ইসলামী ব্যাংকের ‘সাইবার সিকিউরিটি প্রটেকশন’ কর্মশালা সম্পন্ন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির উদ্যোগে ঢাকা সেন্ট্রাল, কুমিল্লা, খুলনা ও সিলেট জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তাদের জন্য ‘সাইবার সিকিউরিটি প্রটেকশন’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম মাহবুব মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আবু সাঈদ।

এতে মূল বিষয়ের ওপর বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম মিজানুর রহমান ও ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ হামিদ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় জোনসমূহের অধীন বিভিন্ন শাখা ও এজেন্ট আউটলেটের ৭৬২ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

   

মূল্য সমন্বয় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যাখ্যা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মূল্য সমন্বয় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যাখ্যা

মূল্য সমন্বয় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যাখ্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য প্রতি ইউনিটে ৩৪ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। প্রতি ইউনিট ৬ দশমিক ৭০ টাকা হতে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছে, গড় সমন্বয় ৫ শতাংশ। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট ৮ দশমিক ২৫ টাকার বিপরীতে ৮ দশমিক ৯৫ টাকা হয়েছে, গড় সমন্বয় ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ।

লাইফ লাইন গ্রাহকের ৪ দশমিক ৩৫ টাকা থেকে ২৮ পয়সা বাড়িয়ে ৪ দশমিক ৬৩ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। ১ কোটি ৬৫ লাখ লাইফ লাইন গ্রাহক রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে এই সমন্বয় গ্রাহকদের কাছে সহনীয় হবে। বিল মাস ফেব্রুয়ারী ২০২৪ হতেই এই সমন্বয় কার্যকর হবে।

সরকার, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ৩৪ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, জনস্বার্থে বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সঞ্চালন নিশ্চিত করতে হুইলিং চার্জ, বিদ্যুতের পাইকারি মূল্যহার ও খুচরা মূল্যহার এবং বিদ্যুৎ সম্পর্কিত বিবিধ সেবার জন্য চার্জ, ফি পুন:নির্ধারণ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

;

গ্রাহক পর্যায়ে ৮.৫০ শতাংশ বাড়ল বিদ্যুতের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাহী আদেশে আবারও বাড়ল পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। নতুন দর বিলিং মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে বলে গেজেট নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথক গেজেটে সঞ্চালন চার্জও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাইকারি দর ৬.৭০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়েছে। এতে ভর্তুকির পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পাবে। দাম বৃদ্ধির পরও প্রায় ৩৬ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ধারণা করছে।

অন্যদিকে গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৮.৫০ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে করে ইউনিট প্রতি গড়ে ৭০ পয়সা হারে বাড়বে বিদ্যুতের দাম। অল্প বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের দাম তুলনামূলক কম বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম।

আবাসিকের লাইফলাইন গ্রাহকের (৫০ইউনিট ব্যবহারকারি) ইউনিট প্রতি ৪.৩৫ টাকা থেকে ২৮ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৬৩ টাকা, প্রথমধাপে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারির ৪.৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫.২৬ টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ৭৬-২০০ ইউনিট পর্যন্ত ৬.৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭.২০ টাকা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ৬.৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭.৫৯ টাকা, ৩০১-৪০০ ইউনিট ব্যবহারির বিল ৭.৩৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.০২ টাকা, ৪০১-৬০০ ইউনিট ১১.৫১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২.৬৭ টাকা এবং সর্বশেষ ধাপ ৬০০ ইউনিটের উর্ধে ব্যবহারকারিদের ১৩.২৬ টাকা ১.৩৫ টাকা হারে বাড়িয়ে ১৪.৬১ টাকা করা হয়েছে।

উল্লেখিত দর নিম্নচাপ শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। মধ্যম ও উচ্চচাপের গ্রাহকদের জন্য পৃথক দর নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যমচাপে ৫০ কিলোওয়াট থেকে ৫ মেগাওয়াট পর‌্যন্ত গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেট ৯.৭২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৫৫টাকা, অফ-পীকে ৮.৭৬ থেকে বাড়িয়ে ৯.৫০ এবং পীকে ১২.২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.২৯ টাকা করা হয়েছে।

কৃষি সেচের দর ৪.৮২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫.২৫ টাকা। এই ধরণের গ্রাহকের মধ্যমচাপে (১১ কেভি) ফ্ল্যাট রেটে ৫.৭৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.৪২ টাকা, অফ-পীকে ৫.৭৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৬৩ টাকা, পীকে ৭.২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.০৬ টাকা করা হয়েছে।

মধ্যমচাপে শিল্প গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৯.৯০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৮৮ টাকা, অফ পীকে ৮.৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৭৫ টাকা, পীকে ১২.৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.৬২ টাকা করা হয়েছে। শিল্প গ্রাহকদের উচ্চচাপে ফ্ল্যাট রেট ৯.৭৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৭৫ টাকা, অফপীকে ৮.৭৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৬৯ টাকা এবং পীকে ১২.১৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.৪৭ টাকা করা হয়েছে।

শিক্ষা, ধর্মীয়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে নিম্নচাপে ৬.৯৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭.৫৫ টাকা, রাস্তার বাতি ও পানির পাম্প ৮.৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ও অফিসের ফ্ল্যাট রেটে ১৩.০১ টাকা, অফ-পীকে ১১.৭১ টাকা, পীকে ১৫.৬২ টাকা করা হয়েছে।

অতি উচ্চচাপ (শিল্প) ২০ মেগাওয়াট থেকে ১৪০ মেগাওয়াট পর‌্যন্ত ফ্ল্যাট রেটে ৯.৬৮ থেকে বাড়িয়ে ১০.৭৫ টাকা, অফ-পীকে ৮.৭২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৬৯ টাকা এবং পীকে ১২.১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.৪৭ টাকা দর নির্ধারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ৩০ জানুয়ারি এবং ১২ জানুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের পর থেকেই বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে আসছিল সংস্থাটি। ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ইউনিট প্রতি ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। তারপরেই গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ কোম্পানিগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বিইআরসি। গত ৮ জানুয়ারি শুনানি করে প্রায় গুছিয়ে এনেছিল নতুন দর ঘোষণার প্রস্তুতি। কিন্তু মাঝপথে বিইআরসিকে থামিয়ে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের বক্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের মাধ্যমে দাম সমন্বয় করতে গেলে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন। এতে করে লোকসান বেড়ে যায়। যে কারণে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের দাম ঘনমিটার প্রতি ৭৫ পয়সা হারে বাড়ানো হয়েছে। যা চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার‌্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

;

বিদ্যুতের গ্রাহকদের ১৮০ সংখ্যার যন্ত্রণা থেকে ‍মুক্তি দেওয়ার আহ্বান



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
বিদ্যুতের গ্রাহকদের ১৮০ সংখ্যার যন্ত্রণা থেকে ‍মুক্তি দেওয়ার আহ্বান

বিদ্যুতের গ্রাহকদের ১৮০ সংখ্যার যন্ত্রণা থেকে ‍মুক্তি দেওয়ার আহ্বান

  • Font increase
  • Font Decrease

কিছুদিন পর পর বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের টাকা রিচার্জ করতে গিয়ে গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। কেননা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে রিচার্জ করার সময় ১৮০ সংখ্যা সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে রিচার্জ করতে গিয়ে প্রায় সময়েই গ্রাহকেরা ভুল করেছেন। আবার বার বার সঠিক সংখ্যা রিচার্জ করতে গিয়ে মিটার লক হয়ে পড়ছে।

তাই মিটার রিচার্জের ভোগান্তি থেকে গ্রাহকদের মুক্তি দিতে অনুরোধ জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিমের সঙ্গে মতবিনিময় করতে গিয়ে এই অনুরোধ জানান সুজন।

মতবিনিময় সভায় রমজানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধও জানান। এ সময় সুজন বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক হৃদপিণ্ড। এখানে চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস হাউস, ইপিজেড, জ্বালানি তেল পরিশোধন, সার কারখানা, শিপ ব্রেকিং, স্টিল ও আয়রন শিল্প, জাহাজ নির্মাণ, পোশাক শিল্পসহ ভারী, মাঝারি ও ছোট শিল্পকারখানা অবস্থিত। এসব শিল্পে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের ব্যবহার হয়। তাই জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে চট্টগ্রামকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

সুজন বলেন, দ্রব্যমূল্যসহ নানাবিধ বিষয় নিয়ে ভোক্তারা বর্তমানে এমনিতে অনেকটা চাপে আছেন। তাই এখনই বিদ্যুতের দাম সমন্বয় না করে ঈদের পরে দাম সমন্বয় করার জন্য বিউবো প্রধান প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

বিউবোর প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম নাগরিক উদ্যোগের নেতাদের তার দফতরে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, রমজান নিয়ে আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুতের তেমন কোনো ঘাটতি নেই বিধায় রমজানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে। রমজান আসলেই বিভিন্ন মার্কেট কিংবা শপিং মলে অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা করা হয়, এতে বিদ্যুৎ বিভাগ চাপে পড়ে। তাই এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিভাগ সতর্ক থাকবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান বদি, সদস্যসচিব হাজী মো. হোসেন, মো. শাহজাহান, মো. সেলিম, মো. বাবলু, সমীর মহাজন লিটন প্রমুখ।

;

পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ল



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের দাম, গড় দর ৬.৭০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন দর বিলিং মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে। গেজেটে বলা হয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড তাদের সমিতি ভেদে ভিন্ন ধরে নির্ধারণ করতে পারবে। তবে ভারিত গড় সরকার নির্ধারিত দরের বেশি হতে পারবে না।

লোকসানী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) সমূহকে এগিয়ে নিতে এক সময় ক্রসসাবসিডি দেওয়া হতো। মুনাফায় থাকা সমিতির পাইকারি বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক বেশি আদায় করে সমন্বয় করার রেওয়াজ বিদ্যমান।

গেজেট

গেজেটে ২৩০ এবং ১৩২ কেভিতে ৬টি বিতরণ কোম্পানির অভিন্ন দর যথাক্রমে ৮.৪৪৪০ টাকা এবং ৮.৪৭৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ৩৩ কেভিতে ভিন্ন ভিন্ন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দর সবচেয়ে কম ৬.২৩২৫ টাকা করা হয়েছে। ৩৩ কেভিতে সবচেয়ে বেশি ধরা হয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) দর। কোম্পানিটির ইউনিট প্রতি দর ধরা হয়েছে ৮.৫৮৮০ টাকা।

পাইকারি দর ৬.৭০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়েছে। এতে ভর্তুকির পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পাবে। দাম বৃদ্ধির পরও প্রায় ৩৬ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ধারণা করছে।

দুপুরে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায়। তেল-গ্যাস ও কয়লার আন্তর্জাতিক বাজারদর ক্ষেত্র বিশেষে একই থাকলেও আগের চেয়ে ডলার প্রতি ৪০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এখানেই বিশাল গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করার কাজ করছি। এখন বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ পড়ছে ১২ টাকার মতো, আর ৭ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আমরা হিসেবে করে দেখেছি চলতি বছর বিদ্যুতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ধীরে ধীরে কয়েকবছর ধরে সমন্বয় করা হবে। কম ব্যবহারকারি গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম কম বাড়বে আর উপরের দিকে বেশি বাড়বে।

এ ছাড়া গ্রাহক পর্যায়েও দাম বাড়ানো প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানো গেছে। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আমরা দাম বাড়াচ্ছি না সমন্বয় করছি। প্রফিট করলে দাম বাড়ানোর কথা বলতে পারতেন। লোকসান কিছুটা কমানোর জন্য সমন্বয় করা হচ্ছে। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা হারে বাড়বে।

;