ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের নিশ্চয়তা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের নিশ্চয়তা

ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের নিশ্চয়তা

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা আনতে বিকাশ-এর সঙ্গে পার্টনারশিপ করল দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে, মাইবিএল সুপার অ্যাপে ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টের সুবিধা নিয়ে এলো প্রতিষ্ঠানটি। এক্ষেত্রে বিকাশ-কে নিজেদের পছন্দের পেমেন্ট মেথড হিসেবে যুক্ত করেছে বাংলালিংক। এখন থেকে গ্রাহকরা তাদের মাইবিএল অ্যাপ থেকে মাত্র একটি ক্লিকেই বিকাশ-এর মাধ্যমে দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে পেমেন্ট করতে পারবেন যা তাদের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করবে।

সম্প্রতি বাংলালিংকের সদরদফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সেবার উদ্বোধন করেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী এরিক অস এবং বিকাশ-এর প্রধান নির্বাহী কামাল কাদীর। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংক-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার উপাঙ্গ দত্ত, বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ এবং দুই প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ।

ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টের এই সুযোগ গ্রাহকদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলকে করে তুলবে আরো স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক, নিরাপদ ও ঝামেলাহীন। গ্রাহক বিকাশ-কে একবার পছন্দের পেমেন্ট অপশন হিসেবে যুক্ত করে নিলে ওটিপি বা পিন ছাড়াই ওয়ান-ক্লিকে ডিজিটাল কনসেন্ট (সম্মতি) দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।

গ্রাহকদের নতুন ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সাল থেকে বাংলালিংক ও বিকাশ একসাথে কাজ করে যাচ্ছে। এই যৌথ যাত্রার সবচেয়ে জনপ্রিয় সেবাগুলোর একটি - বিকাশ অ্যাপে “আমার অফার” অপশন। এই সেবার মাধ্যমে বাংলালিংক গ্রাহকরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী অফার বেছে নিতে পারেন। আরও একটি বহুল ব্যবহৃত সেবা – বিকাশ অ্যাপের ‘অটো রিচার্জ’। এর মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইল ব্যাল্যান্স বা ক্রেডিট কমে গেলে বিকাশ ওয়ালেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইল রিচার্জ হয়ে যাবে।

বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী এরিক অস বলেন, অগ্রসর চিন্তা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নে বাংলালিংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের জীবনযাত্রা আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করার লক্ষ্যেই মাইবিএল সুপার অ্যাপে ওয়ান-ক্লিক পেমেন্টের সুবিধা নিয়ে এসেছি আমরা। সহজ এই পেমেন্ট ব্যবস্থা আমাদের বিকাশ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জীবন যেমন আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করবে তেমনি তাদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাও আরও উন্নত হবে।

বিকাশ-এর প্রধান নির্বাহী কামাল কাদীর বলেন, ক্রমশ পরিবর্তনশীল ডিজিটাল প্রযুক্তির এই যুগে গ্রাহকদের আরও সহজ, সুবিধাজনক এবং সময়-সাশ্রয়ী সেবার প্রয়োজন। তাই দুটি প্রতিষ্ঠানেরই কোটি গ্রাহকের জীবন আরও সহজ করতে ওয়ান-ক্লিক পেমেন্ট সুবিধা চালু করা হলো। এই পার্টনারশিপ আগামীতে আরও গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবার সুযোগ তৈরি করবে যা তাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলে আরও স্বাচ্ছন্দ্য, স্বাধীনতা নিয়ে আসবে।

বাংলালিংক ও বিকাশ-এর এই পার্টনারশিপ শুধু পুরনো সম্পর্কই মজবুত করবে না, বরং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে -যেখানে উভয় প্রতিষ্ঠান আরও নতুন ডিজিটাল উদ্ভাবন, আধুনিক সল্যুশনস দেয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের সংযুক্ত রেখে উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেম-কে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রেখে যাবে।

ক্রেডিট কার্ড ও কিস্তি জরিমানা ছাড়া জমা নিবে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ ও ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি অনেক গ্রাহক। জরিমানা ছাড়া চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকগণ তা পরিশোধ করতে পারবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সকল এটিএম যথারীতি চালু রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের যেসকল গ্রাহক ডেবিট কার্ড আগে ব্যবহার করেননি বা নেননি, তারা ব্যাংকের যে কোনো শাখা থেকে ইনস্ট্যান্ট ডেবিট কার্ড নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে পারবেন।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ সেবা নিয়ে সম্মানিত গ্রাহকদের পাশে আছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

;

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪



নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রবাসে উপার্জন স্বদেশে আবাসন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার-২০২৪।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৬, ৭ ও ৮ তারিখ শারজাহর এক্সপো সেন্টারে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা উপলক্ষে শারজাহতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মাঝে এখন থেকেই প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই বছরের মেলায় প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মেলায় এখনও অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর উদ্যোগে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রবাসীদের জন্য হোম লোন ব্যবস্থা সহজ করায় মেলা থেকে লোন নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে এ বছর।

শারজাহতে রিহ্যাবের এই মেলায় রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী রিহ্যাব সদস্যদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে রিহ্যাব ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলিম উল্ল্যাহ এবং কো চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুল হক বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাত করে এসেছেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন, রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার ২০২৪ সফলভাবে সম্পন্ন করতে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। 

;

কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে জরিমানা করবে না ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের বকেয়া ও বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিম দিতে পারেননি। তবে এই বিলম্বের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় না করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুলাই) পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেক ঋণগ্রহীতা ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ব্যাংকে তাদের বকেয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে সক্ষম হননি। এ ছাড়া অনেক আমানতকারী ডিপোজিট পেনশন স্কিমসহ (ডিপিএস) বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে ১৮ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত পরিশোধযোগ্য ঋণের বকেয়া অর্থ পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধযোগ্য অর্থ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এই বকেয়া অর্থের ওপর কোনো প্রকারের সুদ বা মুনাফা এবং দণ্ড সুদ, অতিরিক্ত সুদ, অতিরিক্ত মুনাফা, বিলম্ব ফি কিংবা জরিমানা (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় বা আরোপ করা যাবে না। ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রাহক কর্তৃক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এর ওপর কোনো ধরনের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায়/আরোপ করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, এই সময়ে কোনো সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি পরিশোধে গ্রাহক ব্যর্থ হলে তা বন্ধ বা বাতিল করা যাবে না এবং পূর্বঘোষিত হারের তুলনায় কম সুদ অথবা মুনাফা প্রদান করা যাবে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে কোনো ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফা ও দণ্ড সুদ বা বিলম্ব ফি এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের ওপর কোনো প্রকারের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায় অথবা আরোপ করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে অথবা সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়ে অনেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চাইলেও পরিস্থিতির কারণে পারেননি। ফলে এই সময়ের দায় কোনোভাবে তাঁদের ওপর পড়তে পারে না। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা নিশ্চিত করেছে নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের আর্থিক সেবা যখন বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন একমাত্র নগদ তার গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশ আর্থিক সেবা যখন কাজ বন্ধ রেখেছে, তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ছিল নগদ। ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাপ কাজ করেনি। কিন্তু *১৬৭# ডায়াল করে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ-আউট, ক্যাশ-ইনসহ অন্যান্য সকল লেনদেনের সেবা নিয়েছেন কয়েক কোটি গ্রাহক। অন্যদিকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপের লেনদেন শুরু হয়েছে। সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে শুরু করেছেন গ্রাহক।

ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা বিঘ্নিত হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় মোবাইল রিচার্জ করার পদ্ধতিও বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নগদ।

মহল্লায় মহল্লায় এ সময়ে নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের সামনে দীর্ঘ লাইন ধরে মানুষ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং বিল পেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করেছেন। নগদে ক্যাশ ইন করে সেখান থেকে মোবাইল রিচার্জ করেছেন লোকেরা।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সকল সেবা চালু রাখতে পেরেছে নগদ। অ্যাপ ছাড়াই ইউএসএসডির মাধ্যমে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানিসহ প্রয়োজনীয় সকল সেবা সচল রাখতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নগদের টেকনোলজি টিম। কারফিউর মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছে নগদের টেকনোলজি টিমের সদস্যরা। এক মুহূর্তের জন্যও তারা নগদের সেবা বন্ধ হতে দেননি।
যার ফলে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট ছাড়াও শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে চার কোটি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি গ্রাহক নগদের সেবা গ্রহণ করেছেন।

প্রতিকূল সময়েও এক মিনিটের জন্যও যেন গ্রাহকের সেবায় বিঘœ না ঘটে সেটি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান, নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকাটাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল নগদ। আমরা নিশ্চিত করেছি যে, একটা সেকেন্ডের জন্যও যেন নগদের সেবা বন্ধ না থাকে। কারণ আমরা মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে দিতে চাইনি। তারা নগদ থেকে মোবাইল রিচার্জ করে ফোনে কথা বলেছেন। বিল পেমেন্ট করে নানান নিত্যদিনের নানান প্রয়োজীয় সেবাকে চালু রেখেছেন। এসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করেছেন।”

;