শোকজের পর আরও বেশি দাম নিচ্ছে এলপিজির



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগে নির্ধারিত দরের চেয়ে ৫০-৭০ টাকা বেশি আদায় করা হতো। এখন স্থানভেদে ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দামে এলপি গ্যাস বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১২৮৪ টাকা নির্ধারিত থাকলেও ওমেরা গ্রুপের রংপুরের ডিলার ১৩৩০ টাকা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ডিলাররা ১৩৫০ টাকা দাম আদায় করছেন। বিক্রেতারা ৫০ টাকা যোগ করে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করছেন। আবার কোন কোন এলাকায় ১৫০০ টাকা দরে বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতা কিংবা ডিলার নয় খোদ আমদানিকারকরাই মানছে না বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষিত নির্ধারিত দর। ইতিপূর্বে বেশি দাম রাখায় বসুন্ধরা এলপিজি, ওমেরা এলপিজি, টোটাল এলপিজি ও ইউনাইটেড গ্রুপকে শোকজ করলেও পাত্তাই দিতে চাইছে না। একাধিক দফায় নোটিশ দেওয়ার পর শুধুমাত্র ওমেরা গ্রুপ দায়সারা জবাব দিয়েছে। আর কয়েক মাস পরে এসে জবাব দেওয়ার জন্য সময়ে চেয়েছে টোটাল। টোটাল ও ইউনাইটেডকে শোকজ করা হয় ১১ জুলাই, আর ওমেরা ও বসুন্ধরাকে মে মাসের ২২ তারিখে শোকজ করে বিইআরসি।

ওমেরা তার জবাবে বলেছে, তারা পরিবহন খরচ ও পরিবেশকের কমিশন চালানে উল্লেখ করেছে। পরে এই টাকা সমন্বয় করে দেবেন। অন্যরা এখনও পাত্তাই দিতে চাইছে না বিইআরসির চিঠিকে। ওমেরাসহ অন্যরাও আগের তুলনায় আরও বেশি দামে বিক্রি অব্যাহত রেখেছেন।

জুলাই মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডার ডিলার পর্যায়ে ৯২৪ টাকা দরে বিক্রি করার নির্দেশনা থাকলেও ইউনাইটেড এলপিজি ১০৭৪ টাকা, টোটাল গ্যাস ১০১৯ টাকা দরে বিক্রির তথ্য প্রমাণ পায় বিইআরসি। অন্যদিকে বসুন্ধরাকে ৫০ টাকা বেশি দামে এবং ওমেরাকে ৭৫ টাকা বেশি দরে বিক্রির দায়ে শোকজ করা হয়।

ইউনাইটেড এলপিজি লিমিটেডের এজিএম রাইসা বার্তা২৪.কম-কে বলেছিলেন, বিইআরসি দর নির্ধারণ করেছে ৩ তারিখে, সিস্টেম আপডেটের বিষয় রয়েছে। আমরা কি ততদিন পর্যন্ত বিক্রি বন্ধ রাখবো?

বিইআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী ৩ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকর হওয়ার কথা। চালানপত্রটি ৫ তারিখের, যুক্তির খাতিরে যদি আগের মাসের দরও ধরে নিই তাতেও গড়মিল হয়। আগের মাসে (জুন) ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে বিক্রি করার কথা ১০০২ টাকায়। আর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ছিল ১০৭৪ টাকা। তাহলে কি ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতার কমিশন কখনই দিচ্ছে না ইউনাইটেড এলপিজি। এমন প্রশ্ন করা হলে কোন জবাব দেননি।

বিইআরসির চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আমি দেশের বাইরে ছিলাম, এই মুহুর্তে আপডেট জানা নেই। শুনেছি কিছু কোম্পানির শোকজের জবাব দিয়েছে। তাদের জবাবগুলো যাচাই করে দেখা হবে, আর যারা দেয়নি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কি ধরণের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, তারা আমাদের লাইসেন্সী, তাদের লাইসেন্স বাতিল করার ক্ষমতাও আমাদের হাতে রয়েছে।

তিনি বলেন, কেউই আইনে ঊর্ধ্বে নয়। সবাইকে নির্ধারিত দরে এলপি গ্যাস বিক্রি করতে হবে। আমদানিকারকরা ডলারের দর নিয়ে আপত্তি করেছিল, আমরা সেখানে বাড়িয়ে দিয়েছি। আরও কিছু জায়গায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তারপরও দাম মেনে না চলেছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা অভিযান জোরদার করেছি। চলতি মাসের ৪ তারিখে নারায়ণগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছি। আবার ৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুরে অভিযান করেছি, সেখানে একজন পরিবেশকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দু’জন খুচরা বিক্রেতারও জরিমানা করা হয়েছে। এখন গেলাম দেখলাম এমন হবে না। গড়মিল পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেওয়া হবে।

প্রশ্ন ছিল বড় অপরাধী হচ্ছে আমদানিকারকরা, তারাই তো বেশি দাম নিচ্ছে। পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার কি করার আছে। জবাবে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা বাজারে টিম পাঠিয়ে একটি সার্ভে করেছি। কারা এই অপরাধ করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

২০২১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথম এলপি গ্যাসের দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন এলপিজি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার জন্য ১২ কেজির সিলিন্ডারে মোট ৩৫৯ দশমিক ৪০ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। দর ঘোষণার দিনেই কমিশনের পরিমাণ নিয়ে আপত্তি তোলেন লোয়াব (এলপিজি আমদানিকারকদের সংগঠন)। তারা প্রতিমাসের দর ঘোষণাও বর্জন করে বিভিন্নভাবে বিইআরসির ওপর চাপ তৈরি করে। এমনকি এলপিজি আমদানি বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেন লোয়াবের সভাপতি আজম জে চৌধুরী। বিইআরসি অনেকটা বাধ্য হয়ে ৭ মাসের মাথায় ১০ অক্টোবর কমিশন ৩৫৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৪১ টাকা করেন। তারপরও কোম্পানিগুলো বেশি দাম আদায় করে যাচ্ছে।

প্রথম দর ঘোষণার পর কার্যকর নিয়ে বিইআরসির বক্তব্য ছিল, নতুন পদ্ধতি মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগছে। সময়ের সঙ্গে সব ঠিক হয়ে যাবে। আড়াই বছর পেরিয়ে গেছে, এখন দিন দিন উন্নতি না হয়ে আরও পতনের ধারা দেখা যাচ্ছে।

বিইআরসি শুধু খুচরা বিক্রেতার ওপর খড়গহস্ত ছিলেন। কমিশনে নতুন চেয়ারম্যান যোগদানের পর এবারেই প্রথম এলপিজি কোম্পানির ওপর নজর দিয়েছে। তারপরও কমছেনা দৌরাত্ম। অনেকটাই অসহায় দেখাচ্ছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটিকে। শুধু আমদানিকারক নয়, সরকারি অনেক কোম্পানিও একে পাত্তা দিতে চাইছে না। কেউ কেউ একে কাগুজে বাঘ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ক্রেডিট কার্ড ও কিস্তি জরিমানা ছাড়া জমা নিবে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ ও ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি অনেক গ্রাহক। জরিমানা ছাড়া চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকগণ তা পরিশোধ করতে পারবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সকল এটিএম যথারীতি চালু রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের যেসকল গ্রাহক ডেবিট কার্ড আগে ব্যবহার করেননি বা নেননি, তারা ব্যাংকের যে কোনো শাখা থেকে ইনস্ট্যান্ট ডেবিট কার্ড নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে পারবেন।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ সেবা নিয়ে সম্মানিত গ্রাহকদের পাশে আছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

;

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪



নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রবাসে উপার্জন স্বদেশে আবাসন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার-২০২৪।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৬, ৭ ও ৮ তারিখ শারজাহর এক্সপো সেন্টারে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা উপলক্ষে শারজাহতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মাঝে এখন থেকেই প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই বছরের মেলায় প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মেলায় এখনও অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর উদ্যোগে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রবাসীদের জন্য হোম লোন ব্যবস্থা সহজ করায় মেলা থেকে লোন নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে এ বছর।

শারজাহতে রিহ্যাবের এই মেলায় রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী রিহ্যাব সদস্যদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে রিহ্যাব ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলিম উল্ল্যাহ এবং কো চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুল হক বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাত করে এসেছেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন, রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার ২০২৪ সফলভাবে সম্পন্ন করতে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। 

;

কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে জরিমানা করবে না ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের বকেয়া ও বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিম দিতে পারেননি। তবে এই বিলম্বের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় না করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুলাই) পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেক ঋণগ্রহীতা ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ব্যাংকে তাদের বকেয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে সক্ষম হননি। এ ছাড়া অনেক আমানতকারী ডিপোজিট পেনশন স্কিমসহ (ডিপিএস) বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে ১৮ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত পরিশোধযোগ্য ঋণের বকেয়া অর্থ পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধযোগ্য অর্থ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এই বকেয়া অর্থের ওপর কোনো প্রকারের সুদ বা মুনাফা এবং দণ্ড সুদ, অতিরিক্ত সুদ, অতিরিক্ত মুনাফা, বিলম্ব ফি কিংবা জরিমানা (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় বা আরোপ করা যাবে না। ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রাহক কর্তৃক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এর ওপর কোনো ধরনের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায়/আরোপ করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, এই সময়ে কোনো সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি পরিশোধে গ্রাহক ব্যর্থ হলে তা বন্ধ বা বাতিল করা যাবে না এবং পূর্বঘোষিত হারের তুলনায় কম সুদ অথবা মুনাফা প্রদান করা যাবে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে কোনো ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফা ও দণ্ড সুদ বা বিলম্ব ফি এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের ওপর কোনো প্রকারের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায় অথবা আরোপ করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে অথবা সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়ে অনেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চাইলেও পরিস্থিতির কারণে পারেননি। ফলে এই সময়ের দায় কোনোভাবে তাঁদের ওপর পড়তে পারে না। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা নিশ্চিত করেছে নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের আর্থিক সেবা যখন বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন একমাত্র নগদ তার গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশ আর্থিক সেবা যখন কাজ বন্ধ রেখেছে, তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ছিল নগদ। ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাপ কাজ করেনি। কিন্তু *১৬৭# ডায়াল করে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ-আউট, ক্যাশ-ইনসহ অন্যান্য সকল লেনদেনের সেবা নিয়েছেন কয়েক কোটি গ্রাহক। অন্যদিকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপের লেনদেন শুরু হয়েছে। সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে শুরু করেছেন গ্রাহক।

ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা বিঘ্নিত হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় মোবাইল রিচার্জ করার পদ্ধতিও বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নগদ।

মহল্লায় মহল্লায় এ সময়ে নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের সামনে দীর্ঘ লাইন ধরে মানুষ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং বিল পেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করেছেন। নগদে ক্যাশ ইন করে সেখান থেকে মোবাইল রিচার্জ করেছেন লোকেরা।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সকল সেবা চালু রাখতে পেরেছে নগদ। অ্যাপ ছাড়াই ইউএসএসডির মাধ্যমে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানিসহ প্রয়োজনীয় সকল সেবা সচল রাখতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নগদের টেকনোলজি টিম। কারফিউর মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছে নগদের টেকনোলজি টিমের সদস্যরা। এক মুহূর্তের জন্যও তারা নগদের সেবা বন্ধ হতে দেননি।
যার ফলে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট ছাড়াও শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে চার কোটি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি গ্রাহক নগদের সেবা গ্রহণ করেছেন।

প্রতিকূল সময়েও এক মিনিটের জন্যও যেন গ্রাহকের সেবায় বিঘœ না ঘটে সেটি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান, নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকাটাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল নগদ। আমরা নিশ্চিত করেছি যে, একটা সেকেন্ডের জন্যও যেন নগদের সেবা বন্ধ না থাকে। কারণ আমরা মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে দিতে চাইনি। তারা নগদ থেকে মোবাইল রিচার্জ করে ফোনে কথা বলেছেন। বিল পেমেন্ট করে নানান নিত্যদিনের নানান প্রয়োজীয় সেবাকে চালু রেখেছেন। এসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করেছেন।”

;