সরকারি ক্রয়ে বাজার দখল বাড়ছে, ৬ দফা সুপারিশ টিআইবির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সরকারি ক্রয়ে বাজার দখল বাড়ছে, ৬ দফা সুপারিশ টিআইবির

সরকারি ক্রয়ে বাজার দখল বাড়ছে, ৬ দফা সুপারিশ টিআইবির

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে অনলাইনভিত্তিক সরকারি ক্রয়কার্য (ই-জিপি) বাস্তবায়নের বয়স প্রায় এক যুগ হওয়া সত্ত্বেও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি বরং সরকারি বিভাগসমূহ, রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ত্রিমুখী যোগসাজশ নতুন মাত্রা পেয়েছে।

‘‘বাংলাদেশে ই-সরকারি ক্রয় : প্রতিযোগিতামূলক চর্চার প্রবণতা বিশ্লেষণ (২০১২-২০২৩)’’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উল্লিখিত মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আরো বলা হয়, ই-টেন্ডারিং এর মাধ্যমে সম্পাদিত ৯৯ শতাংশের দরপত্র মূল্য ২৫ কোটি টাকার নিচে। অথাৎ বড় চুক্তিমূল্যের দরপত্র এখনো পুরোপুরি এ পক্রিয়ার আওতায় আসেনি। অন্যদিকে শীর্ষ ৫ শতাংশ ঠিকাদারের কাজের হিস্যা প্রতি বছরই বাড়ছে, গড়ে প্রায় ৩০ ভাগ কাজের নিয়ন্ত্রণই এসব ঠিকাদারের হাতে।

আজ টিআইবির ধানমণ্ডিস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের। টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মন্জুর-ই-আলম এর সঞ্চালনায় মূল উপাস্থাপনা তুলে ধরেন একই বিভাগের কোর্ডিনেটর মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

এ গবেষণায় সরকারি ই-কেনাকাটায় প্রতিযোগিতার মাত্রা এবং একক দরপত্র পড়ার প্রবণতা চিহ্নিতকরণ; বাজার দখলের মাত্রা বিশ্লেষণ ও সরকারি ই-ক্রয়কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বাড়াতে করণীয় প্রস্তাব করার উদ্দেশ্যে ই-জিপি পোর্টালে থাকা ২০১২-২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত সকল ই-কার্যাদেশ (৪ লাখ ৫৫ হাজার ৬ শত ৩৩টি) বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ডেটা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণে পাইথন ও পাওয়ার কোয়েরি এবং ডেটা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনায় পাওয়ার বিআই ও ড্যাক্সের ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকারি ই-ক্রয়কার্যের ৯৬ ভাগের বেশি কেনাকাটা হয় দুটি ক্রয় পদ্ধতিতে। এর একটি উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি, অন্যটি সীমিত দরপত্র পদ্ধতি। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ৫৩ ভাগ এবং ৪৩ ভাগ কেনাকাটা হয়েছে সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে। ই-ক্রয়কার্যে সবার শীর্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ (মোট কার্যাদেশের ৪৪ শতাংশ এবং চুক্তি মূল্যের ৪১ শতাংশ)। ই- কেনাকাটার ৯৩ শতাংশ (মোট কার্যাদেশ) আর মূল্যের দিক থেকে ৯৭ শতাংশ মূলত ১০টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

ই-জিপি সরকারি ক্রয়-প্রক্রিয়ায় দরপত্র পড়ার হারকে আপাত দৃষ্টিতে বাড়ালেও উন্মুক্ত দরপত্রপদ্ধতিতে দরপত্র জমার গড় মাত্র ৩.৫৩, যেখানে সীমিত দরপত্রপদ্ধতিতে এই গড় ৪৭.৭৫। ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ শতাংশের মূল্যসীমা সীমিত দরপত্র পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে, যেখানে কাজ পেতে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না, যেটি বাজারে প্রতিযোগীতার পরিবেশ বিনষ্ট করছে।

বিশ্লেষণ বলছে, ই-ক্রয় কার্যক্রমে ৪৬ ভাগ ক্ষেত্রে দরপত্র পড়ে ৪ টির কম। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এ হার ৬৫ ভাগ, যা ক্রয় প্রক্রিয়ায় কম মাত্রার প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত করে। শীর্ষ ৫ শতাংশ ঠিকাদারের কাজের হিস্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। গড়ে ২৬ ভাগের বেশি কাজ পাচ্ছে এসব বড় ঠিকাদার এবং নিচের দিকে থাকা ১০ শতাংশ ঠিকাদার পাচ্ছে মাত্র ২ থেকে ৩ ভাগ কাজ। সীমিত দরপত্রপদ্ধতি উন্মুক্ত দরপত্রপদ্ধতির চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সার্বিকভাবে, ১৯ শতাংশ ক্ষেত্রে দরপত্র পড়েছে মাত্র একটি। অর্থাৎ প্রতি পাঁচটি দরপত্রের একটি একক দরপত্রের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এই হার ২৬ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি চারটির একটিই একক দরপত্র। সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে এই হার মাত্র ১১ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ই-ক্রয় কার্যের ৭০ শতাংশ এখনও পাচ্ছেন স্থানীয় ঠিকাদাররা। মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ পাচ্ছেন স্থানীয় নন এমন ঠিকাদার। দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্থানীয় ঠিকাদারের আধিপত্য ইঙ্গিত করে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য যোগসাজশ এবং গোষ্ঠীগত নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিদ্যমান।

ক্রেডিট কার্ড ও কিস্তি জরিমানা ছাড়া জমা নিবে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ ও ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি অনেক গ্রাহক। জরিমানা ছাড়া চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকগণ তা পরিশোধ করতে পারবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সকল এটিএম যথারীতি চালু রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের যেসকল গ্রাহক ডেবিট কার্ড আগে ব্যবহার করেননি বা নেননি, তারা ব্যাংকের যে কোনো শাখা থেকে ইনস্ট্যান্ট ডেবিট কার্ড নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে পারবেন।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ সেবা নিয়ে সম্মানিত গ্রাহকদের পাশে আছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

;

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪



নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রবাসে উপার্জন স্বদেশে আবাসন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার-২০২৪।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৬, ৭ ও ৮ তারিখ শারজাহর এক্সপো সেন্টারে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা উপলক্ষে শারজাহতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মাঝে এখন থেকেই প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই বছরের মেলায় প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মেলায় এখনও অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর উদ্যোগে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রবাসীদের জন্য হোম লোন ব্যবস্থা সহজ করায় মেলা থেকে লোন নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে এ বছর।

শারজাহতে রিহ্যাবের এই মেলায় রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী রিহ্যাব সদস্যদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে রিহ্যাব ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলিম উল্ল্যাহ এবং কো চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুল হক বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাত করে এসেছেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন, রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার ২০২৪ সফলভাবে সম্পন্ন করতে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। 

;

কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে জরিমানা করবে না ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের বকেয়া ও বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিম দিতে পারেননি। তবে এই বিলম্বের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় না করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুলাই) পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেক ঋণগ্রহীতা ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ব্যাংকে তাদের বকেয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে সক্ষম হননি। এ ছাড়া অনেক আমানতকারী ডিপোজিট পেনশন স্কিমসহ (ডিপিএস) বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে ১৮ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত পরিশোধযোগ্য ঋণের বকেয়া অর্থ পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধযোগ্য অর্থ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এই বকেয়া অর্থের ওপর কোনো প্রকারের সুদ বা মুনাফা এবং দণ্ড সুদ, অতিরিক্ত সুদ, অতিরিক্ত মুনাফা, বিলম্ব ফি কিংবা জরিমানা (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় বা আরোপ করা যাবে না। ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রাহক কর্তৃক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এর ওপর কোনো ধরনের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায়/আরোপ করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, এই সময়ে কোনো সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি পরিশোধে গ্রাহক ব্যর্থ হলে তা বন্ধ বা বাতিল করা যাবে না এবং পূর্বঘোষিত হারের তুলনায় কম সুদ অথবা মুনাফা প্রদান করা যাবে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে কোনো ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফা ও দণ্ড সুদ বা বিলম্ব ফি এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের ওপর কোনো প্রকারের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায় অথবা আরোপ করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে অথবা সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়ে অনেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চাইলেও পরিস্থিতির কারণে পারেননি। ফলে এই সময়ের দায় কোনোভাবে তাঁদের ওপর পড়তে পারে না। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা নিশ্চিত করেছে নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের আর্থিক সেবা যখন বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন একমাত্র নগদ তার গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশ আর্থিক সেবা যখন কাজ বন্ধ রেখেছে, তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ছিল নগদ। ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাপ কাজ করেনি। কিন্তু *১৬৭# ডায়াল করে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ-আউট, ক্যাশ-ইনসহ অন্যান্য সকল লেনদেনের সেবা নিয়েছেন কয়েক কোটি গ্রাহক। অন্যদিকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপের লেনদেন শুরু হয়েছে। সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে শুরু করেছেন গ্রাহক।

ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা বিঘ্নিত হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় মোবাইল রিচার্জ করার পদ্ধতিও বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নগদ।

মহল্লায় মহল্লায় এ সময়ে নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের সামনে দীর্ঘ লাইন ধরে মানুষ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং বিল পেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করেছেন। নগদে ক্যাশ ইন করে সেখান থেকে মোবাইল রিচার্জ করেছেন লোকেরা।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সকল সেবা চালু রাখতে পেরেছে নগদ। অ্যাপ ছাড়াই ইউএসএসডির মাধ্যমে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানিসহ প্রয়োজনীয় সকল সেবা সচল রাখতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নগদের টেকনোলজি টিম। কারফিউর মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছে নগদের টেকনোলজি টিমের সদস্যরা। এক মুহূর্তের জন্যও তারা নগদের সেবা বন্ধ হতে দেননি।
যার ফলে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট ছাড়াও শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে চার কোটি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি গ্রাহক নগদের সেবা গ্রহণ করেছেন।

প্রতিকূল সময়েও এক মিনিটের জন্যও যেন গ্রাহকের সেবায় বিঘœ না ঘটে সেটি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান, নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকাটাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল নগদ। আমরা নিশ্চিত করেছি যে, একটা সেকেন্ডের জন্যও যেন নগদের সেবা বন্ধ না থাকে। কারণ আমরা মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে দিতে চাইনি। তারা নগদ থেকে মোবাইল রিচার্জ করে ফোনে কথা বলেছেন। বিল পেমেন্ট করে নানান নিত্যদিনের নানান প্রয়োজীয় সেবাকে চালু রেখেছেন। এসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করেছেন।”

;