রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) তুলনায় চলতি অর্থবছর (২০২২-২৩) বৈদেশিক বাজেট সহায়তা কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, গত অর্থবছরে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে সরকার ৩ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ বাজেট সহায়তা পেয়েছে। আর চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে জন্য ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ বাজেট সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার বিভিন্ন ধরনের সংস্কারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। এসব সংস্কারমূলক কাজের বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য অনেক সময় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান সরকারকে ‘বাজেট সাপোর্ট’ শীর্ষক নীতি ঋণ বা পলিসি ক্রেডিট প্রদান করে। কাজেই, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বাজেট সাপোর্ট গ্রহণ করছে বিষয়টি এ রকম নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

সরকারদলীয় এমপি এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এনবিআর গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আগের অর্থবছর থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করেছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আদায় করেছে তিন লাখ এক হাজার ৬৩৩ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে আদায় হয়েছে দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৮৯ দশমিক ২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ পূর্ববর্তী অর্থবছরের (২০২০-২১) তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৯ হাজার ৯৪৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

   

বিশ্বব্যাংক টাকা দেয়, তাদের কথা শুনতে হবে: অর্থমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, ‘বাংলাদেশ ভালো আছে'! বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাজেট ঘোষণার পরপরই বিরোধীদল বলে ওঠে, গেল, গেল! এ সরকার টিকবে না! কই, সরকার তো পড়ে না! দেশ তো দেউলিয়া হলো না! বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না! আপনি সবকিছু বোঝেন!

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশ ভালো আছে। বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে।

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান বলেন, এটা প্রস্তাবিত বাজেট। এ বাজেট ‘জনবান্ধব’! কোনো কিছু পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকলে পুনর্বিবেচনা করা হবে। বাজেট এখনো পাস হয়নি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিসংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;

এবারের বাজেট 'পরিণত সাহসী' বাজেট



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে 'পরিণত সাহসী' বাজেট বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

ড. শামসুল আলম বলেন, মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবারের বাজেট হওয়ার কথা ছিল ৯ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা। সেখানে এবার বাজেট সংকুচিত করে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বাজেট সংকুচিত করা হয়েছে। টাকার সরবরাহ কমলে মূল্যস্ফীতি কমবে। এবারের বাজেটে কৃপণতা দেখানো হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;

১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৬৪ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৪ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

বুধবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৪ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। আর গত জানুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০০ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার, ফেব্রুয়ারি মাসে এসেছে ১০০ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, মার্চ মাসে এসেছে ৯৫ কোটি ৬ লাখ ডলার, এপ্রিলে এসেছে ৯৪ কোটি ৩৬ লাখ, মে মাসে এসেছে ১১১ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসে অনেক বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

ধর্মীয় উৎসবগুলোকে সামনে রেখে দেশের অভিবাসী কর্মীরা সাধারণত বেশি অর্থ পাঠান। তাই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে জুনের ১৪ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৯ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২০ কোটি ৮১ লাখ ৯০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দেশে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার, ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ও ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

;

পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা

পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানি ঈদের প্রথম দিনেই চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় পূরণ করে ফেলেছেন লালবাগের পোস্তায় কাঁচা চামড়ার ব্যবসায়ীরা। গতকাল রাতের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার ৮০ ভাগ চামড়া কিনে লবণ লাগিয়েছেন। ফলে ঈদের দ্বিতীয় দিনে আড়তের শ্রমিকদের কোনো ব্যস্ততা নেই।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণের বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কাঁচা চামড়া কেনা ও লবণ লাগানো ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ হাউড এন্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএএইচএসএমএ)’র চেয়ারম্যান আফতাব খান।

তিনি বলেন, আমাদের পোস্তার ব্যবসায়ীদের এবারের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো এক লাখের কাছাকাছি চামড়া সংগ্রহ করা। আমরা সেই অনুযায়ী লবণ কিনে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আমাদের পোস্তার আড়ৎদার, ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা মিলে ঈদের প্রথম দিনেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮০ ভাগ চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। রাত ৯টার মধ্যেই চামড়া কেনা শেষ হয়। এমন কি গতকাল রাতের মধ্যেই লবণ লাগানো হয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিনে ১৫ ভাগ ও আগামীকাল বুধবার ঈদের তৃতীয় দিনে ৫ ভাগ সংগ্রহ করা হবে।


আফতাব খান আরও বলেন, ঢাকার বেশিরভাগ চামড়া আমাদের কাছে এসেছে। কিছু চামড়া হেমায়েতপুরেও লবণজাত করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চামড়া লবণজাত করেছেন ট্যানারি মালিকরা। ফলে ঢাকায় চামড়া নষ্ট হয়নি। গতকাল চামড়ার যে দাম ছিলো তার তুলনায় আজও ভালো দাম পাচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

সংগঠনটির সভাপতির দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে পোস্তার বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা যায়, কোনো আড়তেই চামড়ায় লবণ লাগানোর ব্যস্ততা নেই। প্রায় প্রতিটি আড়তেই লোকজন শূন্য। কোনো কোনো আড়তে চামড়ার পাশেই শ্রমিকদের ঘুমাতে দেখা গেছে।

অতীতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চামড়া কেনাবেচার ব্যস্ততা দেখা গেলেও এবার একাবারে বিপরীত চিত্র। চামড়া ঘিরে কোনো ব্যস্ততা নেই। দু একটি ট্রাক আসলেও চামড়া দিয়ে চলে যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ভালো দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। গতকাল যে চামড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ সেই চামড়ায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। আবার চামড়ার মান থাকলে আরও ভালো দাম দিয়ে কিনছেন ব্যবসায়ীরা।


ঈদের দ্বিতীয় দিনে পোস্তায় ব্যস্ততা না থাকার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর হাজারীবাগেও এবার চামড়া লবণজাত কারার সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পোস্তায় জায়গার সংকটের কারণে ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারির কারখানাগুলোতে চামড়ায় লবণজাত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাঁচা চামড়া ব্যবসাীদের এই নেতা বলেন, পোস্তায় আগের মতো ব্যবসায়ীরা নেই। নানা সংকটের কারণে অনেক ব্যবসায়ী  এই খাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এমন কি পোস্তা এলাকা যে গোডাউনগুলো ছিলো সেগুলো এখন আগের মতো নেই।  কারণ একজন চামড়া ব্যবসায়ী যে গোডাউনের ভাড়া দিতেন ৪০ হাজার টাকা এখন সেই একই গোডাউন কয়েকগুণ বেশিতে ভাড়া নিয়েছেন প্লাস্টিক ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী এখন চামড়া কিনতে পারেন না। ফলে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারির কারখানাগুলোতে চামড়ায় লবণজাত করার সুযোগ দিতে। আবেদনের প্রেক্ষিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিসিক আমাদের সেই অনুমতি দেয়। ফলে অনেক ব্যবসায়ী এখন হাজারীবাগেও চাড়মায় লবণজাত করেছেন। সল্প সময়ের জন্য অনুমতি পাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী চাহিদা মতো চামড়া সংগ্রহ করতে পারায় সহজেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী।

পোস্তার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সংগ্রহ করা চামড়া লবণজাত করার পরে কয়েকদিন তারা গুদামজাত করবেন। ঈদের পঞ্চম দিন থেকে তারা লবণজাত করা এই চামড়া ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি শুরু করবেন।

;