চলতি মাসে রিজার্ভে যুক্ত হচ্ছে এক বিলিয়ন ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে ঋণের কিস্তি পাবে বাংলাদেশ। এতে দেশের রিজার্ভে যুক্ত হবে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আইএমএফ থেকে চলতি মাসে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়া যাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। এ ধাপে ৬৮ কোটি ডলার ছাড় করবে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটি। সংকটের মধ্যে বিদেশি ঋণ আসায় রিজার্ভ কিছুটা স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, চলতি মাসে আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি সংস্থাটির পর্ষদে অনুমোদিত হওয়ার কথা। অনুমোদিত হলে পরের দিনই দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ডলার বাংলাদেশের রিজার্ভে যুক্ত হবে। এছাড়া একই মাসে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে রিজার্ভে বাজেট–সহায়তার ৪০ কোটি ডলার যুক্ত হবে। এর ফলে চলতি মাসে ১০৮ কোটি ডলার বা ১ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার দেশে আসতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বলেন, চলতি মাসে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণের অর্থ রিজার্ভে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঋণের এসব ডলার পেলে রিজার্ভে প্রভাব পড়বে। ফলে চলতি মাসে রিজার্ভ আর কমার সম্ভাবনা নেই।

আইএমএফ চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের তিন দিনের মাথায় ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় হয়। তবে চলতি ডিসেম্বর থেকে পরের সব কিস্তির পরিমাণই প্রায় ৭০ কোটি ডলার করে।

আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী, গত জুনে বাংলাদেশের প্রকৃত (নিট) রিজার্ভ থাকার কথা ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার। কিন্তু তা রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ রাখার লক্ষ্য ছিল ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। সেটিও হয়নি। ডিসেম্বরের লক্ষ্য ২ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার। বাংলাদেশ তাও পারবে না বলে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে।

এরপর বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রকৃত রিজার্ভ নতুন করে ২ হাজার ৯৩ কোটি ডলারে বেঁধে দেয় আইএমএফ। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটির মানদন্ড বিপিএম ৬ অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভ ১ হাজার ৯৬০ কোটি ডলারে রয়েছে। ঋণের শর্ত হিসেবে আইএমএফ আগামী বছরের জুন পর্যন্ত রিজার্ভ রাখার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল ২ হাজার ৬৮১ কোটি ডলার। সে হিসাবে আগামী জুন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা কমেছে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বর্তমানে প্রতিদিন রিজার্ভ থেকে সাত-আট কোটি ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। রাসায়নিক সার ও জ্বালানি কেনার জন্য এ পরিমাণ ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় চলতি অর্থবছরে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়।

দেশে প্রায় দুই বছর ধরে চলছে ডলার সংকট। এই সংকট কাটাতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে তাতে বেশ একটা সুফল বয়ে আনতে পারে নি আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এখনো রিজার্ভ থেকে ধারবাহিকভাবে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে এই সংকটের মধ্যে বিদেশি ঋণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

   

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বোর্ড সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় ভাইস চেয়ারম্যান ইউসিফ আবদুল্লাহ এ আল-রাজি ও ডা. তানভীর আহমেদ, অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এবং অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস উপস্থিত ছিলেন।

;

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পরও ঘাটতি হবে ৬ হাজার কোটি টাকা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্য সমন্বয়ের ফলে এলএনজি’র বর্তমান বাজার মূল্য ও ডলার বিনিময় হার বিবেচনায় বিদ্যমান ভর্তুকি ৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হতে পারে। প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন, আমদানি, সরবরাহ মূল্যের সাথে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের কারণে সরকারকে এ খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতি দিতে হবে প্রায় ৬ হাজার ৫৭০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির গেজেট প্রকাশের পর এক বিবৃতিতে এমন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ৩৪ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, জনস্বার্থে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিলিং মাস থেকে সমন্বয় করা হয়েছে। প্রতি ঘনমিটার ১৪ টাকা থেকে ১৪.৭৫ টাকা (সমন্বয়ের হার ৫.৩৬ শতাংশ) এবং ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা হতে ৩০.৭৫ টাকা (সমন্বয়ের হার ২.৫০ শতাংশ) নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশে গ্যাসের ব্যবহারকারীদের ৮টি গ্রাহক শ্রেণি রয়েছে। তারমধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭ শতাংশ, শিল্পে ২৩ শতাংশ, ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ১৮ শতাংশ, গৃহস্থালিতে ১০ শতাংশ, সার উৎপাদনে ৭ শতাংশ, সিএনজিতে ৪ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে ১ শতাংশ গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

কৃষি সেচ মৌসুম, রমজান মাস ও গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা আরও বেশি থাকে। শিল্প, গৃহস্থালি, সার উৎপাদন, সিএনজি, বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে মূল্য সমন্বয় অপরিবর্তিত রয়েছে।

;

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়লো গ্যাসের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘনমিটার প্রতি ৭৫ পয়সা হারে দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন দর ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে নির্বাহী আদেশে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রচারিত এক গেজেট নোটিফিকশেনে এ নির্বাহী আদেশের বিষয়টি জানানো হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে (সরকারি ও আইপিপি) ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪.৭৫ টাকা ঘনমিটার এবং ক্যাপটিভ পাওয়ারে ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০.৭৫ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম গড়ে ৮২ শতাংশ বাড়ানো হয়। তখন বিদ্যুৎখাতে সর্বোচ্চ ১৭৯ শতাংশ বাড়ানো হয়। ওই আদেশে শিল্পেও গ্যাসের দাম ৫ টাকা ২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা করা হয়েছিল আর ক্যাপটিভে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছিল।

সেইসঙ্গে গণশুনানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গ্যাসের দাম বাড়িয়েছিল ২০২২ সালের জুন মাসে। নির্বাহী আদেশে এভাবে দাম বাড়ানো নিয়ে রয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। গণশুনানির মাধ্যমে দাম সমন্বয় করা হলে সংস্থাগুলোর কিছুটা হলেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। নির্বাহী আদেশে বাড়ানোর কারণে সেই পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নেমে আসতো। সে কারণে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে ৭৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে আর গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ কমে আসবে। 

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে দিলে ৩ মাস সময় লাগতো। এতে ৩ মাসে ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতো। গ্রাহকরা এনার্জি সাশ্রয়ী হয়, তাহলে তাদের বিল আর বাড়বে না।

 

;

কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দারাজের



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

দারাজের ওয়েবসাইটে দারাজ লিডারশিপ টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটিকে আরও গতিশীল করতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেককে ছাঁটাই করতে হচ্ছে।তবে ঠিক কতজনকে চাকরি হারাতে হচ্ছে সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বলা হয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চীনের আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জেমস দং ছাঁটাইয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মীদের জানিয়েছেন।

আরও বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে দারাজের কত সংখ্যক বা কত শতাংশ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে যে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কিছু জানাতে অস্বীকার করা হয়েছে।

নাম না প্রকাশের শর্তে দারাজের সিনিয়র দুই কর্মকর্তা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৫০০ জনেরও বেশি লোক চাকরি হারাবে। বাংলাদেশে দারাজের প্রায় ১৭০০ জন কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯৫০ জন স্থায়ী।

দারাজ বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই সিদ্ধান্তটি অনাকাঙ্ক্ষিত। গত কয়েক বছরে, আমরা খরচ পরিচালনা করতে এবং কার্যক্ষম দক্ষতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করার জন্য কাজ করেছি। বিভিন্ন সমাধান অন্বেষণ করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, আমাদের ব্যয় কাঠামো অব্যাহত বেড়েছে।

দারাজ এই ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে বাজারে অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন উল্লেখ করেছে। দারাজ বলে, আমাদের কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

;