশীল করছে শিল্পখাত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ।

এরই প্রেক্ষিতে সম্প্রতি প্রযুক্তিপণ্যের গবেষণা ও উদ্ভাবনে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের উদ্দেশ্যে বুয়েটসহ দেশের শীর্ষ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ওয়ালটন। এসব চুক্তি ও রিসার্চ ল্যাব চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওয়ালটন কারখানায় গবেষণা ও কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে- গ্রাজুয়েট ও আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদের থিসিস, কারখানায় ইন্টার্নশিপ ও ট্রেইনিং, পরামর্শক দলের কারখানা পরিদর্শন, কর্মী উন্নয়ন ইত্যাদি।

চুক্তির অংশ হিসেবেই বুয়েটে গড়ে তোলা হয়েছে, এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ল্যাব। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই রিসার্চ ল্যাব চালু হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনখাত আরো সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি ‘ব্রেইন ড্রেইন’-এর মতো অভিশাপের মাধ্যমে দেশের মেধা পাচার বন্ধ হবে। দেশের শিল্পোন্নয়নে দেশের মেধা কাজে লাগবে। আগামীদিনে দেশকে নেতৃত্ব দিতে তরুণ প্রজন্ম তৈরি হবে।

;

ডেপুটি গভর্নর হলেন খুরশীদ আলম ও হাবিবুর রহমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর হলেন মো. খুরশীদ আলম ও ড. হাবিবুর রহমান। তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

খুরশীদ আলম বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক-১ হিসেবে কর্মরত আছেন। ড. হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ। এখন দু’জনকেই নিয়মিত চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে ডেপুটি গভর্নরের চুক্তিভিত্তিক পদে যোগদান করতে হবে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি একেএম সাজেদুর রহমান খান এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি আবু ফরাহ মো. নাছেরের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর এ দু’টি পদ খালি হয়। আবু ফরাহ মো. নাছের পলিসি অ্যাডভাইজার হিসেবে আগামী এক বছরের জন্য নিয়োগ পাচ্ছেন।

;