মে মাসে রেমিট্যান্স কমল ১০.২৭ শতাংশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের মে মাসে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ১০.২৭ শতাংশ কমে গেছে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার জন্য ডলারের দুর্বল মূল্য এবং হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন বৃদ্ধিকে দায়ী করেছেন ব্যাংকাররা।

মে মাসে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৯ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ কম।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের চেয়ে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বেশি পছন্দ করেন। খোলাবাজারের তুলনায় ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দাম কম দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যাংকে যাওয়া ও লাইনে দাঁড়ানোর কোনো ঝামেলা নেই হুন্ডিতে। বাড়িতে এসে টাকা পৌঁছে দেয় তারা। তাই গ্রাহকদের কাছে ব্যাংকের চেয়ে হুন্ডিই বেশি জনপ্রিয়।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার এমন ধারা দেশের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা আরও গভীর করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, হুন্ডি, অবৈধ লেনদেন রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার জন্য দায়ী। রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ইতিমধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৮ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৯৯ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

মে মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বরাবরের মতো ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। আলোচিত সময় ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ২২ কোটি ডলার। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে ১১ কোটি ৭০ লাখ, জনতা ব্যাংকে ৮ কোটি ৫ লাখ ডলার, ডাচ্–বাংলা ব্যাংকে ৭ কোটি ৫০ লাখ এবং আল-আরাফা ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৯৬ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে।

আলোচিত সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, পু‌লি‌শের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোন রেমিটেন্স আসেনি।

বৃহস্পতিবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৪২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়ে ১৯ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

২৪টি এয়ারক্রাফট দিয়ে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট, দশম বর্ষে ইউএস-বাংলা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

ছবি: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারী বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা অতিক্রম করেছে সাফল্যগাঁথা দশটি বছর। ১৭ জুলাই ২০২৪ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১১তম বর্ষে পদার্পণ করছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দশম বর্ষপূর্তিতে সকল শুভানূধ্যায়ীদের জানাচ্ছে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

১৭ জুলাই ২০১৪ ইউএস-বাংলা ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের আকাশপথে যাত্রা শুরু করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করে স্বল্পতম সময়ে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সূদৃঢ় করেছে ইউএস-বাংলা।

অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা যাত্রা শুরুর দু’বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুটে ডানা মেলে। ইউএস-বাংলার আন্তর্জাতিক রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাস্কাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু।

নিকট ভবিষ্যতে দিল্লী, রিয়াদ, দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়া ২০২৫ সালের মধ্যে লন্ডন, রোম সহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্য ও ২০২৭ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরেন্টোতে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে মোট চব্বিশটি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে দুইটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, দশটি এটিআর ৭২-৬০০ এবং তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট আছে। যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯০% এর অধিক অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে ইউএস-বাংলার।

যাত্রীসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করায় ইউএস-বাংলা দেশীয় এয়ারলাইন্স হিসেবে যাত্রীদের কাছে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশে-বিদেশে বর্তমানে প্রায় ৩০০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে ইউএস-বাংলার। যা দেশের বেকার সমস্যা সমাধানেও কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত ট্যাক্স-সারচার্জ পরিশোধ করে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে। বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে করছে আরো সূদৃঢ়।

ইউএস-বাংলার টিকেট সংগ্রহ করার জন্য রয়েছে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস সুবিধা। দেশে এবং দেশের বাহিরে নিজস্ব ৪০টির অধিক সেলস্ অফিস রয়েছে। ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের জন্য রয়েছে ‘স্কাইস্টার’ প্রোগ্রাম।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স খুব শীঘ্রই নিজস্ব এমআরও (মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার এন্ড অপারেশনস্) প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরী করতে ইউএস-বাংলা ফ্লাইং স্কুল, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।

স্বাধীনতার পর ইউএস-বাংলা-ই প্রথম কোনো দেশীয় বিমান সংস্থা যা, চীনের কোনো গন্তব্যে বা ভারতের চেন্নাই কিংবা মালদ্বীপের রাজধানী মালে-তে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যাত্রীদেরকে বেশ কয়েকটি স্পেশাল সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা, যা অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এভিয়েশন শিল্পে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরনের পর মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ ডেলিভারী। “আপনি লাগেজের জন্য অপেক্ষা করবেন না বরং লাগেজ আপনার জন্য অপেক্ষা করবে”- এই ধারনাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই ইউএস-বাংলা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

ইউএস-বাংলা শুধু যাত্রীই পরিবহন করে না, সাথে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে কার্গোও পরিবহন করে থাকে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউএস-বাংলা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসহ খেলাধূলার উন্নয়নের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে আছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা প্রদান করার জন্য ব্র্যান্ডনিউ এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবাকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করে চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।”
এছাড়া দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তিনি আরো বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাফল্যে ভরা দশ বছর এর সাথে যে সকল সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট, ট্যূর অপারেটর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত যেসকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের সকলের প্রতি ইউএস-বাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।”

;

বেসিসের ফিনটেক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ার হলেন নগদের ইডি এলিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম সেরা এমএফএস ও ফাস্টেট ইউনিকর্ন নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্টে নগদের ভূমিকার একটি বহিঃপ্রকাশ ঘটল। বিস্তৃত উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গীসম্পন্ন নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।

বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট উদ্ভাবনী চিন্তা ও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবেন। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কমিটির সদস্যদের অনুপ্রাণিত করতেও তিনি ভূমিকা রাখবেন।

এই স্ট্যান্ডিং কমিটি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গুরুত্ব দেবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশনকে আরও বেশি জনপ্রিয় করতে ও ফিনটেক স্টার্টআপের সমৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট নতুন এই দায়িত্বের বিষয়ে বলেন, ‘বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও আরো বেশি অন্তর্ভূক্তিমূলক আর্থিক অবকাঠামো তৈরিতে এই ইন্ডাস্ট্রির নেতা ও অংশীজনদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে চাই।’

একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বিভিন্ন ধরনের সফল ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি পেশাজীবী, ক্রীড়া এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি বড়তাকিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক,

পাশাপাশি জেসিআই চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেসিআই বাংলাদেশের দুইবারের সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া জেসিআই বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারপারসন ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এলিট।

;

ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট

ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইনে ওয়ালটনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ওয়ালটন প্লাজা থেকে নির্দিষ্ট এয়ার কন্ডিশনার, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, হোম অ্যান্ড কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস, টিভি, কম্পিউটার অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ কিনে পেমেন্ট বিকাশ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট।

waltonplaza.com.bd অথবা eplaza.waltonbd.com থেকে প্রোডাক্ট ক্যাটাগরির ভিত্তিতে একজন গ্রাহক একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২১,৫৯৯ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। ৩১ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত অফার চলাকালীন একজন গ্রাহক যতবার প্রয়োজন ততবার লেনদেন করতে পারবেন।

ডিসকাউন্ট পেতে হলে গ্রাহককে পেমেন্ট গেটওয়ে, বিকাশ অ্যাপ, *২৪৭# ডায়াল করে কিংবা পেমেন্ট লিংকে ক্লিক করে উল্লেখ্য মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে সফলভাবে পেমেন্ট করতে হবে। অফারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে - https://www.bkash.com/campaign/walton-online-offer – লিংকে।

;

বেসিস’র ফিনটেক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হলেন নগদের ইডি এলিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এমএফএস ও ফাস্টেট ইউনিকর্ন নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

এমএফএস ও ফাস্টেট ইউনিকর্ন নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এমএফএস ও ফাস্টেট ইউনিকর্ন নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-এর (বেসিস) ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্টে নগদের ভূমিকার একটি বহিঃপ্রকাশ ঘটল। বিস্তৃত উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গীসম্পন্ন নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করে এই কমিটি।

বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট উদ্ভাবনী চিন্তা ও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবেন। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কমিটির সদস্যদের অনুপ্রাণিত করতেও তিনি ভূমিকা রাখবেন।

এই স্ট্যান্ডিং কমিটি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গুরুত্ব দেবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশনকে আরো বেশি জনপ্রিয় করতে ও ফিনটেক স্টার্টআপের সমৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট নতুন এই দায়িত্বের বিষয়ে বলেন, ‘বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও আরো বেশি অন্তর্ভূক্তিমূলক আর্থিক অবকাঠামো তৈরিতে এই ইন্ডাস্ট্রির নেতা ও অংশীজনদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে চাই।’

একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বিভিন্ন ধরনের সফল ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকা-ের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি পেশাজীবী, ক্রীড়া এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি বড়তাকিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পাশাপাশি জেসিআই চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেসিআই বাংলাদেশের দুইবারের সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া জেসিআই বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারপারসন ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এলিট।

;