ডিজিটাল বিজনেসে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ পেল বিকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যেকোনো প্রয়োজনে লেনদেন করতে দিন-রাত যেকোনো সময়ে কার্ড থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টে অ্যাড মানি করার সুবিধা এনে মানুষের জীবনমান এবং অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রেখে ‘এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডিজিটাল বিজনেস ২০২২-২৩’ পেল দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আর্থিক লেনদেনে অবদানের ভিত্তিতে ১৭টি শ্রেণিতে এবার পঞ্চমবারের মতো দেওয়া হয় ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ-এর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিকাশ’র চিফ কমিউনিকেশনস অফিসার মাহফুজ সাদিক ও হেড অফ ব্যাংকিং পার্টনারশিপ অ্যান্ড অপারেশনস আদনান কবির রকি। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের দুই পরিচালক- মোঃ শারাফাত উল্লাহ খান ও মোঃ মোতাসেম বিল্লাহ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেইন এক্সচেঞ্জ পলিসি বিভাগের পরিচালক মোঃ সারোয়ার হোসেন, এবং মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল।

গ্রাহকসেবার উন্নয়ন এবং জরুরি আর্থিক সেবা দেশের প্রতিটি প্রান্তে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিয়মিত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করে আসছে বিকাশ। নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী এসব ডিজিটাল আর্থিক সেবা দিয়ে গ্রাহকদের দৈনন্দিন লেনদেনে স্বাধীনতা ও সক্ষমতাও এনেছে বিকাশ। আর তাই দেশের মানুষের কাছে ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে বিকাশ।

   

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বোর্ড সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় ভাইস চেয়ারম্যান ইউসিফ আবদুল্লাহ এ আল-রাজি ও ডা. তানভীর আহমেদ, অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এবং অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস উপস্থিত ছিলেন।

;

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পরও ঘাটতি হবে ৬ হাজার কোটি টাকা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্য সমন্বয়ের ফলে এলএনজি’র বর্তমান বাজার মূল্য ও ডলার বিনিময় হার বিবেচনায় বিদ্যমান ভর্তুকি ৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হতে পারে। প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন, আমদানি, সরবরাহ মূল্যের সাথে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের কারণে সরকারকে এ খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতি দিতে হবে প্রায় ৬ হাজার ৫৭০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির গেজেট প্রকাশের পর এক বিবৃতিতে এমন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ৩৪ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, জনস্বার্থে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিলিং মাস থেকে সমন্বয় করা হয়েছে। প্রতি ঘনমিটার ১৪ টাকা থেকে ১৪.৭৫ টাকা (সমন্বয়ের হার ৫.৩৬ শতাংশ) এবং ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা হতে ৩০.৭৫ টাকা (সমন্বয়ের হার ২.৫০ শতাংশ) নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশে গ্যাসের ব্যবহারকারীদের ৮টি গ্রাহক শ্রেণি রয়েছে। তারমধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭ শতাংশ, শিল্পে ২৩ শতাংশ, ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ১৮ শতাংশ, গৃহস্থালিতে ১০ শতাংশ, সার উৎপাদনে ৭ শতাংশ, সিএনজিতে ৪ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে ১ শতাংশ গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

কৃষি সেচ মৌসুম, রমজান মাস ও গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা আরও বেশি থাকে। শিল্প, গৃহস্থালি, সার উৎপাদন, সিএনজি, বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে মূল্য সমন্বয় অপরিবর্তিত রয়েছে।

;

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়লো গ্যাসের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘনমিটার প্রতি ৭৫ পয়সা হারে দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন দর ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে নির্বাহী আদেশে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রচারিত এক গেজেট নোটিফিকশেনে এ নির্বাহী আদেশের বিষয়টি জানানো হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে (সরকারি ও আইপিপি) ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪.৭৫ টাকা ঘনমিটার এবং ক্যাপটিভ পাওয়ারে ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০.৭৫ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম গড়ে ৮২ শতাংশ বাড়ানো হয়। তখন বিদ্যুৎখাতে সর্বোচ্চ ১৭৯ শতাংশ বাড়ানো হয়। ওই আদেশে শিল্পেও গ্যাসের দাম ৫ টাকা ২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা করা হয়েছিল আর ক্যাপটিভে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছিল।

সেইসঙ্গে গণশুনানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গ্যাসের দাম বাড়িয়েছিল ২০২২ সালের জুন মাসে। নির্বাহী আদেশে এভাবে দাম বাড়ানো নিয়ে রয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। গণশুনানির মাধ্যমে দাম সমন্বয় করা হলে সংস্থাগুলোর কিছুটা হলেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। নির্বাহী আদেশে বাড়ানোর কারণে সেই পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নেমে আসতো। সে কারণে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে ৭৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে আর গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ কমে আসবে। 

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে দিলে ৩ মাস সময় লাগতো। এতে ৩ মাসে ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতো। গ্রাহকরা এনার্জি সাশ্রয়ী হয়, তাহলে তাদের বিল আর বাড়বে না।

 

;

কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দারাজের



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

দারাজের ওয়েবসাইটে দারাজ লিডারশিপ টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটিকে আরও গতিশীল করতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেককে ছাঁটাই করতে হচ্ছে।তবে ঠিক কতজনকে চাকরি হারাতে হচ্ছে সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বলা হয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চীনের আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জেমস দং ছাঁটাইয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মীদের জানিয়েছেন।

আরও বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে দারাজের কত সংখ্যক বা কত শতাংশ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে যে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কিছু জানাতে অস্বীকার করা হয়েছে।

নাম না প্রকাশের শর্তে দারাজের সিনিয়র দুই কর্মকর্তা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৫০০ জনেরও বেশি লোক চাকরি হারাবে। বাংলাদেশে দারাজের প্রায় ১৭০০ জন কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯৫০ জন স্থায়ী।

দারাজ বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই সিদ্ধান্তটি অনাকাঙ্ক্ষিত। গত কয়েক বছরে, আমরা খরচ পরিচালনা করতে এবং কার্যক্ষম দক্ষতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করার জন্য কাজ করেছি। বিভিন্ন সমাধান অন্বেষণ করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, আমাদের ব্যয় কাঠামো অব্যাহত বেড়েছে।

দারাজ এই ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে বাজারে অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন উল্লেখ করেছে। দারাজ বলে, আমাদের কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

;