হরতাল-অবরোধে ক্রেতার খরা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা!



অভিজিত রায় কৌশিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হরতাল-অবরোধে ক্রেতার খরা, ব্যবসা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা!

হরতাল-অবরোধে ক্রেতার খরা, ব্যবসা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা!

  • Font increase
  • Font Decrease

‘ভাই, কি আর বলব! এক মাসের বেশি সময় ধরে হরতাল-অবরোধ চলছে; কোন বেচা-বিক্রি নেই। দোকানের ভাড়া-বিদ্যুৎ বিল উঠছে না। খুব কষ্টে আছি। সংসার চলবে কী করে। ধার-দেনার পথও বন্ধ। এমন চলতে থাকলে পথে বসতে হবে।’

দেশজুড়ে বিএনপি জামায়াতসহ সমমনা দলের ডাকা এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা হরতাল-অবরোধে ফাঁদে পড়েছে দেশের অর্থনৈতিক খাত। রাজনৈতিক এই অস্থিরতা পরিবহন খাত থেকে শুরু করে অর্থনীতির সব খাতেই সংকট তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসার দৈন্যদশার কথা জানাচ্ছিলেন রাজধানীর ফার্মগেটের কাপড় ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিন।

আজিম উদ্দিনের মতো চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় সবচেয়ে আগে নাকাল হয়ে পড়ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ক্রেতা সংকটে ভুগছেন তারা। বেচা-বিক্রির ভাটা পড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।

এদিকে রাজনৈতিক অব্যাহত থাকলে অর্থনীতিতে ভয়ানক বিপদ নেমে আসবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, হরতাল-অবরোধের কারণে দেশ বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে। সেই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক খাতে এগিয়ে যাওয়ার যে প্রচেষ্টা ছিল; তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র তথ্য মতে, দেশে এক দিনের হরতালে দেশে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। চলমান হরতাল অবরোধের কারণে দেশে অনেক বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।


রাজধানীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে, হরতাল-অবরোধেও খোলা রয়েছে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ক্রেতার অভাবে মালিক ও কর্মচারীরা অবসর সময় কাটাচ্ছেন। হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা আসলেই তাকে নিয়ে হাঁকডাক শুরু হচ্ছে। প্রতিযোগিতা করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ক্রেতা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা।

কাপড় ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, যে দিনগুলোতে হরতাল অবরোধ থাকে সেই দিনগুলোতে কোন ক্রেতা আসে না। যে দু-একজন আসেন তারা ঘুরে চলে যান। এত বড় মার্কেটে দু-একজন ক্রেতা আসলে কি তাতে বেচাকেনা হয়?

অপর এক ব্যবসায়ী মানিক হোসেন বলেন, এই যে এক মাস ধরে অবরোধ হরতাল চলছে। এই এক মাসে যে টাকা বেচাকেনা করেছি সেই টাকায় বিদ্যুৎ বিলও হয় না। এরপর আবার দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতনসহ কত টাকা খরচ আছে- একটা দোকান চালাতে।

শ্যামলী স্কয়ারের এক ব্যবসায়ী বলেন, করোনার সময় একবার দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতন অবস্থা হয়েছিল। তারপর করোনা শেষ হলে আস্তে আস্তে আবার নতুন করে ব্যবসা গুছিয়ে নিচ্ছি। আর আবার হরতাল-অবরোধ শুরু হলো। এই হরতাল অবরোধে দোকান বন্ধও থাকছে না, তবে বিক্রিও নেই। কিন্তু একদিন দোকান খুললেও অনেকগুলো টাকা খরচ হয়। দোকান খুলে যদি ক্রেতা না আসে দোকানের খরচই না ওঠে তইলে দোকান খুলেই লাভ কি বলেন? এর থেকে তো বন্ধ রাখায় ভালো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড সালেহ উদ্দিন আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, যেকোন দেশেই যদি পলিটিক্যাল স্ট্যাবল না থাকে, যদি অস্থিরতা থাকে তাহলে সেই দেশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে- এটাই স্বাভাবিক। আমরা দেখতেই পাচ্ছি সব ধরনের ওয়ার্কাররা (কর্মীরা) টেনশনে আছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকরা টেনশনে আছেন, মালিকরা টেনশনে আছে। সব থেকে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে। আর যারা খেটে খাওয়া মানুষ তারা যথাসময়ে যথাস্থানে কাজে যেতে পারছে না। ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ট্রান্সপোর্ট খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সব মিলে এই হরতাল অবরোধে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ প্রায়।

এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, সার্বিকভাবে বলা যায় যে- দেশের উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্থিতিশীলতা থাকতে হবে। রাজনৈতিক কোন ঝামেলা না থাকলে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে। চলমান এই হরতাল অবরোধের কারণে আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে প্রচেষ্টা তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, দেশে এক দিনের হরতালে দেশে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এই হিসেবে বিগত মাস থেকে চলমান হরতাল অবরোধের কারণে দেশে অনেক বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের ইকোনমিক (অর্থনীতির) সাইজ অনেক বড়। আগে আমাদের মাত্র ৭০ বিলিয়ন ইকোনমিক সাইজ ছিল কিন্তু এখন সেটা ৪৭০ থেকে ৪৮০ বিলিয়ন। এখন আমাদের ইকোনমিক সাইজ বড় হয়েছে; আমাদের ইকোনমিকে ক্ষতিও বেশি লাভও বেশি। দেশের অর্থনীতিকে এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে হলে হরতাল-অবরোধ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

   

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ভুট্টা চাষে বিনিয়োগ বিতরণ অনুষ্ঠান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ভুট্টা চাষে বিনিয়োগ বিতরণ অনুষ্ঠান

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ভুট্টা চাষে বিনিয়োগ বিতরণ অনুষ্ঠান

  • Font increase
  • Font Decrease

 

দিনাজপুরের খানসামায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র বিনিয়োগ বিতরণ সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে দিনাজপুরের খানসামায় স্বল্প মুনাফায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগ ও ভুট্টাচাষীদের মধ্যে ৪ শতাংশ মুনাফায় বিনিয়োগ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এসআইবিএল এর রানীরবন্দর শাখার আয়োজনে গোয়ালডিহি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিনিয়োগ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ত। এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তাজ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান মোঃ শাহরিয়ার খান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি, রাজশাহী এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ শহীদ হোসেন, ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান জনাব মোঃ সাদাত আহমদ খান ও রানীরবন্দর শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মোঃ আওলাদ হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, তিন শতাধিক ভুট্টাচাষীসহ অন্যান্য কৃষক ও ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, কৃষিখাতে বিনিয়োগ বিতরণ বাংলাদেশ সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত। এই খাতে বিনিয়োগের বিপরীতে আদায়ও খুব ভালো। বিগত বছরের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ এবং শতভাগ আদায়ের সফলতার ধারাবাহিকতায় এবার তৃতীয়বারের মত বেশ বড় পরিসরে ১৫২ জন কৃষককে ১১৬ দশমিক ৭০ লাখ টাকা বিনিয়োগ বিতরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।ক

প্রধান আলোচক মোঃ তাজ উদ্দিন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দিনাজপুর জেলার এই অঞ্চল ভূট্টা চাষে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের রানীরবন্দর শাখা হতে নেয়া কৃষি ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগ বিতরণ ও আদায়ের এই কার্যক্রম বিগত বছরের ন্যায় চলতি বছরেও সফলতার সাথে পরিচালিত হবে ও পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারিত হবে।

;

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসমূহে ছাড়কৃত মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন (আইবিএফ) ও ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টিং অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর মধ্যে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী ও আইসিএমএবি এর নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া মাসুদ এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ চুক্তির ফলে আইবিএমএবি-এর সকল ফেলো মেম্বার ও তাদের পরিবারবর্গ এবং রেজিস্ট্রার্ড শিক্ষার্থীগণ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসমূহে বিশেষ ডিসকাউন্ট মূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ 

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালক প্রফেসর ডা. কাজী শহীদুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইবিএফ-এর ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর, আইবিএফ-এর ইসি চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তানভীর আহমদ, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও আইবিএফ সদস্য মো. কামরুল হাসান, সৈয়দ আবু আসাদ, আবু সাঈদ মুহাম্মদ কাশেম এবং আইসিএমএবি-এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন, এফসিএ, এফসিএমএ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, এফসিএমএ। এসময় আইবিএফ ও আইসিএমএবি-এর ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আইসিএমএবি কর্তৃক আয়োজিত ‘Use Heart, Know Heart’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আইবিএফ নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ তানভীর আহমদ সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। আইবিএফ-এর উদ্যোগে আইসিএমবিএ ভবন প্রাঙ্গনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

;

সঠিক সংবাদ অপপ্রচার রুখে দিতে সহায়ক হয়: নসরুল হামিদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাংবাদিকরা সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অপপ্রচার রুখে দিতে সহায়ক হয়। ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে কেউই নয়, তাই সাংবাদিকদের অনেক প্রতিবেদন সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেও বড় ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি)-এর নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী, এফইআরবির নবনির্বাচিত কমিটির সকল সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের প্রকৃত উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে। মানুষের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে পারলেই দেশের জনগণ উপকৃত হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মত টেকনিক্যাল একটি সেক্টরে সাংবাদিকতা করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের উন্নতি বৃদ্ধির উপর জোর দিতে হবে। 

এসময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) চেয়ারম্যান মো.শামীম জাহাঙ্গীর, নির্বাহী পরিচালক সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান কাকন, পরিচালক (উন্নয়ন ও অর্থ) হাসনাইন ইমতিয়াজ, পরিচালক (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) নাজমুল হক লিখন, পরিচালক (ডাটা ব্যাংক) মোঃ ইয়ামিন এবং পরিচালনা সদস্য হাসান আজাদ, শাহেদ সিদ্দিকী ও ফয়েজ আহমেদ খান তুষার উপস্থিত ছিলেন।

;

চিনির দাম কেজিতে বাড়ল ২০ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
চিনির নতুন দাম নির্ধারণ, কেজিতে বাড়ল ২০ টাকা

চিনির নতুন দাম নির্ধারণ, কেজিতে বাড়ল ২০ টাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা দাম ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। এছাড়া এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহম্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএসএফআইসি। 

এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশিয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুননির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ ১৪০ টাকা কেজি প্যাকেট চিনির কেজি নির্ধারণ করে সংস্থাটি।

;